<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Dhaka Archives - SIC Group</title>
	<atom:link href="https://sicgroup.ae/category/dhaka/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sicgroup.ae/category/dhaka/</link>
	<description>Business of Excellence</description>
	<lastBuildDate>Wed, 21 Oct 2020 07:30:41 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.3</generator>

<image>
	<url>https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2023/11/cropped-SIC-32x32.png</url>
	<title>Dhaka Archives - SIC Group</title>
	<link>https://sicgroup.ae/category/dhaka/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>টাকা জাদুঘর</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%98%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%98%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Oct 2020 11:55:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=885</guid>

					<description><![CDATA[<p>টাকা জাদুঘর (Taka Museum) বা মুদ্রা জাদুঘর বাংলাদেশের ঢাকা জেলার মিরপুরে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমির দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত। ২০১৩ সালে টাকা জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়। মূলত<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%98%e0%a6%b0/">টাকা জাদুঘর</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>টাকা জাদুঘর (Taka Museum) বা মুদ্রা জাদুঘর বাংলাদেশের ঢাকা জেলার মিরপুরে বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমির দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত। ২০১৩ সালে টাকা জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়। মূলত ২০০৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ভবনে কারেন্সি মিউজিয়াম চালু করা হয়। টাকা মিউজিয়ামটি আসলে তাঁর বর্ধিত এবং আধুনিক রুপ। প্রাচীন বাংলা থেকে শুরু করে আধুনিক কাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ের ধাতব মুদ্রা এবং কাগুজে নোট সংরক্ষণ এবং প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এই টাকা জাদুঘরে। সেই সঙ্গে এখানে জায়গা পেয়েছে মুদ্রা সংরক্ষণের প্রাচীন কাঠের বাক্স ও লোহার সিন্দুক।<br><br>জাদুঘরের প্রবেশপথের বাম দিকের দেয়ালে তৈরি করা হয়েছে টাকার গাছ। ভবনের গায়ে গাছের মতো রূপ দেওয়া হয়েছে স্টিলের কাঠামো, সেই কাঠামোতে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন সময়ের মুদ্রার অনুলিপি। আরও একটু সামনে এগোতেই দেখা মিলবে দেয়ালে সুদৃশ্য টেরাকোটা। প্রাচীনকাল থেকে আধুনিককাল পর্যন্ত লেনদেনের ধারাবাহিক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই টেরাকোটায়।<br><br>দ্বিতীয় তলাকে দুইটি গ্যালারীতে সাজানো হয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশে মুদ্রা ব্যবহারের বিবর্তনের ইতিহাসের সচিত্র উপস্থাপন যেন প্রথম গ্যালারির শোকেসগুলো। খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতক থেকে খ্রিষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকে ব্যবহৃত ছাপাঙ্কিত রুপার মুদ্রা রয়েছে প্রথম শোকেসে। এভাবে খ্রিষ্টপূর্ব প্রথম শতক থেকে দ্বিতীয় শতকে ব্যবহৃত কৃষাণ মুদ্রা, সপ্তম শতক থেকে নবম শতকে ব্যবহৃত হরিকেল রূপার মুদ্রা, দিল্লির সুলতানি আমলের মুদ্রা, বাংলার স্বাধীন সুলতানদের রাজত্বের সময় ব্যবহৃত মুদ্রাসহ ব্রিটিশ আমল, পাকিস্তান আমল হয়ে বাংলাদেশি মুদ্রা রাখা কাচের ঘরে।<br><br>টাকা জাদুঘরের দুই নম্বর গ্যালারির প্রদর্শনী সাজানো হয়েছে নানা দেশের মুদ্রায়। চীন, আফগানিস্তান, কম্বোডিয়া, হাইতি, বাহরাইন, নিউজিল্যান্ডসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাগুজে নোট ও মুদ্রার দেখা মিলবে এখানে। বিচিত্র সেসব নকশা এবং তাদের উপস্থাপনা। এমন নানা দেশের টাকা দেখা শেষে নিজের দেশের লাখ টাকার নোটে নিজের ছবি ছাপিয়ে মাত্র ৫০ টাকার বিনিময়ে আপনিও হয়ে যেতে পারেন লাখোপতি।<br><br>টাকা জাদুঘরে রয়েছে স্যুভেনির শপ। স্মারক মুদ্রা ও নোট, জাদুঘরের প্রকাশনাসহ টাকা জাদুঘরের মনোগ্রাফ, বাংলাদেশ ব্যাংকের রজতজয়ন্তীতে প্রকাশিত স্মারক, বাংলাদেশে আয়োজিত বিশ্বকাপ ক্রিকেটের স্মারক, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতার ৯০ বছর পূর্তি স্মারক, বিজয় দিবসের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে তৈরি স্মারক, জাপানিজ কয়েন সেটসহ নানা স্মারক রয়েছে এখানে। কোন স্মারকের মূল্য কত, তা দোকানের বাইরে একটি কাগজে সাঁটানো আছে।<br><br><strong>টিকেট মূল্য এবং সময়সূচী </strong><br>বৃহস্পতিবার আর সরকারি ছুটির দিন বাদে প্রতিদিনই সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যে ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকে টাকা জাদুঘর। শুধুমাত্র শুক্রবার এটি বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যে ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এটি পরিদর্শনে কিংবা প্রবেশে কোন টিকেট লাগে না, একদম ফ্রি। সাপ্তাহিক বন্ধ বৃহস্পতিবার।<br><br><strong>কিভাবে কিভাবে </strong><br>যাবেন ঢাকার যে কোন স্থান থেকে সরাসরি চলে যেতে হবে মিরপুর – ১ কিংবা মিরপুর – ১০ নাম্বার গোলচত্ত্বর। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে, রিক্সা করে কিংবা অন্য লোকাল বাসে করে চলে যেতে পারবেন টাকা জাদুঘর। তবে মানুষজন বাংলাদেশ ব্যস্নগকা ট্রেনিং সেন্টার নামেই এই জায়গাকে চিনে থাকেন বেশী। মিরপুর-১ কিংবা মিরপুর-১০ নাম্বার গোলচত্ত্বর থেকে রিক্সা ভাড়া ১৫-২০ টাকা।<br></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%98%e0%a6%b0/">টাকা জাদুঘর</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%98%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বায়তুর রউফ মসজিদ</title>
		<link>https://sicgroup.ae/911-2/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/911-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Oct 2020 04:52:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=911</guid>

					<description><![CDATA[<p>বায়তুর রউফ মসজিদ (Baitur Rauf Jame Masjid) ঢাকার আবদুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে পূর্ব দিকে গিয়ে রেললাইন পেরিয়ে দক্ষিণখান থানার ফায়েদাবাদে অবস্থিত। এর স্থাপত্যের বিশেষ দিক হলো, এর<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/911-2/">বায়তুর রউফ মসজিদ</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>বায়তুর রউফ মসজিদ (Baitur Rauf Jame Masjid) ঢাকার আবদুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে পূর্ব দিকে গিয়ে রেললাইন পেরিয়ে দক্ষিণখান থানার ফায়েদাবাদে অবস্থিত। এর স্থাপত্যের বিশেষ দিক হলো, এর বায়ু চলাচলব্যবস্থা ও আলোর চমৎকার বিচ্ছুরণ মসজিদের পরিবেশকে দেয় ভিন্ন মাত্রা। ৭৫৪ বর্গমিটারের মসজিদটির বিশেষত্ব হলো, এখানকার মসজিদের পরিচিত চিত্র ডোম বা মিনার নেই। চতুর্দিকে আটটি পিলারের ওপর এটি তৈরি। এর নকশার বিশেষত্ব হলো, কিবলার দিকে ১৩ ডিগ্রি কোনাকুনি করা একটি থাম। আলো প্রবেশের জন্য চারদিকে রাখা হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। সুলতানি আমলের মসজিদের অনুপ্রেরণায় তৈরি হয়েছে এর স্থাপত্য। স্থপতি মেরিনা খান এই মসজিদ নির্মানে প্রাধান্য দিয়েছেন সুলতানি আমলের নকশার প্রতি। বেশ শৈল্পিক এবং পরিকল্পনামাফিক করা হয়েছে তা ভেতরে ঢুকলেই টের পাওয়া যায়। বৈদ্যুতিক বাতি-ফ্যানের চাইতে প্রাকৃতিক আলো বাতাসকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে নকশায়। বাতাস চলাচলের জন্য কোন জানালা ছাড়া ইটের গাঁথুনির এমন ব্যবহার অন্য কোন মসজিদে চোখে পড়েনা। এই সব কিছু মসজিদকে করেছে অনন্য।<br>আগা খান স্থাপত্য পুরস্কারের জন্য চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছে ঢাকার বায়তুর রউফ মসজিদ।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>ঢাকার যেকোনো প্রান্ত থেকে টঙ্গীর আব্দুল্লাহপুর যেতে পারবেন বাসে। বায়তুর রউফ মসজিদে যেতে হলে আব্দুল্লাহপুর থেকে ডানে দক্ষিণখান থানার ফায়দাবাদের দিকে যেতে হবে। ফায়দাবাদের ট্রান্সমিটার মোড় থেকে হাতের বামে গলির ভেতর ১ মিনিট হাঁটলেই চোখে পড়বে মসজিদ। তবে মেইনরোড থেকে অটোতেও ফায়দাবাদ ট্রান্সমিটার মোড় আসা যায়।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/911-2/">বায়তুর রউফ মসজিদ</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/911-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সাউথ টাউন মসজিদ</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a5-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a5-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Oct 2020 05:04:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=914</guid>

					<description><![CDATA[<p>সাউথ টাউন মসজিদ (South Town Masjid) ঢাকার কাছেই কেরানীগঞ্জের সাউথ টাউন আবাসিক প্রকল্পের মধ্যে অবস্থিত। নান্দনিক গঠন আর অপূর্ব স্থাপত্যশৈলীর কারনে এই মসজিদ ইতিমধ্যে মানুষের কাছে<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a5-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6/">সাউথ টাউন মসজিদ</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>সাউথ টাউন মসজিদ (South Town Masjid) ঢাকার কাছেই কেরানীগঞ্জের সাউথ টাউন আবাসিক প্রকল্পের মধ্যে অবস্থিত। নান্দনিক গঠন আর অপূর্ব স্থাপত্যশৈলীর কারনে এই মসজিদ ইতিমধ্যে মানুষের কাছে আকর্ষণীয় রুপে ধরা দিয়েছে। মসজিদে মূলত ধর্মপ্রাণ মানুষেরা প্রাথর্নার জায়গা আর কিছু মসজিদের স্থাপনা নজড় কেড়ে নেয় সকলের। নান্দনিক গঠন আর অপূর্ব স্থাপত্যশৈলীর ধরণ ধারণে মসজিদের নির্মাণ প্রায় এই উপমহাদেশে ইসলাম প্রচারের শুরু থেকেই চলে আসছে। এমনি এক স্থাপত্যশৈলী মসজিদ হলো সাউথ টাউন মসজিদ।<br><br>সাউথ টাউন মসজিদটি নির্মাণ করতে প্রায় দুই বছর সময় লেগেছে৷ এই মসজিদে একসাথে প্রায় ৬০০ মানুষ নামাজ আদায় করতে পারে৷ এতে প্রধান ফটক আছে তিনটি। দুই পাশে আছে আরও দুটি দরজা। চারপাশে প্রচুর দু’স্তরের জানালা তৈরি করে আলো ঢোকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যে কেউ দূর থেকে দেখলে জায়গাটা মনে করবে যেনো স্বর্গের কোন প্রাসাদ বা কোন রাজা বা জমিদার এর সদ্য তৈরি করা কো অট্টালিকা। অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা আর চোখ ধাঁধানো ডিজাইনের মিশ্রণের ঘেরা এই মসজিদটি সবাইকে মুগ্ধ করার জন্য যথেষ্ঠ।<br><br><strong>যেভাবে যাবেন </strong><br>ঢাকার যে কোন জায়গা থেকে প্রথমে যাত্রাবাড়ী চলে আসবেন। যাত্রাবাড়ী থেকে ৫টাকা ভাড়ায় লেগুনা বা বাসে করে নামবেন পোস্তগোলা ব্রিজ এ। পোস্তগোলা ব্রিজ পাড় হওয়ার জন্য সিএনজি আছে। ভাড়া নিবে ১০ টাকা। সিএনজি তে পোস্তগোলা ব্রিজের ওপার চলে আসার পর সেখান থেকে লেগুনা আছে। লেগুনায় কেরানীগঞ্জ সেন্ট্রাল জেল গেট এ নেমে যাবেন। ভাড়া নিবে ২৫ টাকা। তারপর সেখান থেকে ৪/৫ মিনিট হাটলেই হাতের ডানে পড়বে সাউথ টাউন আবাসিক প্রকল্প। গেটের ভিতর ঢুকে ৬-৭ মিনিট হাঁটলেই পেয়ে যাবেন অপরুপ সৌন্দর্যের মসজিদ টিকে। যে কোন এক সকালে বা বিকেলে সময় করে ঘুরে আসতে পারেন সকলে মিলে।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a5-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6/">সাউথ টাউন মসজিদ</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a5-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ইনসার আলী খুদের ভাত</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%80-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%a4/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%80-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%a4/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Oct 2020 05:32:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=919</guid>

					<description><![CDATA[<p>ইনসার আলী খুদের ভাত (Insar Alir Khuder Vaka) মরিচ ভর্তা, সরিষা, শুটকি , ধনে পাতা, আলু ,বেগুন ভর্তা , আর ডিম ভাজা দিয়ে পরিবেশন করেন। প্রতি<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%80-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%a4/">ইনসার আলী খুদের ভাত</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ইনসার আলী খুদের ভাত (Insar Alir Khuder Vaka) মরিচ ভর্তা, সরিষা, শুটকি , ধনে পাতা, আলু ,বেগুন ভর্তা , আর ডিম ভাজা দিয়ে পরিবেশন করেন। প্রতি প্লেটের বর্তমান মূল্য ৫০ টাকা। ইতিমধ্যে এই খুদের ভাতের স্বাদের সুখ্যাতি বেশ ছড়িয়ে পড়েছে। এর সন্ধান মূলত খুঁজে বের করেন ঢাকার বিভিন্ন সাইকেলিস্ট গ্রুপ, তারা এর সন্ধান সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়াতে এর পরিচিতি পায়। রোজ প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন খাদ্য রসিকের ভিড় জমে এখানে। খুদের ভাত বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী নাস্তা হিসেবে বেশ পরিচিত, খুদের ভাত অনেক জায়গায় বৌ ভাত, খুদের ভাকা নামেও পরিচিত।<br><br>ঢাকা শহর থেকে খুব বেশি দূরে নয়। কেরানীগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রাম, নাম রোহিতপুর। রাস্তার দু’পাশে টিনের ঘর, ফাঁকা জায়গাগুলোতে কোথাও ছোট ছোট ডোবা, কোথাও বা ধানি জমি। পুরোপুরি গ্রাম্য পরিবেশ। দু’পাশের প্রকৃতি দেখতে দেখতেই কখন সোহানা হোটেলে পৌঁছে যাবেন, টেরও পাবেন না। সাইনবোর্ডে বড় বড় করে লেখা সোহানা হোটেল। এক যুগ আগে এক অতি সাধারণ মানুষ ইনসার আলী চালু করেছিলেন সোহানা হোটেল। ছোট্ট হোটেলটিতে সাধারণ খাবার-দাবার বিক্রি হতো। তবে বিশেষ একটা জিনিস রান্না করতেন তিনি; খুদের খিচুড়ি। কৃষি শ্রমিক ইনসার আলী মাত্র ৭০০ টাকায় এ হোটেল শুরু করেন। তিনি মনে করেছেন, গ্রামের শ্রমিকরা ২০ টাকায় অন্য নাস্তা না খেয়ে একই দামে এক প্লেট খিচুড়ি খেলে শরীরে শক্তি পাবেন, আর ভাতের ক্ষুধাও মিটবে। কিন্তু খুদের খিচুড়ি তো কেউ খেতেনই না বরং তাকে নিয়ে সবাই হাসি-ঠাট্টা করতেন। কয়েক বছর পর এক সকালে একদল সাইক্লিস্ট সোহানা হোটেলে নাশতার বিরতি দেয়। খুদের খিচুড়ি সেদিন সবার মনে ধরেছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় তারা ছড়িয়ে দেন খুদের খিচুড়ির কথা। বাকিটা তো ইতিহাস! ছুটির দিনগুলোতে তো রীতিমতো সমাবেশের মতো মানুষের সমাগম। ইনসার আলীর এ খিচুড়ি এখন বিখ্যাত। স্বাদও মনে রাখার মতো। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত খুদের খিচুড়ি বিক্রির ধুম লেগে থাকে। জায়গা না পেয়ে প্লেট হাতে বাইরে দাঁড়িয়ে খেতেও আপত্তি নেই মানুষের।<br><br><strong>কি আছে এই খুদের খিচুড়িতে </strong><br>চাল ঝাড়ার পর ভাঙা ছোট ছোট যে চালটা পাওয়া যায়, সেটাই খুদ। সেই খুদ ইনসার আলী রাঁধেন পোলাওয়ের মতো। সঙ্গে ১০ পদের ভর্তা আর ডিম। রান্নার এই চালকে কেরানীগঞ্জের ভাষায় বলে ‘খুদের ভাকা’। টেবিলের ওপর বড় একটা হাঁড়িতে রাখা খুদের ভাকা। পাশে গুটিকয় প্লাস্টিকের বাটিতে সাজানো লাল, সবুজ ও নানা রঙের ভর্তা। প্লেটে প্রথমে দেওয়া হয় গরম গরম খুদের ভাত, এরপর প্লেটের চারপাশে সাজিয়ে দেওয়া হয় চিংড়ি, শুঁটকি, বেগুন, আলু, কালো জিরা, সরিষা, মরিচসহ ১০ পদের ভর্তা। প্লেটের মাঝখানে ডিম ভাজা। এই ডিম ভাজাটা একদমই আলাদা, তুলার মতো নরম আর গরম গরম পরিবেশনে স্বাদটা যেন দ্বিগুণ বেড়ে যায়। প্রতি প্লেটের দাম ৫০ টাকা। চাইলে গরু এবং মুরগির মাংসও নেওয়া যায়। খাওয়া শেষে চায়ের ব্যবস্থাও আছে এখানে। গরুর দুধ দিয়ে বানানো হয় এই চা। এ ছাড়া নিজেদের তৈরি দই ও কয়েক প্রকারের মিষ্টি তো আছেই।<br><br>ঢাকার খুব কাছে হওয়ায় এখানে যেকেউ দিনে গিয়ে দিনে ফিরে আসতে পারবেন। ঢাকার খুব কাছে এমন গ্রাম দেখার সৌভাগ্য খুব কমই আছে। কেউ চাইলে ইনসার আলীর সুখ্যাত খুদের ভাতের স্বাদ নিয়ে গ্রামটি ঘুরে ফিরতে পারেন। উল্লেখ্য রোহিতপুরের হাতে বানানো গামছা, লুঙ্গী খুব বিখ্যাত।<br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>মোহাম্মদপুর বছিলা ব্রিজ ধরে কেরানীগঞ্জের আঁটিবাজারের ওপর রোহিতপুরের সড়ক। আঁটিবাজার থেকে পাঁচ কিলোমিটার যাওয়ার পর রোহিতপুর বাজার। বামের পথ ধরে গোয়ালখালী বাজার থেকে অল্প একটু গেলেই রোহিতপুর ইনসার আলীর সোহানা হোটেল। ঢাকার মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে খুব সহজে যেতে পারবেন। প্রথমে মোহাম্মদপুর থেকে মাত্র ১০ টাকা লেগুনা ভাড়ায় যেতে হবে আটির বাজার। আটিবাজার থেকে জনপ্রতি ৪০ টাকা সিএনজি ভাড়া দিয়ে যেতে হবে গোয়ালখালী রোহিতপুর। ওখানে গিয়ে ইনসার আলীর খুদের ভাকা বললে সবাই দেখিয়ে দিবে। কেরানীগঞ্জ থেকে কেউ যেতে চাইলে বুড়িগঙ্গার দ্বিতীয় সেতু দিয়ে গোয়ালখালী হয়ে যেতে পারেন রোহিতপুর।<br><br>গুলিস্থান থেকে নবাবগঞ্জগামী বাসে রোহিতপুর নেমে গোয়ালাখালী অটো রিক্সায় যাওয়া যায় ইনসার আলীর খুদের ভাতের “সোহানা হোটেলে”।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%80-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%a4/">ইনসার আলী খুদের ভাত</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%80-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%a4/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সারিঘাট</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Oct 2020 06:15:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=922</guid>

					<description><![CDATA[<p>ঢাকার যাত্রাবাড়ী বা তার আশে পাশে যারা আছেন ঘুরে আসতে পারেন সারিঘাট (Sarighat) থেকে। ঢাকা শহরের যান্ত্রিক দিক থেকে সরে কিছুটা প্রাকৃতিক ছোঁয়ার জন্যে জায়গাখানা মন্দ<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f/">সারিঘাট</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ঢাকার যাত্রাবাড়ী বা তার আশে পাশে যারা আছেন ঘুরে আসতে পারেন সারিঘাট (Sarighat) থেকে। ঢাকা শহরের যান্ত্রিক দিক থেকে সরে কিছুটা প্রাকৃতিক ছোঁয়ার জন্যে জায়গাখানা মন্দ নয়। সবুজে ঘেরা পরিবেশ আর সাথে নৌকা ভ্রমণ। এছাড়া শরতে দিগন্ত জোড়া কাশফুলের সমারোহ তো আছেই। মন চাইলেই হারিয়ে যেতে পারবেন কাশফুলের সমুদ্রে। এখানের সবুজ শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ যে কারো ভালো লাগবে। হারিয়ে যাবেন গ্রাম বাংলার চির চেনা প্রকৃতির মাঝে। ঢাকা থেকে দিনে যেয়ে দিনেই ঘুরে আসতে পারবেন তাই ডে ট্রিপ কিংবা বন্ধু বান্দবদের নিয়ে আউটিং এর অন্যতম সেরা আকর্ষন এখন এটি। এখানে নিরিবিলি সময় কাটাতে চাইলে জল ছবির গাঁও জায়গাটা দারুন! তাদের খাবার পরিবেশনটাও পরিবেশের সাথে মানানসই। মাটির সরা, মাটির কাপ। এখানে কায়াক ও ডিংগি নৌকার ব্যবস্থা আছে। ৩০ মিনিট কায়াকিং এ জনপ্রতি ৭৫ টাকা। আর নৌকাতে ১০/১৫ মিনিট ঘুরাবে, সেক্ষেত্রে যাত্রী সংখ্যা হিসেবে ভাড়া ১০০-১৫০ টাকা, অবশ্যই দরদাম করে নেবেন। বিকেলের আগে এই ভাড়া, বিকেলে মানুষ বেশি থাকলে নৌকা ভাড়া বেশি চায়।<br><br>সারিঘাট এ বেড়ানো আর কায়াকিং শেষ করে চলে যেতে পারেন খুব কাছেই কাজিরগাঁও তে চাপটি, নানা রকম ভর্তা আর পরশ ভাই এর বিখ্যাত চা খাওয়ার জন্য। তবে বিখ্যাত চাপটি খাওয়ার জন্য দীর্ঘ সিরিয়াল দিয়ে অনেক সময় অপেক্ষা করা লাগতে পারে। সারিঘাট থেকে সিএনজি করে জনপ্রতি ২০ টাকা ভাড়া দিয়ে কাজিরগাঁও চাপটির দোকানে যাওয়া যাবে।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>ঢাকার যে কোন জায়গা প্রথমে যাত্রাবাড়ী আসবেন। সেখান থেকে জুরাইন রেল গেইট আসবেন বাস বা লেগুনাতে ভাড়া ৮ টাকা। জুরাইন রেল গেইট থেকে পোস্তগলা ব্রিজের ঐপারে যাবেন ভাড়া ১০ টাকা। নামার পর পোস্তাগলা ব্রিজের গোড়াতেই অটো রিস্কা অথবা সিএনজি পাবেন সারিঘাট যাবেন ভাড়া ১০ টাকা জনপ্রতি।<br><br><strong>খরচ </strong><br>যাত্রাবাড়ী থেকে জুরাইন ১০ টাকা ভাড়া। জুরাইন থেকে ১০০ টাকা রিজার্ভে সারিঘাট। নৌকা ভ্রমণ ১০০-১৫০ টাকা ।<br></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f/">সারিঘাট</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%9f/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আপসাইড ডাউন গ্যালারী</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Oct 2020 06:20:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=925</guid>

					<description><![CDATA[<p>আপসাইড ডাউন (Upside Down) একটি অদ্ভুত ছবি তোলার গ্যালারি। রাজধানীর লালমাটিয়ায় অবস্থিত এ গ্যালারিতে গেলে মনে হবে, পৃথিবী হয়তো উল্টে গেছে। নাকি আমরাই উল্টে গেছি? দেশে<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80/">আপসাইড ডাউন গ্যালারী</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>আপসাইড ডাউন (Upside Down) একটি অদ্ভুত ছবি তোলার গ্যালারি। রাজধানীর লালমাটিয়ায় অবস্থিত এ গ্যালারিতে গেলে মনে হবে, পৃথিবী হয়তো উল্টে গেছে। নাকি আমরাই উল্টে গেছি? দেশে প্রথমবারের মত এ ধরনের ফটো স্টুডিও চালু করলো চার নতুন উদ্যোক্তা। ২০১৯ সালের ১৭ মে চালু হওয়া এই গ্যালারি অনেকের কাছেই উল্টো বাড়ি নামে পরিচিত পেয়ে গেছে এরই মধ্যে। তিন হাজার বর্গফুটের বেশি আয়তনের এই ‘ইলিউশনাল আর্ট গ্যালারি’ সাজানো হয়েছে ভিন্ন স্বাদ দেওয়ার জন্য।<br><br>আপসাইড ডাউন গ্যালারিটি নীচ তলার সাতটি কক্ষ নিয়ে সাজানো হয়েছে। বেডরুম, ড্রইংরুম, ডাইনিং, রিডিং রুম, কিচেন, শাওয়ার রুম সহ আছে বিশেষ তান্ত্রিক কক্ষ। প্রতিটি কক্ষে ফার্নিচারগুলো বিশেষ কায়দায় সাজানো হয়েছে রুমের সিলিং এ।<br><br>প্রতিটি কক্ষের পরিচিতি দেওয়া এবং ছবি তোলার জন্য বিশেষ ভঙ্গি দেখিয়ে দেয়ার জন্য রয়েছে আলাদা গাইড। বিশেষ ভঙ্গিমায় ছবি তুলে তা উল্টো করে দিলেই তৈরী হয় ইলিউশন বা বিভ্রম। মনে হবে মানুষগুলো যেন রুমের সিলিং এ উল্টোভাবে ঝুলে আছে!<br><br>প্রতিটি কক্ষকে সাজানো হয়েছে সুন্দরভাবে। সাথে রয়েছে চমকপ্রদ আলোকসজ্জা। পাশাপাশি নিশ্চিত করা হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা যাতে কোন দুর্ঘটনা না হয়।<br><br><strong>প্রবেশ মূল্য </strong><br>আপসাইড ডাউন এর এই জগতে প্রবেশ করতে গুনতে হবে ৪০০ টাকা। ১০ বছরের নীচের শিশুদের জন্য ২৫০ টাকা আর ৩ বছরের নীচের শিশুদের প্রবেশ ফ্রি। ডিএসএলআর ক্যামেরার সার্ভিস নিলে দিতে হবে আরো ৩০০ টাকা (প্রতি গ্রুপের জন্য)। ছবি তুলে দিবে তারাই। গুগল ড্রাইভে ছবি আপ করে লিংক পাঠিয়ে দেবে মেইলে। ক্যামেরা সার্ভিস না নিলেও নিজস্ব মোবাইল বা ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলা যাবে ইচ্ছেমত।<br><br><strong>খোলা বন্ধের সময়সূচী </strong><br>রবিবার এবং সোমবার বন্ধ থাকে। এছাড়া সপ্তাহের বাকি পাঁচদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80/">আপসাইড ডাউন গ্যালারী</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a1-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গুরুদুয়ারা নানকশাহী</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Oct 2020 06:59:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=930</guid>

					<description><![CDATA[<p>ঢাকার গুরুদুয়ারা নানকশাহী বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরে অবস্থিত একটি শিখ ধর্মের উপাসনালয়। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্যাম্পাসের কলাভবনের পাশে অবস্থিত। এই গুরুদুয়ারাটি বাংলাদেশে সবকটি গুরুদুয়ারার মধ্যে<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80/">গুরুদুয়ারা নানকশাহী</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ঢাকার গুরুদুয়ারা নানকশাহী বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরে অবস্থিত একটি শিখ ধর্মের উপাসনালয়। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্যাম্পাসের কলাভবনের পাশে অবস্থিত। এই গুরুদুয়ারাটি বাংলাদেশে সবকটি গুরুদুয়ারার মধ্যে বৃহত্তম। কথিত আছে যে, ঢাকার এই গুরুদুয়ারাটি যেখানে অবস্থিত, সেই স্থানে ষোড়শ শতকে শিখ ধর্মের প্রবর্তক গুরু নানক অল্প সময়ের জন্য অবস্থান করেছিলেন। এই স্থানে থাকা কালে তিনি শিখ ধর্মের একেশ্বরবাদ এবং ভ্রাতৃত্ববোধের কথা প্রচার করেন এবং ধর্মের আচার অনুষ্ঠান পালনের শিক্ষা প্রদান করেন।<br><br>শিখ ধর্মের ৬ষ্ঠ গুরু হরগোবিন্দ সিং এর সময়কালে (১৫৯৫-১৬৪৪ খ্রিঃ) ভাইনাথ (মতান্তরে আলমাস্ত) নামের জনৈক শিখ ধর্ম প্রচারক এই স্থানে আগমন করে গুরুদুয়ারাটি নির্মাণের কাজ শুরু করেন। কারো কারো মতে, গুরুদুয়ারাটি নির্মাণের কাজ শুরু হয় ৯ম শিখ গুরু তেগ বাহাদুর সিং এর সময়কালে (১৬২১-১৬৭৫ খ্রিঃ)। ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণকার্য সমাপ্ত হয়। পরবর্তীতে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এটি ভগ্নদশা প্রাপ্ত হয়।<br><br>বাংলাদেশের স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে ১৯৭২ সালে গুরুদুয়ারাটির ভবনের কিছু সংস্কার করা হয়। ১৯৮৮-৮৯ সালে এটির ব্যাপক সংস্কার সাধন করা হয়, এবং বাইরের বারান্দা ও সংলগ্ন স্থাপনা যোগ করা হয়। সংস্কার কার্যের অর্থায়ন করা হয় বাংলাদেশে ও বিদেশে অবস্থানরত শিখ ধর্মাবলম্বীদের দানের মাধ্যমে। ঢাকার আন্তর্জাতিক পাট সংস্থার তদানিন্তন প্রধান সর্দার হরবংশ সিং এর নির্মাণকার্য তদারক<br>করেন। ২০১১ সালে গুরুদুয়ারার মূল ভবনের পশ্চিমপাশে শিখ রিসার্চ সেন্টার, অফিস কক্ষ ও বিদেশি দর্শনার্থীদের জন্য অতিথিকক্ষ নিয়ে দ্বিতলবিশিষ্ট একটি ভবন নির্মিত হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের স্ত্রী গুরু শরণ কাউর এটি উদ্বোধন করেন।<br><br>একসময় গুরুদুয়ারা নানকশাহী (Gurdwara Nanak Shahi) এর বিপুল পরিমাণ ভূসম্পত্তি ছিল। আজকের মতো বিরাট ও জমকালো উপাসনালয় না থাকলেও তখন গুরুদুয়ারা নানকশাহীর আয়তন ছিল বিপুল। এর উত্তর দিকে ছিল একটি প্রবেশদ্বার। দক্ষিণদিকে ছিল কূপ ও সমাধিস্থল এবং পশ্চিমে ছিল একটি শান বাঁধানো পুকুর। মূল উপাসনালয় ছাড়াও ভক্তদের থাকার জন্য ছিল কয়েকটি কক্ষ। তবে সেসবের এখন আর অবশিষ্ট নেই। বর্তমান উপাসনালয়টি সীমিত জায়গার ওপর গড়ে উঠেছে এবং বারবার সংস্কারের ফলে বর্তমান রূপ পরিগ্রহ করেছে।<br><br>উঁচু প্রাচীরবেষ্টিত গুরুদুয়ারা নানকশাহীর বর্তমান প্রবেশপথটি রয়েছে দক্ষিণদিকে। উপাসনালয়টির সামনে রয়েছে চমৎকার সবুজ লন। এর বাম দিকে আছে শিখ রিসার্চ সেন্টার, ডানদিকে দোতলা দরবার হল। সামনে পতাকা টাঙানোর স্ট্যান্ড, বৈশিষ্ট্যময় এই উপাসনালয়টি শিখদের নিজস্ব স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত। উপাসনালয়টির ওপর পৃথিবী আকৃতির একটি কাঠামো নির্মিত। তার চারদিকে শিখ ধর্মীয় চিহ্ন খাণ্ডা শোভিত। উপাসনালয়ের শীর্ষে রয়েছে ছাত্রার। এটি শিখদের উপাসনালয়ের চিহ্ন। গুরুদুয়ারা নানকশাহীর ঠিক মাঝখানে রয়েছে একটি বড় কক্ষ। এই কক্ষের চারদিকে চারটি দরজা আছে। মাঝখানে কাঠের তৈরি বেদির ওপর রয়েছে শিখ ধর্মগ্রন্থ গ্রন্থসাহেব। এটাকে বলা হয় শ্রী দরবার সাহিব। বেদির সামনে নবম শিখগুরু তেগ বাহাদুর সিংয়ের ব্যবহূত একজোড়া খড়ম একটি কাচের বাক্সের মধ্যে যত্নসহকারে রাখা আছে। এ কক্ষের মেঝেতে লাল রঙের কার্পেট পাতা আছে। তাতে ভক্তরা বসে গ্রন্থসাহেব পাঠ শোনেন। কক্ষের চারদিকে বারান্দা আছে।<br><br>গুরুদুয়ারা নানকশাহীতে একেক সময় একেকজন গ্রন্থির (পুরোহিত) দায়িত্ব পালন করেন। ১৯১৫ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত শ্রীচন্দ্র জ্যোতি নামে এক শিখসাধু এই উপাসনালয়ের পুরোহিত ছিলেন। ১৯৪৭ সালের পর থেকে ষাট দশক পর্যন্ত উপাসনালয়টি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সংস্কার করে এর বর্তমান রূপ দেওয়া হয়। বর্তমানে ভাই পিয়ারা সিং প্রধান গ্রন্থির দায়িত্ব পালন করছেন।<br><br>গুরু নানকশাহীতে প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা দুবার গ্রন্থসাহেব পাঠ ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। তা ছাড়া প্রতি শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত সাপ্তাহিক জমায়েত ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। পুরোহিত গ্রন্থসাহেব পাঠ ও কীর্তন করেন। গুরুদুয়ারার এই কীর্তন ভক্তদের আকুল করে তোলে। সংগীতশিল্পী কিরনচন্দ্র রায় এই গুরুদুয়ারার অতিথিনিবাসে থেকে দীর্ঘদিন এখানে কীর্তন পরিবেশন করেন। কীর্তন ও প্রার্থনা শেষে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এখানে শুক্রবারে আগত অতিথিদের জন্য মধ্যাহ্নভোজেরও ব্যবস্থা আছে। গুরুদুয়ারায় আয়োজিত বার্ষিক অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে গুরু নানকের জন্মবার্ষিকী এবং পয়লা বৈশাখ। এ দুটি পর্ব এখানে অত্যন্ত ধুমধামের সঙ্গে পালন করা হয়।<br><br>গুরুদুয়ারায় কারও প্রবেশে বাধা নেই, জাতি-ধর্ম-নির্বিশেষে সব বয়সী নারী ও পুরুষ এখানে প্রবেশ, প্রার্থনায় অংশগ্রহণ এবং প্রসাদ পেতে পারেন। ঢাকায় বসবাসরত শিখ সম্প্রদায়ের লোকজন নিয়মিত এই গুরুদুয়ারায় আসেন। তা ছাড়া অন্যান্য সম্প্রদায়ের লোকজনকেও শুক্রবার এই উপাসনালয়ে আসতে দেখা যায়। স্থানীয় ভক্ত ও বিদেশি দাতাদের সাহায্যে প্রতিষ্ঠানটির ব্যয় নির্বাহ হয়।<br><br>প্রতি সপ্তাহেই ঢাকা ও ঢাকার বাইরে থেকে শিখ ধর্মের অনুসারীরা এখানে জমায়েত হয় এবং প্রার্থনা করে। দেশে শিখদের সবচেয়ে বড় জমায়েত হয় এখানেই।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>ঢাকার যে কোন জায়গা থেকে শাহবাগ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে প্রচুর বাস চলাচল করে। আপনি এসব বাসে চেপে চলে যেতে পারেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে। সেখান থেকে এই উপসনালয়টি ঘুরতে আসতে পারবেন।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80/">গুরুদুয়ারা নানকশাহী</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a7%80/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ষাইট্টা বটগাছ</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Oct 2020 07:04:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=933</guid>

					<description><![CDATA[<p>ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের একটা গ্রামের নাম ষাইট্টা। প্রায় ৫০০ বছর আগে এই গ্রামের দেবীদাস বংশের পূর্বপুরুষরা একটি পাকুড় গাছ ও একটি বটগাছ পাশাপাশি<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b/">ষাইট্টা বটগাছ</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের একটা গ্রামের নাম ষাইট্টা। প্রায় ৫০০ বছর আগে এই গ্রামের দেবীদাস বংশের পূর্বপুরুষরা একটি পাকুড় গাছ ও একটি বটগাছ পাশাপাশি রোপন করেন। গাছ দু’টি সময়ের সাথে বড় হতে থাকে। গাছ দু’টি নিয়ে অনেক মিথ প্রচলিত আছে। বলা হয় প্রচলিত ধারনা অনুযায়ী পাকুড় গাছটিকে পুরুষ এবং বট গাছটিকে নারী বিবেচনায় নিয়ে তাদের মধ্যে সনাতন ধর্মের রীতি মেনে বিয়ে দেয়া হয়। সেই থেকে গাছ দু’টি স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পরিচিত। আরও প্রচলিত আছে যে গাছের ডাল কোন কারণে কেউ কাটলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে পুজো দিয়ে মুক্তি পেতে হয়। তাই গাছের ডাল কেউ কাটে না। ফলে গাছ দু’টি ডাল পালা স্তম্ভমূল গজিয়ে প্রায় ৫ বিঘা জমি জুড়ে বিস্তৃতি লাভ করেছে।<br><br>স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বী লোকজন গাছ দু’টিকে দেবতা বলে মনে করেন। তারা একপাশে গাছের নীচেই ছায়ায় স্থাপন করেছেন মন্দির। মন্দিরের পাশে একটি চাপকলও আছে। গাছ দু’টির গোড়া এমনভাবে পরস্পরে সাথে মিশে গেছে যে এখন আর আলাদা করা যায় না। গাছের পাতা দেখে গাছ দু’টিকে সনাক্ত করতে হয়। যে পাতাগুলো সবুজ সেটি বট গাছের, আর যে পাতাগুলো রঙ্গিন হয়ে গজিয়ে পরে সবুজ হয় সেটা পাকুড় গাছের! আর স্থাপিত মন্দিরটি হলো কালি মন্দির।<br><br>প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে গাছের নীচে আয়োজন করা হয় নানা অনুষ্ঠানের। বিভিন্ন রকম ভৌতিক ঘটনার প্রচলন থাকায় রাতের বেলা গাছের নীচে সাধারণত কেউ নাকি যায় না! গাছের ডাল কাটার রীতি না থাকায় গাছের নীচ দিয়ে যে সরু রাস্তা গেছে সেটি প্রশস্ত করার প্রয়োজন পড়লে স্থানীয় চেয়ারম্যান রাস্তা একটু পাশ দিয়ে ঘুরিয়ে নিয়ে যান যাতে ডাল কাটা না লাগে।<br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে মানিকগঞ্জগামী বাসে উঠে নামতে হবে ঢুলিভিটা। ভাড়া ৬০ টাকা। এরপর অটোতে করে ধামরাই বাজার। ভাড়া ৫ টাকা। ওখান থেকে যাদবপুর, ষাইট্টা গ্রামের উদ্দেশে অটো রিজার্ভ করে নিতে হবে। দর কষাকষি করলে ২৫০-৩০০ টাকায় পেয়ে যাবেন। অথবা ঢাকার গাবতলী থেকে ‘জনসেবা’ ও ‘এস.বি. লিংক ‘ মিনিবাস আছে। জনসেবা/এস.বি লিংক বাসে করে ‘মহিষাশী বাজার’ নামতে হবে। জনসেবা বাসে ভাড়া জনপ্রতি ৪০ টাকা আর ৬০ টাকা এস.বি.লিংকে। বাজার থেকে কুশুরা পর্যন্ত সিএনজি ভাড়া ৫ টাকা। কুশুরা থেকে ষাইট্টা ভাড়া ১৫ টাকা। ওখানে নেমে কাউকে জিজ্ঞাসা করলেই দেখিয়ে দিবে।<br><br><strong>খরচ ভাড়া বাবদ : </strong><br>৪০*২=৮০/৬০*২=১২০ + ২০*২ =৪০ =১২০/১৬০ টাকা । এভাবে আনুমানিক ৩০০-৩৫০ টাকার মধ্যে ধামরাইয়ের ষাইট্টা বটগাছ ঘুরে আসতে পারবেন।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b/">ষাইট্টা বটগাছ</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%9b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নকশিপল্লী, পূর্বাচল</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%b2/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%b2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Oct 2020 07:24:48 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=936</guid>

					<description><![CDATA[<p>নকশিপল্লী রেস্তোরাঁ (Nokshi Polli) ঢাকার পূর্বাচলে অবস্থিত। যারা ঢাকার মধ্যেই যানজট থেকে দূরে গিয়ে একটু শান্তির আভাস পেতে চান তাদের জন্য একটা ভাল জায়গা হতে পারে<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%b2/">নকশিপল্লী, পূর্বাচল</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>নকশিপল্লী রেস্তোরাঁ (Nokshi Polli) ঢাকার পূর্বাচলে অবস্থিত। যারা ঢাকার মধ্যেই যানজট থেকে দূরে গিয়ে একটু শান্তির আভাস পেতে চান তাদের জন্য একটা ভাল জায়গা হতে পারে পূর্বাচলের বালু ব্রিজের পাশের এই সুন্দর এলাকা। এখানে মোটামুটি অনেক খাওয়ার হোটেল, রেস্তোরা আছে কিন্তু একটু ভিন্ন ধাচের একটা রেস্তোরা হল নকশিপল্লী। আপনি এখানে নদীর পাশে বসে কিছুটা সুন্দর সময় কাটাতে পারেন, ইচ্ছে করলে বোটে ঘুরতে পারেন, এমনকি ঘোড়ার গাড়িতে চড়তে পারবেন। আর আশে পাশে হাটার অনেক জায়গা <br>আছে। চারপাশের কাশফুলগুলো যখন এক দল বেধে উড়ে আসবে তখন পরিবেশ হবে আরো মনোমুগ্ধকর।<br><br><strong>নকশিপল্লী কোথায় অবস্থিত </strong><br>ঢাকার পূর্বাচল, সেক্টর -০১, রোড-৪০২, প্লট-০৬, গুদারা ঘাট,পূর্বাচল বালু নদীর পাশে।<br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>ঢাকার যেকোনো জায়গা থেকে আগে আপনাকে ৩০০ ফুটে যেতে হবে। ৩০০ ফুট থেকে পূর্বাচল যাওয়ার পথে ২টা ব্রিজ পড়বে। প্রথমে পড়বে বোয়ালিয়া ব্রিজ তারপরে পড়বে বালু ব্রিজ। বালু ব্রিজ পার হয় ডানে মোড় নিতে হবে, ওখানে দেখবেন লেখা আছে ভোলানাথপুর কবরস্থান। ৩০০ ফুটে গিয়ে ওখান থেকে অটোতে আপনাকে যেতে হবে বালু ব্রিজ। প্রতিজনের অটো ভাড়া পড়বে ৩০ টাকা। অটো থেকে নেমে ভিতরে কিছুদূর হাটলেই পেয়ে যাবেন নকশিপল্লী।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%b2/">নকশিপল্লী, পূর্বাচল</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাওথার, উত্তরখান</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 21 Oct 2020 07:30:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=939</guid>

					<description><![CDATA[<p>ঢাকা শহরের যান্ত্রিক জীবন যাপনে যখন হাঁপিয়ে উঠে মন-প্রাণ, তখনই মন খোঁজে একটু নির্মল বাতাস, খোলা আকাশ, শান্ত একটি পরিবেশ। আর এই শান্তির খোঁজ বর্তমানে জনপ্রিয়<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8/">বাওথার, উত্তরখান</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ঢাকা শহরের যান্ত্রিক জীবন যাপনে যখন হাঁপিয়ে উঠে মন-প্রাণ, তখনই মন খোঁজে একটু নির্মল বাতাস, খোলা আকাশ, শান্ত একটি পরিবেশ। আর এই শান্তির খোঁজ বর্তমানে জনপ্রিয় করে তুলেছে ঢাকার উত্তরখান এর বাওথারকে। শহরেই যেন গ্রামের প্রশান্তি নেমে এসেছে এখানে। নদীতে সাঁতার কাটা, নৌকায় চড়া, আশেপাশে ঘুরে বেড়ানোর জন্য চমৎকার একটি জায়গা। সাঁতারের জন্য বেশ ভাল জায়গা। পরিষ্কার নিটোল পানি। তবে খুব আহামরি কিছু নয় এটি কারন এটি এখনও কোনো ট্যুরিস্ট স্পট হিসেবে গড়ে ওঠে নি। এখানে নৌকা সবসময় নাও পেতে পারেন।<br><br>তবে ভাঙ্গা রাস্তাটি খুব ভোগাবে। তাই এত কষ্ট করে যেয়ে সাদামাটা কিছু পেলে বিফল মনে হতে পারে। তবে আশেপাশে যাদের ঘুরে বেড়ানোর জন্য, একটু শান্তিতে নিঃশ্বাস নেওয়ার জায়গা নেই তাদের অবশ্যই ভালো লাগবে।<br><br>বাওথার (Baothar, Uttar Khan) এ খাবারের দোকানও তেমন গড়ে উঠে নি।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>বাওথার যেতে হলে প্রথমেই আপনাকে যেতে হবে উত্তরার এয়ারপোর্ট মোড়। এখান থেকে হাজী ক্যাম্প হাঁটা দূরত্ব। হাজী ক্যাম্প থেকে কাঁচকুড়া বাজার পর্যন্ত অটো নিন, ভাড়া ২০ টাকা। কাঁচকুড়া বাজার থেকে আবার অটো নিন বাওথার এর উদ্দেশ্যে। ভাড়া ৫ টাকা। এছাড়া আরেকটি রাস্তা আছে যা অপেক্ষাকৃত ভালো হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেটি হলো আব্দুল্লাহপুর আটিপাড়া তেরোমুখ রোড।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8/">বাওথার, উত্তরখান</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
