<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Resort Archives - SIC Group</title>
	<atom:link href="https://sicgroup.ae/category/resort/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sicgroup.ae/category/resort/</link>
	<description>Business of Excellence</description>
	<lastBuildDate>Tue, 11 Oct 2022 09:33:36 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.3</generator>

<image>
	<url>https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2023/11/cropped-SIC-32x32.png</url>
	<title>Resort Archives - SIC Group</title>
	<link>https://sicgroup.ae/category/resort/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>সাবাহ গার্ডেন রিসোর্ট</title>
		<link>https://sicgroup.ae/sabah-garden-resort/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/sabah-garden-resort/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Oct 2020 05:20:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Gazipur]]></category>
		<category><![CDATA[Resort]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1021</guid>

					<description><![CDATA[<p>ঢাকার অদূরে গাজীপুর এর বাঘের বাজার এলাকায় সাবাহ গার্ডেন রিসোর্ট (Sabah Garden Resort) অবস্থিত। ৩৬ বিঘা জমির ওপর নির্মিত হয়েছে রিসোর্টটি। কর্মব্যস্ত মানুষ নাগরিক জীবনে হাপিয়ে<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/sabah-garden-resort/">সাবাহ গার্ডেন রিসোর্ট</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ঢাকার অদূরে গাজীপুর এর বাঘের বাজার এলাকায় সাবাহ গার্ডেন রিসোর্ট (Sabah Garden Resort) অবস্থিত। ৩৬ বিঘা জমির ওপর নির্মিত হয়েছে রিসোর্টটি। কর্মব্যস্ত মানুষ নাগরিক জীবনে হাপিয়ে উঠে খোঁজেন প্রশান্তির ছোঁয়া। তাই একটু অবসরে দ্রুত প্রকৃতির সান্নিধ্য পেলে মন্দ হয় না। তাদের জন্য ঢাকার অদূরে গাজীপুরের প্রত্যন্ত এলাকায় মনোরম দৃশ্যমাখা গ্রামীণ পরিবেশে গড়ে ওঠা রিসোর্ট সাবাহ গার্ডেন।<br><br>সাবাহ গার্ডেন রিসোর্ট এর প্রতিষ্ঠাতা হাসান উদ্দিন সরকার এর মতে – প্রকৃতির সঙ্গে বিনোদন, বই নিয়ে ব্যস্ত থাকার চিন্তার ফসল এটি। বিশ্বের বিখ্যাত ব্যক্তিদের বাণী দিয়ে পুরো রিসোর্টটি সাজানো হয়েছে। এটি দেশের একমাত্র রিসোর্ট যেখানে রয়েছে একটি লাইব্রেরি। বিশ্বের বিভিন্ন লেখকের বই রিসোর্টটিকে ভিন্ন রূপ এনে দিয়েছে। এখানে রয়েছে মাটির ও টিনের ঘর। রয়েছে বিখ্যাত ব্যক্তিদের প্রতিকৃতি। রয়েছে সৌন্দর্যমণ্ডিত কয়েকটি কটেজ ও ৬টি ছোট বড় পুকুর। রয়েছে বাঘ, হাতিসহ কয়েকটি প্রাণির প্রতিকৃতিও। বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, ওষুধি, বনজ গাছের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে সাবাহ গার্ডেন রিসোর্ট।<br><br><strong>ভাড়া </strong><br>পিকনিক বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য ৬০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকা। <br>যোগাযোগঃ ০২-৫৫০৩৫১৯৪, ০১৭১১৮৭৩৮৯৫ <br>ফেইসবুক পেইজঃ Sabah Garden Resort <br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>নিজস্ব পরিবহন বা যাত্রীবাহী বাসে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাঘের বাজার (Bagher Bazar) আসতে হবে। এখানেই সাবাহ গার্ডেন রিসোর্টটি অবস্থিত।</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="One Day Kolkata Tour - একদিনে কোলকাতা ভ্রমন - কোলকাতার শপিং অভিজ্ঞতা" width="1220" height="686" src="https://www.youtube.com/embed/NQLqfREypCE?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/sabah-garden-resort/">সাবাহ গার্ডেন রিসোর্ট</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/sabah-garden-resort/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নক্ষত্রবাড়ী রিসোর্ট</title>
		<link>https://sicgroup.ae/nokkhottrobari-resort/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/nokkhottrobari-resort/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Oct 2020 05:45:39 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Gazipur]]></category>
		<category><![CDATA[Resort]]></category>
		<category><![CDATA[Nokkhottrobari Resort]]></category>
		<category><![CDATA[নক্ষত্রবাড়ী রিসোর্ট]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1024</guid>

					<description><![CDATA[<p>গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজবাড়ি এলকায় শিল্পীদম্পতি তৌকির-বিপাশা গড়ে তুলেছেন নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট। প্রায় ২৫ বিঘার জায়গাজুড়ে তৈরি এই অবসর যাপনকেন্দ্রে আছে দিঘি, কৃত্রিম ঝরনা, সভাকক্ষ, সুইমিংপুলসহ নানান<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/nokkhottrobari-resort/">নক্ষত্রবাড়ী রিসোর্ট</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজবাড়ি এলকায় শিল্পীদম্পতি তৌকির-বিপাশা গড়ে তুলেছেন নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট। প্রায় ২৫ বিঘার জায়গাজুড়ে তৈরি এই অবসর যাপনকেন্দ্রে আছে দিঘি, কৃত্রিম ঝরনা, সভাকক্ষ, সুইমিংপুলসহ নানান সুবিধা। নক্ষত্রবাড়ী প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুদের কাছেও অতি জনপ্রিয় নাম। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, পুকুরের পানির ওপর কাঠ-বাঁশের সমন্বয়ে নির্মিত ১১টি কটেজ। যার বারান্দায় বসে রাতের জোছনা বা পূর্ণিমা দেখা যায়। শুধু তাই নয়, প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে, অতি সৌন্দর্যের কটেজ এগুলো। এখানে বসে শোনা যায় ব্যাঙের ডাক, ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক, জোনাকির আলো ছড়ানো টিপ টিপ বাতি জ্বলা-নিভা। পুকুরের পশ্চিম পাশের পানির ওপর গজারী গাছ দিয়ে নির্মিত এসব কটেজ। কটেজ গুলোর ওপর রয়েছে ছনের ছাউনি। পুকুরের পূর্ব পাশে ব্রিটিশ আমলের দরজা-জানালা সংবলিত একটি ঘর রয়েছে। একটু পুবে রয়েছে সুইমিং পুল। রয়েছে আরও একটি বিল্ডিং কটেজ। রয়েছে একটি কনফারেন্স রুম ও খাবার হোটেল। আর এই হোটেলে রয়েছে বাংলা, চাইনিজ, ইন্ডিয়ান, থাই, কন্টিনেন্টাল খাবার। এখানে বিভিন্ন ধরনের গাছ-গাছালি রয়েছে। এখানে সার্বক্ষণিক ৪০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন।<br><br><strong>ভাড়া </strong><br>পানির ওপর কটেজগুলো ২৪ ঘণ্টার ভাড়া ১০ হাজার ৭৫২ টাকা। বিল্ডিং কটেজের ভাড়া কাপড়বেড ৮ হাজার ২২২ টাকা এবং টু-ইন বেড ৬ হাজার ৯৫৮ টাকা। দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশ মূল্য ৫০০ টাকা।<br><br><strong>যোগাযোগ </strong><br>ফোন নাম্বারঃ ০২-৯৮৩৫১৭৩, ০১১৯২১৫০৫৬৩, ০১৭৭১৭৯৯৪১০ ওয়েবসাইটঃ http://nokkhottrobari.com অনলাইন বুকিংঃ http://nokkhottrobari.com/reservations.php<br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>নিজস্ব পরিবহন বা যাত্রীবাহী বাসে করে গাজীপুর (Gazipur) চৌরাস্তা হয়ে ঢাকা-কাপাসিয়া মহাসড়কের রাজাবাড়ী বাজারে নামতে হবে। পরে রাজাবাড়ী বাজার থেকে দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে চিনাশুখানিয়া গ্রামের বাঙালপাড়া এলাকায় নক্ষত্রবাড়ী রিসোর্ট (Nokkhottrobari Resort) এর অবস্থান, যা কাপাসিয়া-শ্রীপুরের সীমানা বেষ্টিত এলাকা।</p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="One Day Kolkata Tour - একদিনে কোলকাতা ভ্রমন - কোলকাতার শপিং অভিজ্ঞতা" width="1220" height="686" src="https://www.youtube.com/embed/NQLqfREypCE?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/nokkhottrobari-resort/">নক্ষত্রবাড়ী রিসোর্ট</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/nokkhottrobari-resort/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সোহাগ পল্লী</title>
		<link>https://sicgroup.ae/shohag-palli/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/shohag-palli/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Oct 2020 05:52:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Gazipur]]></category>
		<category><![CDATA[Resort]]></category>
		<category><![CDATA[Shohag Palli]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1027</guid>

					<description><![CDATA[<p>কর্মব্যস্ত মানুষ নাগরিক জীবনে যখন হাপিয়ে উঠে তখন খুঁজে থাকে প্রশান্তির ছোঁয়া। তাই একটু অবসরে দ্রুত প্রকৃতির সান্নিধ্য পেলে মন্দ হয় না। যারা অল্প সময়ে এবং<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/shohag-palli/">সোহাগ পল্লী</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>কর্মব্যস্ত মানুষ নাগরিক জীবনে যখন হাপিয়ে উঠে তখন খুঁজে থাকে প্রশান্তির ছোঁয়া। তাই একটু অবসরে দ্রুত প্রকৃতির সান্নিধ্য পেলে মন্দ হয় না। যারা অল্প সময়ে এবং ঢাকার আসে পাশে থেকে ঘুরে আসতে চান তাদের জন্যে গাজীপুরের প্রত্যন্ত এলাকায় মনোরম দৃশ্যমাখা গ্রামীণ পরিবেশে গড়ে ওঠা রিসোর্ট সোহাগ পল্লী। গাজীপুরের চন্দ্রা মোড় থেকে ৪ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে কালামপুর গ্রামে সোহাগ পল্লী (Shohag Palli) অবস্থিত। মোট ১১ একর উঁচু-নিচু জমির ওপর নির্মিত এ রিসোর্ট।<br><br>সবুজে ঘেরা সোহাগ পল্লী রিসোর্টের অন্যতম আকর্ষণ হলো বিশাল এক জলাশয়ের ওপর নির্মিত অপরূপ সৌন্দর্যমণ্ডিত ঝুলন্ত সাঁকো। সকলের নজর কাড়ে এর পিলার ও বেলকনিতে খোঁদাই করা বিভিন্ন কারুকাজ। জলাশয়ের পূর্বপাশে রয়েছে একটি দ্বিতল রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টটির নাম রাখা হয়েছে মেজবান। এখানে কৃত্রিমভাবে একটি লেক নির্মাণ করা হয়েছে। যাতে সব সময়ই পানি থাকে। লেকের পানিতে বিভিন্ন জাতের মাছ দেখা যায়।<br><br>এ রিসোর্টে রয়েছে উন্নতমানের কয়েকটি কটেজ। কটেজগুলোর ঠিক সামনে দিয়ে বয়ে গেছে লেক। রয়েছে একটি সুইমিং পুল আর কনফারেন্সের জন্য একটি হলরুম। ৪০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে সার্বক্ষণিক সেবা দেওয়ার জন্য। এছাড়া রয়েছে উঁচু পাহাড়। যার নিচে এক পাশে রাক্ষসের হাঁ করা মুখ, উপরে সুন্দরী ললনার কোলে জলভর্তি কলসি এবং পাহাড়ের সামনে দু’দিকে দু’টি করে জিরাফ ও হরিণের প্রতিকৃতিসহ আরো অনেক প্রতিকৃতি রয়েছে।<br><br><strong>টিকেট মূল্য </strong><br>দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা।<br><br><strong>যোগাযোগ </strong><br>ওয়েবসাইটঃ http://www.shohagpalli.com ই-মেইলঃ info@shohagpalli.com অনলাইন রিজারভেশনঃ http://www.shohagpalli.com/reserbation_form.html ফোনঃ +৮৮০ ১৬১২-০৪৯৯০৩, +৮৮ ০২ ৯৩৫৪৯৮৩, +৮৮ ০২ ৯৩৫৪৯৮৪, +৮৮০ ১৭১২ ০৪৯৯০৩, +৮৮০ ১৭১২ ০৪৯৯০৪<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>নিজস্ব পরিবহন বা যাত্রীবাহী বাসে গাজীপুর চৌরাস্তা হয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা মোড়ে নামতে হবে। পরে চন্দ্রা মোড় থেকে ৪ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে কালামপুর গ্রামে গেলেই পেয়ে যাবেন সোহাগ পল্লী।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/shohag-palli/">সোহাগ পল্লী</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/shohag-palli/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ছুটি রিসোর্ট</title>
		<link>https://sicgroup.ae/chuti-resort/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/chuti-resort/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Oct 2020 07:46:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Resort]]></category>
		<category><![CDATA[Chuti Resort]]></category>
		<category><![CDATA[ছুটি রিসোর্ট]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1034</guid>

					<description><![CDATA[<p>ছুটি রিসোর্ট (Chuti Resort) গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ঘেঁষে প্রায় ৫০ বিঘা জায়গাজুড়ে সুকুন্দি গ্রামে অবস্থিত। গ্রামীণ আবহে অবকাশ যাপনের জন্য উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/chuti-resort/">ছুটি রিসোর্ট</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ছুটি রিসোর্ট (Chuti Resort) গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ঘেঁষে প্রায় ৫০ বিঘা জায়গাজুড়ে সুকুন্দি গ্রামে অবস্থিত। গ্রামীণ আবহে অবকাশ যাপনের জন্য উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে এ রিসোর্টটি। ছুটি রিসোর্ট এ রয়েছে নৌ ভ্রমণের ব্যবস্থা, বিরল প্রজাতির সংরক্ষিত বৃক্ষের বনে রয়েছে টানানো তাঁবু। ছনের ঘর, রেগুলার কটেজ, বার্ড হাউস, মাছ ধরার ব্যবস্থা, হার্বাল গার্ডেন, বিষমুক্ত ফসল, দেশীয় ফল, সবজি, ফুলের বাগান, বিশাল দুটি খেলার মাঠ, আধুনিক রেস্টুরেন্ট, দুটি পিকনিক স্পট, গ্রামীণ পিঠা ঘর, বাচ্চাদের জন্য কিডস জোনসহ সারা দিন পাখির কলরব, সন্ধ্যায় শিয়ালের হাঁক, বিরল প্রজাতির বাঁদুড়, জোনাকি পোকার মিছিল ও আতশবাজি, ঝিঁঝিঁ পোকার হৈচৈ। আর ভরা পূর্ণিমা হলে তো কথাই নেই। রিসোর্টের নিয়ম অনুসারে চাঁদনী রাতে বিদ্যুতের আলো জ্বালানো হয় না। ভরা পূর্ণিমা এবং রিমঝিম বর্ষা উপভোগ করার জন্য এই ছুটিই হচ্ছে অন্যতম রিসোর্ট। এখানে আগত দর্শনার্থীদের নানা ধরনের মৌসুমি ফল সম্পূর্ণ ফ্রি দেওয়া হয়। অতিথিদের জন্য এখানে সকালে পরিবেশন করা হয় চালের নরম রুটি অথবা চিতই পিঠা, সঙ্গে দেশি নানা প্রকার সবজি, ডাল ভুনা ও মুরগির গোশত। একবারে কাছ থেকে বিল-ঝিলের আনন্দ উপভোগ করা যায় এখানে। ছুটি রিসোর্ট এর বড় আকর্ষণ মাছ ধরার ব্যবস্থা। আগত দর্শনার্থীরা ভিতরের লেকে ইচ্ছামতো মাছ শিকার করতে পারবেন। অবশ্য এ জন্য একটু আলাদা ফি লাগে। ভেতরের বড় বড় ৩টি লেক দেখলে মনে হয় যেন একেকটি বিশালাকার বিল-ঝিল। আগত দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডিমিন্টন খেলার মাঠ রয়েছে। এসি, নন-এসি ২১টি কটেজ রয়েছে। এখানে দুই ধরনের থাকার ব্যবস্থা আছে। পরিপূর্ণ গ্রামীণ আমেজের প্রাণময় লোকজ বসবাস অথবা ইট কাঠ বালুর কটেজ। রয়েছে সুইমিং পুল। রয়েছে দুটি কনফারেন্স রুম। খাবার হোটেলে বাংলা, চাইনিজ, ইন্ডিয়ান, থাই, কন্টিনেন্টাল খাবার পাওয়া যায়।<br><br><strong>ভাড়া </strong><br>কটেজগুলো ২৪ ঘণ্টার ভাড়া ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা। কনফারেন্স রুম ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা এবং পিকনিকের জন্য ১০০ থেকে ২০০ জনের ভাড়া ৯০ হাজার টাকা।<br><br>ফ্যামিলি কটেজ ২টি এসি রুম ও অন্যান্য সুবিধা- ১৪,০০০ টাকা, ভ্যাট ওসার্ভিস চার্জসজ ১৭৭,১০ টাকা। প্লাটিনাম কিং কটেজ – ৮,০০০ টাকা, ভ্যাট ও সার্ভিস চার্জসহ ১০,১২০ টাকা। ডিলাক্স টুইন কটেজ – কটেজ: ৬,০০০ টাকা, ভ্যাট ও সার্ভিস চার্জসহ ৭,৫৯০ টাকা। প্রিমিয়াম টুইন কটেজ – ৭,০০০ টাকা, ভ্যাট ও সার্ভিস চার্জসহ ৮,৮৫৫ টাকা। প্রিমিয়াম ডিলাক্স ভিলা – ৯,০০০ টাকা, ভ্যাট ও সার্ভিস চার্জসহ ১১,৩৮৫ টাকা। এক্সিকিউটিভ স্যুট – ১৩,০০০ টাকা, ভ্যাট ও সার্ভিস চার্জসহ ১৬,৪৪৫ টাকা। রয়েল স্যুট – ১৭,০০০ টাকা, ভ্যাট ও সার্ভিস চার&#8230;<br><br><strong>যোগাযোগের ঠিকানা </strong><br>ঠিকানাঃ ছুটি রিসোর্ট, সুকুন্দি, আমতলী, জয়দেবপুর, গাজীপুর। ফোন নাম্বারঃ ০১৭৭৭১১৪৪৮৮, ১৭৭৭১১৪৪৯৯ ই-মেইলঃ info@chutibd.com ওয়েবসাইটঃ www.chutibd.com ফেসবুকঃ facebook.com/chutiresort<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>প্রথমে গাজীপুরের চৌরাস্তায় আসতে হবে। সেখান থেকে নিজস্ব পরিবহন বা যাত্রীবাহী বাসে করে গাজীপুর ডিসি অফিসের সামনে (রাজবাড়ী) চলে যান। সেখান থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার পূর্বে আমতলী বাজার থেকে একটু উত্তরে সুকুন্দি ছুটি রিসোর্টের অবস্থান।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/chuti-resort/">ছুটি রিসোর্ট</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/chuti-resort/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাঙামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্ট</title>
		<link>https://sicgroup.ae/rangamati-water-front-resort/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/rangamati-water-front-resort/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Oct 2020 08:51:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Gazipur]]></category>
		<category><![CDATA[Resort]]></category>
		<category><![CDATA[Rangamati Water Front Resort]]></category>
		<category><![CDATA[রাঙামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্ট]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1040</guid>

					<description><![CDATA[<p>রাঙামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্ট ও বনভোজন কেন্দ্রটি ঢাকা শহরের খুব কাছে গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত। নাম রাঙ্গামাটি বলে অনেকেই প্রথমে ভেবে থাকেন রাঙ্গামাটি? সেতো অনেক দূর! আসলে<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/rangamati-water-front-resort/">রাঙামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্ট</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>রাঙামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্ট ও বনভোজন কেন্দ্রটি ঢাকা শহরের খুব কাছে গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত। নাম রাঙ্গামাটি বলে অনেকেই প্রথমে ভেবে থাকেন রাঙ্গামাটি? সেতো অনেক দূর! আসলে রাঙ্গামাটি জেলার নামের সাথে মিল রেখে এই অবকাশ কেন্দ্রের নামকরন করা হয়েছে রাঙ্গামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্ট। এখানে আছে বনভোজন কেন্দ্র, লেকে মাছ ধরা ও বেড়ানোর ব্যবস্থা এবং কটেজে অবকাশ যাপনের ব্যবস্থা। চারপাশ শালগাছে ঘেরা। এখানে আছে একটি মুক্তমঞ্চ। আছে লেকে নৌ-ভ্রমণের ব্যবস্থা, আছে সুইমিং পুলে শরীর ভিজানোর সুযোগ। পিকনিক স্পট আছে। অন্য সব খাবারের সঙ্গে তন্দুরি আর কাবাবও পাবেন। কটেজ আছে সাতটি, দোতলা ভবন আছে আরো আটটি। সব কক্ষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। <br><br>রাঙামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্টটি (Rangamati Waterfront Resort) মুলত পারিবারিক ও কর্পোরেট পিকনিকের জন্য বিশেষ ভাবে প্রস্তুত করা। কামিনি, যামিনি, বিজ ফিল্ড ও এমফি থিয়েটার নামে ৪টি পিকনিক স্পট রয়েছে এখানে। প্রত্যেকটি স্পটে রয়েছে আদালা আলাদা খেলার মাঠ ও রান্না জায়গা। পুরো রিসোর্টের চার পাশে রয়েছে ঘন সবুজ অরন্য, নিরিবিলি পরিবেশ, শিশুদের খেলার জায়গা।<br><br><strong>আরও রয়েছে </strong><br>পিকনিক স্পট মিউজিক ইভেন্ট বার-বি-কিউ কর্নার লাভ কর্নার<br><br><strong>আনুমানিক খরচ </strong><br>পিকনিক স্পট ভাড়া কামিনি – ৩৫,০০০ টাকা যামিনি – ৩৫,০০০ টাকা বিগ ফিল্ড – ৫০,০০০ টাকা এম্ফি থিয়েটার – ৪০,০০০ টাকা <br><br><strong>কটেজ ভাড়া </strong><br>ডিলাক্স সুইট – ৭০০০ টাকা সিঙ্গেল সুইট – ছুটির দিনে ৫০০০ টাকা এবং ছুটির দিন ব্যাতীত অন্যান্য দিন ৪০০০ টাকা।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>ঢাকার মহাখালী বা ফার্মগেট থেকে বাসে করে যাবেন চন্দ্রায়। তারপর চন্দ্রায় থেকে টেম্পো বা রিকশা করে টাঙ্গাইল রোড ধরে যেতে হবে রাঙমাটি-ওয়াটার-ফ্রন্টে।<br><br><strong>যোগাযোগ </strong><br>বুকিংঅফিসঃ ফ্ল্যাট # ৬০২, কনকর্ড টাওয়ার, ১১৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, বাংলামটর, ঢাকা। ফোন – ০১৮১১৪১৪০৭৪, ০১৮১১৪১৪০৮০, ০২-৯৩৪১০৮৬ <br><strong>এছাড়াও যোগাযোগ করতে পারেন তাদের ওয়েবসাইটে।</strong></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/rangamati-water-front-resort/">রাঙামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্ট</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/rangamati-water-front-resort/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অঙ্গনা রিসোর্ট</title>
		<link>https://sicgroup.ae/ongona-resort/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/ongona-resort/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Oct 2020 08:58:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Resort]]></category>
		<category><![CDATA[অঙ্গনা রিসোর্ট]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1044</guid>

					<description><![CDATA[<p>অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হওয়ায় এই রিসোর্টের নামকরণ করা হয়েছে অঙ্গনা। গ্রামীণ সৌন্দর্যের বেসরকারি রিসোর্ট অঙ্গনার মালিক উপমহাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার ভাই সৈয়দ আলী মুরাদ<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/ongona-resort/">অঙ্গনা রিসোর্ট</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হওয়ায় এই রিসোর্টের নামকরণ করা হয়েছে অঙ্গনা। গ্রামীণ সৌন্দর্যের বেসরকারি রিসোর্ট অঙ্গনার মালিক উপমহাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার ভাই সৈয়দ আলী মুরাদ ২০০৪ সালে ১৮ বিঘা জমির ওপর এটি নির্মাণ করেন। যার অবস্থান গাজীপুরের কাপাসিয়ার সূর্যনারায়ণপুর গ্রামে। নগর জীবনে একাধারে চলতে চলতে ক্লান্তি এসে যায় মনে। আর এই ক্লান্তি দূর করতে রাজধানীর অদূরে কাপাসিয়ার সূর্যনারায়ণপুর গ্রামে গড়ে তোলা হয়েছে বেসরকারি এই রিসোর্ট অঙ্গনা।<br><br>ভাওয়াল পরগনার লালমাটির পাহাড়বেষ্টিত এই রিসোর্ট। পুরো রিসোর্ট এলাকা একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঘেরা। এই নিরাপত্তার স্বার্থে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে পুরো রিসোর্ট এলাকায়। প্রাকৃতিকভাবে সাজানো বাগান। এখানে রয়েছে দুটি খেলার মাঠ, রয়েছে দুটি বিশালাকার পুকুর। মিটিং, প্রশিক্ষণ, কর্মশালা এবং ব্রেইন স্টরমিং বৈঠকের ব্যবস্থা। রয়েছে শিশুদের জন্য পুরো কেটারিংয়ের ব্যবস্থা। বিশাল জলাশয় রয়েছে। একটি সুইমিং পুল, একটি ব্যাডমিন্টন কোট ও একটি ডির পার্কও রয়েছে এখানে। অঙ্গনার সবচেয়ে আকর্ষণ হচ্ছে সুন্দরবনের অপরূপ হরিণ। বিশালাকৃতির দুটি খাঁচায় রয়েছে অন্তত ১৬টি হরিণ। সঙ্গে হরিণের বাচ্চাও রয়েছে কয়েকটি। কয়েকটি বাঁশ বাগান পুকুরপাড়ের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। <br><br>রয়েছে মাটির ঘর, আকর্ষণীয় একটি ফোয়ারা ও সুইমিং পুল। যা আগতদের আকর্ষণ আরও বাড়িয়ে দেয়। এখানে রয়েছে একটি জামে মসজিদ। রয়েছে দুটি সড়কের নামফলক। এর মধ্যে একটি দীনা লায়লা এবং অপরটি এমদাদ স্মরনী। একটি বাংলোয় ১৪টি কক্ষ রয়েছে। আগত দর্শনার্থীদের সার্বক্ষণিক সেবা দিতে ১৮ জন কর্মচারী রয়েছেন। এখানে শ্রীলঙ্কানরা বেশি আসেন। সময় পেলে ঘুরে আসতে পারেন।<br><br><strong>ভাড়াঃ </strong><br>অঙ্গনা রিসোর্ট এর কটেজগুলোর প্রতি কক্ষ ২৪ ঘণ্টার ভাড়া ৫ হাজার টাকা। পিকনিক বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য পুরো অঙ্গনার ভাড়া ৭০-৮৫ হাজার টাকা।<br><br><strong>যাওয়ার উপায়ঃ </strong><br>নিজস্ব পরিবহন বা যাত্রীবাহী বাসযোগে গাজীপুর (Gazipur) চৌরাস্তা হয়ে ঢাকা-কাপাসিয়া মহাসড়কের পাবুররাস্তা নামক স্থানে নামতে হবে। পরে পাবুররাস্তার মোড় থেকে এক কিলোমিটার দক্ষিণে সূর্যনারায়ণপুর গ্রামে মিলবে অঙ্গনার অবস্থান।<br><br><strong>যোগাযোগঃ </strong><br>অফিসিয়াল ওয়েবসাইট – http://anganaresort.com/ ফেইসবুক পেইজ –http://www.facebook.com/anganaresort ফোন নাম্বার – +৮৮০ ১৭১১১১৮২৬২৬</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/ongona-resort/">অঙ্গনা রিসোর্ট</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/ongona-resort/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্ক</title>
		<link>https://sicgroup.ae/vaowal-national-park/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/vaowal-national-park/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Oct 2020 09:09:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Resort]]></category>
		<category><![CDATA[Vaowal National Park]]></category>
		<category><![CDATA[ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্ক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1047</guid>

					<description><![CDATA[<p>ঢাকা থেকে চল্লিশ কিলোমিটার দূরে ও গাজীপুর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে জয়দেবপুরে ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্ক অবস্থিত। গাছগাছালিতে ঢাকা এ উদ্যানের প্রতিটি জায়গাই নজরকাড়া। সারি সারি<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/vaowal-national-park/">ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্ক</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ঢাকা থেকে চল্লিশ কিলোমিটার দূরে ও গাজীপুর থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে জয়দেবপুরে ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্ক অবস্থিত। গাছগাছালিতে ঢাকা এ উদ্যানের প্রতিটি জায়গাই নজরকাড়া। সারি সারি বৃক্ষের মাঝে পায়ে চলা পথ। হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হয়ে পড়লে বিশ্রামের জন্য আছে বেঞ্চ কিংবা ছাউনি। বনের মাঝে কোথাও কোথাও চোখে পড়বে ধানক্ষেত। কোথাও আবার পুকুর কিংবা ছোট আকারের লেক। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের মূল উদ্ভিদ হলো শাল। প্রায় ২২০ প্রজাতির গাছপালা আছে এ বনে। এর মধ্যে ৪৩ প্রজাতির বিভিন্ন রকম গাছ, ১৯ প্রজাতির গুল্ম, ৩ প্রজাতির পাম, ২৭ প্রজাতির ঘাস, ২৪ প্রজাতির লতা, ১০৪ প্রজাতির ঔষধি গাছ। জীব বৈচিত্র্যেরও কমতি নেই এ বনে। প্রায় ১৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ৯ প্রজাতির সরীসৃপ, ৫ প্রজাতির পাখি ও ৫ প্রজাতির উভচর প্রাণীও<br><br>এ ছাড়া ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের (Bhawal National Park) ভেতরে আছে বেশ কয়েকটি বনভোজন কেন্দ্র। এগুলোর নামও বেশ মজার। আনন্দ, কাঞ্চন, সোনালু, অবকাশ, অবসর, বিনোদন আরো কত বাহারি নামের বনভোজন কেন্দ্র । এখানকার কটেজগুলোও বাহারি নামের। বকুল, মালঞ্চ, মাধবি, চামেলী, বেলী, জুঁই ইত্যাদি। নামের মতো এগুলোর পরিবেশও ভিন্ন আমেজের। পিকনিক স্পট কিংবা রেস্ট হাউস ব্যবহার করতে হলে বন বিভাগের মহাখালী কার্যালয় থেকে আগাম বুকিং দিয়ে আসতে হয়।<br><br><strong>টিকেট মূল্যঃ </strong><br>ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ৬ টাকা। প্রাইভেট কার কিংবা মাইক্রোবাস নিয়ে প্রবেশ করতে লাগবে ৩০ টাকা আর মিনি বাসের জন্য প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা।<br>ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ৬ টাকা। প্রাইভেট কার কিংবা মাইক্রোবাস নিয়ে প্রবেশ করতে লাগবে ৩০ টাকা আর মিনি বাসের জন্য প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা।<br><br><strong>কিভাবে যাবেনঃ </strong><br>ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী যেকোনো বাসে চড়ে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ফটকের সামনেই নামা যায়। এ ছাড়া ঢাকার গুলিস্তান থেকে প্রভাতী বনশ্রী পরিবহনসহ বেশ কয়েকটি বাস চলে এ পথে। ভাড়া ৪০-৫০ টাকা। নিজস্ব বাহনে গেলে জয়দেবপুর চৌরাস্তা ছাড়িয়ে ময়মনসিংহের দিকে কিছু দূর চলতে হাতের ডানে পড়বে এর প্রধান প্রবেশপথ।<br><br><strong>কোথায় থাকবেনঃ </strong><br>ঢাকার খুব কাছে হওয়ার কারনে আপনি দিনে যেয়ে দিনেই ফিরতে পারবেন, তাই আপনাকে থাকা নিয়ে খুব একটা চিন্তা করতে হচ্ছে না। তারপরও গাজীপুর জেলার যে কোন আবাসিক হোটেলে রাত্রি যাপন করা যাবে।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/vaowal-national-park/">ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্ক</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/vaowal-national-park/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গাজীপুর সাফারি পার্ক</title>
		<link>https://sicgroup.ae/bangabandhu-safari-park/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/bangabandhu-safari-park/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Oct 2020 09:43:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Resort]]></category>
		<category><![CDATA[Bangabandhu Safari Park]]></category>
		<category><![CDATA[Gazipur Safari Park]]></category>
		<category><![CDATA[গাজীপুর সাফারি পার্ক]]></category>
		<category><![CDATA[বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1051</guid>

					<description><![CDATA[<p>ঢাকা থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাঘের বাজার থেকে ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় মাওনা ইউনিনে গাজীপুর সাফারি পার্ক বা বঙ্গবন্ধু সাফারি<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/bangabandhu-safari-park/">গাজীপুর সাফারি পার্ক</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ঢাকা থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাঘের বাজার থেকে ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় মাওনা ইউনিনে গাজীপুর সাফারি পার্ক বা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কটি অবস্থিত। ভাওয়াল গড়ের ছোট ছোট টিলা ও নিচু ভূমি সমৃদ্ধ বিশাল শালবনে তৈরি করা হয়েছে এই সাফারি পার্ক। ৩৬৯০ একর বিশাল আয়তনের এই পার্ক উপর থেকে দেখার জন্য রয়েছে পর্যবেক্ষন<br><br>কেন্দ্র। ঢাকার খুব কাছে হওয়ার কারনে আপনি ফ্যামিলি নিয়ে দিনে যেয়ে দিনেই ফিরতে পারবেন। এখানের সবথেকে দারুন বিষয় হলো – এখানে আপনি থাকবেন খাঁচার মধ্যে আর বাঘ, সিংহরা আপনার চারপাশে ঘুরে বেড়াবে এমন একটা অনুভূতি পাবেন। গাজীপুর সাফারি পার্কটিকে (Gazipur Safari Park) ৫টি অংশে বিভক্ত করা হয়েছে – কোর সাফারি, সাফারি কিংডম, বায়োডাইভার্সিটি পার্ক, এক্সটেনসিভ এশিয়ান সাফারি পার্ক এবং বঙ্গবন্ধু স্কয়ার।<br><br><strong>কোর সাফারি </strong><br>এখানে গাড়ি ছাড়া কোনও পর্যটক প্রবেশ করতে পারবেন না। দর্শনার্থীদের জন্য রয়েছে দুটি জিপ ও দুটি মিনিবাস। পর্যটক বা দর্শনার্থীরা নির্দিষ্ট ফি পরিশোধ করে গাড়ি বা জিপে করে প্রকৃতিক পরিবেশে ছেড়ে রাখা বন্যপ্রাণি দেখতে পারবেন। কোর সাফারী পার্কের মধ্যে আছে – বাঘ, সিংহ, কালো ভাল্লুক, আফ্রিকান চিতা, চিত্রা হরিণ, সাম্বার, গয়াল, হাতি, মায়া ও প্যারা হরিণ।<br><br>আফ্রিকান সাফারি পার্কের জন্য বরাদ্দ ২৪০ একর। যার মধ্যে বাঘ, সিংহ, সাদা সিংহ, জেব্রা, জিরাফ, ওয়াল্ডিবিস্ট, অরিক্স, ব্ল্যাক বাক, ভাল্লুক ও অন্যান্য বন্যপ্রাণি। কোর সাফারি পার্কে গাড়ির ভিতর থেকেও বাঘ, সিংহ কিংবা জিরাফকে ক্যামেরা বন্দি করতে পারবেন।<br><br><strong>সাফারি কিংডম </strong><br>৫৫৬ একরের মধ্যে তৈরি করা এই অংশে ঢুকতে গেইটের পাশেই ম্যাকাও ল্যান্ড। এখানে আছে নীল-সোনালি ম্যাকাও, সবুজ ম্যাকাও, আফ্রিকান গ্রে প্যারট, টিয়া, পেলিকেন, লুটিনো রিংনেক প্যারটসহ প্রায় ৩৪ প্রজাতির পাখি। সবগুলোই আফ্রিকা থেকে আনা হয়েছে। ম্যাকাও ল্যান্ডের পাশেই মেরিন অ্যাকুরিয়াম। রয়েছে প্রায় ২০ প্রজাতির মাছ। ক্রোকোডিল ফিস, টাইগার ফিস, লুকিয়ে থাকা ব্ল্যাক গোস, অস্কার। রয়েছে চিকলেট মাছ যা ২০ সেকেন্ড পর পর রং পরিবর্তন করে। এছাড়াও রয়েছে প্রজাপতি সাফারি। যেখানে প্রায় ২৬ প্রজাতির প্রজাপতি রয়েছে। সাফারি কিংডমে রয়েছে প্রকৃতিবীক্ষণ কেন্দ্র, ফ্যান্সি কার্প গার্ডেন, জিরাফ ফিডিং স্পট, আইল্যান্ড, বোটিং ও লেইক জোন।<br><br>তাছাড়া অর্কিড হাউজ, শকুন ও পেঁচা কর্নার, এগ ওয়ার্ল্ড, ক্যাঙারু, হাতি শো গ্যালারি। সাফারি কিংডমের পশ্চিমে অংশে আলাদাভাবে নির্মাণ করা হয়েছে বিশালি তিনটি পাখিশালা। ধনেশ পাখিশালায় রয়েছে প্রায় আট প্রজাতির পাখি। এরইমধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির প্যারট, ফিজেন্ট ধনেশ, ফ্লেমিংগো, ব্ল্যাক সোয়ান ও বিরল প্রজাতির মান্ডারিন ডাক ছাড়া হয়েছে।<br><br><br><strong>টিকেট মূল্য </strong><br>প্রাপ্ত বয়ষ্ক জনপ্রতি পার্কে প্রবেশ টিকেট ৫০ টাকা এবং ১৮ বয়সীদের নিচে প্রবেশ ফি ২০ টাকা, শিক্ষার্থীদের ১০ টাকা। শিক্ষা সফরে আসা শিক্ষার্থী গ্রুপ ৪০ থেকে ১০০ জন ৪০০ টাকা, আর যদি শিক্ষার্থী গ্রুপ ১০০ জনের বেশি হয় তাহলে ৮০০ টাকা এবং বিদেশি পর্যটকদের জন্য পাঁচ ইউএস ডলার। গাড়িতে করে কোর সাফারি পার্ক পরিদর্শন প্রাপ্ত বয়ষ্কদের প্রতিজনের টিকিট ফি ১শ’ টাকা। অপ্রাপ্ত বয়ষ্কদের জন্য ৫০ টাকা। প্যাডেল বোট ভ্রমণ ৩০ মিনিট ২শ’ টাকা।<br><br><strong>পার্কিং খরচ </strong><br>বাস পার্কিং ২শ’ টাকা। মিনি বাস বা মাইক্রোবাস পার্কিং ২শ’ টাকা। গাড়ি বা জিপ পার্কিং ৬০ টাকা। অটোরিকশা বা সিএনজি পার্কিং ৬০ টাকা।<br><br><strong>সময়সূচী </strong><br>সাফারি পার্ক মঙ্গলবার বাদে প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকেলে ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে।<br><br><strong>খাওয়া দাওয়ার সুবিধা </strong><br>গাজীপুর সাফারি পার্কে আছে দুটি বিশাল আকার পর্যবেক্ষণ রেস্তোরাঁ, একটির নাম টাইগার রেস্তোরাঁ অপরটি সিংহ পর্যবেক্ষণ রেস্তোরাঁ। এই দুটো রেস্টুরেন্টে বসেই কাচের মধ্যে দিয়ে সিংহ এবং বাঘ দেখতে দেখতে খাওয়াদাওয়া করা যাবে।<br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>মহাখালী থেকে ভালুকা, ময়মনসিংহ বা শ্রীপুরের বাসে উঠে পরুন। গাজীপুরের বাঘের বাজার নেমে যাবেন। জ্যাম বিবেচনা সাপেক্ষে ২ ঘণ্টা লাগবে। বাস থেকে নেমে রিকশা বা সিএনজি অটোরিকশায় পার্কে যাওয়া যাবে। সময় লাগবে মাত্র ২০ মিনিট। এখান থেকে রিকশা নিলে ৫০-৭০ টাকা ভাড়া নেবে পার্ক পর্যন্ত।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/bangabandhu-safari-park/">গাজীপুর সাফারি পার্ক</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/bangabandhu-safari-park/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জল জঙ্গলের কাব্য</title>
		<link>https://sicgroup.ae/jol-jongoler-kabbo/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/jol-jongoler-kabbo/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Oct 2020 09:52:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Resort]]></category>
		<category><![CDATA[Jol Jongoler Kabbo resort]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1054</guid>

					<description><![CDATA[<p>গাজীপুর জেলার টংগীর পুবাইলে অবস্থিত জল জঙ্গলের কাব্য (Jol Jongoler Kabbo) রিসোর্ট যা অনেকের কাছে পাইলট বাড়ি হিসেবে পরিচিত। প্রাকৃতিক এক ভূমিকে অবিকৃত রেখে আরো প্রাকৃতিক<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/jol-jongoler-kabbo/">জল জঙ্গলের কাব্য</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>গাজীপুর জেলার টংগীর পুবাইলে অবস্থিত জল জঙ্গলের কাব্য (Jol Jongoler Kabbo) রিসোর্ট যা অনেকের কাছে পাইলট বাড়ি হিসেবে পরিচিত। প্রাকৃতিক এক ভূমিকে অবিকৃত রেখে আরো প্রাকৃতিক করা হয়েছে ডিজাইনারের নিপুণ ছোঁয়ায়। জোছনা দেখতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন জল জঙ্গলের কাব্য থেকে। বিলের ওপর জোছনার আসতে পারেন জল জঙ্গলের কাব্য থেকে। বিলের ওপর জোছনার আলো এক অন্য রকম অনুভূতি দিবে আপনাকে। অল্প খরচে সারাদিন ঘুরে আসার জন্য এর চেয়ে ভাল জায়গা হবে না। প্রাকৃতিক গাছপালা আর শান্তু বিলের পারে বসে কাটিয়ে দিন ১ টা দিন। ঢাকার আসে পাশে একদিনের মধ্যে ঘুরে আসার জন্যে এর থেকে ভালো জায়গা খুব কমই পাবেন।<br><br>হারিয়ে যাবার আগেই যারা আরো কিছুদিন ছুঁয়ে দেখতে চান অনাবিল সবুজ, মাছের দেখা নাই তবু বড়শি হাতে বসে থাকতে চান নিস্তরঙ্গ দুপুরে তাদের জন্য অপেক্ষায় আছে জল জঙ্গলের কাব্য। এক নিভৃতচারী মানুষের স্বপ্নসাধ বলা যায় এই আয়োজন, ঢাকার অদূরে পূবাইলে ৯০ বিঘা জমির উপর গড়ে উঠেছে একটুকরো গ্রাম। বাঁশ আর পাটখড়ির বেড়া ,উপরে ছনের ছাউনি, সামনে দিগন্ত বিস্তৃত জলের নাচন। এটা তেমন আধুনিক জায়গা নয় কিন্তু পরিচ্ছন্ন এবং গ্রাম-বাংলার একটা ছোয়া আছে এর আদলে।<br><br>জল জঙ্গলের কাব্য পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে গড়ে তোলা। এর ঘরগুলো বাঁশ-বেড়ার। বেলাই বিল মানে ওয়াটার বডিকে কেন্দ্রীয় চরিত্র রেখে তৈরি করা হয়েছে জল জঙ্গলের কাব্য। নিজস্ব জমির শাক-সবজি ও ধান দিয়ে খাবার তৈরি হয়। বিল থেকে মাছও ধরা হয়। সকালে চালগুঁড়ার রুটির কথা অনেকে মনে রাখেন। রিসোর্ট কর্মীরা পেশাদার, তবে বাণিজ্যিক নয়।<br><br><strong>খরচ </strong><br>এখানে জনপ্রতি নেয়া হয় ৩০০০ টাকা নাস্তা, দুপুর ও রাতের খাবার সহ। খরচটা একটু বেশী মনে হতে পারে। তবে খাবার বহরা দেখলে তা আর মনে হবে না। সারাদিনের জন্যে ১৫০০ টাকা জনপ্রতি (সকালের সাস্তা, দুপুরের খাবার আর বিকেলে স্ন্যাক্স)। শিশু (৫-১০ বছর), কাজের লোক ও ড্রাইভার – ৬০০ টাকা জনপ্রতি।<br> <br><strong>যোগাযোগ </strong><br>ফোন নম্বর – ০১৯১৯৭৮২২৪৫ (মি: কামরুল) অথবা ০১৯১৯৭৮২২৪৫ <br><br><strong>খাবার </strong><br>জল জংগলের কাব্য এর খাবারের মেনুগুলো দারুন – ভাত, পোলাও, চালতা দিয়ে ডাল, মুরগির মাংশ, রুই মাছ, গুড়া মাছ, তেতুল দিয়ে কচুমুখি, আলু ভর্তা, ডাল ভর্তা, ঘন ডাল আরো বেশ কটি আইটেম।<br><br>সকালের নাস্তায় থাকে চিতই পিঠা, গুড়, লুচি, মাংশ, ভাজি, চা, মুড়ি। <br><br>দুপুরের খাবারে থাকে ১০/১২ রকম দেশী আইটেম। মোটা চালের ভাত, পোলাও, মুরগির ঝোল, ছোট মাছ আর টক দিয়ে কচুমুখির ঝোল, দেশী রুই মাছ, ৩ রকমের ডাল, কয়েক রকমের ভর্তা এবং সবজি।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/jol-jongoler-kabbo/">জল জঙ্গলের কাব্য</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/jol-jongoler-kabbo/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নুহাশ পল্লী</title>
		<link>https://sicgroup.ae/nuhash-polli/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/nuhash-polli/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Oct 2020 10:05:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Resort]]></category>
		<category><![CDATA[Nuhash Polli]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1057</guid>

					<description><![CDATA[<p>নুহাশ পল্লী (Nuhash Polli) পিরুজ আলী গ্রামে অবস্থিত যা কিনা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্রাম। প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ (Humayun Ahmed) ঢাকার অদূরে গাজীপুরে প্রতিষ্ঠা করেছেন এই<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/nuhash-polli/">নুহাশ পল্লী</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>নুহাশ পল্লী (Nuhash Polli) পিরুজ আলী গ্রামে অবস্থিত যা কিনা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্রাম। প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ (Humayun Ahmed) ঢাকার অদূরে গাজীপুরে প্রতিষ্ঠা করেছেন এই প্রাকৃতিক নৈসর্গ নুহাশ পল্লী। গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে হোতাপাড়া বাজার। সেখান থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে পিরুজালী গ্রামে অবস্থিত নুহাশ পল্লী যা ৪০ বিঘা জায়গা নিয়ে তৈরি। একেবারে জঙ্গলের ভিতরে হঠাৎ করে এক টুকরো পরিচ্ছন্ন উদ্যান। শান্ত সৌম্য পরিবেশ। উপরে লিচু, জাম আর শান্তির প্রতীক জলপাই গাছ। নিচে সবুজ ঘাসের গালিচা। যেন এক টুকরো শান্তি নিকেতন। এইখানে চির নিদ্রায় হুমায়ূন আহমেদ, উত্তরাধুনিক বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তী লেখক।<br><br><strong>কি কি আছে নুহাশ পল্লীতে </strong><br>এখানে ২৫০ প্রজাতির দূর্লভ ঔষধি, মসলা জাতীয়, ফলজ ও বনজ গাছ রয়েছে। প্রতিটি গাছের গায়ে সেটে দেয়া আছে পরিচিতি ফলক, যা দেখে গাছ চেনা যাবে সহজেই। সবুজ মাঠের মাঝখানে একটি বড় গাছের উপর ছোট ছোট ঘর তৈরি করা হয়েছে। উদ্যানের পূর্ব দিকে রয়েছে খেজুর বাগান। বাগনের এক পাশে “বৃষ্টি বিলাস” নমে অত্যাধুনিক একটি বাড়ি রয়েছে। নুহাশ পল্লীর আরেক আকর্ষণ “লীলাবতী দীঘি”। দীঘির চারপাশ জুড়ে নানা রকমের গাছ। রয়েছে সানকাধানো ঘাট। পুকুরের মাঝখানে একটি দ্বীপ। সেখানে অনেকগুলো নরিকেল গাছ।<br><br>এছাড়া এখানে দেখা মিলবে হুমায়ূন আহমেদের আবক্ষ মূর্তি ও সমাধিস্থল, পদ্মপুকুর, সরোবরে পাথরের মৎসকন্যা, প্রাগৈতিহাসিক প্রানীদের অনুকীর্তি, অর্গানিক ফর্মে ডিজাইন করা অ্যাবড়োথেবড়ো সুইমিং পুল যেখানে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (Sunil Gangopadhyay) এবং হুমায়ূন আহমেদ একসঙ্গে জলে নেমেছিলেন, দাবার গুটির প্রতিকৃতি, টি-হাউসসহ নানা রকম দৃষ্টিনন্দন সব স্থাপত্য। ভূত বিলাস, বৃষ্টিবিলাসসহ তিনটি বাংলো রয়েছে এই বাগানবাড়িটিতে।<br><br><strong>নুহাশ পল্লী কিভাবে যাবেন </strong><br>আপনি পুরান ঢাকা থেকে যেতে চাইলে গুলিস্তান থেকে ঢাকা পরিবহনের বাস যেটা কাপাসিয়া যায় এবং প্রভাতী বনশ্রীর বাস যেটা বরমী যায় সেটাতে উঠুন, মহাখালী থেকে আসতে চাইলে সম্রাট লাইন , রাজদূত পরিবহন, ডাউন টাউন, বাসে উঠুন। এবার আপনি হোতাপারা নামক স্থানে নেমে সিএনজি বা লেগুনা বা যান্ত্রিক রিক্সায় নুহাস পল্লীতে যেতে পারবেন। মনে রাখবেন ময়মসিংহের বাস ও প্রভাতী বনশ্রী পরিবহনের বাসগুলো গাজীপুর চৌরাস্তায় অনেকক্ষন দেরি করে। কিন্তু সম্রাট লাইন বা রাজদূত বা ঢাকা পরিবহনের বাসগুলো যাত্রি নামিয়ে চলে যায়।<br><br>টিকেট মূল্য এবং সময়সূচী <br>নুহাশ পল্লী সারা বছর দর্শনার্থীদের জন্যে খোলা থাকে। কোন সাপ্তাহিক বন্ধ নেই। প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। বিশেষ অনুরোধে মাগরিবের আজান পর্যন্ত সাধারন দর্শনার্থীদের জন্য খোলা রাখা হয়। তবে বছরের ২ দিন অর্থাৎ ১৩ নভেম্বর ( হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন) এবং ১৯ জুলাই মৃত্যু দিন নুহাশ পল্লী সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকে। এই দুই দিন ঢুকতে কোন টিকেট লাগে না।<br><br><strong>খরচ </strong><br>এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত নুহাশ পল্লী সকল দর্শনার্থীদের জন্য প্রতিদিন খোলা থাকে। ১২ বছরের উপরে জনপ্রতি টিকেট লাগবে ২০০ টাকা। কিন্তু নভেম্বর থেকে মার্চ মূলত পিকনিকের জন্য ভাড়া দেয়া হয়। প্রতিদিন পিকনিকের জন্য ১টি গ্রুপে সর্বোচ্চ ৩০০ জন আসতে পারবে। সরকারি ছুটির দিনে পিকনিকের জন্য গুনতে হবে ৬০ হাজার টাকা, অন্যদিন ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া সরকারি ছুটির দিনে পিকনিকের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাড়া পড়বে ৫০ হাজার টাকা, অন্যদিনগুলোতে ভাড়ার জন্য গুনতে হবে ৪০ হাজার টাকা।<br><br><strong>থাকার ব্যবস্থা </strong><br>নুহাশ পল্লীতে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই। বৃষ্টি বিলাস নামের বাংলোতে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ আছে সকলের। তবে ভুত বিলাস নামের বাংলোতে সময় কাটানোর জন্য ৩০০০ থেকে ৫০০০ টাকা লাগবে।<br><br><strong>যোগাযোগের ঠিকানা </strong><br>ওয়েবসাইটঃ www.vromonbilash.com ফোনঃ ০১৯১১৯২০৬৬৬</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/nuhash-polli/">নুহাশ পল্লী</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/nuhash-polli/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
