<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Jamidar Bari Archives - SIC Group</title>
	<atom:link href="https://sicgroup.ae/category/jamidar-bari/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sicgroup.ae/category/jamidar-bari/</link>
	<description>Business of Excellence</description>
	<lastBuildDate>Sun, 25 Oct 2020 06:17:09 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.3</generator>

<image>
	<url>https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2023/11/cropped-SIC-32x32.png</url>
	<title>Jamidar Bari Archives - SIC Group</title>
	<link>https://sicgroup.ae/category/jamidar-bari/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি</title>
		<link>https://sicgroup.ae/murapara-jamidar-palace/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/murapara-jamidar-palace/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Oct 2020 10:19:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Jamidar Bari]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1063</guid>

					<description><![CDATA[<p>মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি (Murapara Jamidar Palace) নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার অতি পরিচিত একটি স্থান। এটি ঢাকা থেকে ২৫ কি.মি. দূরে নরসিংদী রোডে অবস্থিত। জমিদার রামরতন ব্যানার্জী<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/murapara-jamidar-palace/">মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি (Murapara Jamidar Palace) নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার অতি পরিচিত একটি স্থান। এটি ঢাকা থেকে ২৫ কি.মি. দূরে নরসিংদী রোডে অবস্থিত। জমিদার রামরতন ব্যানার্জী ১৮৮৯ সালে ৪০ হেক্টর জমির উপর নির্মাণ শুরু করেন মুড়াপাড়া জমিদার বাড়িটির। তিনি নাটোর স্টেট এর কোষাধ্যক্ষ ছিলেন এবং তার সততার কারণে একটি উচ্চ পদে উন্নীত হন। কিন্তু প্রচলিত আছে, রামরতন ব্যানার্জী শুধু এই বাড়িটির ভিত্তি ও কাঠামো তৈরি করেছিলেন, কিন্তু তার মৃত্যুর পর তার পুত্র প্রতাপ চন্দ্র ব্যানার্জী ১৮৮৯ সালেই তার পুরনো বাড়ি ছেড়ে পেছনে আরো একটি প্রাসাদ তৈরি করেন। বিশাল এই জমিদার বাড়িতে প্রায় একশত’র উপরে কক্ষ রয়েছে, যার প্রায় সবগুলোতেই পাবেন কারুকার্যের ছোঁয়া। এই জমিদার বাড়ীতে রয়েছে কাছারিঘর, অতিথিশালা, নাচঘর, পুজা মণ্ডপ, বৈঠকখানা, ভাঁড়ার সহ বিভিন্নভাগে ভাগ করা অংশ।<br><br>১৯০৯ সালে জগদিশ চন্দ্র ব্যানার্জী এই ভবনটি সম্পন্ন করেন এবং নিজেই একজন জমিদার হয়ে ওঠেন। জগদিশ চন্দ্র ব্যানার্জী একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যক্তি ছিলেন, কারণ তিনি দুই বার দিল্লীর কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন। জগদিশ চন্দ্র ব্যানার্জী তার শাসনামলে অনেক কিছু তৈরি করেছিলেন প্রজাদের জন্য। অন্যদিকে তিনি সেই প্রজাদের প্রতি ছিলেন অনেক কঠোর। তিনি একজন শক্তিশালী জমিদার ছিলেন। তার শাসনামলে কোন প্রজা যদি সময়মতো খাজনা না দিতো তাহলে তিনি তাদের মাথার চুল কেটে দিতেন এবং অনেক সময় তাদের ঘরবাড়ি আগুণ দিয়ে জ্বালিয়ে দিতেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভক্তির সময় জগদিশ চন্দ্র ব্যানার্জী কলকাতা চলে যান।<br><br>এখনো টিকে থাকা জমিদার বাড়ীগুলোর মধ্যে ঢাকার খুব কাছেই রয়েছে বেশ কয়েকটি, যার মধ্যে এই মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ীটি অন্যতম। জমিদার বাড়ির মূল ভবনটিই মুরাপাড়া ডিগ্রী কলেজ ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তার পাশে ১৯৯৫ সালে আরও একটি প্রশাসনিক ভবন নির্মিত হয়। আরও অনেক জমিদার বাড়ী’র মত এটিও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যাচ্ছে। তবে আমাদের দেশের বেশীরভাগ জমিদার বাড়ীর চাইতে তুলনামুলক ভালো অবস্থায় রয়েছে এই জমিদার বাড়ীটি। কিন্তু মূল ভবনের পেছন দিকে চলে গেলে দেখা যায় কিভাবে ক্ষয়ে যাচ্ছে এই জমিদার বাড়ীটিও।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>রাজধানী ঢাকার সায়েদাবাদ, গুলিস্থান অথবা যাত্রাবাড়ি থেকে মেঘলা, গ্লোরী, আসিয়ান পরিবহন অথবা নরসিংদী ভৈরবগামী যে কোন বাসে চেপে রূপসী বাসষ্টান্ড অথবা ভুলতা। তারপরে রিকশাযোগে জমিদার বাড়ি। রূপসী বাসস্টেশন থেকে সিএনজি করে ( ২০ টাকা জন প্রতি ভাড়া ) মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি।<br><br>রাজধানীর ডেমরাঘাট হয়ে উত্তর দিকের রাস্তা ধরে মাঝিনা ঘাট পাড় থেকে নৌকায় শীতলক্ষ্যা নদী পার হলেই রূপগঞ্জের এই প্রাচীন ঐতিহ্যের স্মৃতি বিজড়িত কালের সাক্ষী হয়ে আজো দাড়িঁয়ে আছে এই জমিদার বাড়ি।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/murapara-jamidar-palace/">মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/murapara-jamidar-palace/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সোনারগাঁও তাজমহল</title>
		<link>https://sicgroup.ae/banglar-tajmahal/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/banglar-tajmahal/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Oct 2020 10:43:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Jamidar Bari]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1076</guid>

					<description><![CDATA[<p>Banglar Tajmahal &#8211; বিশ্বের প্রাচীন সপ্তাশ্চর্য আগ্রার তাজমহলের আদলে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার পেরাব গ্রামে নির্মিত হয়েছে অনুপমশৈলীর স্থাপত্যে বিশ্বের ২য় বাংলার তাজমহল। বাংলার তাজমহল (Banglar<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/banglar-tajmahal/">সোনারগাঁও তাজমহল</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>Banglar Tajmahal &#8211; বিশ্বের প্রাচীন সপ্তাশ্চর্য আগ্রার তাজমহলের আদলে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার পেরাব গ্রামে নির্মিত হয়েছে অনুপমশৈলীর স্থাপত্যে বিশ্বের ২য় বাংলার তাজমহল। বাংলার তাজমহল (Banglar Tajmahal) আগ্রার তাজমহলের মডেলেই গড়া হয়েছে। ঢাকা থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৩৩ কিলোমিটার। তাজমহলের মূল ভবন স্বচ্ছ ও দামি পাথরে মোড়ানো। এর অভ্যন্তরে চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক আহসানউল্লা মনি ও তার স্ত্রী রাজিয়া দু’জনের কবরের স্থান সংরক্ষিত আছে। চার কোণে চারটি বড় মিনার, মাঝখানে মূল ভবন, সম্পূর্ণ টাইলস করা। সামনে পানির ফোয়ারা, চারদিকে ফুলের বাগান, দুই পাশে দর্শনার্থীদের বসার স্থান। এখানে রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রাজমনি ফিল্ম সিটি রেস্তোরাঁ, উন্নতমানের খাবার-দাবারের ব্যবস্থা। রয়েছে রাজমনি ফিল্ম সিটি স্টুডিও। ইচ্ছা করলে যে কোনো দর্শনার্থী এখানে ছবি তুলতে পারবে। তাজমহলকে ঘিরে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন হস্তশিল্প সামগ্রী, জামদানি শাড়ি, মাটির গহনাসহ আরও অন্যান্য পণ্য সামগ্রী।<br><br>তাজমহলের কাছাকাছি পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম মিসরের পিরামিডের আদলে গড়ে তোলা হয়েছে পিরামিড। করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ভাস্কর। এখানে ইন্দিরা গান্ধী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি ভাস্কর্য নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়াও পাশেই রয়েছে, শুটিং স্পট সেখানে যে কোনো নাটক, সিনেমার সব ধরনের শুটিং করা সম্ভব। আরও রয়েছে, ২৫০ আসনবিশিষ্ট সিনেমা হল ও সেমিনার কক্ষ। সুইমিংয়ের কাজ চলছে, তার সঙ্গে পরিকল্পনা রয়েছে আইফেল টাওয়ার করার। বর্তমানে দেশ-বিদেশ থেকে প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটক ভীড় করছেন তাজমহল দর্শনের জন্য। তাজমহল এর অবস্থান সহজে চেনার জন্য মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে নির্দেশনার সাইনবোর্ড। তাছাড়া তাজমহল দেখা শেষে মুড়াপাড়ার জমিদার বাড়ি, পানাম নগর, লোকশিল্প জাদুঘর, চৌদ্দার চর, জিন্দাপার্ক ঘুড়ে আসতে পারেন।<br><br><strong>খোলার সময়সূচী </strong><br>ও টিকেট মূল্য তাজমহল প্রতিদিন খোলা থাকে সকাল ১০ থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। জনপ্রতি প্রবেশ ফি ৫০ টাকা।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>ঢাকা থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরত্বে বাংলার তাজমহলে খুব সহজেই যাওয়া যায়। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে কুমিল্লা, দাউদকান্দি অথবা সোনারগাঁগামী যেকোনো গাড়িতে চড়ে মদনপুর বাসস্ট্যান্ডে নামতে হয়। সেক্ষেত্রে ভাড়া লাগে ১৫ টাকা। সেখান থেকে সিএনজি বা স্কুটারে জনপ্রতি ২৫ টাকা ভাড়ায় সহজে যাওয়া যায় তাজমহলে। অন্যভাবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দিয়ে ভৈরব, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জগামী যেকোনো গাড়িতে চড়ে বরপা বাসস্ট্যান্ডে নামতে হয়, সেক্ষেত্রে ভাড়া হবে ২০ টাকা। এখান থেকে সিএনজি স্কুটারে জনপ্রতি ১০ টাকা ভাড়ায় পৌঁছে যেতে পারেন তাজমহলে।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/banglar-tajmahal/">সোনারগাঁও তাজমহল</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/banglar-tajmahal/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মনু মিয়া জমিদার বাড়ি</title>
		<link>https://sicgroup.ae/monu-mia-zamidar-bari/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/monu-mia-zamidar-bari/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Oct 2020 10:49:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Jamidar Bari]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1079</guid>

					<description><![CDATA[<p>মনু মিয়া জমিদার বাড়ি (Monu Mia Zamidar Bari) নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে অবস্থিত যা মূলত ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ি। অপরিচিতদের জন্য ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ির চেয়ে মনু<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/monu-mia-zamidar-bari/">মনু মিয়া জমিদার বাড়ি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>মনু মিয়া জমিদার বাড়ি (Monu Mia Zamidar Bari) নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে অবস্থিত যা মূলত ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ি। অপরিচিতদের জন্য ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ির চেয়ে মনু মিয়ার জমিদার বাড়ি নামে খুঁজে পাওয়াটা অপেক্ষাকৃত সহজ। স্থানীয়রা এই নামেই ভালো চেনেন। তবে মনু মিয়া জমিদার বাড়ি নামে ডাকা হলেও আদতে ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ি (Ghorashal Zamidar Bari) তিনটি পৃথক বাড়ি নিয়ে গঠিত। পাশাপাশি অবস্থিত বাড়ি তিনটি হলো – মৌলভী আবদুল কবিরের বাড়ি, নাজমুল হাসানের বাড়ি এবং মনু মিয়ার বাড়ি। তবে মনু মিয়া এই এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তি ছিলেন বলে তাঁর নামেই পরিচিতি পেয়েছে।<br><br>ঐতিহাসিক এই স্থাপনার বয়স প্রায় ২৪৭ বছর। বাড়িটির নির্মাণ সাল ১১৭৬ বঙ্গাব্দ। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জমিদার সাজদা মিয়া। এই বংশের উত্তরসূরি আহমাদুল কবির মনু মিয়া ঘোড়াশালের জমিদার আবু ইউসুফ লুৎফুল কবির ওরফে ফেনু মিয়ার পুত্র। জন্ম ১৯২৩ সালে। ১৯৪২-৪৩ সালে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ক্রীড়া সম্পাদক, ১৯৪৫-৪৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসুর প্রথম সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি অর্থনীতিতে গ্রাজুয়েশন করে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ায় যোগদান করেন। ১৯৫০ সালে তিনি পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। ১৯৫৪ সালে দৈনিক সংবাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭২ সালে তিনি সংবাদ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০০১ সালে তিনি প্রধান সম্পাদক হন এবং আমৃত্যু এ দায়িত্ব পালন করে গেছেন। ১৯৭৯ ও ১৯৮৬ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৩ সালে ৮০ বছর বয়সে কলকাতার এ্যাপোলো গ্লেইনগল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।<br><br>প্রায় ১০ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত মনু মিয়া জমিদার বাড়ির বাইরে থেকে বোঝার কোন উপায় নেই যে ভেতরে কি অপরূপ সৌন্দর্য অপেক্ষা করে আছে। ভেতরে ঢুকতেই বাম পাশের মসজিদটির দিকে সর্ব প্রথম নজর পড়বে। প্রতিটি বাড়িই অসাধারণ কারুকাজ আর সাদা রঙে রাঙায়িত। সেই সাথে সবুজ ঘাস এবং গাছ পালার বিস্তৃতি এক অপরূপ সৌন্দর্যে রুপ দেয়। ভেতরে রয়েছে আলিসান ভাবে শান বাধানো দুইটি পুকুর। রয়েছে অসংখ্য ল্যাম্প পোস্ট। এছাড়াও দেখা মিলবে বহু ফুলের গাছ এবং ৪ প্রকার কাঠ গোলাপ ফুলের গাছ। খোলামেলা পরিবেশ আর গাছ-গাছালিই মনু মিয়ার জমিদার বাড়ির অন্যতম বৈশিষ্ঠ্য। ভেতরের পরিবেশ দেখলেই বোঝা যায় যে বাড়ির মালিক কতটা রুচিশীল এবং আরাম আয়েশ প্রিয় ব্যক্তি ছিলেন। মনুমিয়ার খোলামেলা পরিপাটি এই বাড়িটি আপনার মনকে প্রশান্তিতে ভরিয়ে তুলবে। আপনারা ২ এবং ৩ নং বাড়িটা দেখতে তেমন কোন সমস্যায় পড়বেন না, তবে গিয়ে প্রবেশের এবং ছবি তোলার অনুমতি নিয়ে নিবেন। আর ১ নং বাড়িটা দেখতে চাইলে গেটে দারোয়ান এর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করবেন।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>ঢাকা থেকে বাসে যেতে চাইলে নরসিংদীর বাসে চেপে নরসিংদীর পাঁচদোনা মোড় বাসস্ট্যান্ড নামতে হবে। তারপর সিএনজিতে/বাসে ঘোড়াশাল। ঘোড়াশাল পৌঁছে স্থানীয়দেরকে জিজ্ঞেস করলেই হবে মনু মিয়ার জমিদার বাড়ি দেখিয়ে দিবে। সিএনজি ভাড়া ৫০-৬০ টাকা। এছাড়া যারা টংগী কিংবা আব্দুল্লাহপুর থেকে যেতে চান, তাঁদের টঙ্গী আবদুল্লাহপুর হয়ে নরসিংদী যাবার পথে ঘোড়াশাল ব্রীজে নামতে হবে। ব্রীজ থেকে সিঁড়ি দিয়ে নেমে অটো বা সিএনজিতে ১০ টাকা ভাড়া দিয়ে সোজা মনু মিয়া জমিদার বাড়ি পৌঁছে যাবেন। ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে প্রতি ঘন্টায় PPL, বাদশাহ, KTL, চলনবিলসহ আরও অনেক বাস নরসিংদীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ভাড়া ৭০-৮০ টাকা। এছাড়া যারা ট্রেনে যেতে চান, তাঁরা ঢাকা থেকে লোকাল ট্রেনে (কর্নফুলী ট্রেনে) চেপে ঘোড়াশাল রেলস্টেশন নেমে পড়ুন। ভাড়া নিবে ২০ টাকা। রেলষ্টেশন থেকে রিক্সা কিংবা অটো নিয়ে সহজেই চলে যেতে পারবেন ঘোড়াশাল জমিদার বাড়ি।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/monu-mia-zamidar-bari/">মনু মিয়া জমিদার বাড়ি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/monu-mia-zamidar-bari/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>Balapur Zamindar Bari</title>
		<link>https://sicgroup.ae/balapur-jamindar-bari/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/balapur-jamindar-bari/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 24 Oct 2020 10:55:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<category><![CDATA[Jamidar Bari]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1082</guid>

					<description><![CDATA[<p>নবীন চন্দ্র সাহা জমিদার বাড়িটি (Balapur Zamindar Bari) নরসিংদী সদর উপজেলার পাইকারচর ইউনিয়নের মেঘনা নদীর তীরে বালাপুর গ্রামে অবস্থিত। জমিদার নবীন চন্দ্র সাহা ৩২০ বিঘা জমির<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/balapur-jamindar-bari/">Balapur Zamindar Bari</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>নবীন চন্দ্র সাহা জমিদার বাড়িটি (Balapur Zamindar Bari) নরসিংদী সদর উপজেলার পাইকারচর ইউনিয়নের মেঘনা নদীর তীরে বালাপুর গ্রামে অবস্থিত। জমিদার নবীন চন্দ্র সাহা ৩২০ বিঘা জমির উপর প্রতিষ্ঠা করেন এই বালাপুর জমিদার বাড়ি। এই জমিদার বাড়ির পাশেই মেঘনা ঘাট আর এই ঘাটকে কেন্দ্র করেই নবীন চন্দ্র সাহা এই বাড়িটি বানিয়েছিলেন। শত শত বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী এই জমিদার বাড়িটির নির্মাণশৈলী দারুণ দৃষ্টিনন্দন ও চমৎকার। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের আবহে সময় কাটানোর জন্য দারুণ এক জায়গা এই বালাপুর জমিদার বাড়ি। জমিদার বাড়ির ঐতিহ্যের ছোঁয়ার সাথে পাবেন মেঘনা নদীর অবারিত প্রাকৃতিক স্নিগ্ধতা ও শোভা।<br><br>বালাপুর জমিদার বাড়িটি ১০৩ কক্ষের বিশাল বাড়ি। এখানে বাড়ির উত্তর দিকে একতলা, দক্ষিণে দোতলা, পূর্ব দিকে তিনতলা এবং পশ্চিম দোতলা ভবন দেখতে পাবেন। ফ্লোরে মোজাইক ও টাইলসের ব্যবহার দেখেই বোঝা যায় সেসময়ে কতটা বিলাস বহুল ছিল এই বাড়িটি। দরজা, জানালাগুলো ফুল লতাপাতাসহ বিভিন্ন মনোমুগ্ধকর কারুকার্যে সজ্জিত। এই জমিদার বাড়ির প্রতিটি ভবনই মনোমুগ্ধকর কারুকার্য শোভিত।<br><br>জমিদার বাড়ির পশ্চিমে রয়েছে তিনটি শান বাঁধানো পুকুর ঘাট। কারুকার্য সমৃদ্ধ দুর্গাপূজার মণ্ডপ দেখে এই জমিদারবাড়ির সেকালের আভিজাত্য ও জাঁকঝমকতা বুঝা যায়। এই বাড়ীর দুটি মন্দির এখনো অতীতের সাক্ষী হয়ে রয়ে গেছে। সেই সময় এখানে অতিথিদের থাকার জন্য আরো একটি সুন্দর ভবন ছিল। এই জমিদার বাড়ীর পাশেই দেখতে পাবেন ১৯১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী বালাপুর নবীন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়। এই স্কুলটির সামনেই রয়েছে একটি বিশাল আকারের খেলার মাঠ। এই বাড়ি থেকে কিছুটা দূরেই মেঘনা নদীর ঘাট।<br><br>জনশ্রুতি আছে, ভারতের কলকাতা থেকে স্টিমার এসে এ ঘাটেই মালামাল খালাস করত। আর তাই এই জায়গাকে বর্তমানে স্টিমারঘাট বলে ডাকা হয়। এই জমিদার বাড়ি ঘুরা শেষ হলে ১০-১৫ মিনিট হাটার পর পেয়ে যাবেন মেঘনা বাজার। সেখান থেকে মিনিট পাঁচেক হাঁটলেই পেয়ে যাবেন বিশাল মেঘনা নদী। চাইলে নৌকা নিয়েও ঘুরে বেড়াতে পারেন মেঘনার বুকে।<br><br>যারা ব্যস্ততার কারণে দূরে কোথাও ঘুরতে যেতে পারেন না তারা ছুটির দিনে একদিনের জন্য ঘুরে আসতে পারেন ঢাকার খুব কাছেই নরসিংদীর বালাপুর জমিদার বাড়ি থেকে। পরিবার বন্ধুবান্ধবসহ কাটিয়ে আসতে পারেন একটি দিন প্রাচীন ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সঙ্গে। শত শত বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী এই জমিদার বাড়িটির কারুকার্যময় ও নান্দনিক সৌন্দর্য দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।<br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>ঢাকার গুলিস্তানস্থ সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্সের সামনে হতে মেঘালয় বাসে করে নরসিংদীর মাধবদী যেতে হবে প্রথমে, ভাড়া পরবে ৯০ টাকা। লোকাল বাসে চড়ে গেলে মাধবদী যেতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা লাগবে। মাধবদী বাস স্ট্যান্ড নেমে রিকশা ভাড়া করে মাধবদী গরুরহাট সিএনজি স্টেশন যেতে হবে। গরুরহাট সিএনজি স্টেশন থেকে বালাপুর জমিদার বাড়ি যাওয়ার সিএনজি পাওয়া যায়, জনপ্রতি ভাড়া পড়বে ২০ থেকে ৩০ টাকা।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/balapur-jamindar-bari/">Balapur Zamindar Bari</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/balapur-jamindar-bari/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বেতিলা জমিদার বাড়ি</title>
		<link>https://sicgroup.ae/betila-zamindar-bari/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/betila-zamindar-bari/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Oct 2020 05:24:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Jamidar Bari]]></category>
		<category><![CDATA[Betila Zamindar Bari]]></category>
		<category><![CDATA[বেতিলা জমিদার বাড়ি]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1123</guid>

					<description><![CDATA[<p>বেতিলা জমিদার বাড়ি (Betila Zamindar Bari) মানিকগঞ্জ জেলার মানিকগঞ্জ সদর থানার বেতিলায় অবস্থিত। আদতে বেতিলা একটি সবুজ ঘেরা ছিমছাম গ্রাম। বেতিলার মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে বেতিলা<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/betila-zamindar-bari/">বেতিলা জমিদার বাড়ি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>বেতিলা জমিদার বাড়ি (Betila Zamindar Bari) মানিকগঞ্জ জেলার মানিকগঞ্জ সদর থানার বেতিলায় অবস্থিত। আদতে বেতিলা একটি সবুজ ঘেরা ছিমছাম গ্রাম। বেতিলার মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে বেতিলা খাল। এই বেতিলা খালই একসময় ছিল প্রবল খরস্রোতা। নানান বজরা, মহাজনী নৌকা আসা যাওয়া করতো ধলেশ্বরী আর কালিগঙ্গার নদীর পথে। এই ধলেশ্বরী আর কালিগঙ্গাকে সংযুক্ত করেছে বেতিলা খাল। তাই এই নিরাপদ নৌরুট বেছে নিয়েছিলেন জ্যোতি বাবু বা সত্য বাবুর মতো বড় বড় বণিকেরা। যার জন্য এতো ভূমিকা সেই বেতিলা জমিদারবাড়ি লোকমুখে জমিদারবাড়ি হিসেবে প্রচলিত হলেও এটি আদতে সত্য বাবুর বসতবাড়ি। সেই সময়ের অজপাড়াগাঁয়ের এই বিশাল দালান কোঠা, শান-শওকত স্থানীয় দের কাছে জমিদারী হিসেবে পরিচিত হবে এটাই স্বাভাবিক।<br><br>এমনকি বর্তমানে সরকারী আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে এই বাড়ি সেখানের সাইনবোর্ডে বেতিলা জমিদার বাড়ি হিসেবেই পরিচিত এই বাড়ি। এখানে বিল্ডিং দুটো, পাশাপাশি। এ বাড়ির ইতিহাস খুব একটা পরিচিত নয়, তথ্যগত অভাব তাই প্রকট। নেট বা বইপত্র ঘেঁটে বিশেষ কোন কিছুই পাওয়া যায় না । সামান্য কিছু তথ্য উপাত্তের পাশাপাশি আপাতত স্থানীয় লোকজনের মুখে আর এখনকার বসবাসরত বাসিন্দাদের কাছ থেকে শোনা গল্পই ভরসা। জ্যোতি বাবু নামের কোলকাতার বণিক এই জমিদার বাড়ির পূর্বপুরুষ। তিনি ছিলেন মূলত পাটের বণিক। ধারণা করা যায় এই এলাকার পাটের ব্যবসায়ের সুবিধার কারণে এ অঞ্চলে তাঁর আগমন আর পাটের বণিক জ্যোতি বাবুর কোলকাতার ব্যবসা আর বাড়ির এক্সটেনশন হচ্ছে এই বেতিলা জমিদার বাড়ি। এখন সরকারী ব্যবস্থাপনায় থাকলেও এর অবস্থা খুবই শোচনীয়। এখানে ওখানে অযত্নের ছাপ। এখন পর্যন্ত এর স্থাপনা যথেষ্ট মজবুত হলেও অনাদর আর অবহেলা স্পষ্ট।<br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>ঢাকার গাবতলি বাসস্ট্যান্ড থেকে মানিকগঞ্জগামী যেকোনো বাসে (পদ্মা লাইন, নীলাচল, সেলফি পরিবহন) প্রথমে নামতে হবে মানিকগঞ্জ স্ট্যান্ডে। স্ট্যান্ড থেকে সিংগাইরের দিকে আসা যে কোনো হ্যালো বাইক, বেবি টেক্সি, বাস অথবা যে কোনো বাহনে করে আপনি বেতিলা বাসস্ট্যান্ডে নামবেন। সেখান থেক বেতিলা বাজারের দিকে অটো বাইক পাবেন। বেতিলা বাজার থেকে বেতিলা জমিদার বাড়ি অল্প একটু রাস্তা মাত্র।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/betila-zamindar-bari/">বেতিলা জমিদার বাড়ি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/betila-zamindar-bari/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তেওতা জমিদার বাড়ি</title>
		<link>https://sicgroup.ae/teota-zamindar-bari/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/teota-zamindar-bari/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Oct 2020 06:01:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Jamidar Bari]]></category>
		<category><![CDATA[Teota Zamindar Bari]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1126</guid>

					<description><![CDATA[<p>তেওতা জমিদার বাড়ি (Teota Zamindar Bari) বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রী প্রমীলা দেবীর স্মৃতি বিজড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। মানিকগঞ্জ এর (Manikganj) শিবালয়<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/teota-zamindar-bari/">তেওতা জমিদার বাড়ি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>তেওতা জমিদার বাড়ি (Teota Zamindar Bari) বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রী প্রমীলা দেবীর স্মৃতি বিজড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। মানিকগঞ্জ এর (Manikganj) শিবালয় উপজেলার তেওতা জমিদার বাড়িতে কাজী নজরুল ইসলাম প্রমীলা দেবীর রূপে মুগ্ধ হয়ে লিখেছিলেন –<br><br>                            <strong>  “তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয় সেকি মোর অপরাধ”</strong><br>কাজী নজরুল ইসলাম ও প্রমীলা দেবীর প্রেমের স্মৃতির সাক্ষী তেওতা জমিদার বাড়ির পাশেই ছিল প্রমীলা দেবীর পিতার বাড়ি। প্রমীলা দেবীর পিতা বসন্ত সেনের ভ্রাতুষপুত্র বীরেন সেনের সঙ্গে কবির সখ্যতার কারণে কবি তাঁদের বাড়িতে অবাধ যাতায়াত করতে পারতেন। ধারনা করা হয়, তেওতা জমিদার বাড়িটির বয়স প্রায় ৩০০ বছর।<br><br>আনুমানিক ১৭০০ শতকে তামাক ব্যবসায়ী পঞ্চানন সেন প্রায় সাড়ে সাত একর জায়গার উপর ৫৫ কক্ষবিশিষ্ট এই দৃষ্টিনন্দন বাড়িটির গোড়াপত্তন করেন। তেওতা জমিদারবাড়ির সামনে ১৮৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ৭৫ ফুট উচ্চতার নবরত্ন মন্দিরটি এখনো অক্ষত রয়ে গেছে।<br>তেওতা জমিদার বাড়ির প্রধান ভবনের উত্তরের ভবনগুলোকে হেমশংকর এস্টেট এবং দক্ষিণের ভবনগুলোকে জয়শংকর এস্টেট নিয়েছিল। প্রতিটি এস্টেটের সামনে নাটমন্দির অবস্থিত, পূর্ব দিকের লালদিঘী বাড়িটি জমিদারদের অন্দর মহল হিসাবে ব্যবহৃত হত। দিঘীতে দুটি শান বাঁধানো ঘাটলা এবং দক্ষিণ পাশে একটি চোরা কুঠুরী বা অন্ধকুপ রয়েছে।<br><br><strong>তেওতা জমিদার বাড়ি যাওয়ার উপায় </strong><br>ঢাকা থেকে আরিচার দূরত্ব ৯০ কিলোমিটার এর মতো। বাসে যেতে সময় লাগবে ৩ ঘন্টার মতো, ভাড়া পড়বে ৮০ টাকার কাছাকাছি। গাবতলী থেকে নাহার পরিবহন, বিআরটিসি, পদ্মা লাইন, ইত্যাদি বাসে আরিচাঘাট যেতে পারবেন। পদ্মা লাইন দিয়ে আসলে নামতে হবে উথলী। সেখান থেকে আরিচা বাস ভাড়া ৫ টাকা। আরিচা ঘাট থেকে রিকশায় ২০/৩০ টাকা এবং আটোতে ১০ টাকা ভাড়ায় যাওয়া যাবে তেওতা জমিদার বাড়ি।<br><br><strong>কোথায় থাকবেন </strong><br>ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় তেওতা জমিদার বাড়ি দেখে দিনে দিনেই ঢাকা ফেরা যায়। তাছাড়া আসে পাশে থাকার তেমন কোন ব্যবস্থাও নেই। তবে মানিকগঞ্জ শহরে থাকার মত মোটামুটি মানের কিছু আবাসিক হোটেল পাবেন। ফ্যামিলি নিয়ে থাকার মত খুব কমই আছে। চাইলে সরাসরি মানিকগঞ্জ সদর চলে যেতে পারেন বাসে করে। সেখান থেকে বাসে চলে যান উথিলা বাস স্ট্যান্ড, সময় লাগবে ২০-৩০ মিনিট। উথিলা থেকে সিএনজি করে চলে যান আরিচা ঘাট, ভাড়া ৫ টাকা। আরিচা ঘাট থেকে অটো রিক্সায় পদ্মা নদীর পাড় দিয়ে চলে যান<br><br><strong>খাওয়া দাওয়া </strong><br>তেওতা তে খাবারের জন্য রয়েছে সাধারণ মানের বেশকিছু হোটেল ও রেস্টুরেন্ট। তবে আরিচা ঘাটে অনেক খাবার হোটেল মিলবে।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/teota-zamindar-bari/">তেওতা জমিদার বাড়ি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/teota-zamindar-bari/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বালিয়াটি জমিদার বাড়ি</title>
		<link>https://sicgroup.ae/1129-2/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/1129-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Oct 2020 06:08:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Jamidar Bari]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1129</guid>

					<description><![CDATA[<p>বালিয়াটি জমিদার বাড়ি (Baliati Zamindar bari) বাংলাদেশের মানিকগঞ্জ জেলা সদর থেকে আনুমানিক ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং ঢাকা জেলা সদর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/1129-2/">বালিয়াটি জমিদার বাড়ি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>বালিয়াটি জমিদার বাড়ি (Baliati Zamindar bari) বাংলাদেশের মানিকগঞ্জ জেলা সদর থেকে আনুমানিক ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং ঢাকা জেলা সদর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে অবস্থিত। মোট সাতটি স্থাপনা নিয়ে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত। ঐতিহ্য বুকে ধরে এখনো কালের সাক্ষী হিসেবে সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে। এই বালিয়াটি জমিদার বাড়ি বা প্রাসাদটির সবগুলো ভবন একসাথে স্থাপিত হয় নি। এই প্রাসাদের অন্তর্গত বিভিন্ন ভবন জমিদার পরিবারের বিভিন্ন উত্তরাধিকার কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে স্থাপিত হয়েছিল। বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্লকটি যাদুঘর। এই প্রাসাদটি বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ কর্তৃক সংরক্ষিত ও পরিচালিত। একটি নিম্নবিত্ত সাহা পরিবার থেকেই পরবর্তীতে বালিয়াটী জমিদার বংশের উদ্ভব।<br><br>দর্শনীয় স্থানসমূহ বালিয়াটি জমিদার বাড়ীতে আছে দৃষ্টিনন্দন ইমারত, নির্মাণ কৌশল আর অলংকরণে অপূর্ব। বিশাল বিশাল ভবন জমিদার আমলে জমিদারদের বিত্ত বৈভবের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। ঝড়-তুফান, বৃষ্টি-বাদল উপেক্ষা করে এখনো কালের সাক্ষী হিসেবে টিকে আছে। জমিদার বাড়ির সিংহ দরজায় প্রবেশ করলেই চোখে পড়বে প্রশস্ত আঙ্গিনা। একই লাইনে দাঁড়িয়ে আছে চারটি বহুতল ভবন। এগুলোর পেছনে জমিদার অন্দরমহল এবং রয়েছে কয়েকটি পুকুর।<br><br>জমিদারবাড়ির ভেতরে রং মহল নামে খ্যাত ভবনে বর্তমানে জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। পুরো জমিদার চত্বরটি উঁচু প্রাচীরে ঘেরা। প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রাসাদের ২০০ কক্ষের প্রতিটি কক্ষেই রয়েছে প্রাচীন শিল্পের সুনিপুণ কারুকাজ। প্রাসাদ চত্বরটি প্রায় ১৬ হাজার ৫৫৪ বর্গমিটার জমির ওপর ছড়িয়ে থাকা সাতটি দালানের সমাবেশ। প্রতিটি দালানই ঊনবিংশ শতকে নির্মিত। জমিদারবাড়ির প্রবেশ দরজার দুপাশে রয়েছে দুটি তেজী সিংহের পাথরের মূর্তি। এরপরই নজরে আসবে প্রশস্ত আঙিনা। বর্তমানে এটি ফুলের বাগান। পেছনের অন্দর মহলে বিশালাকার পুকুর। পুকুরের একপাশে রয়েছে শৌচাগার। পুকুরের চারপাশে রয়েছে চারটি শান বাঁধানো নান্দনিক ঘাট। বাড়ির প্রতিটি দেয়াল ২০ ইঞ্চি পুরু। গাঁথুনিতে সিমেন্টের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে চুন-সুরকি আর শক্তিশালী কাদামাটি। লোহার রডের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে লোহার পাত। ভেতরে রয়েছে লোহার সিঁড়ি। ধারণা করা হয় সামনের চারটি প্রাসাদ ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করা হতো। অন্দরমহলে গোবিন্দরাম পরিবার বসবাস করতেন।<br><br><strong>বালিয়াটি </strong><br>প্রাসাদ বালিয়াটি প্রাসাদটি স্থাপত্যকৌশলের অন্যতম নিদর্শন। সুবিশাল প্রাসাদটি পাঁচটি স্বতন্ত্র ব্লকের সমন্বয়ে গঠিত। যার মধ্যে পূর্বদিকের একটি ব্লক ছাড়া চারটি ব্লকের দুটিতে একটি দ্বিতল ভবন এবং একটি টানা বারান্দা বিশিষ্ট ত্রিতল ভবন রয়েছে। প্রাসাদটির পেছনে অন্দরমহল। উত্তরদিকের ভবনটি কাঠের কারুকার্যে তৈরি। সুবিশাল প্রাসাদটির চারপাশেই সুউচ্চ দেয়াল। প্রতিটি অর্ধ-বৃত্তাকার খিলান আকৃতির সিংহ খোদাই করা তৌরণ বিদ্যমান।<br><br><strong>গোলাবাড়ি </strong><br>জমিদারবাড়িটির ঐতিহ্য শুরু ব্যবসাকে কেন্দ্র করে। আর এই গোলাবাড়িটি লবণের একটি বিশাল গোলা ছিল বলেই ধারণা করা হয়। জমিদাররা ধর্মপ্রাণ হওয়ায় বাড়ির মন্দিরে পূজা অর্চনা করা হতো। স্বাধীনতা যুদ্ধে এখানে লুটপাট করা হয়।<br><br><strong>পশ্চিম বাড়ি </strong><br>জমিদারবাড়ির পশ্চিম অংশে অবস্থান বলেই বাড়িটির নাম পশ্চিম বাড়ি। ১৮৮৪ সালে জমিদারের উত্তরাধিকার জমিদার কিশোরীলাল রায় চৌধুরী বিখ্যাত জগন্নাথ কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।<br><br><strong>পূর্ববাড়ি </strong><br>বালিয়াটির পূর্ব অংশে এ বাড়ির অবস্থান বলেই এ বাড়ির নামকরণ করা হয় পূর্ববাড়ি। এ বাড়ির প্রথম জমিদার পুরুষ রায় চাঁন। তিনি দুটি বিয়ে করেন। প্রথম স্ত্রীর সন্তানদের সম্পত্তির দশ আনা অংশ এবং দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রীর সন্তানদের দান করেন ছয় আনা অংশ। দশ আনির জমিদার বাড়িটিই বর্তমানে পর্যটকদের দর্শনীয় স্থান। এখানে পশ্চিম থেকে পূর্ব পর্যন্ত চারটি সুবৃহৎ অট্টালিকা বিদ্যমান। এগুলো বড় তরফ, মেঝো তরফ, নয়া তরফ এবং ছোট তরফ নামে পরিচিত। ছয় আনির জমিদার বাড়ির অস্তিত্ব বর্তমানে নেই।<br><br><strong>বালিয়াটি জমিদার বাড়ি কখন খোলা/বন্ধ থাকে </strong><br>গ্রীষ্মকাল : সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিরতি : দুপুর ১টা থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত শীতকাল : সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতি : দুপুর ১টা থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত শক্রবার : দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট থেকে ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতি বন্ধ : রবিবার পূর্ণদিবস ও সোমবার অর্ধদিবসসহ সরকারি ছুটির দিন। ঈদের পরের দিন এই প্রাসাদ বন্ধ থাকে।<br><br><strong>খরচ / টিকেট মূল্য </strong><br>বালিয়াটি জমিদার বাড়িতে প্রবেশের জন্য জনপ্রতি টিকিটের মূল্য ২০ টাকা। এই মূল্য কেবল দেশি দর্শনার্থীদের জন্য। তবে বিদেশি দর্শনার্থীরাও বেড়াতে আসেন এই বিখ্যাত জমিদারবাড়িতে। তাদের টিকিটের মূল্য রাখা হয় ২০০ টাকা, সার্কভুক্ত দর্শনার্থী – ১০০ টাকা।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>ঢাকার গাবতলী থেকে পাটুরিয়া, আরিচা বা মানিকগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া বাসে চড়ে মানিকগঞ্জের ৮ কিমি আগেই সাটুরিয়া বাসস্টপে নেমে যেতে হবে। ভাড়া লাগবে ৩৫-৪০ টাকা। আর মানিকগঞ্জ থেকে যেতে চাইলে শুভযাত্রা, পল্লীসেবা, শুকতারা ইত্যাদি বাসে চড়ে চলে যেতে পারবেন। এক্ষেত্রে ভাড়া লাগবে ২০ টাকার মত। সাটুরিয়া বাসস্টপে থেকে ১২ কিমি দূরে এই বালিয়াটি জমিদার বাড়ির অবস্থান। সাটুরিয়া থেকে পাকুটিয়াগামী রাস্তায় সাটুরিয়ার জিরোপয়েন্টে নামতে হবে। এখান থেকে মাত্র ১ কি.মি এর কম দূরত্ব বালিয়াটি জমিদার বাড়ির।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/1129-2/">বালিয়াটি জমিদার বাড়ি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/1129-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>করটিয়া জমিদার বাড়ি</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 25 Oct 2020 06:17:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Jamidar Bari]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1133</guid>

					<description><![CDATA[<p>টাঙ্গাইলবাংলাদেশে যে কয়টি জমিদার বাড়ি সমৃদ্ধ এবং ইতিহাসের সাথে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে তাদের মধ্যে করটিয়া জমিদার বাড়ি অন্যতম। টাঙ্গাইল জেলায় বেশ কয়েকটি জমিদার বাড়ি<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf/">করটিয়া জমিদার বাড়ি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p><strong>টাঙ্গাইল</strong><br>বাংলাদেশে যে কয়টি জমিদার বাড়ি সমৃদ্ধ এবং ইতিহাসের সাথে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে তাদের মধ্যে করটিয়া জমিদার বাড়ি অন্যতম। টাঙ্গাইল জেলায় বেশ কয়েকটি জমিদার বাড়ি রয়েছে। কিন্তু সবগুলোকে ছাপিয়ে ইতিহাস আর ঐতিহ্যে করটিয়া জমিদার বাড়ি আলাদা স্থান করে নিয়েছে।<br><br>টাঙ্গাইল শহর হতে ১০ কি.মি. দূরে পুটিয়ার তীর ঘেঁষে আতিয়ারচাঁদ খ্যাত জমিদার ওয়াজেদ আলী খান পন্নীর জমিদার বাড়ি। প্রাকৃতিক এবং নিরিবিলি পরিবেশের এই জমিদার বাড়িটি প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ০.৫ কিলোমিটার প্রস্থ বিশিষ্ট প্রাচীরঘেরা যেখানে রয়েছে লোহার ঘর, রোকেয়া মহল, রাণীর পুকুরঘাট, ছোট তরফ দাউদ মহল এবং বাড়িসংলগ্ন মোগল স্থাপত্যের আদলে গড়া মসজিদ একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য। মোগল ও চৈনিক স্থাপত্যের মিশেলে নির্মিত জমিদার বাড়িটি প্রথম দর্শনেই আপনার মন কেড়ে নেবে। সীমানা প্রাচীরের ভেতরে অবস্থিত মোগল স্থাপত্য শিল্পের নিদর্শন রোকেয়া মহল, যা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মর্যাদা পাওয়ার দাবি রাখে। অথচ এটি আজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।<br><br><strong>অবস্থানের জিপিএস কোর্ডিনেটঃ</strong> 24°13’20.08″N, 89°58’46.74″E<br><br><strong>কিভাবে যাবেনঃ </strong><br>ঢাকার মহাখালী থেকে বেশ কয়েকটি পরিবহনের বাস টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। সেগুলোতে চড়ে আপনি করটিয়া বাইপাস এর কাছে নেমে গিয়ে একটি রিকশা নিয়ে চলে যান করটিয়াা জমিদার বাড়ি। বাস ভাড়া ১৫০-১৭০ টাকা, আর রিকশা ভাড়াটা ১৫-২০ টাকা পরবে। একদিনের ট্যুরে গেলে এই জমিদার বাড়ী ছাড়াও চলে যেতে পারেন ঐতিহ্যবাহী আতিয়া মসজিদ দেখতে, একই পথে রয়েছে দেলদুয়ার জমিদার বাড়ী। দেখে আসতে পারেন মওলানা ভাসানীর সমাধি এবং জাদুঘর, সাথে মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসটি।<br><br><strong>কোথায় থাকবেনঃ </strong><br>টাঙ্গাইলে থাকার জন্য বেশকিছু হোটেল ও গেস্ট হাউজ রয়েছে। এসবের মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হলঃ<br><br>১। পলাশ হাউজ/ নাইট গন্ধা রেসিডেনসিয়াল হোটেল, মসজিদ রোড, টাঙ্গাইল। ফোনঃ ০৯২১-৫৩১৫৪ ২। আল ফয়সাল হোটেল রেসিডেনসিয়াল, মসজিদ রোড, টাঙ্গাইল। ফোনঃ ০৯২১-৫৩৯১৮ <br>৩। হোটেল সাগর রেসিডেনসিয়াল, নিউ মার্কেট রোড, টাঙ্গাইল। ফোনঃ ০৯২১-৫৪৩০৮ <br>৪। আফরিন হোটেল, মসজিদ রোড, টাঙ্গাইল। মোবাইলঃ ০১৯১৬৭৮২৩৮৯ <br>৫। এস এস রেস্ট হাউজ, আকুরাতাকুর পাড়া, টাঙ্গাইল। ফোনঃ ০৯২১-৫৫১৮০ <br>৬। পল্লী বিদ্যুৎ রেস্ট হাউজ, টাঙ্গাইল। ফোনঃ ০৯২১-৫৩৩৯০ <br>৭। এলজিইডি রেস্ট হাউজ(সরকারি), টাঙ্গাইল। ফোনঃ ০৯২১-৫৪২৬১<br>৮। সুগন্ধা হোটেল, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, টাঙ্গাইল। মোবাইলঃ ০১৬৭৪-৩৪৬৮১৫ <br>৯। নিরালা হোটেল, নিরালা মোড়, টাঙ্গাইল। ফোনঃ ০৯২১-৬১৩৬৩ <br>১০। পিয়াসি হোটেল, নিরালা মোড়, টাঙ্গাইল। মোবাইলঃ ০১৭১১-৩৫২৪৯৩ <br>১১। হোটেল কিছুক্ষন, নিরালা মোড়, টাঙ্গাইল। ফোনঃ ০৯২১-৫৫২১৯ <br>১২। হোটেল আদিত্য(আবাসিক), মধুপুর, টাঙ্গাইল। মোবাইলঃ ০১৭১৬-৭৯৬০৬৫ <br>১৩। হোটেল ড্রিম টাচ (আবাসিক), মধুপুর, টাঙ্গাইল। মোবাইলঃ ০১৭১৭২১৮৭৯৯<br>১৪। শালবন রেসিডেনসিয়াল হোটেল, মধুপুর, টাঙ্গাইল। মোবাইলঃ ০১৭১৩৪৬২১০৩ <br>১৫। ইসলামিয়া গেস্ট হাউজ, মধুপুর, টাঙ্গাইল। মোবাইলঃ ০১৯১৭৫৬৬২৩৪ <br>১৬। ভাই ভাই গেস্ট হাউজ, মধুপুর, টাঙ্গাইল। মোবাইলঃ ০১১৯০৯৭৫৫৩৯ <br>১৭। যমুনা রিসোর্ট লিমিটেড, কালীহাতি, টাঙ্গাইল। ফোনঃ ০৯২৩৯-৭৬০৩২-৪ <br>১৮। এলেঙ্গা রিসোর্ট লিমিটেড রেসিডেনসিয়াল হোটেলস, এলেঙ্গা, কালীহাতি, টাঙ্গাইল। ফোনঃ ০২-৯৮৮৪৩২২</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf/">করটিয়া জমিদার বাড়ি</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
