<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Rangamati Archives - SIC Group</title>
	<atom:link href="https://sicgroup.ae/category/rangamati/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sicgroup.ae/category/rangamati/</link>
	<description>Business of Excellence</description>
	<lastBuildDate>Sun, 25 Oct 2020 11:15:17 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.3</generator>

<image>
	<url>https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2023/11/cropped-SIC-32x32.png</url>
	<title>Rangamati Archives - SIC Group</title>
	<link>https://sicgroup.ae/category/rangamati/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>হিল তাজ রিসোর্</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Oct 2020 08:09:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Rangamati]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1153</guid>

					<description><![CDATA[<p>হিল তাজ রিসোর্ট (Hill Taj Resort) রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই লেকের একটি দ্বীপে গড়ে ওঠা নান্দনিক একটি রিসোর্ট। আপনার রাঙ্গামাটি ভ্রমন সূচীতে এক দিন বরাদ্ধ রাখতে পারেন<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d/">হিল তাজ রিসোর্</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>হিল তাজ রিসোর্ট (Hill Taj Resort) রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই লেকের একটি দ্বীপে গড়ে ওঠা নান্দনিক একটি রিসোর্ট। আপনার রাঙ্গামাটি ভ্রমন সূচীতে এক দিন বরাদ্ধ রাখতে পারেন হিল তাজ রিসোর্ট এর জন্যে। এটি রাঙ্গামাটি জেলার আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন সর্বোত্তম একটি রিসোর্ট। একদিনের পিকনিক এর জন্যও এটি অনন্য। পুরো একটি দিন কাটাতে পারেন হিল তাজ রিসোর্ট সংলগ্ন হ্যপি আইল্যান্ডে (Happy Island) যেখানে রয়েছে চমৎকার একটি সুইমিং পুল এবং নানা রকম রাইডসহ ওয়াটার পার্ক।<br><br>হিল তাজ রিসোর্টের রয়েছে নিজস্ব রেস্টুরেন্টে খাবারের ব্যবস্থা। দেশী, স্থানীয় অথবা বার্বিকিউ সব খাবারই পাবেন যা স্বাদ এবং গুনগত মানে অনন্য। এছাড়াও এই রিসোর্ট থেকে রাঙ্গামাটি কাপ্তাই লেকের গাড় নিল বিস্তীর্ণ জলরাশিতে ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে আপনি শুভলং ঝর্ণা, কাপ্তাই জল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রাজ বাড়ি ও রাজবনবিহার, ঝুলন্ত ব্রীজ, প্যেদা টিংটিং, বোদ্ধ মন্দির, নেভি ক্যাম্পসহ কিছু দেখার সুযোগ পাবেন। এই রিসোর্টের নিজস্ব ট্যুর প্যাকেজ আছে। চাইলে আপনি সেটাও নিতে পারেন। তাদের প্যাকেজ দুটি হলো –<br><br><strong>কাপ্তাই লেকে বোটে করে দর্শনীয় স্থান ভ্রমন – ৭ টি স্থান (পেইড) </strong><br>১. সুভলং ঝড়না <br>২. ছোট ঝড়না <br>৩. ঝুলন্ত ব্রীজ <br>৪. পেদা টিং টিং <br>৫. জুম পাহাড় <br>৬. রাজবন বিহার <br>৭. বৌদ্ধ মন্দির।<br><br><strong>কাপ্তাই লেকে বোটে করে দর্শনীয় স্থান ভ্রমন – ৫ টি স্থান (পেইড) </strong><br>১.কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র <br>২. নেভীক্যাম্প <br>৩. বীরশ্রেষ্ট মুন্সি আব্দুর রউফের সমাধি স্থান <br>৪. বেরাইন্যা রেষ্টুরেন্টে <br>৫. ইকোপার্ক।<br><br><strong>হিল তাজ রিসোর্ট এর রুম ভাড়া </strong><br>নন এসি তাঁবু – ২০০০ /= ৪ জন কমপ্লিমেন্টরি ব্রেকফাষ্ট। নন এসি, ফ্যান সহ, কমন ওয়াশ রুম।<br><br>নিরালা কাঁপল – ২৫০০/= ২ জন ১টি ডাবল বিছানা সহ স্ট্যান্ডার্ড সিঙ্গেল রুম। নন এ / সি, ফ্যান সহ। এটাচ টয়লেট। ২ জনের কমপ্লিমেন্টরি ব্রেকফাষ্ট। কমপ্লিমেন্টরি ব্রেকফাষ্ট সহ অতিরিক্ত বিছানা জন প্রতি – ৬০০ /= <br>নিরালা কাঁপল – ৩,০০০ /= ২ জন ১টি ডাবল বিছানা সহ স্ট্যান্ডার্ড ডাবল রুম। এ / সি, ফ্যান সহ। এটাচ টয়লেট। ২ জনের কমপ্লিমেন্টরি ব্রেকফাষ্ট। কমপ্লিমেন্টরি ব্রেকফাষ্ট সহ অতিরিক্ত বিছানা জন প্রতি- ৬০০ /=<br>নিরালা টুইন – ৪০০০/= ৪ জন ২টি ডাবল বিছানা সহ স্ট্যান্ডার্ড ডাবল রুম। এটাচ টয়লেট। ৪ জনের কমপ্লিমেন্টরি ব্রেকফাষ্ট। কমপ্লিমেন্টরি ব্রেকফাষ্ট সহ অতিরিক্ত বিছানা জন প্রতি- ৬০০ /= <br>হিল তাজ ডিলাক্স- ৭০০০ /= ৪ জন ২টি ডাবল রুমে ২টি কিং সাইজ বিছানা, সোফা সেট, ড্রেসিং টেবিল, কেবিনেট সহ ১টি এটাচ টয়লেট। ৪ জনের কমপ্লিমেন্টরি ব্রেকফাষ্ট। কমপ্লিমেন্টরি ব্রেকফাষ্ট সহ অতিরিক্ত বিছানা জন প্রতি- ১০০০ /=<br><br><strong>জন প্রতি খাদ্য তালিকা </strong><br>জন প্রতি সকালের নাস্তা- ২০০/= মেনু নং ১- পড়টা / রুটি, সবজি / ডাল ডিম ভাজি, হালুয়া, জুস স্থানীয় ফল, চা। জন প্রতি সকালের নাস্তা- ২০০/= মেনু নং ২- খিচুড়ি, বেগুন ভাজি/ভর্তা, ডিম ভাজি/ডিম কারি, জুস/স্থানীয় ফল, চা। জন প্রতি মধ্যাহ্নভোজন- ৩৫০/= সাদা ভাত / রুটি, মাছ / ডিম / চিকেন কারি, ডাল, ভর্তা/শবজী, সালাদ, স্থানীয় ফলের জুস/কোমল পানীয়। জন প্রতি মধ্যাহ্নভোজন- ৪০০/= সাদা ভাত / পোলাও, গরুর কারি, ডাল, ভর্তা/শবজী, সালাদ, স্থানীয় ফলের জুস/কোমল পানীয়। জন প্রতি মধ্যাহ্নভোজন- ২৫০/= (বিরিয়ানি যদি নূন্যতম ১০ জন হলে) চিকেন বিরিয়ানী, ডিম ভুনা, সালাদ, কোমল পানীয়। জন প্রতি বিকেলের খাবার- ২০০/= বিস্কুট / নুডুলস/ কেক, স্থানীয় ফলের জুস / চা / কফি, স্থানীয় ফল ১/২ আইটেম। জন প্রতি বারবিকিউ- ৩৫০/= চিকেন / ফিশ বারবিকিউ / বেম্বো চিকেন, লুচি/ পরটা, ডাল ভুনা, মিক্স সালাদ, কোমল পানীয়। জন প্রতি বেম্বো চিকেন- ৩৫০/= বেম্বো চিকেন-১:৩, সাদা ভাত .<br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>ঢাকা থেকে যারা বাসে যেতে চান তাঁরা ঢাকার কলাবাগান, ফকিরাপুল, কল্যাণপূর, সায়দাবাদ হতে যেতে পারেন। প্রতিদিন সকাল ০৮টা হতে ০৯ টা এবং রাত ০৮ টা হতে ১১টার মধ্যে সরাসরি রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে অসংখ্য এসি ও নন এসি বাস ছেড়ে যায়। ঢাকা টু রাঙ্গামাটি এসি বাসের ভাড়া ৯০০ টাকা ও নন এসি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। আপনি যদি হিল তাজ রিসোর্ট যেতে চান তাহলে আপনি রিজার্ভ বাজারের আগে রাঙ্গামাটি কেন্টনমেন্ট পার হয়েই বঙ্গবন্ধুর স্টেচুর ১৫০ গজ পরে সি.ও. অফিস গেইটে দিয়ে প্রবেশ করে ইউ এন ও মহোদয়ের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে এপথের শেষ প্রান্তে সি ও. অফিস ঘাটে নেমে যান। সি. ও. অফিসের ঘাটে পৌছালে হিল তাজের নিজস্ব বোটে করে ১০০ গজ লেক পারি দিয়ে পৌছে যাবেন কাপ্তাই লেকের গাড় নিল পানি বেষ্টিত আইল্যান্ডের হিল তাজ রিসোর্ট। ঢাকা, কক্সবাজার, চট্রগ্রাম, কুমিল্লা অথবা ফেনী – আপনি এসবের যেকোন জায়গা থেকে যেতে হলে চট্টগ্রামের অক্সিজেন মোর হয়েই যেতে হবে। আর অক্সিজেন মোড় থেকে আপনি লোকাল বাস, ডিরেক্ট বাস বা সিএনজি করে যেতে পারবেন রাঙ্গামাটির হিল তাজ রিসোর্টে। লোকাল বাসে জনপ্রতি ভাড়া ৯০ টাকা এবং ডিরেক্ট বাস ১২০ টাকা, সি এন জি ১৫০ টাকা।<br><br><strong>বুকিং এবং যোগাযোগ </strong><br>বুকিং এবং বিকাশ নাম্বার: +8801870701892 (মার্চেন্ট একাউন্ট) ওয়েবসাইটঃ https://hilltajresort.business.site জিমেইল: hilltajresort@gmail.com ই-মেইল: info@hilltajresort.com<br></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d/">হিল তাজ রিসোর্</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রিলিতে লেক</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Oct 2020 09:01:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Rangamati]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1156</guid>

					<description><![CDATA[<p>রিলিতে লেক (Rilite Lake) বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক লেক। রিলিতে লেককে এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত সব থেকে উচুতে অবস্থিত প্রাকৃতিক লেক বলে<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95/">রিলিতে লেক</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>রিলিতে লেক (Rilite Lake) বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক লেক। রিলিতে লেককে এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত সব থেকে উচুতে অবস্থিত প্রাকৃতিক লেক বলে ধারনা করা হয়। এর উচ্চতা ১৮২৫-৮০ ফুট। যদিও এর গভীরতা সঠিক ভাবে মাপা হয়নি, তবে মাঝখানের গভীরতা ১০০ ফুটের বেশী বলে ধারনা করা হচ্ছে। প্রায় ৩-৪ একর জায়গা নিয়ে রিলিতে লেক বিস্তৃত। চমৎকার এই মিঠাপানির লেক প্রাকৃতিক শেওলা, ফার্ন, শালুক এর প্রাচুর্যে ভরপুর এবং এই লেকের প্রধান জলের উৎস হলো বৃষ্টির জল। এই লেকে মাগুর মাছ, কালবাউশ, চিংড়ি ও স্থানীয়দের চাষ করা তেলাপিয়া মাছ পাওয়া যায়। পুর্বে লেকের পাশে বিজিবি ক্যাম্প ছিলো যদিও এখন সেটা পরিত্যক্ত।<br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>প্রশাসনিক অনুমতি সাপেক্ষে অনেক উপায়েই রিলিতে লেক পৌঁছানো যায়। নিম্নে তেমন কিছু রুটের সন্ধান দেয়া হলো –<br>রুমাখাল – বগামুখপাড়া – এনুপাড়া – পুকুরপাড়া – প্রাঞ্জনপাড়া – চার্চিংপাড়া হয়ে এই লেকে পৌছানো সম্ভব। রুমা থেকে জিপে করে বগালেক হয়ে আনন্দপাড়া – এনুপাড়া পর্যন্ত জিপে গিয়ে বাকিটুকু পায়ে হেটে। থাঞ্চি থেকে বাক্তলাইপাড়া জিপে – থাইক্যাং পাড়া – সুনসানপাড়া – শেপ্রুপাড়া – রিলিতে লেক। বগালেক – কেওক্রাডং – থাইক্যাংপাড়া – রুমানা পাড়া (শীতকালে জিপে) – চার্চিংপাড়া – রিলিতে লেক।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95/">রিলিতে লেক</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পলওয়েল পার্ক এন্ড কটেজ</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%9c/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%9c/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Oct 2020 09:08:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Rangamati]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1159</guid>

					<description><![CDATA[<p>রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে ডিসি বাংলো রোডের পাশে কাপ্তাই লেকের ঠিক কোল ঘেঁষে তৈরি করা হযেছে পলওয়েল পার্ক এন্ড কটেজ (Polwel Park and Cottage) যা সৃজনশীলতার<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%9c/">পলওয়েল পার্ক এন্ড কটেজ</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে ডিসি বাংলো রোডের পাশে কাপ্তাই লেকের ঠিক কোল ঘেঁষে তৈরি করা হযেছে পলওয়েল পার্ক এন্ড কটেজ (Polwel Park and Cottage) যা সৃজনশীলতার ছোঁয়ায় হয়ে উঠেছে রাঙ্গামাটির অন্যতম সেরা বিনোদন কেন্দ্র। বৈচিত্রময় ল্যান্ডস্কেপ, অভিনব নির্মাণশৈলী ও নান্দ্যনিক বসার স্থান পার্কটিকে দিয়েছে ভিন্ন ধরনের এক মাত্রা। নৈসর্গিক প্রাকৃতিক পরিবেশে সময় কাটাতে এবং চিত্ত বিনোদনের জন্য প্রতিদিন অসংখ্য দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখর হয়ে উঠে পলওয়েল পার্ক।<br><br>মুখোশের আদলে তৈরী করা হয়েছে পার্কটির প্রবেশপথ। প্রবেশপথের পাশেই ভিন্ন আরেকটি মুখোশ আকৃতির টিকেট কাউন্টার। প্রবেশমূল্য, জনপ্রতি ৩০ টাকা। পাঁচ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের জন্য টিকেট লাগবেনা। পার্কটি রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে।<br><br>পার্কে প্রবেশের পর চোখে পড়বে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) কর্তৃক পরিচালিত প্রদর্শনী ও বিক্রয় কেন্দ্র। এখানে পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরণের স্যুভেনির, আদিবাসীদের হাতে বোনা কাপড় ইত্যাদি। বিনোদনের সাথে সাথে প্রিয়জনের জন্য পাহাড়ি স্মৃতি নিতে চাইলে এখানে কিছুটা সময় খরচ করতে পারেন। এরপরেই শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে কিডস জোন। শিশুদের আনন্দ দিতে এই পার্কে বিভিন্ন রকম রাইডের ব্যবস্থা রয়েছে। টিকেটের মূল্য রাইড ভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। টিকেটের দামের তুলনায়, অনেক বেশি সময় ধরে বাচ্চারা এখানে রাইডগুলো উপভোগ করতে পারে। বাঙালির জীবনের সাথে মিশে থাকা গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরতে কিডস জোনের অপর প্রান্তে তৈরী করা হয়েছে ঢেঁকিঘর আদলের একটি স্থাপনা। গ্রামের নারীদের ঢেঁকিতে ধান ভানার এই ভাস্কর্য গ্রামীণ জীবনের কথা মনে করিয়ে দেয়। এই ভাস্কর্যের স্থাপত্য শৈলী এতটাই সুনিপুন, প্রথম দেখায় আপনার মনে হতে পারে বাস্তব কোনো দৃশ্য দেখছেন।<br><br>কিডস জোন থেকে সামনে এগিয়ে গেলে রাস্তার পাশে বসার জন্য কিছু বেঞ্চ তৈরী করা আছে। এখানে বসলে কাপ্তাই লেকের মনোরম দৃশ্য চোখে পড়ে। সামনে যতদূর দৃষ্টি যায়, লেকের অথৈ জলের সীমানা দূরের আকাশে গিয়ে মিশেছে। আকাশ আর লেকের নীলের মাঝে পাহাড়গুলো যেন সীমারেখা হয়ে আছে। এর ঠিক পেছনেই তৈরী করা আছে কলসি কাঁখে নারী ভাস্কর্য। তাদের কলসের প্রবাহমান পানিতে তৈরী হয়েছে ঝর্ণা। দিনের আলো নিভে গেলে কৃত্তিম আলোয় এই ঝর্ণা আরও মোহময় হয়ে ওঠে।<br><br>এখান থেকে কিছুটা এগোলেই চটপটি আর ফুচকার দোকান। অনেকটা খোলা জায়গা জুড়ে চেয়ার টেবিল পেতে বসার ব্যবস্থা। ফুচকা আর চটপটি প্রেমীরা কাপ্তাই লেকের সৌন্দর্য দেখে আর ফুচকা খেয়ে বিকেলটা এখানে কাটাতে পারেন। আরও একটু সামনে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামলেই পলওয়েল ক্যাফেটেরিয়া। মুখরোচক খাবারের সাথে আইসক্রিম আর কফিও পাওয়া যাবে এখানে।<br><br>ক্যাফেটেরিয়া থেকে সামনে এগোলে ফিশিং পিয়ার। ফিশিং পিয়ার হচ্ছে এমন একটা স্তম্ভ বা প্ল্যাটফর্ম, যেটা উপকূল থেকে শুরু হয়ে লেক/নদী/সমুদ্রের যেখানে পানির গভীরতা অনেক বেশি, এমন দূরত্ব পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। আসলে জাহাজ, বড় নৌকা গুলো পানির গভীরতা কম থাকায় তীরে ভিড়তে পারেনা। তাই পানি গভীর থাকে সবসময়, উপকূল থেকে এমন দূরত্ব পর্যন্ত ফিশিং পিয়ার তৈরী করা হয়। যেন জাহাজ, নৌকা গুলো সহজেই সেখানে ভিড়তে পারে এবং নোঙ্গর ফেলে অবস্থান করতে পারে। এখানে দাঁড়ালে কাপ্তাই লেকের দৃশ্য বেশ ভালোভাবে উপভোগ করা যায়।<br><br>পলওয়েল পার্কটির একেবারে শেষপ্রান্তে তৈরী করা হয়েছে লাভ পয়েন্ট। এছাড়াও পার্কটিতে রয়েছে পলওয়েল পার্ক কটেজ এবং সুইমিং পুল। লেকে ঘোরার জন্য বোটের ব্যবস্থা আছে, আছে জেট স্কিইং এর ব্যবস্থা, আছে কায়াকিং এর ব্যবস্থা। লেকের পার ঘেঁষে রাখা আছে বিচ চেয়ার। লেক আর পাহাড়ে সন্ধ্যা নামার দৃশ্য উপভোগ করতে শেষ বিকেলে এখানে বসতে পারেন আয়েশ করে।<br><br>রাঙামাটির অন্য সব গুলো স্পটের পাশাপাশি যেই কেউ এই স্পটে চাইলে ফেরার দিন ঘুরে যেতে পারে। সারা দিন সময় কাটানোর মত একটি জায়গা। এতো অসাধারণ কিছু দৃশ্য এখান থেকে দেখা যায়, যা অন্য কোথা থেকে পাওয়া যায় না। আর এই পার্কটি রাঙামাটির একদম প্রান কেন্দ্রে। খুব সহজেই অটো রিক্সা নিয়ে চলে যাওয়া যায়।<br><br>কি আছে পলওয়েল পার্কে সুইমিংপুল (২০০ টাকা প্রতিজন) পলওয়েল কটেজ জেট স্কিইং প্যাডেল বোট কায়াক পার্কটির প্রবেশে ভুতুড়ে পাহাড়ের গুহা গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি শিল্প বিভিন্ন প্রকারের রাইড কলসি ঝর্ণা পাহাড়ী কৃত্রিম ঝর্ণা ক্রোকোডাইল ব্রিজ হিলভিউ পয়েন্ট লেকভিউ পয়েন্ট লাভ লক পয়েন্ট ফিশিং পিয়ার মজাদার ও মুখরোচক খাবারের সমারোহ সমৃদ্ধ পলওয়েল ক্যাফেটেরিয়া<br>সুইমিংপুল (২০০ টাকা প্রতিজন) <br>পলওয়েল কটেজ <br>জেট স্কিইং <br>প্যাডেল বোট <br>কায়াক <br>পার্কটির প্রবেশে ভুতুড়ে পাহাড়ের গুহা <br>গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী <br>ঢেঁকি শিল্প <br>বিভিন্ন প্রকারের <br>রাইড কলসি ঝর্ণা পাহাড়ী কৃত্রিম ঝর্ণা ক্রোকোডাইল ব্রিজ হিলভিউ পয়েন্ট লেকভিউ পয়েন্ট লাভ লক পয়েন্ট ফিশিং পিয়ার মজাদার ও মুখরোচক খাবারের সমারোহ সমৃদ্ধ পলওয়েল ক্যাফেটেরিয়া<br><br><strong>ঠিকানা এবং যোগাযোগ </strong><br>অবস্থান – ডিসি বাংলো রোড, রাঙ্গামাটি সদর ফোন নাম্বার – 01837-335595, 09613-500-900 ওয়েবসাইট – https://www.polwelpark.com ই-মেইল – info@polwelpark.com ফেইসবুক – https://www.facebook.com/PolwelParkRmtOfficialPage/<br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>ঢাকার ফকিরাপুল মোড় অথবা সায়দাবাদ থেকে রাঙ্গামাটিগামী অসংখ্য বাস কাউন্টারের অবস্থান। সকল বাসই সকাল ৮.০০ হতে ৯.০০ টা এবং রাত ৮.৩০ হতে ১১.০০ এর মধ্যে ঢাকা ছাড়ে। ভাড়াঃ ঢাকা-রাঙ্গামাটিঃ এসি ৯০০ টাকা (শ্যামলী), বিআরটিসি এসি ৭০০ টাকা, নন এসি সকল বাস- ৬২০ টাকা।<br><br><strong>চট্টগ্রাম থেকে রাঙ্গামাটি </strong><br>চট্রগ্রামের অক্সিজেন এলাকার রাঙামাটির বাস টার্মিনাল যেতে হবে। এখান থেকে আধ ঘন্টার ব্যবধানে আপনি পাবেন পাহাড়ীকা ও লোকাল বাস সার্ভিস। পাহাড়ীকা বাসের ভাড়া ১১০ টাকা এবং লোকাল বাসের ভাড়া ৮৫টাকা। পাহাড়ীকা বাসে সময় লাগে আড়াই ঘন্টা এবং লোকাল বাসে ৩-সাড়ে ৩ ঘন্টা। সকাল ৭টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত পাওয়া যায় বাস। এছাড়া যারা আরামদায়ক ভ্রমন করতে চান, তাদের জন্য আছে বিলাস বহুল সার্ভিস এস. আলম, ইউনিক, হানিফ ও বিআরটিসি। এসব বাস সার্ভিসের ভাড়া ১০০-১২০টাকা। সময় লাগবে ২.৩০-৩ ঘ<br><br><strong>কোথায় থাকবেন </strong><br>পলওয়েল পার্কটি ঘুরে দেখার পাশাপাশি এখানে রয়েছে থাকার জন্য বেশ কিছু কটেজ। একদম লেকের প্রান্ত ঘেঁষে রয়েছে বেশ কয়টি কটেজ এবং সুইমিংপুল। রাঙামাটির অন্যতম সুন্দর ভিউ রয়েছে এই কটেজ গুলোর। হানিমুন কটেজের ভাড়া নির্ধারন করা হয়েছে ৬০০০ টাকা, ফ্যামিলি কটেজের ভাড়া ৮০০০ টাকা এবং VIP কটেজের ভাড়া নির্ধারন করা হয়েছে ১০০০০ টাকা প্রতিরাত।<br><br>পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত ইন্সপেক্টর থেকে তদুর্ধ কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের জন্যে কটেজে রয়েছে ৪০% ছাড়। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের জন্যে রয়েছে ২০% ছাড়া। এছাড়া রাঙামাটিতে পর্যটকদের থাকার জন্য বেশ কিছু ভালমানের হোটেল আছে যেমন, তেমনি আছে মাঝারি মানের হোটেলও। ভালোমানের হোটেলের মধ্যে হোটেল সুফিয়া, নীডস হিল ভিউ, মোটেল জর্জ, হোটেল গ্রীন ক্যাসেল, শাইনিং হিল গেষ্ট হাউজ, টুকটুক ইকো ভিলেজ, হোটেল আনিকা অন্যতম। ভাড়া ৫০০টাকা হতে ২০০০টাকা পর্যন্ত।<br><br>কমদামী হোটেলগুলোর মধ্যে আছে মধুমিতা, সৈকত, শাপলা, ডিগনিটি, সমতা, উল্লেখযোগ্য। এগুলো ভাড়া সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া পর্যটনের রয়েছে নিজস্ব মোটেল। ভাড়া ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত। রয়েছে ছোট ছোট কটেজ। কটেজগুলোর প্রতি রাতের ভাড়া ৩০০০-৫০০০ টাকা। সরকারি বিভিন্ন দফতরের রেষ্ট হাউস, গেষ্ট হাউস এবং বাংলোগুলো নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ এবং অনুমতি সাপেক্ষে ভাড়া দেওয়া হয়।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%9c/">পলওয়েল পার্ক এন্ড কটেজ</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title></title>
		<link>https://sicgroup.ae/1162-2/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/1162-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Oct 2020 09:24:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Rangamati]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1162</guid>

					<description><![CDATA[<p>ফুরমোন পাহাড় (Furomown Hill) রাঙ্গামাটিতে অবস্থিত একটি পাহাড় যার উচ্চতা এক হাজার ৫১৮ ফুট। রাঙ্গামাটি শহরে ঢুকার সময় এটি চোখে পড়বে যা শহর থেকে ৭ কিলোমিটার<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/1162-2/"></a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ফুরমোন পাহাড় (Furomown Hill) রাঙ্গামাটিতে অবস্থিত একটি পাহাড় যার উচ্চতা এক হাজার ৫১৮ ফুট। রাঙ্গামাটি শহরে ঢুকার সময় এটি চোখে পড়বে যা শহর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এ পাহাড়ের চূড়ায় উঠে রাঙামাটি শহরের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। মোটামুটি আঁকাবাঁকা উঁচুনিচু পাহাড়ি এই রাস্তাধরে ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট একটানা হাটলেই ডানে পাহারের চূড়ায় ওঠার সিঁড়ি পেয়ে যাবেন। ৪১৩ টা পাকা সিঁড়ি এবং অল্পকিছু মাটির সিঁড়ি পার করলেই ফুরমোন এর সুন্দর্য্য আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। তবে হৈচৈ করা থেকে বিরত থাকুন কারন ভান্তেরা এখানে ধ্যান করেন। মনে রাখবেন এটা পর্যটন কেন্দ্র নয়, এটা তীর্থ কেন্দ্র।<br><br>প্রায় ২.৩০ ঘন্টা পাহাড় বেয়ে উঠার যে কষ্ট তা ২ মিনিটে উধাও হয়ে যাবে পাহাড়ের উপর থেকে চারিদিকে তাকিয়ে। অবশ্যই দল বেঁধে যাবেন, একা না যাওয়াই ভালো। সাথে অবশ্যই আইডি কার্ড নিয়ে যাবেন। পাহাড়ে চড়ার আগে প্রয়োজনীয় জিনিসপাতি সাথে নিয়ে নিন কারন পথে কিছুই পাবেন না। যেমনঃ পর্যাপ্ত পানি, শুকনা খাবার, হাটার জন্য লাঠি ইত্যাদি।<br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>ঢাকা এর ফকিরাপুল, কলাবাগানসহ বিভিন্ন কাউন্টার থেকে রাঙ্গামাটির উদ্দেশে বিভিন্ন পরিবহনের বাস যায়। মানভেদে ভাড়া ৬০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা। রাঙ্গামাটি পৌঁছে শহর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা কিংবা অন্য যেকোনো মোটরগাড়িতে ফুরমোন পাহাড়ের পাদদেশে যাওয়া যায়।<br><br>চট্রগ্রাম এর অক্সিজেন বাসস্টেশন থেকে পাহাড়িকা বাসে ঘাগড়ার কিছু পরে সাপছড়ি নেমে যান। জনপ্রতি ভাড়া ১২০ টাকা। এখানের যে কোন লোককে জিজ্ঞেস করলেই দেখিয়ে দিবে। এ জন্য অবশ্যই পাহাড়ে ওঠার অভ্যাস থাকতে হবে। আরেকটু আরামে যেতে চাইলে ফুরোমোনের পাদদেশে নির্মিত রাস্তা দিয়েও যেতে পারেন।<br><br>রাঙামাটি শহরের নিউ মার্কেট থেকে সিএনজি রিজার্ভ করে ফুরোমন ভাবনা কেন্দ্রের সামনে নামিয়ে দিতে বলবেন। সেখান থেকেই ট্রেকিং শুরু। অবশ্য ফুরোমনের অন্যপাশে প্রায় পাহাড়ের পাদদেশে যাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে লোকাল সিএঞ্জিতে জনপ্রতি ৪০-৫০ টাকা অথবা রিজার্ভ করলে ২০০-২৫০ টাকা ভাড়া পরবে।<br><br><strong>থাকা-খাওয়ার </strong><br>ব্যবস্থা ফুরমোন পাহাড়ে থাকা-খাওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/1162-2/"></a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/1162-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঘাগড়া ঝর্ণাটি</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Oct 2020 09:34:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Rangamati]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1165</guid>

					<description><![CDATA[<p>ঘাগড়া ঝর্ণাটি (Ghagra Waterfall) রাঙ্গামাটির চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নে অবস্থিত। এলাকাটি কলাবাগান নামেও পরিচিত। তাই স্থানীয়ভাবে এটি কলাবাগান ঝর্ণা (Kolabagan Jhorna) হিসেবেও পরিচিত। এখানে<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf/">ঘাগড়া ঝর্ণাটি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ঘাগড়া ঝর্ণাটি (Ghagra Waterfall) রাঙ্গামাটির চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নে অবস্থিত। এলাকাটি কলাবাগান নামেও পরিচিত। তাই স্থানীয়ভাবে এটি কলাবাগান ঝর্ণা (Kolabagan Jhorna) হিসেবেও পরিচিত। এখানে পাহাড়ি ছড়ার মধ্য দিয়ে প্রায় দুই থেকে আড়াই কিলোমিটার হেঁটে যেতে হয় মূল ঝর্ণায়। তবে যাওয়ার পথে দেখা মেলে আরও ৩-৪ টি ছোট-বড় ঝর্ণার। মাত্র পনেরো থেকে বিশ মিনিট হেঁটে গেলেই দৃষ্টিনন্দন বড় ঝর্ণাটি স্বাগত জানাবে। এরপর হালকা পিচ্ছিল অথচ মসৃণ পথ বেয়ে উপরের দিকে উঠতে হয়।<br><br>প্রথম ঝর্ণা থেকে কিছুটা উঁচুতে উঠলে অপর ঝর্ণাটি পর্যটকদের ক্লান্তি দূর করে বিমোহিত করবে। এভাবে একেকটা ঝর্ণাধারা পেরিয়ে একের পর এক যত উঁচুতে উঠবেন; ততই আপনি মুগ্ধ হতে থাকবেন। মূল ঝর্ণায় যাওয়ার পথ ও পথের ধারে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা নুড়ি পাথার ও সবুজে ঢাকা অরণ্য মুগ্ধ করবে।<br><br>এ পথের সর্বশেষ অংশে দেখা মিলবে সবচেয়ে বড় ঝর্ণাটির। প্রতিটি ঝর্ণারই রয়েছে স্বতন্ত্র কিছু বৈশিষ্ট্য, যা না দেখলে কারো বিশ্বাস হবে না। তবে ঝর্ণায় আসার পথ অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ। সাবধান না থাকলে যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>রাঙ্গামাটি শহর থেকে সিএনজি ভাড়া করে যাওয়া যায় ঘাগড়া ঝর্ণাটিতে। ভাড়া নিতে পারে জন প্রতি ৫০-৬০ টাকা। মূল সড়ক থেকে হাতের বামে প্রবাহমান একটি ছোট্ট পাহাড়ি ছড়া রয়েছে। ছড়াটির উপর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য নুড়ি পাথরের উপর দিয়ে হেঁটে দুই পাশের অসংখ্য পাহাড় আর সবুজে ঢাকা গাছ-পালার সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে এগিয়ে যেতে হয় মূল ঝর্ণার দিকে।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf/">ঘাগড়া ঝর্ণাটি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তিনমুখ পিলার</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Oct 2020 10:11:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Rangamati]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1168</guid>

					<description><![CDATA[<p>তিনমুখ পিলার (Tinmukh Pillar) হলো একটি সীমানা খুঁটি, যার গায়ে বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমার লেখা। তিনমুখ পিলারটি মূলত রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার বাংলাদেশ, ভারত ও মায়ানমার<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0/">তিনমুখ পিলার</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>তিনমুখ পিলার (Tinmukh Pillar) হলো একটি সীমানা খুঁটি, যার গায়ে বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমার লেখা। তিনমুখ পিলারটি মূলত রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার বাংলাদেশ, ভারত ও মায়ানমার সীমানায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের একমাত্র সীমানা পিলার যা তিন দেশের সীমানা নির্ধারণ করেছে। যদিও এটি রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত, তবুও এখানে বান্দরবান জেলার রুমা হয়ে যাওয়াটাই তুলনামূলকভাবে সহজ। তিনমুখ পিলারের জায়গাটি অনেকটা ইংরেজি W অক্ষরের মতো। W এর মাখখানের অংশে তিনমুখ পিলারের অবস্থান। আর দুপাশে লাইস্রা হাফং ও মুখরা তুথাই হাফং নামক দুটি পাহাড়। তিনমুখ থেকে খাড়া নেমে গেলেই ভারত ও মিয়ানমার। তিনমুখ পিলার এর উচ্চতা ২৯১৫ ফুটের কাছাকাছি। Reng Tlang রেঞ্জের “মুখরা তুথাই হাফং” (Mukhra Thuthai Haphong)” এবং “লাইস্রা হাফং (Laisra Haphong)” ২টি চূড়ার মধ্যখানে অবস্থিত। এই চূড়ায়, বাংলাদেশ-ভারত-মিয়ানমারের সীমান্ত মিলিত হয়েছে।<br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>বান্দরবান থেকে চান্দের গাড়িতে ঘন্টা চারেক যাত্রা শেষে পৌঁছে যাবেন রুমা বাস স্ট্যান্ড। রুমা পৌঁছে একজন গাইড নিয়ে ঝিরি পথে হাঁটতে শুরু করুন। কারন এই পথেই যেতে হবে বগামুখপাড়া। পাহাড়ের মাঝ দিয়ে দীর্ঘ ঝিরি পথ, কোধাও হাঁটু পানি, কোথাও পানি কোমর সমান। সেখানে গিয়ে রাতে থাকার ব্যবস্থা হবে স্থানীয়দের ঘরে।<br><br>ভোরে উঠে রওনা হতে হবে। রোদ উঠে গেলে বিপদ। বেশ অনেকটা পথ খাড়া উঠতে হবে। সাইকত পাড়ার পাশ দিয়ে এগিয়ে গেলে এ্যানোপাড়া। সেখান থেকে লম্বা পথ ধরে নিচে নেমে পাড় হতে হয় রেমাক্রি খালের একটি অংশ। পুনরায় উড়ন্তি (উপরের দিকে উঠার) পথে প্রায় আড়াই ঘণ্টার ট্রেকিং। পুরনো সব গাছে ঠাসা পাহাড়। তার ভেতর দিয়ে পথ। পাহাড়ের অপর দিকে রাইক্ষ্যং লেক যা পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক লেক। লেকের পূর্ব পাড়ে গড়ে উঠেছে ত্রিপুরাদের প্রাঞ্জনপাড়া। এখানেই রাত্রি যাপন।<br><br>প্রাঞ্জনপাড়ায় রাত্রি যাপনের পর সকাল থেকে হাঁটতে শুরু করতে হবে। এক পার্যায়ে পৌঁছে যাবেন চাজিংপাড়ায়। এখানে বিশ্রাম নিয়ে হাল্কা নাস্তা পানি খেয়ে যাত্রা শুরু করতে হবে, পরবর্তী পাড়া শেপ্রুর দিকে। সম্পূর্ণ পথ খাল ধরে যেতে হবে। পাহাড়ের অনেক উঁচুতে আন্তর্জাতিক সীমানার নিকটবর্তী এলাকায় শেপ্রুপাড়ার অবস্থান, যা সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অন্তর্গত। এখানেই রাত্রিযাপন।<br><br>শেপ্রুপাড়া থেকে খুব সকালে ট্রেকিং শুরু করে ঘন্টা তিনেকের মধ্যেই পৌঁছে যাবেন গন্তব্যের সর্বশেষ পাড়া ধুপপানিছড়া। এই পাড়া থেকেই তিনমুখ পিলারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করতে হবে। বাঁশ, লতাপাতায় পথ যথেষ্ট দূর্গম। দা দিয়ে জঙ্গল কেটে পথ তৈরি করে যেতে হবে। কঠিন কঠোর পথ পেড়িয়ে এক সময় দেখা মিলবে প্রতিক্ষার তিনমুখ পিলার। পিলার থেকে পূর্ব পাশে সাড়ে তিন ফুট দূরেই দুই হাজার ফুট খাড়া খাদ। বহুদূরে দেখা যায় অনেক উঁচু একটি রেঞ্জ। মাঝখানে ঘন অরণ্যে ঢাকা উপত্যকা। ইচ্ছে করলেও সেখানে যাওয়ার উপায় নেই, কারণ ওটা বাংলাদেশ নয়, বাম পাশে ভারত, সামনে মিয়ানমার।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0/">তিনমুখ পিলার</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গাছকাটা ঝর্ণা</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Oct 2020 10:17:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Rangamati]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1171</guid>

					<description><![CDATA[<p>গাছকাটা ঝর্ণা (Gaskata Waterfall), রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার গাছকাটাতে অবস্থিত একটি ঝর্ণা যা ধন্দতাং (Dhondtang Jhorna) ঝর্ণা নামেও পরিচিত। সৌন্দর্যের দিকে এটা এক কথায় অসাধারণ। এই<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">গাছকাটা ঝর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>গাছকাটা ঝর্ণা (Gaskata Waterfall), রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার গাছকাটাতে অবস্থিত একটি ঝর্ণা যা ধন্দতাং (Dhondtang Jhorna) ঝর্ণা নামেও পরিচিত। সৌন্দর্যের দিকে এটা এক কথায় অসাধারণ। এই ঝর্নার ট্রেইলটা বেশ সুন্দর, আর বেশ বড় কিছু ক্যাসকেড আছে। মজার ব্যাপার হলো, গাছকাটা ঝর্ণার পাশাপাশি আপনি দেখতে পারবেন মুপ্পোছড়া, ধুপপানি, ন’কাটা। ২দিনে সবগুলো কভার করতে পারবেন।<br><br>বিলাইছড়িতে যারা ঘুরতে যায় তারা সর্বোচ্চ মুপ্পোছড়া, ন-কাটা, ধুপপানি ঝর্না দেখেই ফিরে আসেন, কিন্তু গাছকাটা এর মত সুন্দর ঝর্নাটা কেউই দেখতে যায় না। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল এর ঝর্নার পাশেই আকারে এর থেকে কিছুটা ছোট কিন্তু সুন্দর আরেকটা ঝর্না আছে। ঝর্নাতে যেতে আসতে প্রায় ৪-৫ ঘন্টা লাগবে।<br><br><strong>সাথে যা থাকতেই হবে </strong><br>ভোটার আইডি কার্ড (1st priority) অন্যথায় কলেজ/ভার্সিটি আই,ডি,কার্ড বা জন্মসনদ/পাসপোর্ট এর ফটোকপি যথেষ্ট পরিমান পলিথিন ট্রেক করার উপযোগী জুতা/সেন্ডেল<br><br><strong>যেভাবে যাবেন </strong><br>রাত ১০টার ঢাকা থেকে কাপ্তাই এর সরাসরি বাসে উঠতে হবে, ভাড়া ৫৫০ টাকা। যাতে সকাল ৮.৩০ টায় কাপ্তাই হতে বিলাইছড়ির লোকাল বোট ধরতে পারেন। কারন এর পরের লোকাল বোট ১০:৩০ টায়। আপনি চাইলে রিজার্ভ বোটও নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে ভাড়া ১০০০-১৫০০টাকা। ভোরে কাপ্তাই পৌছে সকালের নাস্তা করে পরেরদিন রাত ৮:৩০ টার ফিরতি টিকেট করে নিবেন। কারন কাপ্তাই থেকে এটাই ঢাকার শেষ বাস। বাস স্ট্যান্ড থেকে সোজা হাটলেই কাপ্তাই ঘাট। ঠিক ৮:৩০ টায় বোট ছাড়ে। ভাড়া ৫৫ টাকা।<br><br>প্রায় ২ঘন্টার এই বোট জার্নিতে, কাপ্তাই লেকের সৌন্দর্য আপনার রাতের বাস-জার্নিকে অনেকটাই ভুলিয়ে দিবে। পথে আর্মির প্রথম চেকপোস্ট পড়বে। সেখানে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। সকাল ১০:৩০ – ১১ টার মধ্যে বিলাইছড়ি পৌছে যাবেন। ওখান থেকে সোজা হাসপাতাল ঘাটের দিকে চলে যেতে পারেন। সেখানে ‘নিরিবিলি বোর্ডিং’ পাবেন ফ্রেশ হবার জন্যে। ৪ জনের ডাবল বেডের রুম ৫০০ টাকা, ২ জনের সিঙ্গেল বেডের রুম ৩০০ টাকা।<br><br>এরপরে দুইদিনের জন্য বোট ঠিক করে নিবেন। ২দিনের ৪টা ঝর্নার জন্য বোট ভাড়া ২৮০০-৩৫০০ টাকা। হোটেলে ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে রেডি হয়ে বোটে উঠে পরেন। রওনা হবার আগে ‘ভাতঘর’ নামের হোটেল থেকে দুপুরের খাবার প্যাকেট করে নিয়ে নিবেন (ডিম ভাজি+আলু ভর্তা+ডাল+ভাত= ৬৫ টাকা)।<br><br>ট্রলার ছাড়ার ৩০ মিনিট পর মুপ্পোছড়া ট্রেইলের মাথায় (বাঙ্গালকাটা) পৌছে যাবেন। মাঝিকে বলে রাখলে মাঝিই গাইড ঠিক করে রাখবে (৫০০ টাকা)। প্রায় ১:৩০ ঘণ্টা ট্রেকিং-এর পর মুপ্পোছড়া পৌছাবেন। পথে ৫/৬ টা ছোট ছোট ঝর্ণা দেখতে পাবেন। মুপ্পোছড়া ঝর্ণার সৌন্দর্য দেখে নৌকায় চলে আসবেন। নৌকা কিছুক্ষন চলার পরে নৌকা থেকে নেমে আরও প্রায় ১:৩০ ঘণ্টার মত হাটলে আপনি গাছকাটা ঝর্ণা দেখতে পারবেন। এক্ষেত্রে কোন গাইড লাগবে না কারন মাঝিই নিয়ে যাবে, ঐভাবেই কথা বলে নিবেন। এভাবেই প্রথম দিনের যাত্রা শেষ করে হোটেল এ ফিরবেন।<br><br>এখানে বলে রাখি আপনি যদি সময়ের সদ্ব্যবহার না করেন তাহলে গাছকাটা / ধন্দ তাং ঝর্ণা দেখার সময় পাবেন না। এক্ষেত্রে বিকালে নৌকায় কাপ্তাই লেক ঘুরে সময় কাটাতে পারেন।।<br><br><strong>গাছকাটা ঝর্ণার রুট প্ল্যান </strong><br>ঢাকা – কাপ্তাই জেটিঘাট – গাছকাটা আর্মি ক্যাম্প – দোছড়িপাড়া। এখান থেকে ট্রেকিং করে ধন্দতাং/ধন্দতারাং ঝর্নায় যেতে হবে।<br><br><strong>কোথায় থাকবেন </strong><br>বিলাইছড়িতে “স্বপ্ন বিলাস” নামক আবাসিক হোটেলে প্রতিজন ২০০ টাকা করে থাকতে পারবেন। এছাড়া হাসপাতাল ঘাটে নিরিবিলি বোর্ডিং এ থাকতে পারবেন।<br><br><strong>সতর্কতা </strong><br><br>আপনাকে অবশ্যই সময়ের সাথে চলতে হবে। কারন এখানের লোকাল বোট, রাঙ্গামাটি থেকে ফিরতি বাস ( রাত ৮:৩০) একদম সঠিক সময়ে ছাড়ে। এখানে Teletalk আর Robi ছাড়া অন্য কোন সিমের নেটওয়ার্ক থাকে না।<br>ম্যালেরিয়া এক বিভিষিকার নাম,যা পার্বত্য অঞ্চলে স্ত্রী এনোফিলিস মশার কামড় থেকে শুরু হয়। জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থার মতে – পার্বত্য অঞ্চলে ৪ ধরনের ম্যালেরিয়া প্রকোপ,আর প্রচলিত প্রতিষেধক গুলো সব ধরনের ভাইরাসে কাজ করে না। বর্ষাকাল হচ্ছে সবচাইতে ঝুঁকিপুর্ন সময়, তাই মশার কামড় থেকে সতর্ক থাকতে হবে। ওডোমাস, মশারি ব্যবহার করা উত্তম। আর ট্যুর থেকে ফেরার ৬ মাসের ভেতর জ্বর হলে অনতিবিলম্বে কয়েকবার রক্ত পরীক্ষা করবেন চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী।<br><br></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">গাছকাটা ঝর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আরণ্যক রিসোর্টটি</title>
		<link>https://sicgroup.ae/1174-2/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/1174-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Oct 2020 10:36:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Rangamati]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1174</guid>

					<description><![CDATA[<p>রাঙামাটি শহরের সেনানিবাস এলাকায় কাপ্তাই হ্রদের পাশে গড়ে উঠা আরণ্যক রিসোর্টটি (Aronnok Holiday Resort) অপরূপ সুন্দর ছায়া ঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে তোলা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্বারা<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/1174-2/">আরণ্যক রিসোর্টটি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>রাঙামাটি শহরের সেনানিবাস এলাকায় কাপ্তাই হ্রদের পাশে গড়ে উঠা আরণ্যক রিসোর্টটি (Aronnok Holiday Resort) অপরূপ সুন্দর ছায়া ঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে তোলা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্বারা সম্পূর্ণরূপে এই রিসোর্টটি পরিচালিত হচ্ছে। অপূর্ব সুন্দর কাপ্তাই হ্রদ ঘেরা এ রিসোর্টের ছিমছাম পরিবেশ আপনাকে মুগ্ধ করবেই। মন ভুলানো এ রিসোর্টের প্রধান আকর্ষণ এর পরিবেশ ও কাপ্তাই লেকের নীল জলে প্যাডেল বোটে মনের আনন্দে ঘুরে বেড়ানো।‌<br><br>যেকোন দিন পুরো পরিবার নিয়ে ঘুরে আসার জন্য এই রিসোর্টটি। কাপ্তাই লেকের অসাধারণ প্রাকৃতিক পরিবেশে দারুণ কিছু সময় কাটবে আপনার এখানে। আর যদি সেটা কোন পুর্নিমার রাত হয় তবে তো কথাই নেই। দিনের বেলায় যেমন সুন্দর তেমনি দুর্দান্ত তার রাতের পরিবেশও। এই রিসোর্ট সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকায় নিরাপত্তা নিয়েও কোন সমস্যায় পরতে হয় না। লেকভিউর সাথে আছে সুইমিং পুলের সুবিধা, বোট রাইড। এর দুর্দান্ত নির্মাণশৈলী আপনার নজর কাড়বে অনায়াসেই। ছোট‌দের জন্য আরণ্যক রি‌সো‌র্টে রয়েছে বিভিন্ন রকমের খেলার রাইড। শুধু ঘুরে বেড়া‌নোই নয় আরণ্যক রি‌সো‌র্টে থাকা খাওয়ারও সকল ব্যবস্থা রয়েছে।<br><br><strong>প্রবেশ মূল্য </strong><br>আরাণ্যক রিসোর্টের প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা।<br><br><strong>যোগাযোগ </strong><br>ফোন: ০১৭৬৯৩১২০২১ <br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>ঢাকার ফকিরাপুল মোড় ও সায়দাবাদে রাঙামাটি গামী অসংখ্য এসি ও নন-এসি বাস রয়েছে। এই বাসগুলো সাধারণত সকাল ৮টা থেকে ৯টা এবং রাত ৮টা ৩০মিনিট থেকে রাত ১১টার মধ্যে রাঙামাটির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। তাদের মধ্যে রয়েছে হানিফ, শ্যামলী, এস আলম, ইউনিক, সৌদিয়া ইত্যাদি। এসকল বাসে ভাড়া পড়বে ৬০০-৯০০ টাকার মধ্যে। এসব বাসে চেপে যেতে হবে রাঙামাটি শহর। এরপর সেখান থেকে আপনাকে পৌঁছতে হবে আরণ্যক রিসোর্টে।<br><br>চট্রগ্রাম থেকে রাঙ্গামাটি টাউন এ প্রবেশ করার ১০ থেকে ১৫ মিনিট আগে রাঙ্গামাটি ক্যান্টনমেন্ট নেমে যেতে হবে আপনাকে এবং নেমে আর্মিদের জিজ্ঞেস করলে ওরাই দেখেই দেবে কোন পথ দিয়ে যেতে হবে। মূলত ক্যান্টনমেন্ট ভিতর দিয়ে যেতে হয়। মেইন রোড থেকে পায়ে হেঁটে গেলে ১০ থেকে ১৫ মিনিট লাগবে রিসোর্ট পোঁছাতে। হাঁটতে ইচ্ছে না হলে অপেক্ষা করলে সিএনজি অটো পেয়ে যেতে পারেন।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/1174-2/">আরণ্যক রিসোর্টটি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/1174-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রঙরাং</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%82/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%82/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Oct 2020 10:59:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Rangamati]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1178</guid>

					<description><![CDATA[<p>রঙরাং পাহাড়ের চূড়ায় না উঠলে রাঙামাটির সৌন্দর্য অপূর্ণ থেকে যাবে। পাহাড়ের কোলঘেঁষে বয়ে গেছে মোহনীয় কর্ণফুলী। কর্ণফুলীর পাশে বরকল ও জুরাছড়ি উপজেলায় এর অবস্থান। চারপাশের এমন<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%82/">রঙরাং</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>রঙরাং পাহাড়ের চূড়ায় না উঠলে রাঙামাটির সৌন্দর্য অপূর্ণ থেকে যাবে। পাহাড়ের কোলঘেঁষে বয়ে গেছে মোহনীয় কর্ণফুলী। কর্ণফুলীর পাশে বরকল ও জুরাছড়ি উপজেলায় এর অবস্থান। চারপাশের এমন সব সৌন্দর্য চোখের সামনে চলে আসবে যদি রঙরাং চূড়ায় উঠতে পারেন! প্রথমে মনে হতে পারে খুব সহজেই ওঠা যাবে এ পাহাড়চূড়ায়। কিন্তু এর ওঠার পথ বেশ খাড়া। বিশ মিনিটের মতো ট্রেকিং এর দরকার পড়বে রঙরাং পাহাড়চূড়ায় উঠতে হলে।<br><br>রঙরাং পাহাড়ের পাদদেশে সেনাক্যাম্প, আর চূড়ায় পুলিশের। পাহাড়ের ওপরে আছে টিঅ্যান্ডটির টাওয়ার। সেটির নিরাপত্তা বিধানের জন্য এখানে পুলিশ সদস্যদের থাকতে হয়। তাই অনেকে এখন এটিকে টিঅ্যান্ডটি পাহাড় বলে থাকেন। রাঙামাটিতে আসা পর্যটকেরা রঙরাং পাহাড়ের নাম হয়তো কমই শুনে থাকেন। নৌকার মাঝিরা সুবলং ঝরনা ঘুরিয়েই শেষ করেন তাঁদের পালা। এমনকি অনেক পর্যটক সুবলং বাজারটাও ঘুরে যেতে পারেন না নিজেদের কাছে তথ্য না থাকার কারণে। অথচ এটি সুবলং ঝরনার খুব কাছাকাছি একটি পাহাড়। আর সুবলং সেনাক্যাম্পের পাশ দিয়েই উঠতে হয় রঙরাং (Rongrang) পাহাড়ে।<br><br><strong>কখন যাবেন </strong><br>যেকোনো সময় রাঙামাটি ভ্রমণ অনন্য। তবে প্রকৃত সৌন্দর্য দেখতে চাইলে বর্ষাকাল এবং এর পরবর্তী সময়কে বেছে নিন।</p>



<p><strong>রংরাং যাওয়ার উপায় </strong><br>ঢাকার কলাবাগান, কমলাপুর ও ফকিরাপুল থেকে রাঙামাটিগামী (Rangamati) যেকোনো বাসে চেপে যেতে হবে রাঙামাটি শহর। এরপর নৌকা রিজার্ভ করুন। নৌকা ভাড়া ১ হাজার ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা। ভাড়া চুকানোর সময় প্যাকেজে শুভলং ঝর্ণার সঙ্গে শুভলং বাজার ও রঙরাং বা টিঅ্যান্ডটি পাহাড়ও অন্তর্ভুক্ত করুন।<br><br><strong>কোথায় থাকবেন </strong><br>রাঙ্গামাটিতে পুরাতন বাস স্ট্যন্ড ও রিজার্ভ বাজার এলাকায় বেশকিছু হোটেল আছে। তবে হোটেলে ওঠার আগে যদি একটু বিবেচনা করে নিবেন, যেমন হোটেলটি কাপ্তাই লেকের পাশে কিনা? তাহলে আপনি হোটেল থেকে লেকের মনোরম পরিবেশ ও বাতাস উপভোগ করতে পারবেন। থাকার জন্য রাঙ্গামাটিতে সরকারী বেসরকারী অনেকগুলো হোটেল ও গেষ্ট হাউজ রয়েছে। তাছাড়া আরো কিছু বোডিং পাওয়া যায় থাকার জন্য। বোডিংগুলোতে খরচ কিছুটা কম তবে থাকার জন্য খুব একটা সুবিধার নয়। নিন্মে কয়েকটি হোটেল এর বর্ননা দেয়া হলোঃ<br><br><strong>(১) পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স </strong><br>১২ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম রয়েছ। প্রেতিটির ভাড়াঃ ১৭২৫ টাকা ৭টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রনহীন রুম রয়েছে প্রতিটির ভাড়াঃ ৮০৫ টাকা যোগযোগ/ফোনঃ ০৩৫১-৬৩১২৬ (অফিস)<br><br><strong>(২) হোটেল সুফিয়া </strong><br>২৭ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম রয়েছ। প্রেতিটির ভাড়াঃ ৯০০ টাকা (একক), ১২৫০ (দ্বৈত) ৩৫টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রনহীন রুম রয়েছে প্রতিটির ভাড়াঃ ৬০০ টাকা যোগাযোগ/ফোনঃ ০৩৫১-৬২১৪৫, ৬১১৭৪, ০১৫৫৩৪০৯১৪৯<br><br><strong>(৩) হোটেল গ্রীন ক্যাসেল </strong><br>৭ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম রয়েছ। প্রেতিটির ভাড়াঃ ১১৫০ হতে ১৬০০ টাকা পর্যন্ত ১৬টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রনহীন রুম রয়েছে প্রতিটির ভাড়াঃ ৭৫০ হতে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত যোগাযোগ/ফোনঃ ০৩৫১-৭১২১৪, ৬১২০০, ০১৭২৬-৫১১৫৩২, ০১৮১৫-৪৫৯১৪৬ এছাড়াও রয়েছে আরো বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হোটেল রয়েছে। যেমনঃ হোটেল জজ, হোটেল আল মোবা, হোটেল মাউন্টেন ভিউ, হোটেল ডিগনিটি, হোটেল সাফিয়া, হোটেল ড্রিমল্যান্ড ইত্যাদি।<br></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%82/">রঙরাং</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b0%e0%a6%99%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%82/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জুরাছড়ি</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Oct 2020 11:15:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Rangamati]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1181</guid>

					<description><![CDATA[<p>রাঙামাটির সদর থেকে ৫৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জুরাছড়ি। ‘জুর’ শব্দের অর্থ ঠাণ্ডা আর ‘ছড়ি’ শব্দের অর্থ ছড়া বা ঝরণা। জুরাছড়ি নামের ঝর্ণা থেকে এই উপজেলার নামকরণ<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf/">জুরাছড়ি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>রাঙামাটির সদর থেকে ৫৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জুরাছড়ি। ‘জুর’ শব্দের অর্থ ঠাণ্ডা আর ‘ছড়ি’ শব্দের অর্থ ছড়া বা ঝরণা। জুরাছড়ি নামের ঝর্ণা থেকে এই উপজেলার নামকরণ হয়েছে। জুরাছড়ি উপজেলার পূর্বে ভারতের মিজোরাম, উত্তরে বরকল, দক্ষিণে বিলাইছড়ি এবং পশ্চিমে রাঙামাটি। এই এলাকার একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম নৌপথ।<br><br>জুরাছড়ি (Jurachari) এর এক পাশে দূর পাহাড় থেকে নেমে আসা বৃক্ষরাজী। অন্য পাশে কাপ্তাই হ্রদের নীরব জলে ঝিরি ঝিরি বাতাসের মিতালী মানুষের ঘুমন্ত সৌন্দর্যবোধকে এক ঝাঁকিতে জাগিয়ে তোলে। কোথায় যেন হারিয়ে যেতে চায় মন। জুরাছড়ি উপজেলা কমপ্লেক্সের পাশেই রয়েছে আর্মি ক্যাম্প। তাছাড়া জুরাছড়ি থানার পুলিশ পযর্টকদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য সার্বক্ষণিক প্রস্তুত। যে কোনো প্রয়োজনে ছুটে আসেন তারা।<br><br><strong>কি কি দেখবেনঃ </strong><br>বরকল বিজিবি ক্যাম্প থেকে অনুমতি নিয়ে ভূষণছড়া ও ছোট হরিণা যেতে পারেন এবং ফেরার দিন মিটিঙ্গাছড়ি, সুবলং ঝর্ণা, ঝুলন্ত ব্রিজ ও ডিসি হিল পার্কে ঘুরতে পারেন।<br><br><strong>কিভাবে যাবেনঃ </strong><br>ঢাকা টু রাঙ্গামাটি অনেক গুলো পরিবহন আছে যেমন: সোহাগ, সৌদিয়া, শ্যামলী, হানিফ, ঈগল ইত্যাদি। আপনি কল্যানপুর, কলাবাগান বা সায়দাবাদ থেকে রওনা হতে পারেন। ভাড়া ননএসি ৬০০-৬৫০ টাকা, এসি ৮০০-১০০০ টাকা। রাতে (১০-১১ টা) রওনা হলে আপনি খুব ভোরে (৬-৭ টা) পৌছে যাবেন রাঙ্গামাটি।<br><br>রাঙ্গামাটি শহরের সেনানিবাস এলাকা থেকে রিজার্ভ বাজার পর্যন্ত অটোরিকশা ভাড়া পড়বে ১০০ টাকা। ট্রলার তিন দিনের জন্য নেবে ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা। লঞ্চ যোগেও যেতে পারেন রিজার্ভ বাজার থেকে। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে একটি লঞ্চ এবং দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে আরেকটি লঞ্চ জুরাছড়ির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ভাড়া জনপ্রাত ৭০ থেকে ২০০ টাকা। সারাদিনে মাত্র দুটো লঞ্চ জুরাছড়ি আসা-যাওয়া করে। সময় লাগে প্রায় ৩ থেকে ৪ ঘন্টা। পথে শুভলং, নতুন বাজারসহ তিন চারটি ঘাটে বোট থামে।<br><br>খাগড়াছড়ির দীঘিনালা থেকেও যেতে পারবেন। সেক্ষেত্রে খুব সকালে দীঘিনালা থেকে মোটর বাইকে লংগদু রওনা দিতে হবে। দীঘিনালা থেকে লংগদু যেতে সময় লাগবে ১ ঘন্টার মত, দূরত্ব ৩৫ কিলোমিটার। লংগদু থেকে ট্রলারে করে শুভলং বাজার। দুপুরে ওখানে খাওয়া দাওয়া শেষে জুরাছড়ি এর লঞ্চে উঠে সন্ধ্যার আগে জুরাছড়ি ঘাটে পৌঁছে যাবেন।<br><br><strong>কোথায় থাকবেনঃ </strong><br>জুরাছড়িতে পর্যটক থাকার কোনও হোটেল এমনকি কাঠের বোর্ডিং পযর্ন্ত নেই। স্থানীয় কারও সহযোগিতা নিয়ে থাকার সমস্যার সমাধান করতে হবে।<br><br><strong>কোথায় খাবেনঃ </strong><br>জুরাছড়ি বাজারে খাবারের হোটেল পাওয়া যাবে। উপজেলা কমপ্লেক্সের পাশে মোহম্মদ আলী হোটেলে সুস্বাদু খাবার মেলে। দামও কম।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf/">জুরাছড়ি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
