<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Nepal Archives - SIC Group</title>
	<atom:link href="https://sicgroup.ae/category/nepal/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sicgroup.ae/category/nepal/</link>
	<description>Business of Excellence</description>
	<lastBuildDate>Tue, 20 Oct 2020 09:14:55 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.3</generator>

<image>
	<url>https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2023/11/cropped-SIC-32x32.png</url>
	<title>Nepal Archives - SIC Group</title>
	<link>https://sicgroup.ae/category/nepal/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>তিলিচো লেক</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%8b-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%8b-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Oct 2020 17:55:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Nepal]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=832</guid>

					<description><![CDATA[<p>তিলিচো লেক (Tilicho Lake) পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু লেকগুলোর একটি যা নেপালের মানাং জেলার অন্তর্গত এবং এই লেকটি অন্নপূর্না সার্কিট ট্রেকের একটা অংশ হিসেবে বিবেচিত। সি লেভেল<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%8b-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95/">তিলিচো লেক</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>তিলিচো লেক (Tilicho Lake) পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু লেকগুলোর একটি যা নেপালের মানাং জেলার অন্তর্গত এবং এই লেকটি অন্নপূর্না সার্কিট ট্রেকের একটা অংশ হিসেবে বিবেচিত। সি লেভেল থেকে লেকটির উচ্চতা ৪৯১৯ মিটার (১৬,১৩৮ ফিট) এবং লেকের পারের সর্বোচ্চ উচ্চতা প্রায় ৫৩০০ মিটার (১৭,১৫০ ফিট)। লেকের সর্বাধিক দৈর্ঘ্য ৪ কিলোমিটার এবং সর্বাধিক প্রস্থ ১.২ কিলোমিটার। গুগল অবশ্য তিলিচোকেই সর্বোচ্চ হিসেবে দেখায় কিন্তু উইকির মতে তিব্বতের কয়েকটি লেক আছে যেগুলো তিলিচোর চেয়ে কয়েকশ মিটার উচু।<br><br>মূলত ৪ দিনেই তিলিচো লেক ট্রেকটি কমপ্লিট করা যায়। কয়েক বছর আগে অবশ্য ১০ দিনের মত লেগে যেত। তখন মানাং পর্যন্ত গাড়ি চলাচল ছিল না। অনেকেই চামে ভিলেজ থেকে ট্রেক শুরু করত। তবে ট্রেক শুরুর আগে নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড থেকে পারমিশন নিতে হয়। পারহেড ৪০০০ নেপালি রুপি এর মতো লাগবে। পারমিশন নেয়ার সময় তাঁরা আপনার কাছে হেলথ ইন্স্যুরেন্স চেয়ে থাকবে। এই রুটে ট্রেকারদের ৯০% ই ইউরোপিয়ান, অস্ট্রেলিয়ান এবং প্রায় সবার কাছেই হেলথ ইন্স্যুরেন্স থেকে থাকে। সাথে কয়েক কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি আর পাসপোর্টের ফটোকপি রাখতে হবে। পারমিশন পেয়ে গেলে পরের দিন ভোরে কাঠমান্ডু থেকে বেসিশহর চলে যাবেন। কাঠমান্ডু থেকে বেসিশহর যেতে ৭/৮ ঘন্টা লেগে যাবে। গাড়িতে গেলে খরচ পরবে ১০ হাজার রুপি আর লোকাল বাসে গেলে পরবে পারহেড ৬০০ রুপি করে। ভোর ৫ টার মধ্যেই বাস ছেড়ে দেয়। বেসিশহরে ১ রাত থাকার পর পরেরদিন সকালে মানাং এর উদ্দেশ্যে রওনা দিবেন। শেয়ার জিপে পারহেড ২০০০ রুপিতেই মানাং যেতে পারবেন তবে আপনাকে প্রচুর বারগেইন করতে হবে। মানাং যেতে কয়েকটা চেকপোস্ট পরবে, সবগুলাতেই এন্ট্রি করে নেবেন।<br><br>এক্লেমাটাইজেশনের জন্য মানাং এ দুইরাত থাকতে পারেন। চাইলে গঙ্গপূর্না লেক আর আইস লেক ট্রেক করতে পারেন এই সময়ের মধ্যে। মানাং থেকে ট্রেক শুরু করে প্রথমদিন চাইলে খাংসার থাকতে পারেন, সেক্ষেত্রে শর্ট ট্রেক হয়ে যাবে। পরের ভিলেজেও থাকতে পারেন তবে সবসময় রুম পাওয়া যায়না সেখানে। আর একদিনেই যদি তিলিচো বেইজ ক্যাম্প যেতে পারেন তবে তো খুবই ভাল। জেনে রাখা ভালো, তিলিচো বেইজ ক্যাম্প খুবই এক্সপেন্সিভ। এখানে এক প্লেট ডাল, ভাত, সবজির দাম ৮৫০ রুপি, একটা ডিম ভাজি ৪০০ রুপি, এক কাপ চা ১০০ রুপি।<br>যাইহোক তিলিচো বেইজ ক্যাম্প থেকে তিলিচো লেকে যাওয়ার জন্য ভোর চারটায় রওনা দিতে পারেন। কারন দুপুরের পর থেকে প্রচন্ড বাতাস শুরু হয়। লেকে উঠতে ৬/৭ ঘন্টা লেগে যাবে। নামতে লাগবে দেড়-দুই ঘন্টা। তিলিচো লেকের কিছুটা উপরে তিলিচো হাই ক্যাম্প আছে, সেখানে থাকা যায়।<br><br><strong>রুট প্ল্যান </strong><br>কাঠমান্ডু- বেসিশহর <br>বেসিশহর- মানাং <br>মানাং- খাংসার <br>খাংসার- তিলিচো বেইজ <br>ক্যাম্প বেইজ ক্যাম্প- তিলিচো লেক<br> বেইজক্যাম্প বেইজক্যাম্প- <br>খাংসার খাংসার- বেসিশহর <br>বেসিশহর- কাঠমান্ডু<br><br></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%8b-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95/">তিলিচো লেক</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a7%8b-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চিন্তাফু ট্রেক</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a7%81-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a7%81-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Oct 2020 04:47:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Nepal]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=845</guid>

					<description><![CDATA[<p>চিন্তাফু ট্রেক (Chintaphu Trek) ভার্জিন রুট না হলেও খুব কম মানুষই এই পথে পা মিলিয়েছেন। চিন্তাফুর ব্যাপারে তাই খুব মানুষই জানেন। স্থানীয় গাইডরা চিন্তাফুকে সান্দাকফু এর<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a7%81-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95/">চিন্তাফু ট্রেক</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>চিন্তাফু ট্রেক (Chintaphu Trek) ভার্জিন রুট না হলেও খুব কম মানুষই এই পথে পা মিলিয়েছেন। চিন্তাফুর ব্যাপারে তাই খুব মানুষই জানেন। স্থানীয় গাইডরা চিন্তাফুকে সান্দাকফু এর বোন বলে। সান্দাকফুর থেকে চিন্তাফুর উচ্চতা মাত্র ৩৩মিটার কম। চিন্তাফুর উচ্চতা ৩৬৩৩মিটার অর্থাৎ ১১৯২৯ ফিট। চিন্তাফুর বৈশিষ্ট্য হল চিন্তাফু থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘাই শুধু নয়, অক্টোবরের ঝকঝকে আকাশে এভারেস্ট, মাকালু ও লোথসেও খুব ভালোরকম দেখা যায়। সান্দাকফু থেকেও এই ভিউ পাওয়া যায় না।<br><br>যাঁরা ছোট ও কম সময়ের জন্য ট্রেকিং এর পাশাপাশি বেড়ানোর খোঁজ করেন তাঁদের জন্যে চিন্তাফু হতে সেরা অপশন। খরচ কম, ঝঞ্ঝাট কম, শনি রবির সাথে ছুটি নিতে হবে মাত্র দিন তিনেক। ট্রেকিংটাও মাত্র ওঠা নামা নিয়ে (৪+৪=৮) ৮ কিমি। বয়স কোনও বাধা হবে না।<br><br><strong>ভ্রমণের সেরা সময় </strong><br>চিন্তাফু বা চিন্তাপুর ট্রেকে মার্চের শেষ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত প্রচুর রডোডেন্ড্রন সহ অনেক রকমের ফুলের সমাহার এর দেখা মিলে। জঙ্গল, উপত্যকা, প্রাকৃতিক জলাশয়, ঝরণা, ভাগ্যে থাকলে তুষারপাত আর মেঘ না ঢেকে রাখলে কাঞ্চনজঙ্ঘা ও সপারিষদ এভারেস্টের দেখা পাবেন।<br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>শিলিগুড়ি থেকে যে পথ মিরিক হয়ে দার্জিলিং গেছে সেই পথে নেপাল সীমান্তে পশুপতিনগরে নেমে কেনাকাটা করেন নি এমন পর্যটক মেলা ভার। সেই পশুপতিনগর থেকে নেপালের গাড়ি নিয়ে ঘন্টা চারেকের পথ পেরিয়ে যেতে হবে ইলম জেলার মাইমাজুয়া। পথে দেখবেন মাইপোখরি নামে এক বিশাল জলাশয় সম্পূর্ণ গাছগাছালিতে ঢাকা। নেপালিদের কাছে খুব পবিত্র এই জলাশয়। চারপাশে হাঁটতে ভীষণ ভালো লাগবে। তবে ফেরার দিন দেখাই ভালো। যাবার দিন সময় কুলোবে না। মাইমাজুয়াতে থাকবেন কমল দাজুর হোমস্টেতে। মাইমাজুয়াতেও খুব ভালো ঝর্ণা আছে। সেটাও পরে দেখবেন।<br><br><strong>১</strong> রাত কাটিয়ে পরের দিন সকাল সকাল ল্যান্ডরোভারে রওনা দিন ১২ কিমি দূরের গরুয়ালিভঞ্জ। পথের সৌন্দর্য অসাধারণ। আর একটা ছোট পবিত্র জলাশয়ের পাশে কিছু সময় কাটিয়ে পৌঁছে যাবেন ছোট্ট ছবির মতো গ্রাম গরুয়ালিভঞ্জে। এখানে থাকার জায়গা খুব সাধারণ কিন্তু চারপাশ অসাধারন। একটা রাস্তা বাঁদিকে চলে গেছে চিন্তাফু আর ডানদিকে সান্দাকফু। চা ও জলখাবার খেয়ে গাইড পোর্টার নিয়ে হাঁটতে শুরু করুন চিন্তাফু এর উদ্দেশ্যে। যদি রাতে থাক্ঙ্গেতে চান তাহলে অবশ্যই সাথে স্লিপিং ব্যাগ নিয়ে নেবেন। এ পথেও অসাধারণ ফুলেল সৌন্দর্য ও আর একটা ছোট পোখরি পাবেন।<br><br>জনমানবহীন গা ছমছমে চিন্তাফুতে কিছুক্ষণ কাটিয়ে ও মেঘেদের উপস্থিতি না থাকলে এভারেস্ট, কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখে নেমে আসতে পারেন গরুয়ালিভঞ্জে। আর যদি ভোরের আকাশে সূর্যোদয় ও তুষারাবৃত শৃঙ্গ দেখার বাসনা থাকে তো দ্বিতীয় রাত কাটান চিন্তাফুর ট্রেকারস হাটে।<br><br>দ্বিতীয় রাত চিন্তাফু বা গরুয়ালিভঞ্জ যেখানেই কাটান, তৃতীয় রাত কিন্তু আবার কাটাতে হবে মাইমাজুয়াতেই। অর্গানিক চা, ঘরে তৈরী ঘি, কিছু অজানা পাহাড়ী ডাল কিনে নিতে পারেন হোমস্টের কমল দাজুর কাছ থেকে। তারপর ফিরে আসুন একই পথে পশুপতিনগর ও শিলিগুড়ি। ফেরার পথে সৌরিনী ও গোপালধারা চা বাগানের পাশে ক্যামেরা হাতে কিছু সময় কাটাতে ভুলবেন না।<br><br><strong>দ্বিতীয় রুট</strong> – মানেভঞ্জন থেকে লামেধুরা, টুমলিং, জৌবারি, মাবু, মায়মাজুয়া, গুরওয়ালে হয়ে চিন্তাফু পৌঁছানো যায়। গুরওয়ালে থেকে চিন্তাফু ৬ কিলোমিটার।<br><br><strong>তৃতীয় রুট </strong>– মানেভঞ্জন থেকে ধোত্রে চলে যান। ধোত্রে থেকে টংলু হয়ে টুমলিং, তারপর সেখান থেকে সান্দাকফু। আর সেখান থেকে আল হয়ে হেঁটে অতিক্রম করতে হবে বেশ দুর্গম ১২ কিমি পথ, সময় লাগলো প্রায় ৪ ঘন্টার মতো। এর পরে পৌছানো যাবে বহু প্রতিক্ষিত গোরওয়ালে গ্রামে। সেখান থেকে চিন্তাফু আবার ৬ কিমি ট্রেক।<br><br><strong>বাংলাদেশ থেকে যেভাবে যেতে পারেন </strong><br>বাংলাদেশ থেকে যারা যাবেন, তাদের ভারতের ট্রানজিট ভিসা নিতে হবে নেপাল বাই রোডে ঢুকতে চাইলে। প্রথমেই শিলিগুড়ি থেকে কাঁকড়ভিটার উদ্দেশ্যে রওনা করুন। এই কাঁকড়ভিটা হলো ভারত নেপাল সীমানাবর্তী এলাকা। কাঁকড়ভিটা পৌঁছে সেখান থেকে নেপালে ঢোকার সকল ফরমালিটিস শেষ করে শেয়ার গাড়িতে চলে যান বিরথা মোড় বাস স্ট্যান্ড। সেখান থেকে আমরা ইলাম যাবার শেয়ার গাড়ি পাবেন। ইলম হচ্ছে নেপালের ইলাম জেলার সদর শহর। দীর্ঘ ৫ ঘন্টা যাত্রা করার পর ইলাম শহরে পৌঁছানো যাবে। এই দিন আপনাকে ইলমে রাত্রি যাপন করতে হবে। সকাল থেকে ট্রেকের জন্যে যাত্রা শুরু।<br><br>পরেরদিন সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা সেরে রওনা দিন Biplate এর উদ্দেশ্যে। ইলাম থেকে Biplate যেতে সময় লাগে ২০ মিনিট। বাইপ্লেট থেকে Maimajua যেতে হবে। মাইমাজুয়া যাওয়ার শেয়ারড গাড়ি পাওয়া যায় কিন্তু বাইপ্লেট থেকে সেগুলো ছাড়ে দুপুর ১টার পর। আর যদি বাইপ্লেট থেকে হেঁটে যেতে চান, সেক্ষেত্রে সময় লাগবে আনুমানিক ৭ থেকে ৮ ঘন্টা।<br><br>Biplate থেকে মায়মাজুয়া হেঁটে যেতে চাইলে প্রথমে পৌছাবেন জসবীরে নামক একটি গ্রামে। সেখানে ক্ষনিকের চা বিরতি দিয়ে আবার ছুটে চলুন। ঘন্টাখানেক চলার পর পৌঁছাবেন মাইপোখরিতে। নেপালি ভাষায় পোখরি মানে পুকুর। স্থানীয় লোকেরা এখানে পুজো দিতে আসে। ছোট্ট মন্দির সহযোগে একটি সুবিশাল কুন্ড আর তার চারপাশের স্নিগ্ধতা এককথায় অবর্ণনীয়।<br><br>মাইপোখরি দর্শনের পর আবার যাত্রা শুরু করুন। অনেকটা সময় পেড়িয়ে পৌছাবেন ফরেস্ট রেজিমেন্টের এক সুন্দর ঝুলন্ত ব্রীজের কাছে। সেটা পার করে আরও ৪০ মিনিট হাঁটার পর অবশেষে বিকেল নাগাদ পৌঁছে যাবেন মাইমাজুয়া। মাইমাজুয়াতে কমল দাজু (কমল গুরুং) এর হোমস্টে যথেষ্ট বিখ্যাত। এখানে রাত্রি যাপন করে পরের দিন সকালে রওনা দিতে হবে চিন্তাফু এর উদ্দেশ্যে।<br><br>পরের দিন সকালে নাস্তা সেরে সকাল সকাল রওনা দিন গারুওয়ালের উদ্দেশ্যে, যেখানে নাঞ্চ করে তারপর রওনা দিতে হবে চিন্তাফু এর পথে। প্রায় দুপুর ১২ টা নাগাদ গারুওয়ালে পৌঁছে যাবেন। ছোট একটি জনবসতি এই গারুওয়ালে। গুটিকতক বাড়ি ঘর ছড়ানো ছিটানো। এই গারুওয়ালে থেকে ডানদিকে চলে গেলে সান্দাকফু যাবার রাস্তা আর বামদিকে চলে গেলে চিন্তাফু যাবার রাস্তা। এখানেই শেষ জলের উৎস পাওয়া যায়। এরপর যখন আমরা চিন্তাফুর জন্য রওনা হবেন, সারা রাস্তা আর কোথাও পানীয় জল পাবেন না।<br><br>লাঞ্চ সেরে সমস্ত বোতলে জল ভরে নিয়ে দুপুর নাগাদ রওনা দিন চিন্তাফু এর উদ্দেশ্যে। ম‍্যাগনোলিয়া ও রডোড্রেনডন গাছের জঙ্গল অতিক্রম করে এগিয়ে চলতে হবে। কিছুটা উচ্চতা অতিক্রম করার পর তালপোখরি নামে একটি পুকুরের দেখা মিলবে। সেটাকে অতিক্রম করে উপরের দিকে উঠতে থাকুন। বিকাল ৪টার কাছাকাছি সময়ে চিন্তাফু পৌছে যাবেন কারন গারুওয়াল থেকে চিন্তাফু এর দূরত্ব ৩ কিমি।</p>



<p><strong>থাকবার জায়গা </strong><br>চিন্তাফু টপে আছে দু কামরার একটা ভাঙাচোরা ট্রেকারস হাট ও একটা ছোট্ট চালা ঘর।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a7%81-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95/">চিন্তাফু ট্রেক</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ab%e0%a7%81-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পুন হিল ট্রেক</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Oct 2020 05:04:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Nepal]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=848</guid>

					<description><![CDATA[<p>পুন হিল গোরেপানির কাছেই অবস্থিত একটি পাহারচূড়া, যেটির উচ্চতা ৩২১০ মিটার। নেপালের হিমালয়ের অন্নপূর্ণা রেঞ্জের অসাধারণ সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে পুন হিল ট্রেক (Pun Hill Trek)<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95/">পুন হিল ট্রেক</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>পুন হিল গোরেপানির কাছেই অবস্থিত একটি পাহারচূড়া, যেটির উচ্চতা ৩২১০ মিটার। নেপালের হিমালয়ের অন্নপূর্ণা রেঞ্জের অসাধারণ সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে পুন হিল ট্রেক (Pun Hill Trek) এর জুড়ি নেই। আকাশ পরিস্কার থাকলে পুন হিল থেকে অন্নপূর্ণা এবং ধবলগীরি রেঞ্জের ১২টি চূড়া দেখা যায়। এটি অপেক্ষাকৃত সহজ একটি ট্রেক। পাঁচ দিনের এই ট্রেকে পথ চলার সময় বরফে ঢাকা একাধিক পর্বতশৃঙ্গ তো বটেই, আপনাকে বিমোহিত করবে পাহাড়ি এলাকার অসাধারণ সব দৃশ্য। পুনহিল থেকে ধাওয়ালগিরি রেঞ্জের অসাধারণ ভিউ পাওয়া যায়।<br><br>কষ্ট হলেও পোখারায় গেলে সময় নিয়ে অন্তত এই ট্রেকে যাওয়া উচিত। অনেকেই এভারেস্ট বেস ক্যাম্প ট্রেক বা অন্নপূর্ণা বেস ক্যাম্প ট্রেকে যেতে পারেন না সময় বা শারীরিক সামর্থ্য না থাকায়। সেক্ষেত্রে পুন হিল ট্রেকটি পাঁচ বা চার দিনে শেষ করা যায়।<br><br>পোখারা থেকে যাত্রা শুরু করে অন্নপূর্ণা সংরক্ষিত এলাকায় পৌঁছে ঘড়ির কাটার দিকে বা ঘড়ির কাটার বিপরীতে দুইভাবেই ট্রেকটি করা যায়। বেশিরভাগই ট্রেক শুরু করে ঘড়ির কাটার দিকে। তবে ঘড়ির কাটার বিপরীত দিক দিয়ে ট্রেকটি করলে প্রথম দুই দিন কষ্ট অপেক্ষাকৃত কম হয়। আর শুরুর দিন থেকেই অসাধারণ সব দৃশ্য হাঁটা বা পাহাড়ে ওঠার কষ্ট ভুলিয়ে দেয়।<br><br>প্রথম রাতে থাকতে পারেন ঘান্দ্রুকে, দ্বিতীয় রাতে তাদাপানিতে, তৃতীয় রাতে ঘোরেপানিতে। চতুর্থ দিন সূর্য ওঠার আগে পুন হিলে উঠে উপভোগ করতে পারেন অন্নপূর্ণা আর ধবলগিরি রেঞ্জের অসাধারণ সব পর্বতচূড়ায় সূর্যোদয়। আকাশ পরিষ্কার থাকলে এবং মেঘ কম থাকলে খুব কাছ থকে মাচ্ছাপুচ্ছরে, হিমছুলি, অন্নপূর্ণা সাউথ, অন্নপূর্ণা-১ (বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ, ৮,০৯১ মিটার), নীলগিরি, তুকুচে, ধবলগিরি-১ (বিশ্বের সপ্তম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ, ৮,১৬৭ মিটার)- সবগুলো চূড়াই পরিষ্কার দেখতে পাওয়া যায়।<br><br><strong>প্রয়োজনীয় পারমিট </strong><br>পুন হিল ট্রেকের জন্য ট্রেকারদের ‘টিআইএমএস’ কার্ড ছাড়াও লাগে এন্ট্রি পারমিট। পোখারার টুরিস্ট সেন্টার থেকে সহজেই এই দুই কার্ড নেওয়া যায় অথবা যে কোনো এজেন্সি বা হোটেলের লোকজন সামান্য ফি নিয়ে তা করে দেয়। অন্নপূর্ণা কনজারভেশন এরিয়া (ACAP) পারমিট ফি: ২০০০ নেপালী রুপী বিদেশীদের জন্যে, সার্কভুক্তদের জন্যে ২০০ রুপী। টিআইএমএস (TIMS) পারমিট ফি: ১০০০ নেপালী রুপী<br><br><strong>সম্ভাব্য ট্যুর প্ল্যান </strong><br>Time needed: 5 days.<br><br><strong>পোখরা থেকে ঘান্দ্রুক </strong><br>পোখরা থেকে ট্যাক্সি করে যেতে হবে বাগলুং বাস স্টেশন। এখান থেকে ঘান্দ্রুকের উদ্দেশ্যে বাসে উঠতে হবে। ৫ ঘন্টার যাত্রা। বাস যে জায়গায় নামিয়ে দিবে সেখান থেকে ২ ঘন্টার ট্রেক করে পৌছাতে হবে ১৯৫০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত ঘান্দ্রুক। রাতে ঘান্দ্রুকের কটেজে রাত্রি যাপন।<br><br><strong>ঘান্দ্রুক থেকে তাদাপানি </strong><br>সকালে নাস্তা সেরে ঘান্দ্রুক থেকে ২৬৮০ মিটার উচ্চতার তাদাপানির উদ্দেশ্যে ট্রেকিং শুরু। ৬ কিলোমিটারের এই ট্রেকে সময় লাগবে ৩.৫ থেকে ৪ ঘন্টা। তাদাপানিতে রাত্রি যাপন।<br><br><strong>তাদাপানি থেকে ঘোরেপানি </strong><br>সকালের নাস্তা সেরে ২৮৫০ মিটার উচ্চতার ঘোরেপানি (Ghorepani) এর উদ্দেশ্যে ট্রেকিং শুরু। সময় লাগবে ৫-৬ ঘন্টা। ঘোরেপানিতে রাত্রি যাপন।<br><br><strong>ঘোরেপানি থেকে উল্লেরি </strong><br>খুব সকালে উঠে ১ ঘন্টার ট্রেক করে চলে যেতে হবে পুন হিল, সূর্যোদয় দেখার জন্যে। পরে মেঘে ঢেকে যায় চূড়া গুলো। তাই সকাল সকাল যাওয়াটাই উত্তম। এরপরে ব্যাক করে নাস্তা সেরে নিয়ে উল্লেরির উদ্দেশ্যে ট্রেকিং শুরু। এবার শুধুই নামা। রাতে উল্লেরিতে রাত্রি যাপন।<br><br><strong>উল্লেরি থেকে পোখরা </strong><br>উল্লেরি থেকে আবার নামা শুরু। প্রায় ৩৫০০ এর মত সিড়ি নামতে হবে। এরপরে পৌছানো যাবে হিলে গ্রামে। হিলে থেকে পোখরার জীপ পাবেন।<br><br>কেউ চাইলে পোখরা থেকে জীপ নিয়ে নয়াপুল যেয়ে ঘান্দ্রুকের উদ্দেশ্যে ট্রেক শুরু করতে পারে। সেক্ষেত্রে সময় লাগবে ৫-৬ ঘন্টা। আবার ফেরার সময়, কেউ চাইলে পুন হিল থেকে সরাসরি Tikhedunga চলে আসতে পারেন। এক্ষেত্রে সময় লাগবে ৪-৫ ঘন্টা। পরদিন সকালে তিখেদুঙ্গা থেকে ৩ ঘন্টার ট্রেকিং শেষে নয়াপুল এসে পোখরার জীপ নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে নয়াপুল থেকে পোখরা সময় লাগবে ১.৫ থেকে ২ ঘন্টা।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95/">পুন হিল ট্রেক</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইলম</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a6%ae/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a6%ae/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Oct 2020 05:57:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Nepal]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=851</guid>

					<description><![CDATA[<p>হিমাল কন্যা নেপাল এর এক বিস্ময়কর চা রাজ্য – ইলম। এখান থেকে ভারতের দার্জিলিং খুব বেশী দূরে নয়। ইলম হলো ভারত-নেপাল বর্ডারের সীমান্ত জেলা। গোটা জেলাটাই<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a6%ae/">ইলম</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>হিমাল কন্যা নেপাল এর এক বিস্ময়কর চা রাজ্য – ইলম। এখান থেকে ভারতের দার্জিলিং খুব বেশী দূরে নয়। ইলম হলো ভারত-নেপাল বর্ডারের সীমান্ত জেলা। গোটা জেলাটাই যেন জাপানি ফেরস্কো! প্রতিটা বাড়ি সাজানো। একচিলতে বারান্দায় কিছু না হলেও গাদা ফুলের গাছ। তবে টব নয়। প্লাস্টিকের বালতিতে। সহজেই সরানো যায়।<br>শিলিগুড়ি থেকে পূর্ব নেপালে বেড়াতে যাওয়া কোনও সমস্যাই নয়৷ ভারত নেপাল সীমান্ত থেকে ঝাপা, ইলম কিংবা ধারানের পর্যটন কেন্দ্রগুলি কয়েক ঘণ্টার পথ৷ যাঁরা দার্জিলিং, সিকিম বেড়াতে আসেন, তাঁরা অনায়াসেই ওই এলাকাগুলি ঘুরে আসতে পারেন৷ ইলম জেলার কন্যম (Kanyam) নেপালের একমাত্র চা শিল্প এলাকা।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>মিরিক হয়ে যেতে পারেন। বর্ডারের সামনেই সারি সারি গাড়ি। দুশো টাকা দিলেই পশুপতি মার্কেট। হরেক রকমের জিনিসের দেখা মেলে এখানে। সবই অবশ্য শিলিগুড়ি মার্কেট থেকে আমদানি করা তবে দাম শুনলে ভয় লাগবে।<br><br><strong>বাংলাদেশিদের জন্যে যাওয়ার উপায় </strong><br>বাংলাদেশ থেকে যারা যাবেন, তাদের ভারতের ট্রানজিট ভিসা নিতে হবে নেপাল বাই রোডে ঢুকতে চাইলে। প্রথমেই শিলিগুড়ি থেকে কাঁকড়ভিটার উদ্দেশ্যে রওনা করুন। এই কাঁকড়ভিটা হলো ভারত নেপাল সীমানাবর্তী এলাকা। কাঁকড়ভিটা পৌঁছে সেখান থেকে নেপালে ঢোকার সকল ফরমালিটিস শেষ করে শেয়ার গাড়িতে চলে যান বিরথা মোড় বাস স্ট্যান্ড। সেখান থেকে আমরা ইলাম যাবার শেয়ার গাড়ি পাবেন। ইলাম হচ্ছে নেপালের ইলাম জেলার সদর শহর। দীর্ঘ ৫ ঘন্টা যাত্রা করার পর ইলাম শহরে পৌঁছানো যাবে।<br><br>কোথায় থাকবেন <br>ইলমে সদরে থাকার জন্যে ৭০০-১০০০ রুপীতে বেশ ভালো মানের হোটেল পেয়ে যাবেন। এছাড়াও চা বাগানের দিকে থাকতে চাইলে থাকতে হবে বাঁশ আর কাদা মাটির প্রলেপ দিয়ে বানানো কটেজে। একটু বৃষ্টি পেয়ে গেলে তো সোনায় সোহাগা।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a6%ae/">ইলম</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a6%ae/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>লুম্বিনি</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Oct 2020 06:18:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Nepal]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=854</guid>

					<description><![CDATA[<p>লুম্বিনি নেপালের পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে একটি। তীর্থ যাত্রীদের স্থান হচ্ছে লুম্বিনি (Lumbini), কারণ এটাই সিদ্ধারত গৌতম বা বৌদ্ধের জন্মস্থান। এটি নেপালের দক্ষিন পশিমাঞ্চলের একটি ছোট্ট শহর।<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf/">লুম্বিনি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>লুম্বিনি নেপালের পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে একটি। তীর্থ যাত্রীদের স্থান হচ্ছে লুম্বিনি (Lumbini), কারণ এটাই সিদ্ধারত গৌতম বা বৌদ্ধের জন্মস্থান। এটি নেপালের দক্ষিন পশিমাঞ্চলের একটি ছোট্ট শহর। প্রত্নতাত্ত্বিক ভাবে এটি ৫৫০ খ্রিষ্ট পূর্বের নিদর্শন বহন করছে। এই পৌরাণিক স্থানটি জ্ঞানী, বিজ্ঞানী এবং কৌতোহলী দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। বৌদ্ধের মাতা মায়া দেবী বাগানের একটি গাছের কাছে বৌদ্ধের জন্ম দিয়েছিলেন। সেখানে তার নামে একটি মন্দির নির্মাণ করা হয়েছে। জাপানিজ আর্কিটেক্ট কেঞ্জু টাংজি এটির নকশা করেছেন।<br><br>একটি ছোট পার্কের মাঝখানে এটি স্থাপন করা হয়েছে। এখানে রয়েছে পুকুর যেখানে বৌদ্ধকে প্রথম গোসল করানো হয়, অশোকা পিলার, মায়াদেবীর প্রাচীন মূর্তি, বৌদ্ধ মন্দির, থাই মনেস্ট্রিসহ সবুজ ঘাসে-ছাওয়া প্রান্তর। এখানে প্রতিদিনই বৌদ্ধধর্মের অনুসারীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। বর্তমানে লুম্বিনিতে বিভিন্ন দেশের শিল্পকলা ও সংস্কৃতির চিত্র তুলে ধরা হয়। এখানে ধর্মীয় অনুসারীদের থাকার জন্য মন্দির নির্মাণ করা হয়েছে।<br><br>প্রতিবছর বৈশাখী পূর্ণিমায় লুম্বিনির অধিষ্ঠাত্রী মায়াদেবীর মন্দিরে পুজো দিতে হাজার হাজার হিন্দু তীর্থ যাত্রী এই তীর্থে আসেন।হিন্দুপুরাণে মায়াদেবীকে রূপাদেবী বলা হয়ে থাকে।বৈশাখী পূর্ণিমা ছাড়াও প্রতিদিনই সকাল থেকে বৌদ্ধ পুণ্যার্থীরা লুম্বিনিতে আসেন এবং সিদ্ধার্থ গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান দর্শন করেন।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে বাই এয়ারে যেতে হবে সিদ্ধার্থনগর যা Bhairahawa নামেও পরিচিত। এটি লুম্বিনি থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। Bhairahawa থেকে প্রতি ১৫ মিনিট পরে পরে লুম্বিনি এর উদ্দেশ্যে বাস ছেড়ে যায়। সর্বশেষ ফিরতি বাস বিকেল ৫টায়।<br><br>এছাড়া ভারতের গোরাখপুর এবং ফায়জাবাদ থেকে বিমানে করে সিদ্ধার্থনগর (Siddharthanagar) পৌঁছানো যায়। গোরাখপুর থেকে বাসে করেও পৌঁছানো যাবে। কাঠমান্ডু (Kathmandu) থেকে বাই রোডে লুম্বিনী যেতে সময় লাগবে ৫ ঘন্টার মত।<br><br><strong>কোথায় থাকবেন </strong><br>বাজেট হোটেলের মধ্যে লুম্বিনি বাজারের কাছে মায়াদেবী গেস্ট হাউজ আছে, মায়াদেবী মন্দিরের কাছে The Holy Birth আছে, লুম্বিনি মেইন বাজারের কাছে Lumbini Garden Lodge আছে।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf/">লুম্বিনি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ধুলিখেল</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Oct 2020 06:50:46 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Nepal]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=857</guid>

					<description><![CDATA[<p>তিব্বতের পথে প্রায় পনেরশ মিটার উচ্চতার ও পাঁচশ বছরের ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্ন ধারণ করে থাকা ধুলিখেল নেপালের কালচারাল থিম পার্ক নামেই খ্যাত। শুধু প্রকৃতি আর হিমালয়কে নিয়ে<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2/">ধুলিখেল</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>তিব্বতের পথে প্রায় পনেরশ মিটার উচ্চতার ও পাঁচশ বছরের ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্ন ধারণ করে থাকা ধুলিখেল নেপালের কালচারাল থিম পার্ক নামেই খ্যাত। শুধু প্রকৃতি আর হিমালয়কে নিয়ে একটা গোটা দিন কাটিয়ে দেওয়ার পক্ষে ধুলিখেল এক দারুণ জায়াগা। কাঠমান্ডু থেকে ধুলিখেলের দূরত্ব ৩০ কিলোমিটার। ধুলিখেল শৈলশহরের উচ্চতা প্রায় ৫,৫০০ফুট। মেঘ – কুয়াশা না থাকলে এখান থেকে নেপাল হিমালয়ের বেশ কয়েকটি শৃঙ্গ দেখা যায়। সূর্যোদয় দেখার জন্য কাঠমন্ডু থেকে, শেষ রাতে বেরিয়ে অনেক পর্যটক এখানে এসে হাজির হন। এখান থেকে সূর্যদয় ও সূর্যাস্ত দু’ই দেখা মেলে বেশ মনোরমভাবে। এতোসব আয়োজনের পরও যারা আরো একটু রোমাঞ্চকর অভিযান চান তাদের জন্য রয়েছে খরস্রোতা ত্রিশূল নদীর উপর রিভার র‌্যাফটিং এর ব্যবস্থা<br><br>শুধু হিমালয়ের শোভাই নয় ধুলিখেল (Dhulikhel) শহর এবং ধারে-কাছে রয়েছে বেশ কিছু দ্রষ্টব্য। শহরের অধিবাসীরা বেশ মিশুকে এবং অতিথিবৎসল। ধুলিখেল শহর এর পুরনো অংশে রয়েছে বেশ কিছু প্রাচীন মন্দির – যেমন বিষ্ণু মন্দির এবং পাহাড়ের কোলে রয়েছে কালীমন্দির।<br><br><strong>কিভাবে যাবেনঃ </strong><br>কাঠমান্ডু এর রত্না পার্ক বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রতি ঘন্টায় বাস ছাড়ে ধুলিখেল যাওয়ার। বাসে ভাড়া পড়বে ৬০ রুপীর মত। গোটা গাড়ি ভাড়া নিলে ড্রপিং চার্জ ১,৫০০ থেকে ১,৮০০ টাকা।<br><br><strong>কোথায় থাকবেনঃ </strong><br>ধুলিখেলে থাকার জন্যে বাজেট হোটেল এবং মধ্যম মানের হোটেল, দুটোই আছে। বাজেট হোটেলের মধ্যে আছে প্যানারোমা ভিউ লজ (Panorama View Lodge), আরানিকো হোটেল (Araniko Hotel), ইননেট পেনশন (Innate Pension) প্রভৃতি। মধ্যম মানের হোটেলের মধ্যে আছে হাই ভিউ রিসোর্ট (High View Resort), হিমালয় হরিজন (Himalayan Horizon), মিরাবেল রিসোর্ট (Mirabel Resort) প্রভৃতি।<br><br></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2/">ধুলিখেল</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ভক্তপুর</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%ad%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%ad%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Oct 2020 07:08:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Nepal]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=860</guid>

					<description><![CDATA[<p>প্রাচীন রাজাদের আবাসস্থল ছিল ভক্তপুর। ভক্তপুর (Bhaktapur) শহরের অবস্থান কাঠমান্ডু থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে। এটি ছিলো প্রাচীন নেপালের রাজধানী। নেপাল এর ঐতিহ্যবাহী ভক্তপুর কে স্থানীয়রা বুদগাঁও<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%ad%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0/">ভক্তপুর</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>প্রাচীন রাজাদের আবাসস্থল ছিল ভক্তপুর। ভক্তপুর (<strong>Bhaktapur</strong>) শহরের অবস্থান কাঠমান্ডু থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে। এটি ছিলো প্রাচীন নেপালের রাজধানী। নেপাল এর ঐতিহ্যবাহী ভক্তপুর কে স্থানীয়রা বুদগাঁও নামে চেনে। আর একটা নাম ছিলো এর খৌপা।<br><br>শহরটি মধ্যযুগীয় শিল্প-সাহিত্য, কাঠের কারুকাজ, ধাতুর তৈরি মূর্তি ও আসবাবপত্রের যাদুঘর বলে পরিচিত। শহরটিতে বৌদ্ধ মন্দির ও হিন্দু মন্দিরের অপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়। বেশ কিছু ধর্মীয় উপাসনালয় রয়েছে এখানে। প্রাচীন কৃষিভিত্তিক জীবনযাত্রার ছোঁয়াও এখানে পাওয়া যায়। এখানকার স্থানীয়রা এখনও কাঠমান্ডু ভ্যালির অনেক আবাদি জমিতে ফসল ফলায়। এর চিহ্ন মিলে, স্থানীয়দের বাড়ির জানালায় ঝুলে থাকা খড়, কিছু পাত্র আর কৃষি কাজে ব্যবহৃত নানা উপকরণের প্রাচুর্য।<br><br><strong>ভক্তপুর এর দর্শনীয় স্থাপত্যের মধ্যে রয়েছে</strong> – পশ্চিম তামূধি তোল গেট, পটার্স স্কয়ার, পটার্স স্কয়ারের সিংহদ্বার, তামূধি তোল, নয়া তাপোলা মন্দির, ভৈরবনাথ মন্দির, তিল মহাদেব নারায়ণ মন্দির, দরবার স্কয়ার, এরোটিক এলিফ্যান্টস মন্দির, উগরাচান্দি এবং ভৈরব মূর্তি, রাজা ভূপতিন্দ্র মাল্লার কলাম, ভত্সলা দুর্গা মন্দির এবং তেলেজু ঘণ্টা, রাজভবন, ন্যাশনাল আর্ট গ্যালারি, সোনালী গেট, চায়াসিলিন মণ্ডপ, সিদ্ধি লক্ষ্মী মন্দির, ফাসিদেগা মন্দির, তাধূনচেন বাহাল, তাচুপাল তোল, দত্তনারায়ণ মন্দির, ভীমসেন মন্দির, তাচুপাল জাদুঘর ইত্যাদি।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>ঢাকা থেকে বিমানে চড়ে পৌঁছে যাবেন কাঠমাণ্ডু। কাঠমাণ্ডু থেকে একটা মাইক্রোবাস বা টেক্সি ভাড়া করে চলে যাবেন ভক্তপুর। ভক্তপুর এ যাওয়ার মাইক্রোবাস ভাড়া ৫০০ থেকে ৭০০ টাকার মাঝে হয়ে যাবে।<br><br><strong>কোথায় থাকবেন </strong><br>আপনি দিনে দিনে কাঠমান্ডু থেকে ভক্তপুর যেয়ে ঘুরে আসতে পারেন, তারপরও আপনি যদি ভক্তপুরে থাকতে চান তাহলে ওখানে থাকার জন্যে বাজেট হোটেলের মধ্যে আছে – শিভা গেস্ট হাউজ (ভাড়া ১২০০ টাকা), প্লানেট ভক্তপুর হোটেল (ভাড়া ২৬০০ টাকা), ভক্তপুর প্যারাডাইস হোটেল (ভাড়া ২৭০০ টাকা) ইত্যাদি। আর যদি আয়েসী হোটেলে থাকতে চান সেক্ষেত্রে থাকতে পারেন হোটেল হ্যারিটেজে, ভাড়া পড়বে ৭৪০০ টাকার মত।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%ad%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0/">ভক্তপুর</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%ad%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নাগরকোট</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Oct 2020 07:30:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Nepal]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=863</guid>

					<description><![CDATA[<p>কাঠমুন্ডু থেকে ৩২ কি.মি. পূর্বে নাগরকোট (Nagorkot) এর অবস্থান। ভক্তপুরের সবচেয়ে নৈসর্গিক স্থান এটি। যেখান থেকে হিমালয়ের জমকালো সূর্যোদয় দেখা যায়। পর্যটকরা কাঠমুন্ডু থেকে গিয়ে নাগরকোটে<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f/">নাগরকোট</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>কাঠমুন্ডু থেকে ৩২ কি.মি. পূর্বে নাগরকোট (Nagorkot) এর অবস্থান। ভক্তপুরের সবচেয়ে নৈসর্গিক স্থান এটি। যেখান থেকে হিমালয়ের জমকালো সূর্যোদয় দেখা যায়। পর্যটকরা কাঠমুন্ডু থেকে গিয়ে নাগরকোটে রাত্রি যাপন করে সূর্যোদয় দেখার জন্য। বিশেষত বসন্তকালে দর্শনার্থীরা নাগরকোট ভ্রমণে যায়। এ সময় বিভিন্ন রকমের ফুলের সমারোহ ঘটে। এখানকার হিমালয়ের সর্বোচ্চ শিখরের নাম প্যানরোমা। হিমালয়ের আরো কিছু চূড়া যেমন – মানাস্লু, গণেশ হিমেল, লেঙ্গান, চোবা ভাম্রি গৌরীশঙ্কর নাগরকোট থেকে স্পষ্ট ভাবে দেখা যায়।<br><br>নাগরকোট গ্রামের বৈশিষ্ট্য হলো পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু স্থানে এটি অবস্থিত। পৃথিবীর অন্যান্য গ্রামে বসবাসকারী মানুষজন যেখানে মাঠ থেকে আকাশকে দেখে। সেখানে নাগরকোটের বাসিন্দারা নিচে তাকিয়ে আকাশ দেখে। ঠিক যেন স্বর্গের অপার সৌন্দর্য অনুভব করার মতো অবস্থা। এভারেস্ট ছাড়াও বেশ কয়েকটি চূড়া এখান থেকে দেখা যায়। এর মধ্যে লাংটাং, মানাসলু, গৌরীশংকর অন্যতম।<br><br>যেতে যেতে দেখা যাবে, পাহাড় থেকে খুব সরু ঝিরঝিরে ঝর্ণা নেমে এসেছে বিভিন্ন জায়গায়। ঘরের উঠোনে মুরগি আর শূকরছানার ঘোরাঘুরি। শুকোতে দেওয়া ভুট্টা আর আলু বোখারা (পিচ)। লাল আপেলের মতোন গাল আর সরু চেরা চোখের শিশুরা। ঘরের দ্বারে জপ মালা হাতে মন্ত্র পাঠরত ঐতিহ্যবাহী তিব্বতি পোশাকের বৃদ্ধা।<br><br>নাগরকোট এর সূর্যাস্ত সবার মনেই দাগ কাটার মতো। সূর্যাস্তের সময় আকাশে যদি অল্টোস্ট্যাটাস মেঘ থাকে তাহলে তো আর কথাই নেই। বরফের চূড়ার সোনা রঙ আর তার সাথে আকাশের রঙের খেলা সব মিলে মিশে যে একটা রূপ ফুটে উঠে তা কখনোই ভোলার নয়।<br><br><strong>কখন যাবেন </strong><br>এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়টা নাগরকোট ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে ভালো। এ সময়ের তাপমাত্রা ১০-১৫ ডিগ্রির নিচে কখনও নামে না। আবার ২৩ ডিগ্রির বেশি ওঠে না। তবে ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারি সময়টা খুব খারাপ। ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যায় তাপমাত্রা। ১৪ ডিগ্রির উপরে কখনও তাপ ওঠে না। কুয়াশার চাদর মেখে হিমালয় কন্যা তখন দীর্ঘ শীতনিদ্রায় কাতর থাকেন।<br><br><strong>প্রবেশমূল্য </strong><br>নাগারকোটে প্রবেশের সময় এন্ট্রি ফি হিসেবে জনপ্রতি ২০০ নেপালী রূপি দিতে হয়। এটা কেবল সার্ক ভুক্ত দেশগুলোর জন্য। নেপালীদের জন্য ১০০ নেপালী রূপি। আর অন্য সকল দেশের নাগরিকদের জন্য জনপ্রতি ১২০০ নেপালী রূপি করে দিতে হয়।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>কাঠমুন্ডু থেকে নাগরকোট গাড়িতে যেতে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় লাগে। কাঠমুন্ডু থেকে রওনা দিয়ে রিং রোড ছাড়িয়ে তালকোট পার হয়ে শুরু হয় পাহাড়ের গা ঘেঁষে সরু পেঁচানো রাস্তা। একদিকে পাহাড়, অন্যদিকে উপত্যকা। রাস্তা আকাশের দিকে মুখ করে ২০০০ মিটার ওপরে উঠে গেছে।<br><br><strong>কেনাকাটা </strong><br>পশমিনা, কাঠের কাজ, পাথরের চুড়ি, মালা, কানের দুল, ইয়াকের হাড়ের জিনিসপত্র, নানা সাইজের, নানা ভঙ্গিমার বরাভয় মুদ্রায় গৌতম বুদ্ধের মূর্তি, নেপালি কুকরী সবই আছে এখানে।<br><br><strong>কোথায় থাকবেন </strong><br>উন্নতমানের কিছু হোটেল আছে নাগরকোটে। ক্লাব হিমালয়ানের কথা না বললেই নয়। ওদের প্রায় সবগুলো রুম থেকেই হিমালয় দেখা যায়। নিজস্ব অবজারভেটরিও আছে। ব্যয় একটু বেশি। মাঝারি মানের হোটেল আর ব্যক্তিগত গেস্ট হাউসও আছে এখানে। তবে পানির সমস্যা প্রকট। বড় হোটেলগুলোতে নিজস্ব পানি পরিবহন এবং উত্তোলনের ব্যবস্থা আছে।<br><br></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f/">নাগরকোট</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অন্নপূর্ণা</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Oct 2020 07:41:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Nepal]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=866</guid>

					<description><![CDATA[<p>অনেকগুলো পর্বতের সমষ্টি নিয়ে অন্নপূর্ণা পর্বতসারি (Annapurna Range) যা নেপালে অবস্থিত। অন্নপূর্ণা প্রাকৃতিক সংরক্ষিত এলাকা এবং পেশাদার পর্বতারোহীদের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্র্যাকিং। হিমালয়ের পশ্চিমাংশের কয়েকটি চূড়ার<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">অন্নপূর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>অনেকগুলো পর্বতের সমষ্টি নিয়ে অন্নপূর্ণা পর্বতসারি (Annapurna Range) যা নেপালে অবস্থিত। অন্নপূর্ণা প্রাকৃতিক সংরক্ষিত এলাকা এবং পেশাদার পর্বতারোহীদের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্র্যাকিং। হিমালয়ের পশ্চিমাংশের কয়েকটি চূড়ার সারি এখানে অবস্থিত। অন্নপূর্ণার সবচাইতে উঁচু চূড়াটির উচ্চতা ৮০০০ মিটার। এর পাসের চূড়াটির উচ্চতা ৭০০০ মিটার। অন্নপূর্ণা বেস ক্যাম্প ট্র্যাক অবশ্যই অন্নপূর্ণা অঞ্চলের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্থান। যারা ট্র্যাক করে তাদের জীবনে একবার হলেও এখানে যাওয়ার ইচ্ছে জাগবে। নেপালের অন্নপূর্ণা অঞ্চলের কেন্দ্রীয় উত্তর অংশে অবস্থিত স্থানের নামকরণ করা হয়েছে ‘হিমালয়ের গর্জন’। বছরের যে কোন সময় এখানে ট্র্যাক করা যায়। তবে অতিরিক্ত বরফের কারণে মাঝে মাঝে শীতকালে ট্র্যাক বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে বসন্তকাল হচ্ছে ট্র্যাকিং-এর উপযুক্ত সময়। এসময় রাজকীয় ভাব পাওয়া যায়। <br><br>অন্নপূর্ণা এর মূল পীক হচ্ছে গভীর হিমবাহ পরিহিত স্থান যা অ্যাম্পিথিয়েটার নিয়ে প্রায় ১০ মাইল ব্যাস একটি বৃত্তে প্রায় অবিকল সাজানো। এটি অন্নপূর্ণা হিমাল, হিয়ান চুলি, অন্নপূর্ণা দক্ষিণ, অন্নপূর্ণা ফ্যাঙ্গ, অন্নপূর্ণা-১, গঙ্গাপূর্ণা, অন্নপূর্ণা-৩, গন্ধরবা চুলি এবং মাছাপুছেরে নিয়ে গড়া।<br><br>অন্নপূর্ণা পর্বতসারিকে ঘিরে বেশ কয়েক প্রকার ট্রেকিং রুট আছে –<br>অন্নপূর্ণা সেঞ্চুয়ারি ট্রেক <br>অন্নপূর্ণা বেইসক্যাম্প ট্রেক <br>অন্নপূর্ণা সার্কিট ট্রেক <br>এগুলোই জনপ্রিয় তবে এর সাথে এড-অন হিসেবে আরো কিছু ট্রেক আছে।<br><br><strong>কখন যাবেন </strong><br>অন্নপূর্ণায় বেড়ানোর সবচেয়ে ভাল সময় সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর এবং মার্চ থেকে এপ্রিল।<br><br><strong>ট্রেকিং এ যেসব জিনিস সাথে নিতে হবে </strong><br>যারা যাচ্ছেন তাদের মাইনাস ১৫ ডিগ্রি তে চলার কাপড় চোপড় ব্যক্তিগত ভাবে জোগাড় করে নিতে হবে। ঢাকার গুলিস্থানের বঙ্গবাজার থেকে কিনে নিতে পারেন।<br><br>কান টুপি, ইনার ফুল অথবা হাফ স্লিভ (পলেস্টার বা সিনথেটিক হতে হবে যাতে ঘামে ভিজে আবার <br>ঠান্ডা না লেগে যায়), ডাউন জ্যাকেট (হাল্কা হলে ভালো এবং হাল্কাগুলো একটু দামি), উইন্ড ব্রেকার, মোটা টাইটস, ট্রাউজার।<br>আরামদায়ক বুট <br>ট্রেকিং স্যান্ডেল মোজা <br>৩/৪ জোড়া ক্যামেরা – চার্জার – ব্যাটারি, <br>মোবাইল, পাওয়ার ব্যাঙ্ক<br>ট্রেকিং ব্যাগ – অবশ্যই ভালো মানের ট্রেকিং ব্যাগ যা দীর্ঘক্ষণ ট্রেকিং এ ও পিঠ ঘামাবে না এবং কোমড়ের উপরে চাপ সৃষ্টি করবে না। রেইন কভার পেট্রোলিয়াম জেলি – ছোট কৌটা পোলার্ড আইস সানগ্লাস মাইনাস ১৫ তে থাকার মত স্লিপিং ব্যাগ সাথে থাকা ভালো – যা পোখারা থেকেও ভাড়া করা যাবে গ্লাভস ভালো মানের (২ রকম ১টি পাতলা আরেকটি মোটা) রেইন কোর্ট (পাঞ্চ টাইপ) পাসপোর্টের ফটোকপি – ৬ টা পাসপোর্ট সাইজ ছবি<br><br>সম্ভাব্য ঔষধের তালিকা <br>এইস এক্স আর – ১/২ পাতা প্যান্টোনিক্স বা ম্যাক্সপ্রো যে যেই গ্যাসের ঔষধ খান – ৩ পাতা মাসল পেইনের জন্য – মায়োলাক্স ৫০ মিগ্রা – ১ পাতা অন্য পেইনের জন্য ন্যাপ্রোসিন প্লাস ৫০০ মিগ্রা ( রেডিয়েন্ট ) – ১ পাতা রগে টানা অথবা লিগমেন্ট পেইনের জন্য টোরাক্স ১০ মিগ্রা ( স্কয়ার ) – ১ পাতা তাৎক্ষণিক ঘন ঘন টয়লেট বন্ধের জন্য – ইমোটিল হেক্সিসল ( ছোট কৌটা হলেও চলবে ) – নেপাল থেকে নিতে হবে – বিমানে লিকুইড নেয়া যায় না ভালো শিন শিন ব্যান্ড ( ওয়ান টাইম ব্যান্ড এইড ) – ফোস্কা পড়ে ভেঙ্গে গেলে লাগানো যায় মাইক্রোপোর ব্যান্ডেজ – এটিও ফস্কা পড়া বা কেটে যাওয়া যায়গায় ভালো কাজে দিবে AMS এর আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা দেখলে – ACEMOX ( একমি ) ২৫০ মিগ্রা ( এর অর্ধেক – দুই বেলা ১২ ঘণ্টা পর পর খেতে হবে ) আইস কুল ম্যাক্স – ১/২ টিউব<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>অন্নপূর্ণা ট্রাকিং এ যাওয়ার একটি পথ হলো থুরং লা পাস এর রুট। এক্ষেত্রে সময় লাগবে ১২-১৯ দিন। থুরং লা পাস এর এই পথে আপনাকে যেতে হবে ৫,৪১৬ মিটার। অপূর্ব এই ট্রাকিং এ দেখতে পাবেন কাছ থেকে মানাসলু, ল্যাংট্যাং হিমেল, অন্নপূর্ণা ১, ২, ৩ ও ৪ এবং গঙ্গাপূর্ণা।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">অন্নপূর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পোখরা</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Oct 2020 09:14:55 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Nepal]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=869</guid>

					<description><![CDATA[<p>পোখরা (Pokhara) নেপালের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ শহর যা নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে ২০০ কিমি পশ্চিমে অবস্থিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর পোখরা শহরকে “নেপালের ভূস্বর্গ” ও “নেপাল রানী” বলা<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a6%be/">পোখরা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>পোখরা (Pokhara) নেপালের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ শহর যা নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে ২০০ কিমি পশ্চিমে অবস্থিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর পোখরা শহরকে “নেপালের ভূস্বর্গ” ও “নেপাল রানী” বলা হয়। নেপাল পর্যটন বিভাগের একটি শ্লোগান আছে,” তোমার নেপাল দেখা পূর্ণ হবে না, যদি না তুমি পোখরা দেখ।” পোখরা থেকে বিশ্বের দীর্ঘতম (১৪০কিলোমিটার) সারিবদ্ধ হিমালয় পাহাড়ের সারি দেখা যায়। পোখরাকে,”মাউন্টেন ভিউ” – এর শহরও বলা হয়। এখান থেকে ‘অন্নপূর্ণা’ ও মাছের লেজের মতো দেখতে মচ্ছ পুছরে (৬,৯৭৭ মিটার) পর্বতশৃঙ্গ দেখা যায়, যা বিশ্বখ্যাত চারটি পর্বতশৃঙ্গের একটি। এই পোখরাতেই আছে অনেক দর্শনীয় স্থান। পোখরা থেকে হেলিকপ্টারে জমসম পৌঁছে ঘন্টাদুয়েকের যাত্রায় বেড়িয়ে নেওয়া যায় মুক্তিনাথ। এখানে মুক্তিনাথ মন্দির ও জ্বালামুখী মন্দির দর্শনীয়। আকাশ পরিষ্কার থাকলে এখান থেকে অন্নপূর্ণা রেঞ্জ খুব সুন্দর দেখা যায়। পোখরা থেকে গাড়িতে কুরিন্তার পৌঁছে কেবলকারে মনোকামনা দেবীর মন্দির দর্শন করা যায়।<br><br><strong>পোখরার দর্শনীয় স্থানগুলো </strong><br>ফেওয়া লেক – এটি নেপালের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাকৃতিক লেকের একটি। দৈর্ঘে ৪ কিলোমিটার এবং প্রস্থে ১.৫ কিলোমিটার। প্রথমটির নাম “রারা লেক” যা নেপালের পশ্চিমের মুগু জেলার দুর্গম অঞ্চলে অবস্থিত। ফেওয়া বা ফিউয়া লেকটি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু এবং আদর্শ বিনোদন কেন্দ্র। রঙ বেরঙের নৌকা ভাড়ায় পাওয়া যায়, প্যাডেল বোট ও পালতোলা নৌকাও পাওয়া যায়। সময় হিসেব করে ভাড়া মেটাতে হয়। লেকের প্রবেশ পথেই টিকেটের ব্যবস্থা রয়েছে। ভিনদেশী পর্যটকদের চেয়ে সার্কভুক্ত দেশের জন্য টিকেটের দাম অনেক কম রাখা হয়। লেকের মাঝে একটি মন্দীর আছে, নাম “বারাহি হিন্দু মন্দির”। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাই নৌকায় পার হয়ে মন্দিরে যায়, অনেক পর্যটকও যায় ওখানে। নৌকা নিয়ে বেড়াতে ভীষণ ভাল লাগে।<br><br>পোখারার সবচেয়ে মূল আকর্ষন ফেউয়া লেকে নৌকা ভ্রমন যা করতে হবে দিন বাড়ার আগেই। এখানে নৌকার ভাড়া নির্ধারন করে দেয়া। তাই দামাদামির কিছু নাই। ছোট এবং বড় দুই ধরনের নৌকা আছে। গ্রুপ/ফ্যামিলি নিয়ে গেলে বড় নৌকা নেয়াই ভালো। ৯-১০ জন যেতে পারবেন বড় নৌকাতে। চোখ ধাঁধানো সুন্দর এই লেক। হঠাৎ করে দেখলে ইউরোপের কোন লেক মনে হতেই পারে। পাহাড়ের গা ঘেষে চলতে যে কারো ভালো লাগবে।<br><br><strong>পিস প্যাগোডা</strong> – পিস প্যাগোডা এর একটি স্থানীয় নাম রয়েছে – শান্তি স্টুপা। আন্দু পর্বতের উপর তৈরি বুদ্ধ ধর্মালম্বীদের জন্য করা একটি প্যাগোডা। এখানে মেডিটেশনের জন্য মানুষ আসে। পাহাড়ের উপরে করা খুব সুন্দর এই স্থাপনা যে কারো কাছেই ভালো লাগবে। এটি মূলত ফেউয়া লেকের একপাশে। প্যাগোডা যেহেতু পাহাড়ের একদম উপরে তাই উপর থেকে ফেউয়া লেক এবং পুরো পোখারা সিটি ভালো করে দেখতে পাবেন। এখানে ছবি তোলার জন্য দারুণ জায়গা বলতেই হবে। তবে মাথায় রাখবেন এটা ট্যুরিস্ট প্লেস না। এটা ধর্মীয় উপাসনালয়ের জন্যই সুন্দর করে তৈরি করা। পিস প্যাগোডার এরিয়ায় ঢোকার প্রথমেই লেখা থাকে সাইলেন্স। যদিও প্যাগোডার মূল অংশে ট্যুরিস্ট কাউকেই ঢুকতে দিবে না, তারপরও ভুলেও চিৎকার/জোড়ে কথা বলবেন না। তাদের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো আমাদের দায়িত্ব। কেউ জোরে কথা বললে প্যাগোডার দায়িত্বে থাকা মানুষজন তা তাৎক্ষনিক নিয়ন্ত্রণ করে।<br><br><strong>ডেভিস ফল – </strong>ডেভিস ফলস পোখারার অন্যতম আকর্ষন। ছোট একটি ঝর্ণার নাম ডেভিস ফলস। নামকরন নিয়ে একটি ইতিহাসও আছে। ডেভিস ফলস এর একপাশে রয়েছে একটি বাঁধ। কোন একসময় যখন বাঁধে পানি নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় থাকাকালীন ঝর্নায় পানির স্রোত তেমন ছিল না। এক দম্পতি ঝর্নায় নেমে গোসল করছিল। এই সময়ে বাঁধের পানি কিছুটা ছেড়ে দেয়া হলে ঝর্নায় পানির ঢল নামে। মুহুর্তেই মহিলাটি স্রোতের সাথে হারিয়ে যান। ৩দিন পর তার মৃত দেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তিতে নেপাল সরকার স্থানটিতে রেলিং দিয়ে ঘিরে দেয়। নামকরন করা হয় মৃত ট্যুরিস্টের নামে। খুব বেশী বড় ঝর্না না হলেও দেখার জন্য যেতে পারেন। এখানে প্রবেশ মুল্য ৩০ রুপি। পুরো অর্থটি একটি স্কুলের তহবিলে চলে যায়। গেইটের বাইরে বেশ কিছু দোকান পাবেন। চাইলে কেনাকাটা করতে পারেন। তবে দামাদামি করে নিবেন। যা দাম চাইবে তার ৪০% থেকে বারগেইন শুরু করবেন।<br><br><strong>মহেন্দ্র গুহা –</strong> ডেভিস ফল-এর বিপরীতে চুনা পাথরের গুহাটিকে মহেন্দ্র গুহা বলে। এই গুহাটি মৃত রাজা মহেন্দ্র বির বিক্রম শাহাদেব-এর নামে, নামকরণ করা হয়। এর ভিতরে ছোট ছোট স্বল্প পাওয়ারের বাল্ব লাগানো আছে। ভিতরে ঢুকতে একজন গাইড এবং জনপ্রন্তি একটি করে টর্চের প্রয়োজন হয়। হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসীরা গুহার ভিতরে তাদের প্রধান যুদ্ধ দেবতা মহাদেবের মুর্তি স্থাপন করেছেন। সেখানে একজন পুরোহিতও আছেন। এটি তাদের একটি ধর্মীয় উপাসনালয়ও। ভিতরে পায়ের নিচে বড় বড় পাথর, স্বল্প আলো, হাতে টর্চ, সাথে গাইড, গা ছমছম পরিবেশ, অবশ্যই নতুন অভিজ্ঞতা হবে! আরো কিছু দূরে আরেকটি গুহা আছে, যার নাম “চামেরি গুহা”। এর ভিতরে প্রচুর বাদুরও আছে।<br><br><strong>শরনকোট –</strong> পোখরার শরনকোট (Shoronkot) পর্যটকদের কাছে সব চেয়ে আকর্ষণীয় ভিউ পয়েন্ট, যেখান থেকে পর্বতমালার অপূর্ব দৃশ্য, পোখরা ভ্যালী ও ফিউয়া লেক দেখা যায়। শরনকোট পোখরা থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে, সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ১৫৯২ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এখানে পর্যটকেরা মূলত আসে পর্বতশৃঙ্গে সূর্য্যের প্রথম আলোর বর্ণালী দেখতে। একদিকে নতুন সুর্য্য, আরেকদিকে অন্নপূর্ণা, ফিস টেইল। সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য!!<br><strong><br>ইন্টারন্যাশনাল মাউন্টেন মিউজিয়াম </strong>–পোখরা শহরের কেন্দ্রস্থলে, বিমানবন্দর থেকে ১.৫ কিলোমিটার দক্ষীণে এই মিউজিয়ামটি অবস্থিত। এখানকার অন্যতম বৈশিষ্ট হলো, এখান থেকে তিনটি পর্বতশৃঙ্গ দেখা যায়। যার নাম, ধওলাগীরি, অন্নপূর্ণা ও মানাস্‌লু। এই মিউজিয়ামের প্রধান বৈশিষ্ট হলো, এতে পর্বতারোহনের কলা কৌশল, বিশ্বব্যাপি প্রধান পর্বতমালার তথ্য সমূহ, পর্বতমালার ভৌগলিক অবস্থান, বিশ্বব্যাপি পর্বতারোহীদের ব্যবহৃত সরঞ্জামাদী, পোশাক-আশাক এবং আরোহনের ইতিহাস প্রদর্শন করা আছে।<br><br><strong>গুরখা মেমোরিয়াল মিউজিয়াম</strong> – এই মিউজিয়ামটিও পোখরা শহরেই অবস্থিত। এখানে বিশ্ববিখ্যাত গুরখা সৈন্যদের যুদ্ধজয়ের কাহিনী, পোশাক, ব্যাচ, ব্যবহৃত অস্ত্র, অন্যান্য সরঞ্জামাদি বর্ণনা সহ প্রদর্শণ করা আছে। গুরখাদের আদীবাস পোখরার কাছেই যা বর্তমানে গুরখা ল্যান্ড নামেই পরিচিত।<br><br><strong>তিব্বতিয়ান বুদ্ধীজম মোনাষ্ট্রী</strong> – পোখরার শহরতলীতে, বিমানবন্দর থেকে চার কিলোমিটার দূরে শ্বেতি নদির পাশে অবস্থিত। এটি বৌদ্ধদের একটি উপাসনালয়।<br><br><strong>⌚ কখন যাবেন </strong><br>ফেব্রুয়ারি থেকে মে এবং অগাস্ট থেকে নভেম্বর বেড়ানোর জন্য ভালো সময়।<br><br><strong>✈ কিভাবে যাবেন </strong><br>কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন এয়ারপোর্ট (Tribhuvan International Airport) বেশ নামকরা বিমানবন্দর। নানান দেশের বিমান কাঠমান্ডু যাচ্ছে নিয়মিত। বাংলাদেশ বিমান ও ইউনাইটেড এয়ারের ঢাকা-কাঠমান্ডু সরাসরি ফ্লাইট রয়েছে। নেপালের ত্রিভুবন এয়ারপোর্ট থেকেই পোর্ট এন্ট্রি ভিসা নেওয়া যায়। তবে ঢাকার নেপাল দূতাবাস থেকে ভিসা নিয়ে যাওয়াই সুবিধাজনক। প্যাকেজ ট্যুরের আওতায় বিমান টিকিটসহ হোটেলে ২ রাত ৩ দিন থাকার জন্য জনপ্রতি খরচ পড়বে সাধারণত ২৪-৩৫ হাজার টাকা।<br><br>সড়কপথে ভারত-নেপাল সীমান্তের কাকরভিটা, বিরজুং, রক্সৌল (Raxaul), সুনৌলি, নেপালগঞ্জ, ধানগাধি, মহেন্দ্রনগর এবং চিন-নেপাল সীমান্তের কোদারি দিয়ে নেপাল প্রবেশ করা যায়। কাঠমান্ডু থেকে নেপালের অন্যান্য স্থানগুলি প্যাকেজ ট্যুরে বা গাড়িতে বেড়িয়ে নেওয়া যায়। পোখরা ও মুক্তিনাথের জন্য হেলিকপ্টার সর্ভিস আছে। চিতওয়ানেও আকাশপথে পৌঁছোনো যায়। বিমানে বা বাস যাত্রায় পৌঁছাতে হবে লুম্বিনী।<br><br><strong>কোথায় থাকবেন </strong><br>পোখারাতে থাকার জন্যে প্রচুর ভালো মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হোটেলের নাম দেওয়া হলো – <br>হোটেল লেকষ্টার – ভাড়া ১৫০০-২০০০ টাকা <br>হোটেল ভিউষ্টার – ভাড়া ১৫০০-১৮০০ টাকা <br>হোটেল ভিউ রিসর্ট ভাড়া ১৪০০-১৯০০ টাকা।<br><br><strong>খাবারের ব্যবস্থা </strong><br>নেপালে খাবারের স্বাদ বেশ। ভাত বা রুটি যাই খান প্রথমেই পরিবেশিত হবে পাঁপড়। সঙ্গে থাকবে ঝাল চাটনি। ভাত, সবজি ও ডাল পাবেন। সাধারণ রেস্টুরেন্ট বা একেবারে রোডসাইড ধাবাতেও পাবেন মুখরোচক খাবার। ভাত, তরকারি সব কিছুর সঙ্গেই মিলবে পাঁপড় ও চাটনি।}<br><br>ডাল-ভাত নেপালের বিখ্যাত খাবার। ডাল রাঁধা হয় মশলা দিয়ে, খেতে দারুন মজা। মাংস ও মাছ বড় রেস্তোরাঁ ছাড়া পাবেন না। নেপালে সাধারণ খাবারের দোকানে গরুর মাংস পাওয়া যায় না। কাঠমান্ডুতে তিব্বতি খাবারের অনেক রেস্টুরেন্ট রয়েছে। এখানে মোমো নামে তিব্বতী খাবার পাওয়া যায়। লাল সসে ডুবানো এই খাবারটি এক ধরনের মিট বল। বিভিন্ন মাংসের হতে পারে। চিকেন মোমো খেলে মজা পাবেন।<br><br>ভারতীয় রেস্টুরেন্ট যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে কেএফসি এবং পিৎজা হাটের মতো চেইন ফুড শপ। নেপালি ভাষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ হিন্দি বোঝে। আপনি যদি কাজ চালানোর মতো হিন্দি বলতে পারেন তাহলে কোনো সমস্যা নেই। একটু ভালো শপিং সেন্টারে ও হোটেলে ইংরেজি বোঝে।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a6%be/">পোখরা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
