<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Bangladesh Tour Archives - SIC Group</title>
	<atom:link href="https://sicgroup.ae/category/bangladesh-tour/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sicgroup.ae/category/bangladesh-tour/</link>
	<description>Business of Excellence</description>
	<lastBuildDate>Sun, 11 Jun 2023 07:03:10 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.3</generator>

<image>
	<url>https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2023/11/cropped-SIC-32x32.png</url>
	<title>Bangladesh Tour Archives - SIC Group</title>
	<link>https://sicgroup.ae/category/bangladesh-tour/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ময়মনসিংহ কিভাবে যাবো &#8211; দর্শনীয় স্থান &#8211; কোথায় রাত্রিযাপন &#8211; কোথায় খাবেন</title>
		<link>https://sicgroup.ae/mymensingh/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/mymensingh/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Oct 2022 05:06:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bangladesh Tour]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sictourbd.com/?p=1951</guid>

					<description><![CDATA[<p>প্রায় দুই শত বছরের ঐতিহ্য ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার মন্ডা খেতে চাইলে ,আপনাকে ময়মনসিংহ জেলায় স্বাগতম। পরিচিতিঃ ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, জামালপুর, শেরপুর নামের ৪টি জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত।<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/mymensingh/">ময়মনসিংহ কিভাবে যাবো &#8211; দর্শনীয় স্থান &#8211; কোথায় রাত্রিযাপন &#8211; কোথায় খাবেন</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<script async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-3113646422484364"
     crossorigin="anonymous"></script>



<h6 class="wp-block-heading has-text-align-center" id="h-প-র-য়-দ-ই-শত-বছর-র-ঐত-হ-য-ময়মনস-হ-র-ম-ক-ত-গ-ছ-র-মন-ড-খ-ত-চ-ইল-আপন-ক-ময়মনস-হ-জ-ল-য়-স-ব-গতম">প্রায় দুই শত বছরের ঐতিহ্য ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার মন্ডা খেতে চাইলে ,আপনাকে ময়মনসিংহ জেলায় স্বাগতম।</h6>



<h4 class="wp-block-heading">পরিচিতিঃ</h4>



<p>ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, জামালপুর, শেরপুর নামের ৪টি জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত। ময়মনসিংহ বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ।ঢাকা বিভাগের জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠন করা হয়। ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা বিভাগ প্রতিষ্ঠা হয়। তখন থেকে ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্তমান ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাগুলাে ঢাকা বিভাগের অংশ ছিল। ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে ময়মনসিংহ জেলা গঠন করা হয়। পরে, এটাকে ময়মনসিংহ, কিশোেরগঞ্জ, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল ,জামালপুর ও শেরপুর নামের ছয়টি জেলায় ভাগ করা হয়। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের ১১জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠনের ঘােষণা দেন। বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্ভুক্ত ময়মনসিংহ, কিশােরগঞ্জ, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, জামালপুর ও শেরপুর-এই ৬টি জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠনের পরিকল্পনা করা হয়। তবে টাঙ্গাইল ও কিশােরগঞ্জবাসী, ময়মনসিংহ বিভাগের অন্তর্ভুক্ত হতে অনীহা ও বিরােধিতা করে এবং ঢাকা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত থাকার ইচ্ছাপােষণ করে। ফলে টাঙ্গাইল ও কিশােরগঞ্জকে ময়মনসিংহ বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করা হতে বাদ দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ৪টি জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত হয়।</p>



<h4 class="wp-block-heading">এক নজরে ময়মনসিংহ:</h4>



<p>এ জেলার উত্তরে ভারতের মেঘালয়, দক্ষিণে গাজীপুর; পূর্বে নেত্রকোণা ও কিশােরগঞ্জ এবং পশ্চিমে টাঙ্গাইল, জামালপুর ও শেরপুর জেলা অবস্থিত। ময়মনসিংহ জেলার আয়তন ১,৬৮৪.৩৮ বর্গমাইল অর্থাৎ ৪,৩৬৩.৪৮ বর্গ কিলােমিটার। বাংলাদেশের পুরাে আয়তনের তুলনায় ময়মনসিংহ জেলার আয়তন ২.৯৫ ভাগ। আয়তনের দিক হতে এটি বাংলাদেশের পঞ্চম বৃহত্তম জেলা। ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দের ১ মে ময়মনসিংহ জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দের ১ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলাকে বিভক্ত করে টাঙ্গাইল জেলা গঠন করা হয়। ময়মনসিংহ সদর, ভালুকা, ধােবাউড়া, ফুলবাড়িয়া, গফরগাঁও, গৌরীপুর,হালুয়াঘাট, ইশ্বরগঞ্জ, মুক্তাগাছা, নান্দাইল, ত্রিশাল এবং ফুলপুর নামক ১২টি উপজেলা নিয়ে ময়মনসিংহ জেলা গঠিত।</p>



<iframe width="100%" height="415" src="https://www.youtube.com/embed/n0PhIOxaKkE" title="YouTube video player" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen></iframe>



<h4 class="wp-block-heading">যেভাবে যাবেনঃ</h4>



<p>ঢাকা থেকে ময়মনসিং যাওয়ার জন্য স্থল পথে বাসের ব্যবস্থা রয়েছে । বাসের মধ্যে এসি/নন এসি উভয় ধরনের বাসের ব্যবস্থা আসে।<br>এনা ট্রান্সপোর্ট: নন এসি &#8211; <strong>ভাড়া</strong> ২২০ টাকা (<a href="http://sictourbd.com/ena-bus/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">যোগাযোগ</a>)</p>



<p>আপনি যদি ঢাকা থেকে ময়মনসিং ট্রেনে যেতে চান তাহলে নিচের ট্রেনের সময়সূচী দেখে রেল স্টেশন থেকে টিকিট কেটে ভ্রমন করতে পারেনঃ</p>


<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-full"><img fetchpriority="high" decoding="async" width="724" height="263" src="https://sictourbd.com/wp-content/uploads/2022/10/mymensingh-train-time.jpg" alt="" class="wp-image-1974" srcset="https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/mymensingh-train-time.jpg 724w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/mymensingh-train-time-300x109.jpg 300w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/mymensingh-train-time-260x94.jpg 260w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/mymensingh-train-time-50x18.jpg 50w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/mymensingh-train-time-150x54.jpg 150w" sizes="(max-width: 724px) 100vw, 724px" /><figcaption class="wp-element-caption">ট্রেনের টিকিটের ভাড়ার জন্য নিচের চার্ট দেখতে পারেনঃ</figcaption></figure></div>

<div class="wp-block-image">
<figure class="aligncenter size-full"><img decoding="async" width="305" height="282" src="https://sictourbd.com/wp-content/uploads/2022/10/mymensingh-train-ticket-price.jpg" alt="" class="wp-image-1975" srcset="https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/mymensingh-train-ticket-price.jpg 305w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/mymensingh-train-ticket-price-300x277.jpg 300w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/mymensingh-train-ticket-price-158x146.jpg 158w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/mymensingh-train-ticket-price-50x46.jpg 50w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/mymensingh-train-ticket-price-81x75.jpg 81w" sizes="(max-width: 305px) 100vw, 305px" /></figure></div>


<h3 class="wp-block-heading">রাত্রিযাপনঃ</h3>



<p><em>ময়মনসিংহে রাত্রিযাপনের জন্যে রয়েছে অসংখ্য আবাসিক হোটেল/ডাক বাংলো /গেষ্ট হাউজ:-</em></p>



<ul class="wp-block-list">
<li>হোটেল আমির ইন্টারন্যাশনাল&gt; ৪৬/এ ষ্টেশন রোড়, ময়মনসিংহ। ফোনঃ(০৯১৫১৫০০,০৯১৬৩৩৭৬),</li>



<li>হোটেল হেরা, ৩৬বি টাঙ্কপট্টি, ময়মনসিংহ। ফোনঃ(০১৭১১১৬৭৮৮০),</li>



<li>রিভার প্যালেস, ৩৩৮, তালতলা, ডোলাদিয়া, খাগডহর, ময়মনসিংহ। ফোনঃ(০৯১৬৬১৫১,০৯১৬৬১৫০),</li>



<li>হোটেল সিলভার ক্যাসেল, ৩৩৭/২, ডোলাদিয়া সদর, ময়মনসিংহ। ফোনঃ(০১৭৪১-১৮৮০০৭),</li>



<li>হোটেল মোস্তাফিজ ইন্টারন্যাশনাল, গঙ্গাদাস গুহরোড, ময়মনসিংহ। ফোনঃ(০৯১-৬৩৮৭০),</li>



<li>নিরালা রেষ্ট হাউজ, ৬৭ ছোট বাজার, ময়মনসিংহ। ফোনঃ(০৯১-৫৪২৮৫),</li>



<li>হোটেল হিলটন আবাসিক, ৩১৯, চরপাড়া, ময়মনসিংহ। ফোনঃ(০১৭১০৩৬৮৫০৯),</li>



<li>নিদমহল রেষ্ট হাউজ, ৮ দুর্গাবাড়ী রোড, ময়মনসিংহ। ফোনঃ(০১৭৩৫২১৪৪৭০)</li>
</ul>



<h3 class="wp-block-heading">যেখানে খাবেনঃ</h3>



<p><em>ময়মনসিংহের বিখ্যাত খাবারের মধ্যে রয়েছে —মন্ডা, প্রেসক্লাবের মোরগ পোলাও,ময়মনসিংহ শহরের মুখুল ভাইয়ের চা,সিঙ্গারা,পুরি ।</em></p>



<p>এছাড়া বিভিন্ন ধরনের হোটেল / রেষ্টুরেন্ট রয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রেষ্টুরেন্ট হলোঃ</p>



<ul class="wp-block-list">
<li>ধানসিঁডিঁ রেষ্টুরেন্ট, হারুন টাওয়ার, প্রেসক্লাব, ময়মনসিংহ (০১৭৪৫৯৯৬০৯২),</li>



<li>সারিন্দা রেষ্টুরেন্ট, ১১ ck রোড, ময়মনসিংহ (০১৭১২-১২১৪৩৪),</li>



<li>দারুচিনি রেষ্টুরেন্ট, ১১ রাম বাবু রোড, ময়মনসিংহ (০১৭৫৬-৭৫৭০২৭),</li>



<li>অবন্তি রেষ্টুরেন্ট, ২৯ রাম বাবু রোড, ময়মনসিংহ (০১৭৫৫-৫৫৯৯৩৩) ইত্যাদি।<br></li>
</ul>



<h4 class="wp-block-heading">কোথায় গাড়ি পাব? কাউন্টার কোথায়? গাড়ি না পেলে কী করবো? রাতে কী গাড়ি পাব? থাকার জায়গা পাব? রেষ্টুরেন্ট খোলা থাকবে?</h4>



<ul class="wp-block-list">
<li>ময়মনসিংহের যে প্রান্তে আসবেন না কেন, কিংবা যেখানে থাকেন না কেন? আপনি খুব সহজেই আপনার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন। সব স্টেশনে আপনি কাউন্টার পাবেন। প্রতিটা ষ্টেশনে বিভিন্ন বাস কাউন্টার রয়েছে। তাদের সাথে যোগাযোগ করলে আপনার গন্তব্যের ঠিকানা খুঁজে নিতে পারবেন।</li>



<li>আপনার কাউন্টার খুঁজে পেতে আমাদের নিচের বাস কাউন্টার নাম্বার সংগ্রহ করে যোগাযোগ করলে আপনাকে নির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে দিবে।</li>



<li>বাস স্ট্যান্ড ২৪ ঘণ্টা যাতায়াত ব্যবস্থা খোলা থাকে। আপনি নিচের দিকে স্ক্রল করলে বাসের ঠিকানা পেয়ে যাবেন।</li>



<li>প্রতিটা স্টেশনে, অলি-গলিতে আপনার থাকার ব্যবস্থার য়েছে। উপরে লিংকে প্রবেশ করে রুম বুক করতে পারেন।</li>
</ul>



<h3 class="wp-block-heading">ময়মনসিংহের দর্শনীয় স্থান সমূহঃ</h3>



<p>ময়মনসিংহ নামে পরিচিত এলাকাটির পূর্ব নাম ছিল নাসিরাবাদ। পঞ্চদশ শতকে সুলতান হােসেন শাহ এলাকাটি দখল করে তার পুত্র নাসিরউদ্দিন নসরত শাহকে শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন। হােসেন শাহের পুত্র নাসিরউদ্দিন নসরত শাহ এলাকাটিকে নাসিরাবাদ নামকরণ করে শাসন কার্য শুকু করেন। সে হতে এলাকাটির পূর্ব নাম বিলুপ্ত হয়ে নাসিরাবাদ নাম ধারণ করে । নুসরাত শাহের পরে মােমেন শাহ নামক তৃতীয় একজন ওমরাহ নাসিরাবাদ এলাকার শাসনকর্তা নিযুক্ত হন। তার শাসনামলে নাসিরাবাদ নামটি বিলুপ্ত হয় এবং শাসনকর্তার নামানুসারে এলাকাটির নাম হয় মােমেনশাহী। বর্তমানে প্রচলিত ময়মনসিংহ হচ্ছে মােমেন শাহ-এর নামানুসারে নামায়িত মোমেনশাহীর পরিবর্তিত রূপ।</p>



<p>হাওড়-জঙ্গল মােষের শিং, এই তিনে ময়মনসিংহ বলে একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে। এক সময় এখানে প্রচুর মােষ ছিল। তাই অনেকে মনে করেন মােষের শিং হতে এলাকার নাম হয়েছে ময়মনসিংহ। তবে এ প্রবাদটি কেউ সত্য বলে মনে করেন না।</p>



<p></p>



<h4 class="wp-block-heading">বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়</h4>



<p>ময়মনসিংহ শহরে ১৯৬১ সালে এই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রাকৃতিক নৈসাগিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রায় ১২০০ একর জায়গা নিয়ে গড়ে উঠেছে। ২০১৭ সালে ওয়েব মেটিক্স র‌্যাঙ্কি অনুসারে এটি বাংলাদেশের এক নম্বর বিশ্ববিদ্যালয় হয়।গবেষণায় বিভিন্ন সাফল্যর মাধ্যমে এ বিশ্ববিদ্যালয় কৃষি সেক্টরে গুরুত্বপূর্ণ রাখে। এ বিশ্ববিদ্যালয় উলেখযোগ্য সংখ্যক শস্য জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে । যেমনঃ বাউ ৬৩,বাউকুল,উফশী ধান ইত্যাদি জাত উদ্ভাবন করেন। শিক্ষার্থীদের জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে ১৩ টি আবাসিক হল তার মধ্যে মেয়েদের জন্য রয়েছে ৪টি আবাসিক হল। এটি একটি সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়।<br><strong>কিভাবে যাবেনঃ</strong> টেক্সি, রিক্সা, বাস কিংবা অটোতে করে ময়মনসিংহ শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে&nbsp;যেতে পারবেন। এটি ময়মনসিংহ শহর থেকে ৪ কিলোমিটার দক্ষিণে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের&nbsp;পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত।</p>



<h4 class="wp-block-heading">গৌরীপুর রাজবাড়ি</h4>



<p>প্রায় ১৭০০ শতাব্দীর দিকে এই জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে ধারনা করা হয়। গৌরীপুর জমিদার বাড়ি শুনতে একটা বাড়ি মনে হলেও এখানে পাশাপাশি দুই জমিদারের জমিদারী ছিল। দুই জমিদারের দুইটি আলাদা আলাদা বাড়ি ছিল। স্থানীয় লোকজন একটিকে আনন্দ কিশোরের ও অন্যটিকে সুরেন্দ্র প্রসাদ লাহড়ীর জমিদার বাড়ি হিসেবে বলে থাকে। এই রাজবাড়ীগুলো ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলাতে অবস্থান হওয়ায় গৌরীপুর রাজবাড়ী নামে অধিক পরিচিত।<br>বর্তমানে জমিদার আনন্দ কিশোরের বাড়িটি ও জমিদার সুরেন্দ্র প্রসাদ লাহড়ীর বাড়িটি যথাক্রমে গৌরীপুর মহিলা কলেজে এবং গৌরীপুর সরকারী কলেজ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বহু বরেণ্য ব্যক্তি এই প্রাসাদে অবস্থান করেছেন। ময়মনসিংহ সফরকালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুুর ১৯২৬ সালে আলেকজান্ডার ক্যাসেলে চার দিন অবস্থান করেছিলেন। এছাড়াও এখানে লর্ড কাজন, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু,কামাল পাশা, নবাব স্যার সলিমুল্ল্হ প্রমুখ ব্যাক্তিগণ পদার্পণ করেছিলেন।<br><strong>কিভাবে যাবেনঃ</strong> ময়মনসিংহ সদর উপজেলা থেকে সহজে বাস ‍বা রিক্সা করে ‍গৌরীপুর রাজবাড়ি যেতে পাররেন।<br></p>



<h4 class="wp-block-heading">আলেকজান্ডা ক্যাসেল</h4>



<p>ময়মনসিংহ জেলা ১৭৮৭ ‍খ্রিষ্টাব্দে স্থাপিত হয়। ময়মনসিংহ জেলা প্রতিষ্ঠা শতবাষিকী উৎযাপন উপলক্ষে মহারাজা সুকান্ত সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী ১৮৮৯ ‍থ্রিষ্টাব্দে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা ব্যয় করে এই প্রাসাদটি নির্মাণ করেন। ময়মনসিংহ শহরের প্রাচীন স্থাপনার মধ্যে এটি অন্যতম। এটি নিমার্ণে লোহার ব্যবহারের কারণে জনসাধারণের কাছে “ লোহার কুটি ” নামে পরিচিত ছিল।<br><strong>কিভাবে যাবেনঃ</strong> ময়মনসিংহ শহরের যে কোন স্থান হতে রিক্সা বা অটোরিক্সা নিয়ে আলেকজান্ডার ক্যাসেল যাওয়া যায়।</p>



<h4 class="wp-block-heading">আনন্দমােহন কলেজ</h4>



<p>বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কলেজগুলোর একটি । এই কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন শ্রেষ্ঠ বাঙালি শিক্ষাবিদ , রাজনীতিবিদ সমাজসংস্কারক আনন্দমোহন বসু। তিনি ময়মনসিংহ শহরের তার পৈত্রিক বাড়িতে ১ জানুয়ারী ১৮৮৩ সালে “ময়মনসিংহ ইনস্টিটিউশন” প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৮০ সালে এই ইনস্টিটিউশন শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেন “ময়মনসিংহ সিটি কলেজিয়েট কলেজ” নামে। এই কলেজটি “কলকাতা সিটি কলেজ” কাউন্সিলের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত হত। আনন্দমোহন বসুর মৃত্যুর পর কলকাতা সিটি কলেজের অর্থ সহায়তা দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। যখন অর্থ সংকটে কলেজ বন্ধ হওয়ার উপক্রম তখন আনন্দমোহন বসুর বন্ধু মৌলভী হামিদ উদ্দিন আহমদ ২৬ বিঘা জমি দান করেন। পরে ১৯০৮ সালের শেষের দিকে “ময়মনসিংহ সিটি কলেজ” থেকে নাম পরিবর্তন করে “ আনন্দমোহন কলেজ” করা হয়। কলেজটি ১৯৬৪ সালে সরকারিকরণ করা হয়।<br><strong>কিভাবে যাবেনঃ</strong> ময়মনসিংহ শহরের যে কোন স্থান হতে রিক্সা বা অটোরিক্সা নিয়ে আনন্দমোহন কলেজ&nbsp;যাওয়া যায়।</p>



<h4 class="wp-block-heading">বােকাইনগর দূৰ্গ</h4>



<p>বোকাইনগর প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে তেমন কোন ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায় না কিন্তু জনসাধারণের মধ্যে এই নিয়ে মতবাদ রয়েছে। একপক্ষের মতে, পনেরো শতকে কামরূপ রাজ্য যখন বিভিন্ন অংশে ভাগ হয়ে যাচ্ছিল তখন বোকাই নামের একজন কোচ উপজাতি – প্রধান এ দুর্গটি নিমার্ণ করেন। বোকাই মারা যাওয়ার তার নামেই দুর্গটির নামকরণ করেন। অন্যপক্ষের মতে, মজলিস খান হুমায়ুন দুর্গটি নিমার্ণ করেন। ১৯৪৫ সালে দুর্গটি হোসেন শাহ এর নিয়ন্ত্রনে আসে এবং তিনি তার পুত্র নুসরত শাহকে এর অধিকর্তা নিয়োগ করেন। পরবর্তী সময়ে উসমান খান আফগান মুগলদের কাছে পরাজিত হয়ে উড়িষ্যা থেকে পালিয়ে ঈশা খান এর আশ্রয় গ্রহণ করেন এবং বোকাইনগরের সামন্তরাজা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। তিনি নগরের বিভিন্ন দুর্গ পুনঃনির্মাণ করে এটিকে শক্তিশালী সামরিক ঘাঁটি হিসেবে গড়ে তোলেন এবং এখান থেকে মোঘলদের বিরুদ্বে কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তোলতে সক্ষম হন।<br><strong>কিভাবে যাবেনঃ</strong> ময়মনসিংহ সদর হয়ে ময়মনসিংহ – কিশোরগঞ্জ মহাসড়ক পথে কলতা পাড়া হয়ে (প্রায় ২০ কি.মি) দূরে গৌরিপুর উপজেলায় যাবেন।গৌরিপুরের ভিতরে রেল ‍স্টেশন সংলগ্ন এ নগর।</p>



<h4 class="wp-block-heading">মহারাজ শশীকান্তের বাড়ি</h4>



<p>মুক্তাগাছার জমিদার মহারাজা সূর্যকান্তের বসতবাড়ি শশীলজ। নিজের কোনো পুত্র না থাকায় দত্তক পুত্র শশীকান্ত আচার্য চৌধুরীর নামে উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি তিনি দ্বিতল বিশিষ্ট বাড়ি নিমার্ণ করেন। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে দ্বিতল ভবনটি ভেঙ্গে গেলে বর্তমান বাড়িটি পুনঃনিমার্ণ করা হয়। এই ভবনের সিঁড়িতে বিশেষ বাদ্যের ব্যবস্থা ছিল। সিঁড়িতে মানুষ চলাচল করলে সুমধুর বাজনা বাজত। স্ফটিক সাঙ্গিত বাক্সটি মহারাজা প্যারিস থেকে এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে কিনি এনেছিলেন। শশীলজ ধ্বংস হওয়ার পর মহারাজা তার এলাকায় দ্বিতল পাকা বাড়ী নিষিদ্ধ করেন। বর্তমানে বাড়ীটিতে অসংখ্য দুর্লভ প্রাচীন বৃক্ষ রয়েছে।<br><strong>কিভাবে যাবেনঃ</strong> ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল আন্তজেলা সড়কের পাশে জেলা পরিষদের সাথেই এই বাড়িটির অবস্থিত। ময়মনসিংহ সদর থেকে ‍রিক্সা বা অটোরিক্সা করে যাওয়া যায়।</p>



<h4 class="wp-block-heading">টাউন হল</h4>



<p>১৮৮৪ খিষ্টাব্দে ময়মনসিংহের বিভিন্ন জমিদারদের আর্থিক সহায়তায় ময়মনসিংহ টাউন হল স্থাপিত হয়। এই টাউন হলকে কেন্দ্র করেই ময়মনসিংহে সাংস্কাতিক কর্মকান্ডের প্রসার হয়। এ টাউন হল প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল মহারাজা সূর্যকামেত্মর। তিনি প্রায় ৩০০০০ টাকা ব্যয়ে লাইব্রেরি সহ এটি নিমার্ণ করেন। বহুবছর পর ১৯৭৪ খিষ্ঠাব্দে নতুনভাবে ঢেলে সাজানো হয় ফলে ময়মনসিংহের নাট্যচর্চা,সামাজিক কর্মকান্ড আরো বেশি বিস্তার লাভ করে । এছাড়াও এই টাউন হল অনেক রাজনৈতিক উন্থান ‍-পতনের সাক্ষী। কারণ একসময় এখানে অনেক মিছিল মিটিং ও সভা হত।<br><strong>কিভাবে যাবেনঃ</strong> ময়মনসিংহের মাসকান্দা বাস টার্মিনাল হতের অটোরিক্সা বা ট্যাক্সি যোগে যাওয়া যায়।</p>



<h3 class="wp-block-heading">অন্যান্য দর্শনীয় স্থান সমূহ</h3>



<ul class="wp-block-list">
<li>মনীলজ,</li>



<li>মুক্তাগাছার রাজবাড়ি,</li>



<li>কেল্লাপুর,</li>



<li>রাজেশ্বরী,</li>



<li>বীবাঙ্গনা সখিনার সমাধি,</li>



<li>আটানি জমিদার বাড়ির শিব ও মুক্তাগাছার গােয়াল মন্দির,</li>



<li>বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি বিজড়িত ত্রিশাল,</li>



<li>দরিরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়, ভালুকা ও হালুয়াঘাট এবং ময়মনসিংহ জেলা শহর ইত্যাদি এ জেলার দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থান।</li>
</ul>



<h3 class="wp-block-heading">বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ</h3>



<h4 class="wp-block-heading">আনন্দ মােহন বসু</h4>



<p>ময়মনসিংহ জেলার জয়সিদ্ধি গ্রামে ২৩ শে সেপ্টেম্বর ১৮৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে বাঙালি রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক ছিলেন। বিজ্ঞানী জগদিশচন্দ্র বসুর বোনজামাই হলেন আনন্দ মোহন বসু। আনন্দ মোহন বসু ১৮৮৪,১৮৯০,১৮৯৫ সালে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ময়মনসিংহ শহরে ময়মনসিংহ ইনস্টিটিউশন (আনন্দমোহন কলেজ , বাংলাদেশ) এবং কলকাতায় সিটি স্কুল (আনন্দমোহন কলেজ, কলকাতা)নামে বিদ্যালয় স্থাপন করেন। তিনি ২০ আগষ্ট ১৯০৬ সালে কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।</p>



<h4 class="wp-block-heading">আবুল কালাম শামসুদ্দিন</h4>



<p>তিনি একাধারে একজন সাংবাদিক,রাজনীতিবিদ,সাহিত্যিক ছিলেন। তিনি ময়মনসিংহের ত্রিশালের ধানিখোলা গ্রামে ৩ নভেম্বর ১৮৯৭ ‍সালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯২৩ সালে দৈনিক মোহাম্মদী পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক হিসেবে তার সাংবাদিকতা কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৩৬ সালে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় যোগদান করেন। ১৯৪০-৬২ সাল পর্যন্ত দৈনিক আজাদে সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। “পূর্ব পাকিস্তান রেনেসাঁ সোসাইটির (১৯৪০)” তিনি সভাপতি ছিলেন। ভাষা আন্দোলনের সময় বাংলা ভাষার দাবি সংক্রান্ত সম্পাদকীয় প্রকাশ করে তিনি ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেন। ২৩ ফেব্রুয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে প্রথম যে শহীদ মিনার নির্মিত হয়েছিলেন তা আবুল কালাম শামসুদ্দিন উদ্বোধন করেন। সিতারা-ই খিদমত,সিতারা-ই-ইমতিয়াজ, একুশে পদক সহ অসংখ্য পুরুষ্কার লাভ করেন। তিনি ৪ মার্চ ১৯৭৮ সালে মৃত্যু বরণ করেন।</p>



<h4 class="wp-block-heading">কবি চন্দ্রাবতী</h4>



<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথন বাঙালী মহিলা কবি। তিনি আনুমানিক ১৫৫০ সালে ময়মনসিংহের পাতুয়ারী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলা ভাষায় রামায়ণ রচনা করেছিলেন। ড.দীনেশচন্দ্র সেন ১৯৩২ সালে চন্দ্রাবতীর রামায়ণ রচনা করেছে। দীনেশচন্দ্রের মতে, মাইকেল মধুসূদন দত্ত তার মেঘনাদবধ কাব্যের সীতা-সরমার কথোপকথনের অংশটি ‘চন্দ্রাবতীর রামায়ণ’ থেকে গ্রহণ করেছিলেন। চন্দ্রাবতী আনুমানিক ১৬০০ সালে মৃত্যুবরণ করেন।</p>



<h4 class="wp-block-heading">ভাষা শহিদ আবদুল জব্বার</h4>



<p>আবদুল জব্বার ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাঁচুয়া গ্রামে ১৯১৯ সালের ১০ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। আবদুল জব্বার পনেরো বছর বয়সেই গৃহত্যাগ করেন। এবং কাজের তিনি বার্মা (মায়ানমার) গমন করেন । দশ-বার বছর সেখানে অবস্থানের পর তিনি পাকিস্তান ন্যাশনাল গার্ড এ যোগ দেন। পরে আনসার বাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৫২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারী তার অসুস্থ শাশুড়িকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল আসেন। ৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারী ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ছাত্ররা মিছিল বের করে তাতে আবদুল জব্বার যোগ দেন । এ সময় আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশ গুলি বর্ষণ করে এবং জব্বার গুলিবিদ্ধ হন।রাতে ঢাকা মেডিকেলে জব্বার মৃত্যুবরণ করেন।ভাষা শহীদ হিসেবে আবদুল জব্বার আমাদের মাঝে অমর হয়ে আছে।</p>



<h4 class="wp-block-heading">আবুল মনসুর আহমদ</h4>



<p>তিনি ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার ধানিখোলা গ্রামে ১৮৯৮ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একাধারে রাজনীতিবিদ, আইনজ্ঞ ও সাংবাদিক এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্রূপাত্মক রচয়িতা। “আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর” তার বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক রচনা।আবুল মনসুর আহমদ নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর কংগ্রেস আন্দোলনের সাথে যুক্ত ‍ছিলেন । পরে তিনি মুসলিম লীগের সাথে যুক্ত হন। তিনি যুক্তফন্ট নির্বাচনী কর্মসূচি ২১ দফার অন্যতম প্রণেতা ছিলেন। ১৯৫৪ সালে তিনি ফজলুল হকের মন্ত্রীসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন। ১৯৫৬ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের শিক্ষামন্ত্রী এবং ১ ৯৫৬-৫৭ সালে বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৩-১৯৫৮ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।&nbsp;১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তবাদী দল থেকে নির্বাচন করে ময়মনসিংহ-৭(ত্রিশাল) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৮মার্চ ১৯৭৯ সালে ঢাকায় মৃত্যু্বরণ করেন।</p>



<h4 class="wp-block-heading">উপেন্দ্রকিশাের রায় চৌধুরী</h4>



<p>১২ মে ১৮৬৩ সালের ময়মনসিংহ জেলার বর্তমন কিশোরগঞ্জ জেলার কাটিয়াদি উপজেলার মসূয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক নাম ছিল কামদারঞ্জন রায়। উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী বিখ্যাত বাঙালি শিশুসাহিত্যিক,বাংলা ছাপাখানার অগ্রপথিক। তিনি একাধারে লেখক,প্রকাশক,চিত্রাকর,বেহেলাবাদক ও সুরকার ছিলেন।সন্দেশ পত্রিকার যাত্রা তার মাধ্যমে শুরু হয় যা পরে পুত্র সুকুমার রায় ও পৌত্র সত্যজিৎ রায় সম্পাদনা করেন। গুপি-গাইন-বাঘা-বাইন,-টুনটুুনির বই তার অমর সৃষ্টি। তিনি ২০ ডিসেম্বর ১৯১৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন</p>



<h4 class="wp-block-heading">সুকুমার রায়</h4>



<p>সুকুমার রায় ৩০ অক্টোবর ১৮৮৭ সালে ময়মনসিংহ জেলার বর্তমন কিশোরগঞ্জ জেলার কাটিয়াদি উপজেলার মসূয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।সুকুমার রায় ‍ছিলেন বাঙালি শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে “ননসেন্স ছড়া”র প্রবর্তক।তিনি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশাের রায় চৌধুরীর সন্তান এবং তার পুত্র খ্যতিমান ভারতীয় চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়।তার লেখা কবিতার বই আবোল-তাবোল,গল্প হ-য-ব-র-ল,গল্প সংকলন পাগলা দাশু এবং সর্বযুগের সেরা নাটক “ননসেন্স” শিশুসাহিত্যের অন্যতম বলে মনে করা হয়।সুকুমার রায় ১০ সেপ্টেম্বর ১৯২৩ সালে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।</p>



<h4 class="wp-block-heading">প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এ এফ এম আহসান উদ্দিন চৌধুরী</h4>



<p>তার প্রকৃত নাম আবুল ফজল মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন চৌধুরী । তিনি ১ জুলাই ১৯১৫ সালে ময়মনসিংহ জেলার গৌরিপুর উপজেলার বোকাইনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের ১১ তম রাষ্ট্রপতি।হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।তিনি ৩০ আগষ্ট ২০০১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।</p>



<h4 class="wp-block-heading">আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু</h4>



<p>জগদীচন্দ্র বসু ১৮৫৮ সালের ৩০ শে নভেম্বর ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল রেজিমেন্ট(বর্তমান বাংলাদেশ) অঞ্চলের মুন্সিগন্জে জন্মগ্রহণ করেন।বিক্রমপুরের রাঢ়িখাল গ্রামে তার পরিবারের প্রকৃত বাসস্থান ছিল।জগদীশচন্দ্র বসু একাধারে বাঙালি পদার্থবিদ,জীববিজ্ঞানী ও কল্পবিজ্ঞান রচিয়তা ছিলেন।তাকে একজন রেডিও বিজ্ঞানের জনক হিসেবে অভিহিত করেন ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার্স।বিজ্ঞানে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি নাইটহুড, রয়েল সোসাইটির ফেলো সহ আরো অনেক সম্মাননা পান। ২৩ নভেম্বর ১৯৩৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এছাড়াও&nbsp;মনসুর বয়াতী, (১৯১৯-১৯৫২, জ্যোতির্ময়গুহঠাকুরতা (১৯২০-১৯৭১), আচার্য ব্রজেন্দ্রকিশোর চৌধুরী (১৮৭৪-১৯৭৫),কমরেড মণি সিংহ (১৯০১-১৯৯০) এবং সাহিত্যিক শেখ আবদুল জব্বার&nbsp;(১৮৮১-১৯১৮) প্রমুখ ময়মনসিংহ জেলার কয়েকজন স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব।</p>



<p></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/mymensingh/">ময়মনসিংহ কিভাবে যাবো &#8211; দর্শনীয় স্থান &#8211; কোথায় রাত্রিযাপন &#8211; কোথায় খাবেন</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/mymensingh/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>1</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>Narayanganj</title>
		<link>https://sicgroup.ae/narayanganj/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/narayanganj/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 04 Oct 2022 09:49:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bangladesh Tour]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sictourbd.com/?p=1964</guid>

					<description><![CDATA[<p>নারায়ণগঞ্জ জেলা ঢাকা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত, গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার অববাহিকায়; পাললিক মাটির সমতল ভূমিতে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ শহর। ১৮৮২ সালে নারায়ণগঞ্জ কে মহকুমায় ঘোষণা করা হয়<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/narayanganj/">Narayanganj</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>নারায়ণগঞ্জ জেলা ঢাকা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত, গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার অববাহিকায়; পাললিক মাটির সমতল ভূমিতে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ শহর। ১৮৮২ সালে নারায়ণগঞ্জ কে মহকুমায় ঘোষণা করা হয় এবং ১৯৮৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী নারায়ণগঞ্জ কে জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এটি ঢাকা বিভাগের মধ্যাঞ্চলের একটি জেলা। আমাদের অধিক প্রাচীন এবং প্রসিদ্ধ সোনারগাঁও এ জেলায় অবস্থিত, বিখ্যাত “শীতলক্ষ্যা নদীর” পাড়ে নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দর অবস্থিত। বাংলাদেশের সব চেয়ে ছোট জেলা হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ জেলা। পাট শিল্পের জন্য এই জেলা বিখ্যাত। এই জেলাকে প্রাচ্যের ড্যান্ডি বলে থাকে। প্রচুর পরিমাণে সোনালী আশঁ উৎপাদন হয় বলে একে এই নামে ডাকা হয়।</p>



<p>“বিকন লাল পান্ডে ওরুফে বেণুর ঠাকুর বা লক্ষী নারায়ণ” (১৭৬৬) সালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা ছিলেন। তিনি মূলত এই অঞ্চলের মালিকানা নিয়ে নেন। “শীতলক্ষ্যা নদীর” তীরে অবস্থিত মার্কেটকে দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করেন, দলিলের মাধ্যমে। তিনি এটি করেছিলেন মূলত, প্রভু নারায়ণের সেবার ব্যয় ভার বহনের জন্য। এই পরিপ্রেক্ষিতে, এই অঞ্চলের নাম লক্ষী নারায়ণের নাম অনুকরণে নারায়ণগঞ্জ রাখা হয়।</p>



<p>“বিকন লাল পান্ডে” ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি থেকে কয়েকটি মৌজা লিজ গ্রহণ করেন, (১৭৬৬) সালে। এটি পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ নগরের প্রতিষ্ঠিত হয়। ২৭,৮৭৬ জন জনসংখ্যা অধ্যুষিত ৪.৫ বর্গমাইল এলাকা নিয়ে; নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা গঠন করে ব্রিটিশ সরকার ১৮৭৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর। ৮ জন নির্বাচিত ও ৪ জন মনোনীত কমিশনার নিয়ে, এই পৌরসভার যাত্রে শুরু হয়। নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা শত বছরেরও বেশি সময় ধরে; ব্যবসা বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে আসছে। “শীতলক্ষ্যা নদীর” স্বচ্ছ পানি এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনকালে; এটি ব্যস্ততম বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠে। নারায়ণগঞ্জ মূলত, পাট ব্যবসার জন্য বিখ্যাত আর এটির পেছনে ভুমিকা রাকে সড়ক, ট্রেন ও স্টিমারের উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। “জনাব সৈয়দ মোহাম্মদ মালেহ” ১৯৫১ সালে প্রথম বাঙ্গালী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৭৩ সালে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে, তিনি নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="h-য-ভ-ব-য-ব-ন">যেভাবে যাবেনঃ</h3>



<p>আপনি যে এলাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ আসতে চাচ্ছেন সেই এলাকা যদি ঢাকার বাইরে হয় তাহলে  প্রথমে আপনাকে ঢাকা আসতে হবে। এরপর ঢাকার গুলিস্তান অথবা যাত্রাবাড়ী থেকে আপনি অনেকগুলো লোকাল বাসে করেই নারায়ণগঞ্জ আসতে পারবেন। যেহেতু লোকাল বাসগুলোর কাউন্টার নেই, তাই আমরা আপনাকে এখানে যথাযথ তথ্য প্রদান করতে পারতেছি না। <br>আপনি যদি ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ  ট্রেনে যেতে চান তাহলে নিচের ছবি থেকে ট্রেনের তথ্য নিতে পারেন।  নারায়ণগঞ্জ  রেল স্টেশনে শুক্রবার ব্যতিত প্রতিদিন অনেক ট্রেন আছে। ট্রেনের ভাড়া ১৫ টাকা।</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="625" height="458" src="https://sictourbd.com/wp-content/uploads/2022/10/dhaka-to-narayangonj-train.jpg" alt="" class="wp-image-1969" srcset="https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/dhaka-to-narayangonj-train.jpg 625w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/dhaka-to-narayangonj-train-300x220.jpg 300w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/dhaka-to-narayangonj-train-199x146.jpg 199w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/dhaka-to-narayangonj-train-50x37.jpg 50w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/dhaka-to-narayangonj-train-102x75.jpg 102w" sizes="auto, (max-width: 625px) 100vw, 625px" /></figure>



<h3 class="wp-block-heading" id="h-ন-র-য-ণগঞ-জ-গ-য-থ-ক-ও-খ-ওয-র-স-ব-ধ-র-জন-য-ক-ছ-হ-ট-ল-ও-র-স-ত-র-র-ত-ল-ক-দ-ওয-হল">নারায়ণগঞ্জ গিয়ে থাকা ও খাওয়ার সুবিধার জন্য কিছু হোটেল ও রেঁস্তোরার তালিকা দেওয়া হলো।</h3>



<ul class="wp-block-list"><li>সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্ট(টেলিফোন, (০১৭৭৬৪১৪০১৫),</li><li>হোটেল বিক্রমপুর(আবাসিক), ফোন- (০১৫৫৩৩৬১৭৩২),</li><li>মেসার্স হোটেল শাপলা(আবাসিক), ফোন নং- (০১৮১৫২১৯৮৪৪),</li><li>আনন্দ রেঁস্তোরা, সাং-১৪, এস এস রোড, (ফোন- ৭৬৩৩৫৩৭),</li><li>ডমিনোজ পিৎজা ফ্রান্স রেঁস্তোরা, সাং-২১, বেইলি টাওয়ার চাষাড়া ( ফোন- ৭৬৩৫১৮০),</li><li>চাইনিজ রেস্টুরেন্ট, আলম খান লেন রোড ১, (ফোন-৭৬৪৫৬০৯),</li><li>স্নোভার গার্ডেন এন্ড থাইফুড রেঁস্তোরা, মিউনিসিপই সুপার মার্কেট, বঙ্গবন্ধু রোড, (ফোন- ৭৬৩১২৬৫),</li><li>ব্যাংকোয়িট রেঁস্তোরা, সাং-১৫২, শরীফ মার্কেট, (ফোন- ০১৮১৭৫০০৯৫২)।</li></ul>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="701" height="375" src="https://sictourbd.com/wp-content/uploads/2022/10/Narayanganj.jpg" alt="" class="wp-image-1966" srcset="https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/Narayanganj.jpg 701w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/Narayanganj-300x160.jpg 300w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/Narayanganj-260x139.jpg 260w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/Narayanganj-50x27.jpg 50w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/Narayanganj-140x75.jpg 140w" sizes="auto, (max-width: 701px) 100vw, 701px" /></figure>



<h3 class="wp-block-heading">দর্শনীয় স্থান সমূহ –</h3>



<p>অন্যান্য জেলার ন্যায় নারায়ণগঞ্জ জেলায়ও রয়েছে অনেক দর্শনীয় স্থান। সেসব জায়গায়র মধ্যে অন্যতম কিছু জায়গায় হলো।</p>



<h4 class="wp-block-heading">মেরি এন্ডারসনঃ</h4>



<p>(১৯৩৩) সালে, কলকাতায় শিপইয়ার্ডে ১৫০ ফুট দীর্ঘ, বাষ্পীয় ইঞ্জিন চালিত একটি জাহাজ নির্মান করা হয়; বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ গভর্নরদের জন্য। এই জাহাজের নাম করণ করা হয়েছিল, সেই সময়কার বাংলার গভর্নর “স্যার জন এন্ডারসনের” মেয়ে “মেরী আন্ডারসনের” নামে।<br><strong>কিভাবে যাবেনঃ</strong> টেক্সি, রিক্সা, বাস কিংবা অটোতে করে সেখানে যেতে পারবেন। এটি উপজেলা সদর থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে, কুতুবপুর পাগলা বুড়িগঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত।</p>



<h4 class="wp-block-heading">বাংলাদেশ লোক শিল্প জাদুঘরঃ</h4>



<p>বাংলাদেশে লোক ও কারু শিল্প জাদুঘর (১৯৭৫) সালে, জুলাইয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধিনে এটি চলে এখন। এর উদ্যোগে, লোকশিল্প উদযাপনে এক মাস ধরে একটি মেলা বসে। এটি চারুকলা বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ব্যবস্থা করে।<br><strong>কিভানে যাবেনঃ</strong> মেঘনা নদি পথে চাইলে, সোনারগাঁও উপজেলায় বৈদ্যের বাজার লঞ্চঘাট হয়ে ; রিক্সা অথবা সি.এন.জি যোগে যেতে পারবেন। অন্যদিকে, বাসস্ট্যান্ড থেকেও একিভাবে যাওয়া যাবে রিক্সা/সি.এন.যোগে।</p>



<h4 class="wp-block-heading">জিন্দা পার্কঃ</h4>



<p>জিন্দা পার্কের যাত্রা শুরু হয় (১৯৮০) সালে প্রায় ৫,০০০ সদস্যের পরিবার “অগ্রগতি পল্লী সমিতির” মাধ্যমে। প্রায় ২৫০ প্রজাতির ১০,০০০ এর বেশি গাছ-গাছালি, বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ে, ৫টি জলধারা, অসংখ্য পাখ-পাখালির কলকাকলী সবকিছু নিয়ে এটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান হিসেবে গড়ে উঠেছে।<br><strong>কিভাবে যাবেনঃ</strong> ঢাকা থেকে এটির দূরত্ব ৩৭ কিলোমিটার। ঢাকা হতে কাঁচপুর দিয়ে টঙ্গী মিরের বাজার হয়ে, জিন্দা পার্কে আসা যায়।</p>



<h4 class="wp-block-heading">গিয়াসউদ্দিন আজমসশাহঃ</h4>



<p>প্রথম ইলিয়াস শাহি রাজবংশের ৩য় সুলতান ছিলেন। তিনি (১৩৮৯-১৪১০) সালে শাসন করেন। তাঁর প্রকৃত নাম ছিল আজম শাহ। গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ নাম ধারণ করেন সিংহাসন লাভের পর। <strong>কিভাবে যাবেনঃ</strong> ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক বাসে করে যেতে পারবেন। নারায়ণগঞ্জ থেকে রিক্সা/সি.এন.জি দিয়ে যেতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে দূরত্ব ২৮ কিলোমিটার।</p>



<h4 class="wp-block-heading">পানাম নগরঃ</h4>



<p>প্রায় ৪৫০ বছর আগে, বার ভূইয়ার দলপতি ঈশা খাঁ ১৫ শতকে বাংলার প্রথম রাজধানী স্থাপন করেছিলেন সোনারগাঁওতে আর এর ২০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে উঠেছে পানাম সিটি। ১০০ টি ধ্বংসপ্রায় নিয়ে ঐতিহাসিক শহরের একটি পানামা নগর। প্রাচীন সোনারগাঁও তিন নগরের ( বড় নগর, খাস নগর, পানামা নগর) মধ্যে ছিল সব থেকে আকর্ষনীয়।<br><strong>কিভাবে যবেনঃ</strong> রিক্সা ও অটোরিকশা যোগে যেতে পারবেন সোনারগাঁও মোগড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে। এক্ষেত্রে ভাড়া ১০-২০ টাকা যেতে পারবেন। সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর থেকেও ৫ মিনিট হেঁটে পানাম সিটিতে যেতে পারবেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading">নারায়ণগঞ্জ জেলায় অসংখ্য বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন ব্যক্তির নাম তুলে ধরা হলোঃ</h3>



<h4 class="wp-block-heading">জ্যোতি বসুঃ</h4>



<p>তিনি ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি রাজনীতিবিদ। তেইশ বছর তিনি পশ্চিম বঙ্গের মূখ্যমন্ত্রির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের আদিনিবাস ছিল নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার বারদী গ্রামে। এছাড়াও তিনি, (১৯৬৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল) পর্যন্ত সিপিআই(এম) দলের পলিটব্যুরো সদস্য ছিলেন। তাঁর মৃত্যু হয় ২০১০ সালে। তাঁর স্বরণে ২০১ সদস্য বিশিষ্ট “কমরেড জ্যোতি বসু নাগরিক পর্ষদ” গঠন করা হয়।</p>



<h4 class="wp-block-heading">মোহাম্মদ শাহরিয়ার হোসেনঃ</h4>



<p>মোহাম্মদ শাহরিয়ার হোসেন ছিলেন, বাংলাদেশের একজন ক্রিকেটার। তাঁর জন্ম ১ জুন,১৯৭৬ সালে। তিনি অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অন্যতম সদস্য হিসেবে ক্রিকেটে তাঁর অন্তভূক্তি করান (১৯৯৩)সালে। জাতীয় দলে সূযোগ লাভ করেন, (১৯৯৬) সালে। ১৯৯৯ সালে, ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রথম অংশগ্রহন করেন। তিনি ঘোরায়া ক্রিকেট ঢাকা বিভাগকে প্রতিনিধিত্ব করেন।</p>



<h4 class="wp-block-heading">আতাহার আলী খানঃ</h4>



<p>বাংলাদেশ ক্রিকেটের, অন্যতম একজন ডানহাতি ব্যাটসম্যান ও মিডিয়াম পেসার হিসেবে আবির্ভূত হন। তিনি ফেব্রুয়ারীর ১০ তারিখ ১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নির্বাচক হিসেবেও আসীন রয়েছেন। তিনি ঘোরায়া লীগ দূরন্ত রাজশাহীর কোচের দায়িত্ব পালন করেন।</p>



<h4 class="wp-block-heading">আব্দুল আল রাকিবঃ</h4>



<p>তিনি ছিলেন বাংলাদেশের অন্যতম একজন দাবা খেলোয়াড়। ২০০৭ সালে লাভ করেন ফিদে গ্র‍্যান্ডমাস্টার খেতাব। তিনি হচ্ছেন চতুর্থ বাংলাদেশি গ্র‍্যান্ড মাস্টার। ২০০১ সালে প্রথম গ্র‍্যানমাস্টার নাভ করেন ২য় টি পান ২০০৪ সালে।</p>



<h4 class="wp-block-heading">মোমেন মুন্নাঃ</h4>



<p>বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসের সেরা ডিফেন্ডারের মধ্যে তিনি একজন বলে গণ্য করা হয়। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬৮ সালের ৯জুন। তিনি বাংলাদেশ ফুটবল ও আবাহনী দলের সাথে খেলেছেন। কোলকাতা ইস্ট বেঙ্গল দলেও খেলছেন। ১৯৯২ সালে তিনি আবাহনী দলের জন্য ২০ লক্ষ্য টাকা চুক্তি করে দেশীয় রেকর্ড করেন। পরবর্তীতে তিনি অবসর হয়ে আবাহনীর ম্যানেজারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি মৃত্যু বরণ করেন ২০০৫ সালে।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/narayanganj/">Narayanganj</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/narayanganj/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঢাকা থেকে পঞ্চগড় ভ্রমন</title>
		<link>https://sicgroup.ae/panchagarh/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/panchagarh/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Oct 2022 07:45:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bangladesh Tour]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sictourbd.com/?p=1981</guid>

					<description><![CDATA[<p>ভর্তা পছন্দ করে না এমন লোক খুব কম! আর এই ভর্তা প্রেমীদের জন্য “সিদন ভর্তা” খ্যাত পঞ্চগড়ে স্বাগতম। রংপুর বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল হচ্ছে পঞ্চগড়, এটি<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/panchagarh/">ঢাকা থেকে পঞ্চগড় ভ্রমন</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-text-align-center">ভর্তা পছন্দ করে না এমন লোক খুব কম! আর এই ভর্তা প্রেমীদের জন্য “সিদন ভর্তা” খ্যাত পঞ্চগড়ে স্বাগতম। </p>



<p>রংপুর বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল হচ্ছে পঞ্চগড়, এটি দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা, পঞ্চগড় বাংলাদেশের অতি প্রাচীন জনপদ। ৫টি উপজেলার সমন্বয়ে পঞ্চগড় জেলাটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিস্তৃত। পঞ্চগড়ে অধিক নদীর স্থান থাকার কারণে, একে নদি বেষ্টীত জেলা বলা হয়। এই জেলাটি “বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থুল বন্দরের” জন্য বিখ্যাত, এছাড়া হাড়িভাঙ্গা, আম, তামাক ও আখের জন্য এই অঞ্চল বিখ্যাত।</p>



<p>পঞ্চগড়ের নাম নিয়ে বিভিন্ন মতবাদ রয়েছে তাঁর মধ্যে কিছু ধারণা হচ্ছেঃ ‘পঞ্চনগরী’ একটি রাজ্যে থেকে কালক্রমে ‘পঞ্চগড়’ নামটি আত্মপ্রকাশ করে। আরেকটি ধারণা হলোঃ এই অঞ্চলের পাঁচটি গড়ের( ভিতরগড়, মিরগড়, রাজগড়, হোসেনগড়, দেবেনগড়) সুস্পষ্ট অবস্থানের কারণেই ‘পঞ্চগড়’ নামটির উৎপত্তি। আবার অনেকে মনে করেন, ‘পঞ্চ’ শব্দের অর্থ ‘পাঁচ’, আর ‘গড়’ শব্দের অর্থ ‘বন’ বা জঙ্গল। ভারত ভাগ হওয়ার পূর্বে এই অঞ্চল জঙ্গলাকীর্ণ থাকায়, তা থেকেও এই অঞ্চলের নাম পঞ্চগড় হতে পারে।</p>



<h5 class="wp-block-heading" id="h-স-ক-ষ-প-ত-ইত-হ-স">সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ</h5>



<p>আগেই বলেছি, পঞ্চগড় একটি প্রাচীন জনপদ। অতীত কালে জনপদটি ছিল সীমান্ত অঞ্চল যেটি বর্তমানেও বিদ্যামান। এর পাশেই ছিল মগদ, মিথিলা, গৌড়,নেপাল, ভূটান, সিকিম ও আসাম রাজ্যের সীমান্ত। ১৮৬৯ খ্রীস্টাব্দে জলপাইগুঁড়ির থানার অধীনে আসার পূর্বে, পঞ্চগড় রংপুর জেলার অধীনে একটি মহাকুমা ছিল। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর ; পঞ্চগড় থানাটি দিনাজপুর জেলার ঠাঁকুরগাঁও মহকুমার অন্তর্ভুক্ত হয় এবং পঞ্চগড় মহকুমায় উন্নীত হয় (১৯৮০) খ্রীস্টাব্দে। ৫ টি থানা (তেতুলিয়া, পঞ্চগড় সদর, অটোয়ারী, বোদা ও দেবীগঞ্জ) নিয়ে পঞ্চগড় মহকুমা সৃষ্টি হয়। (১৯১১) খ্রিস্টাব্দে পঞ্চগড় থানা প্রতিষ্ঠা করা হয়।</p>



<h4 class="wp-block-heading">যেভাবে যাবেনঃ</h4>



<p>আপনি যে এলাকা থেকে পঞ্চগড় আসতে চাচ্ছেন আপনার এলাকার বাস টার্মিনালে গিয়ে পঞ্চগড় যাওয়ার বাসের খোজ করুন। আমরা এখানে ঢাকা থেকে যাওয়ার গাইডলাইন দিচ্ছি।  <br>ঢাকা থেকে শ্যামলী এন আর ট্রাভেলস এ নন এসি বাসে যেতে পারেন। জন প্রতি ভাড়া ৮০০ টাকা। আরো বিস্তারিত জানতে <a href="https://sictourbd.com/shyamoli-nr-travel/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">যোগাযোগ করুন</a>।</p>



<p>আপনি যদি ঢাকা থেকে ট্রেনে পঞ্চগড় আসতে চান তাহলে নিন্মলিখিত ট্রেনের শিডিউল দেখতে পারেনঃ </p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="874" height="186" src="https://sictourbd.com/wp-content/uploads/2022/10/panchagarh-train.jpg" alt="" class="wp-image-1991" srcset="https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/panchagarh-train.jpg 874w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/panchagarh-train-300x64.jpg 300w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/panchagarh-train-768x163.jpg 768w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/panchagarh-train-260x55.jpg 260w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/panchagarh-train-50x11.jpg 50w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/panchagarh-train-150x32.jpg 150w" sizes="auto, (max-width: 874px) 100vw, 874px" /><figcaption>ট্রেনের টিকিট প্রাইস জানতে নিচের লিস্ট দেখে নিনঃ </figcaption></figure>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="869" height="225" src="https://sictourbd.com/wp-content/uploads/2022/10/panchagarh-train-ticket.jpg" alt="" class="wp-image-1992" srcset="https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/panchagarh-train-ticket.jpg 869w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/panchagarh-train-ticket-300x78.jpg 300w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/panchagarh-train-ticket-768x199.jpg 768w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/panchagarh-train-ticket-260x67.jpg 260w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/panchagarh-train-ticket-50x13.jpg 50w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/panchagarh-train-ticket-150x39.jpg 150w" sizes="auto, (max-width: 869px) 100vw, 869px" /></figure>



<h4 class="wp-block-heading">হোটেল এর তালিকা দেওয়া হলো</h4>



<ul class="wp-block-list"><li>হোটেল মৌচাক আলহাজ্ব, ফোন (০৫৬৮-৬২৪৬৮),(০১৭১৫২১৯৩৭৩),</li><li>প্রিতম হোটেল, ফোন(০৫৬৮-৬১৫৪৫),</li><li>এইচ কে প্যালেস, ফোন(০৫৬৮-৬১২৩৯)(০১৭৫২২৪৩০৪৮),</li><li>ইসলাম হোটেল, ফোন( ০১৭২১০১২৬২৫),</li><li>রাজনগর, ফোন(০১৭১৫২১৯৩৭৩),</li><li>নীরব রেস্ট হাউস, ফোন(০১৭৩৪৩৪৪৭১৫),</li><li>সেন্ট্রাল গেষ্ট হাউস, ফোন(০১১৯০৭১৬০২৭),</li><li>রোকখানা বোর্ডিং, ফোন(০১৭১৪৯২৭৫৪৯) এবং</li><li>হিলটন বোডিং, ফোন(০৫৬৮-৬১৩২৮)।</li></ul>



<h4 class="wp-block-heading">পঞ্চগড়ের দর্শনীয় স্থান সমূহঃ</h4>



<p>পঞ্চগড় ভ্রমণ করতে ইচ্ছে হলে নিম্নের দর্শনীয় স্থান গুলো সম্পর্কে জেনে নিন।</p>



<h4 class="wp-block-heading">মহারাজার দিঘীঃ</h4>



<p>“মহারাজার দিঘী” হচ্ছে একটি বিশাল আয়তনের জলাশয়। যেটি রাজপ্রাসাদের সন্নিকটে ছিল; তাই এটি “মহারাজার দিঘী” নামে পরিচিতি পায়। ধারণা করা হয়, পৃথু রাজা এই দিঘীটি খনন করেন। প্রতি বছর বাংলা নববর্ষে উক্ত দিঘীর পাড়ে মেলা বসে।<br><strong>যেভাবে যাবেনঃ</strong> পঞ্চগড় বাস টার্মিনালে থেকে তেঁতুলিয়াগামী বাসে করে বোর্ড অফিসের সামনে নেমে, রিক্সা অথবা ভ্যানে ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দিঘীতে যেতে পারবেন।</p>



<h4 class="wp-block-heading">রকস মিউজিয়ামঃ</h4>



<p>বাংলাদেশের একমাত্র জাদুঘর পাথরের জাদুঘর পঞ্চগড়ে অবস্থিত। এটি পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজে স্থাপন করেছেন, অধ্যক্ষ নাজমুল হক(১৯৯৭)। এতে বিভিন্ন রঙ, আকৃতি, এবং বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পাথর সংরক্ষিত আছে। হাজার বছরের পূরনো পাথর ছাড়াও এখানে প্রাচীন ইমারতের ইট এবং পোড়ামাটির বিভিন্ন মূর্তি দেখতে পাওয়া যায়।<br><strong>যেভাবে যাবেনঃ</strong> দিনাজপুর কিংবা পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে লোকাল ট্রেন এবং ডেমু করে পঞ্চগড় যাওয়া যায়।</p>



<h4 class="wp-block-heading">গোলকদাম মন্দিরঃ</h4>



<p>এটি রংপুর জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন জনপদ। এটি নির্মিত হয় (১৮৪৬) সালে। পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত একটি প্রাচীন মন্দির এটি। এছাড়াও বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। এই মন্দিরটি দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাংগা ইউনিয়নের, শালডাংগা গ্রামে অবস্থিত। এটি সদর হতে প্রায় ১২ কি.মি. হতে উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত।<br><strong>যেভাবে যাবেনঃ</strong> সড়ক এবং রেলপথ উভয়তে পঞ্চগড় যেতে পারবেন। পঞ্চগড় হতে দেবীগঞ্জ উপজেলার গিয়ে, শালডাংগা ইউনিয়নের শালডাংগা গ্রামে যেতে পারবেন। রাজধানী রেল স্টেশন থেকে দিনাজপুরগামী অন্তঃনগর ট্রেনে উঠে, দিনাজপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকেও বাসে চড়ে পঞ্চগড় যেতে পারবেন।</p>



<h4 class="wp-block-heading">তেঁতুলিয়া ডাকবাংলোঃ</h4>



<p>তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো হিমালয়ের পাদদেশে দিয়ে প্রবাহিত মহানন্দার তটে অবস্থিত। এটি জেলা পরিষদ দ্বারা পরিচালিত। প্রায় ৩০০ বছরের প্রাচীন গাছপালা রয়েছে এখানে। এছাড়াও পাহাড়ি উঁচু-নিচু রাস্তার দৃশ্য দেখা যায় এখানে।<br><strong>যেভাবে যাবেনঃ</strong> শহরের কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড অথবা চৌরঙ্গী মোড় থেকে কার বা মাইক্রোবাস ভাড়া করা যেতে পারেন, এর জন্য ভাড়া গুণতে হবে আড়াই-তিন হাজার টাকা।</p>



<h4 class="wp-block-heading">বার আউলিয়ার মাজারঃ</h4>



<p>বিখ্যাত সুফী ও পীর দরবেশদের পবিত্র চরণ, এই অঞ্চলের ধূলি মাটিকে ধন্য করেছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য “বার আউলিয়ার মাজার”। বার জন আউলিয়ার নামে এর নামকরণ হয়েছে ” বার আউলিয়া”। ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্য তারা সুদূর পারস্য, ইয়েমেন ও আরবের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসে চট্রগ্রামের শহরে আস্তানা গেড়েছিল। তাঁদের মধ্যে প্রধান ছিলেন, হেমায়েত আলী শাহ(রা.)। তাঁরই অধীনে আউলিয়াগণ আটোয়ারীতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। উপজেলা সদর হতে ৯ কি.মি. উত্তর-পূর্বে মির্জাপুর ইউনিয়নে অবস্থিত এই মাজার।<br><strong>যেভাবে যাবেনঃ</strong> অটোয়ারী বাস স্ট্যান্ড থেকে মির্জাপুর ৬ কিলোমিটার পথ। সেখান থেকে রিক্সা, ভ্যানযোগে “বার আউলিয়া” মাজার শরীফে যাওয়া যায়। রেল পথে গেলে দিনাজপুর স্টেশনে নেমে, অটোয়ারী রেলস্টেশন হয়ে বাস/রিক্সা/ভ্যানযোগে ৬ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করলে অটোয়ারী উপজেলা।</p>



<h3 class="wp-block-heading">এছাড়াও পঞ্চগড়ের আরও কিছু দর্শনীয় স্থান সমূহ হলোঃ</h3>



<ol class="wp-block-list"><li>ভিতরগড়,</li><li>মিরগড় করতোয়া নদী,</li><li>এশিয়ান হাইওয়ে,</li><li>মহারাণী বাঁধ সহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান রয়েছে পঞ্চগড় জেলায়।</li></ol>



<h4 class="wp-block-heading">পঞ্চগড়ে একাধিক বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হলো।</h4>



<h4 class="wp-block-heading">চিত্র নায়ক আব্দুর রহমানঃ</h4>



<p>জন্মগ্রহণ করেন পঞ্চগড় জেলায় অটোয়ারী উপজেলার রসেয়া গ্রামে এবং তাঁর অভিনয়, উপমহাদেশের মানুষের অন্তরে এক নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। রহমান-শবনাম জুটি সমসাময়িক কালে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবিগুলোর মধ্যে জোয়ার-ভাটা, আমার সংসার, তালাস,মিলন অন্যতম।</p>



<h4 class="wp-block-heading">বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলামঃ</h4>



<p>তিনি পঞ্চগড় জেলার বোদা থানায় ময়দানদিঘি ইউনিয়নের মহাজন পাড়ায়, এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে চল্লিশ এর দশকে জন্ম গ্রহণ করেন। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৬২’এর শিক্ষা আন্দলোন, ৬৬ ছয় দফা এবং সর্বোপরি ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে, বাংলাদেশ হয়ে তৎকালীন সময়ে প্রত্যক্ষ সংগ্রামে তিনি অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন।</p>



<h4 class="wp-block-heading">কমরেড মোহাম্মদ ফরহাদঃ</h4>



<p>জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩৮ সালে পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলায় এবং ১৯৫২ সালে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দলোনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৫৪ সালে প্রথম কারাবরণ করেন এবং ১৯৬২ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে জঙ্গী ছাত্র আন্দোলন ও শিক্ষা আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদান করেন।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/panchagarh/">ঢাকা থেকে পঞ্চগড় ভ্রমন</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/panchagarh/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া</title>
		<link>https://sicgroup.ae/kushtia/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/kushtia/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Oct 2022 09:59:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bangladesh Tour]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sictourbd.com/?p=1999</guid>

					<description><![CDATA[<p>তিলের খাজা কিংবা কুলফি আইসক্রিম খেতে চান? তাহলে সাগতম আপনাকে কুষ্টিয়ায়। বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত; খুলনা বিভাগের অন্যতম একটি জেলা হচ্ছে, ‘কুষ্টিয়া’। এইখানে প্রায় ৪ লক্ষাধিক মানুষের<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/kushtia/">ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-text-align-center">তিলের খাজা কিংবা কুলফি আইসক্রিম খেতে চান? তাহলে সাগতম আপনাকে কুষ্টিয়ায়।</p>



<p>বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত; খুলনা বিভাগের অন্যতম একটি জেলা হচ্ছে, ‘কুষ্টিয়া’। এইখানে প্রায় ৪ লক্ষাধিক মানুষের বসবাস(২০২০) এর সমীক্ষা অনুযায়ী। এই জেলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির রাজধানী হিসেবেও পরিচিত। বাংলাদেশের একমাত্র সরকারী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এইখানে অবস্থিত। কুষ্টিয়া জেলার নাম নিয়ে একাধিক মতবাদ রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি ধারণা হচ্ছে, ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর তৎকালীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট “সৈয়দ মুজতবা আলী” নবদ্বীপ বা নদীয়ার নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘কুষ্টিয়া’। এছাড়া অনেকে মনে করেন, এক সময় এলাকাটি ‘কুস্তি’ খেলার জন্য বিখ্যাত ছিল, তাই এই খেলা থেকে এর নাম হয় ‘কুস্তিয়া’ যাঁর অপভ্রংশা ‘কুষ্টিয়া’। আবার অনেকে মনে করেন, ‘কুন্ঠ’ ( প্রধান অর্থকারী ফসল) শব্দ থেকে কুন্ঠিয়া আর এই কুন্ঠিয়া থেকে কুষ্টিয়া নামের উৎপত্তি।</p>



<p>মোঘল বাহিনীর হাতে রাজা প্রতাপাদিত্যর পতন হলে,(১৬৬১) খ্রিস্টাব্দে ‘কুষ্টিয়া’ মোঘল সাম্রাজ্যভুক্ত হয়। ইংরেজ আমলে কুষ্টিয়া মহকুমা ছাড়া; বৃহত্তর কুষ্টিয়ার বাকি অংশ রাজশাহী রাজ্যের জমিদাতি ভুক্ত ছিল। গভর্নর স্যার “পিটার গ্র‍্যান্ট” এর আমলে কুষ্টিয়া মহাকুমার উন্নীত হয়(১৮৬৩) খ্রিস্টাব্দে। “কুমারখালি ও খোকসা” থানাকে কুষ্টিয়া মহাকুমায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় (১৮৭১) খ্রিস্টাব্দে।(১৯৪৭) সালে ভারত বিভক্তর পূর্ব পর্যন্ত, কুষ্টিয়া নদীয়া জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ভারত বিভক্ত হওয়ার পর বঙ্গদেশের নদীয়া জেলা খন্ডিত হয় ; পরবর্তীতে (১৯৫৭) সালের অক্টোবর মাসে ‘কুষ্টিয়া’ নাম দেওয়া হয় ‘নদীয়া’ নামের পরিবর্তে।</p>



<h3 class="wp-block-heading" id="h-য-ভ-ব-য-ব-ন">যেভাবে যাবেন-</h3>



<p>আপনি যে এলাকা থেকে কুষ্টিয়া আসতে চাচ্ছেন সেই এলাকা থেকে যেসব বাস যায় তাদের খোঁজ নিয়ে এরপর টিকিট কাটবেন। ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া যেসব বাস যায় এর মদ্ধে এস বি সুপার ডিলাক্স অন্যতম। ভাড়া বিজনেস – ১৩০০ টাকা, আরএন৮ – ১০০০ টাকা। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন এই <a href="https://sictourbd.com/sb-super-deluxe/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">লিঙ্কে</a>।  </p>



<p>আপনি যদি ট্রেনে যেতে চান তাহলে নিচের ট্রেনের লিস্ট দেখে প্ল্যান করতে পারেনঃ </p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="748" height="138" src="https://sictourbd.com/wp-content/uploads/2022/10/kustia-train.jpg" alt="" class="wp-image-2006" srcset="https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/kustia-train.jpg 748w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/kustia-train-300x55.jpg 300w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/kustia-train-260x48.jpg 260w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/kustia-train-50x9.jpg 50w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/kustia-train-150x28.jpg 150w" sizes="auto, (max-width: 748px) 100vw, 748px" /><figcaption>ট্রেনের টিকিটের দামঃ </figcaption></figure>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="748" height="349" src="https://sictourbd.com/wp-content/uploads/2022/10/kustia-train-ticket.jpg" alt="" class="wp-image-2007" srcset="https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/kustia-train-ticket.jpg 748w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/kustia-train-ticket-300x140.jpg 300w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/kustia-train-ticket-260x121.jpg 260w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/kustia-train-ticket-50x23.jpg 50w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/kustia-train-ticket-150x70.jpg 150w" sizes="auto, (max-width: 748px) 100vw, 748px" /></figure>



<h4 class="wp-block-heading">যেখানে রাত্রিযাপন করবেনঃ</h4>



<ul class="wp-block-list"><li>কুষ্টিয়ায় নিম্ন, মধ্যম ও উচ্ছ মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে, তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আবাসিক হোটেলের তথ্য দেওয়া হয়েছে নিম্নে&gt;<br>আজমিরী হোটেলঃ ৫৩০১২(ফোন),</li><li>হোটেল গোল্ড স্টারঃ ০৭১৬১৬৭৫(ফোন)</li><li>হোটেল রিভার ভিউঃ ০৭১৭১৬৬০ (ফোন)</li><li>দেশা গেস্ট হাউসঃ ০১৭২০৫১০২১২(ফোন)</li><li>এছাড়াও, নূর ইন্টারন্যাশনাল, পদ্মা হোটেল, হোটেল ড্রিমল্যান্ড, হোটেল বলাকা, হোটেল শাহীন, হোটেল প্রিতম, হোটেল নূর।</li><li>বুকিং করতে পারেন অনলাইনে <a href="https://booking.com">বুকিং রুম</a></li></ul>



<h4 class="wp-block-heading">খাবার হোটেল/ রেস্টুরেন্টঃ</h4>



<ul class="wp-block-list"><li>হোটেল আল-আমিনঃ ৫৪১৯৩(ফোন),</li><li>মমতাজ হোটেল, জাহাঙ্গীর হোটেল, শিল্পী হোটেল, বিসমিল্লাহ হোটেল, খাওয়া ও দাওয়া হোটেল।</li></ul>



<h3 class="wp-block-heading">দর্শনীয় স্থান সমূহঃ</h3>



<p><em>কুষ্টিয়া গেলেই পেয়ে যাবেন ফকির লালন শাহের মাজার সহ, আরও কিছু বিখ্যাত স্থান। আপনাদের ভ্রমণ সুবিধার্থে ; কিছু দর্শনীয় স্থান তুলে ধরা হলো।</em></p>



<h4 class="wp-block-heading">লালন শাহের মাজারঃ</h4>



<p>কুষ্টিয়ার অন্যতম হলো ফকির লালন শাহের মাজার। তৎকালীন তিনি কুমারখালির ছেঁউড়িয়াতে আশ্রয় লাভ করেন। তিনি নিরক্ষর হয়েও রচনা করেছেন অসংখ্য সংগীত। তাঁর মৃত্যু পরবর্তী সেখানে তাকে সমাধি দেওয়া হয়। তাঁর সমাধি স্থলেই ফকির লালন শাহের শিষ্য এবং দেশ বিদেশের অগনিত বাউলকুল; বিশেষ তিথিতে সমবেত হয়ে উৎসবে মেতে উঠতেন এই মিলন কেন্দ্রে। পরবর্তীতে(১৯৬৩) সালে সেখানে তাঁর মাজারটি নির্মাণ করা হয়। ২০০৪ সালে সেখানে আধুনিক অডিটোরিয়াম সহ একাডেমি ভবন নির্মাণ করা হয়।<br><strong>যেভাবে </strong><strong>যাবেনঃ</strong> কুষ্টিয়া বাস হতে রিক্সা/ অটোরিক্সা যোগে ছেউরিয়া নামক স্থানে (ভাড়া ৩০-৫০) খুব সহজে যেতে পারবেন। এছাড়া কুষ্টিয়া বড় রেলস্টেশন থেকে রিক্সা/ অটোরিকশা যোগে যেতে পারবেন(ভাড়া২০-৩০ টাকার মধ্যে।</p>



<h4 class="wp-block-heading">রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়িঃ</h4>



<p>রবীন্দ্রনাথের ‘কুঠিবাড়ি’ অবস্থিত শিলাইদহে। এটি বাংলাদেশের (দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে) কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলায় অবস্থিত। এই ‘কুঠিবাড়ি’ পাশ দিয়ে বয়ে গেছে পদ্মা নদী। এইখানে বসে তিনি রচনা করেন, সোনার তরী, চিত্রে, গীতাঞ্জলি, চৈতালী ইত্যাদি।<br><strong>যেভাবে যাবেনঃ</strong> রবীন্দ্রনাথের ‘কুঠিবাড়ি’ শহর থেকে দূরত্ব প্রায় (২০) কিলোমিটার। কুষ্টিয়া শহর হতে অটোরিক্সা, সিএনজি, ইজি বাইক ও অন্যান্য বাহন যোগে সহজেই এবং খুবই কম খরচে যেতে পারবেন।</p>



<h4 class="wp-block-heading">মীর মশাররফ হোসেনের কাস্তভিটাঃ</h4>



<p>বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাসিক “মীর মোশাররফ হোসেন”। ” বিষাদ সিন্ধুর” রচয়িতা এই উপন্যাসিকের বাস্তভিটা অবস্থিত কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়ায়। এটি কুমারখালির অন্যতম দর্শনীয় স্থান। তিনি ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনী পাড়ায়, এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা “মীর মোয়াজ্জেম হোসেন” ছিলেন জমিদার। তিনি “আরবি ও ফারসি” ভাষায় দক্ষতা অর্জন করেন। এখানে রয়েছে ১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ছোট আকারে একটি লাইব্রেরি।<br><strong>যেভাবে যাবেনঃ</strong> কুষ্টিয়া বাস স্ট্যান্ড হতে রিক্সা/অটোরিক্সা যোগে যেতে পারবেন। সৈয়দ মাসুদ রুমি সেতুর টোল ঘাটের পাশে লাহিনীপাড়া মোড় নামক স্থান পর্যন্ত ভাড়া (৩০-৫০) টাকা।</p>



<h4 class="wp-block-heading">লালন শাহ সেতুঃ</h4>



<p>লালন শাহ সেতু নির্মাণ কাজ শেষ করা হয় ২০০৪ সাল ১৭ মে। যানবাহন চলাচল শুরু হয় ১৮ মে, ২০০৪ সালে। এটি ১৭৮৬ মিটার লম্বা, প্রস্থ ১৮.১০ মিটার এবং এতে রয়েছে ১৭ টি পিলার। এটি উত্তরবঙ্গের ২য় বৃহত্তম সেতু। এই সেতুর ফলে দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে উত্তর ও পশ্চিম অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে।<br><strong>যেভাবে যাবেনঃ</strong> বাংলাদেশের যে কোন জায়গা থেকে সড়ক অথবা রেলপথে গিয়ে, ঈশ্বরদী/ পাকশী রেলওয়ে স্টেশন অথবা বাস টার্মিনালে নেমে ; টেম্পু অথবা রিক্সা করে পৌঁছে যেতে পারবেন।</p>



<h3 class="wp-block-heading">এছাড়াও অন্যান্য দর্শনীয় স্থানসমূহঃ</h3>



<ul class="wp-block-list"><li>গড়াই ব্রিজ,</li><li>মোহিনী মিল,</li><li>রেনউইক বাঁধ,</li><li>কুমার খালী,</li><li>ভেড়ামারা,লাহিনী পাড়া,</li><li>আলমপুর,</li><li>গোসাই দূর্গাপূর,</li><li>পোড়াদহ ইত্যাদি।</li></ul>



<h3 class="wp-block-heading">বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গঃ</h3>



<p>মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭), কাজী মোতাহের হোসেন(১৮৯৭-১৯৮১), কাঙাল হরিনাথ(১৮৩৩-১৮৯৬), শিল্পী আব্দুল জব্বার(১৯৩৯), ফরিদা পারভীন (১৯৫৪), সাহিত্যিক জোবেদা খানস (১৯২০-১৯৮৯),আবু জাফর(“এই পদ্মা এই মেঘনা গানের”) রচিয়তা এবং বিখ্যাত ফকির লালন শাহসহ আরও অনেকে।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/kushtia/">ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/kushtia/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঢাকার ভ্রমণ গাইড</title>
		<link>https://sicgroup.ae/dhaka/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/dhaka/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 06 Oct 2022 12:03:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bangladesh Tour]]></category>
		<category><![CDATA[Dhaka]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sictourbd.com/?p=2011</guid>

					<description><![CDATA[<p>জাহাঙ্গীরের জাহাঙ্গীরনগর, সুবা বাংলার ঢাক বাজনা থেকেই ঢাকা। ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। দক্ষিণ এশিয়ার এবং বাংলাদেশের সবথেকে বড় শহর। ঢাকা! রিক্সার শহর, মসজিদের শহর সহ আরো অনেক<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/dhaka/">ঢাকার ভ্রমণ গাইড</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>জাহাঙ্গীরের জাহাঙ্গীরনগর, সুবা বাংলার ঢাক বাজনা থেকেই ঢাকা। ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। দক্ষিণ এশিয়ার এবং বাংলাদেশের সবথেকে বড় শহর। ঢাকা! রিক্সার শহর, মসজিদের শহর সহ আরো অনেক নামে পরিচিত এই শহরের আসল পরিচয় হল এটি মায়ার শহর। নিজেকে চিনতে, নিজেকে জানতে ও নিজেকে আবিষ্কার করতে ঢাকা ভ্রমণের কোন তুলনা হয় না। অসংখ্য পুরাতন দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থাপনা অপেক্ষা করছে-আপনার জ্ঞানকে বিকশিত করতে ও আপনার মনকে প্রফুল্লময় করতে। রাজধানী বলেই নয়, ঢাকা স্ব-মহিমায় উজ্জ্বল কৃষ্টিতে, ঐতিহ্যে ও আভিজাত্যে! তাইতো ভ্রমণ পিপাসু তাদের ভ্রমণপাঠ শুরু করেন ঢাকা দিয়েই।</p>



<p><strong>ঢাকা শহরে একদিন ভ্রমন করতে চাইলে আমাদের এই <a href="https://sictourbd.com/dhaka-one-day-tour/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">লিঙ্কে</a> এ গিয়ে গাইড নিতে পারেন! </strong></p>



<h4 class="wp-block-heading" id="h-য-ভ-ব-য-ব-ন">যেভাবে যাবেন</h4>



<p>ঢাকাতে আসার জন্য আপনার এলাকায় বাস/ট্রেন/প্লেনের সার্ভিস এর ব্যপারে জানতে হবে। যদি বাসে আসেন তাহলে গুলিস্তান/যাত্রাবাড়ি এসে নামবেন। যদি ট্রেনে আসেন তাহলে কমলাপুর রেলস্টেশনে নামবেন। যদি প্লেনে আসেন তাহলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টের ডোমেস্টিক টার্মিনালে নামবেন। </p>



<h4 class="wp-block-heading">যেখানে&nbsp;রাত্রিযাপন</h4>



<ul class="wp-block-list"><li>২০০ টাকার রুম থেকে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট অবধি ভাড়া পাবেন। তন্মধ্যে হোটেল দ্যা ক্যাপিটাল লিমিটেড, হোইট প্যালেস হোটেল, রজনীগন্ধ্যা সুইটস, ম্যাপেল ক্রেস্ট সার্ভিস অপ্যার্টম্যান্ট, এশিয়া প্যাসিফিক হোটেল, হোটেল গ্রান্ড সার্কেল ইন, ব্যাচেলর পয়েন্ট হোম স্টে, হোটেল ট্রপিক্যাল ডেইজি, ল্যাকশোর বনানী, রয়েল পার্ক রেসিডেন্স, হোটেল ৭১, দ্যা ওয়েস্টিন ঢাকা ইত্যাদি।</li><li>Booking.com website এ গিয়ে রুম বুকিং করতে পারেন –&nbsp;<a href="https://www.booking.com/searchresults.html?label=wp-searchbox-widget-7938522&amp;utm_medium=sp&amp;utm_term=wp-searchbox-widget-7938522&amp;utm_campaign=search_box&amp;aid=7938522&amp;checkin=2022-12-30&amp;do_availability_check=on&amp;error_url=%2F%2Fwww.booking.com%2Fsearchresults.html%3Faid%3D7938522%3B&amp;si=ai%2Cco%2Cci%2Cre%2Cdi&amp;checkout=2022-12-31&amp;ss=dhaka&amp;nflt=pri%3D1">বুকিং রুম।</a></li></ul>



<h4 class="wp-block-heading">যেখানে&nbsp;খাবেনঃ</h4>



<p>দুই কদম হাঁটলেই হোটেল, রেস্টুরেন্ট, রেঁস্তোরা, ক্যাফে দেখবেন। যেন এক খাবারের শহর। যে খাবার গুলো ঢাকার বিখ্যাত খাবার মোরগ-পোলাও, কাচ্ছি বিরিয়ানি, গরুর চাপ, মুক্তা বিরিয়ানি, খাসির চাপ, আস্ত কবুতর, ভুনা খিচুড়ি, কাচ্চি, গ্লাসি, তেহেরী, খাসির লেকুশ, চিংড়ি, ফালুদা, ৭০টি আইটেমের বুফে, গ্রিল চিকেন, মাঞ্জারের পুরি, শাহ সাহেবের বিরিয়ানি, ঝুনুর বিরিয়ানি, কাবাব, কাকড়া, নূরানী শরবত, মাংশ আর পরোটা, নানান ধরণের বিরিয়ানি। খাবারের জন্য পুরান ঢাকা বিখ্যাত। এছাড়াও স্টার হোটেলের খাবারও খুব জনপ্রিয়। স্টার হোটেলের খাবারের জন্য আপনাকে ধানমন্ডি ২ নং আসতে হবে। </p>



<h4 class="wp-block-heading">আপনার&nbsp;পছন্দের&nbsp;কেনাকাটাঃ</h4>



<p>বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স (পান্থপথ) , গিুনশান ১ ডি.সি.সি মার্কেট, (গুলশান-১), নাভানা শপিং কমপ্লেক্স (গুলশান-১), সুবান্ত নজর ভ্যালী (বাড্ডা), ইউ.এ.ই মৈত্রী কমপ্লেক্স (বনানী), নর্থ টাওয়ার (উত্তরা), অরচার্ড পয়েন্ট (ধানমন্ডি), মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স (মিরপুর), গ্রীন টাওয়ার শপিং মল (রামপুরা), রাজউক ট্রেড সেন্টার শপিং (খিলক্ষেত), ইষ্টার্ণ মল্লিকা (এলিফ্যান্ট রোড), নাহার প্লাজা (সোনারগাঁও রোড), কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি (শান্তিনগর), মৌচাক মার্কেট (সিদ্ধেশ্বরী), সিটি হার্ট সুপার মার্কেট (কাকরাইল), ঈশা খাঁ শপিং কমপ্লেক্স (কাকরাইল), বঙ্গবাজার (ফুলবাড়িয়া), নিউ মার্কেট (মিরপুর রোড), ফার্মভিউ সুপার মার্কেট, আজিজ সুপার মার্কেট (শাহবাগ), পীর ইয়ামেনী শপিং সেন্টার (গুলিস্তান), বায়তুল মোকাররম মার্কেট (পুরানা পল্টন) ইত্যাদি।</p>



<h4 class="wp-block-heading"><strong>দর্শনীয়</strong>&nbsp;<strong>স্থান সমূহ</strong></h4>



<p>পার্ক, লেক, রিসোর্ট, চিড়িয়াখানা, পিকনিক স্পট, সুইমিং পুল, পুকুর, দিঘী, জাদুঘর আরো অনেক কিছু আছে ঢাকাতে দেখার জন্য। ঢাকা ঘুরতে হাতে অন্তত ৩ দিন সময় নিয়ে আসা উচিত। </p>



<h5 class="wp-block-heading">আলাদিন পার্ক</h5>



<p>ঢাকার ধামরাইরে বিনোদনকেন্দ্র হল এই আলাদীন পার্ক। যেখানে পিকনিক স্পট থেকে শুরু করে বড় ও ছোটদের নানান ধরণের বিনোদনের ব্যবস্থা।</p>



<h5 class="wp-block-heading">গ্রীন ভিউ রিসোর্ট</h5>



<p>ঢাকা উত্তরার মৈনারটেক গিয়ে সরাসরি গ্রীন ভিউ রিসোর্ট। চিড়িয়াখানা, পার্ক, গার্ডেন, নানান ধরণের পশু পাখি, বিশাল পুকুর, সুইমিংপুল এবং খেলার মাঠ যা ঢাকা শহরের সপ্তাহজুড়ে কর্মব্যস্ততার মানুষগুলো জন্য বিনোদনের অ্ন্যতম স্থান।</p>



<h5 class="wp-block-heading">শহীদ বরকত স্মৃতি জাদুঘর</h5>



<p>ঢাকার পলাশীতে জহুরুল হক হলের ভেতরে অবস্থিত এই শহীদ বরকত স্মৃতি জাদুঘর। স্বাধীনভাবে বাংলা ভাষায় কথা বললে যে নাম গুলো মনে তার মধ্যে অন্যতম নাম আবুল বরকত। তার স্মৃতি রয়েছে শহীদ বরকত স্মৃতি জাদুঘরে।</p>



<h5 class="wp-block-heading">&nbsp;যমুনা ফিউচার পার্ক</h5>



<p>ঢাকার বারিধারাতে অবস্থিত এই বাংলাদেশের বহুতল বিশিষ্ট বিপণী কেন্দ্র।</p>



<h5 class="wp-block-heading">জাহানারা ইমাম স্মৃতি জাদুঘর</h5>



<p>ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডে ৩৫৫ শহীদ জননী জাহানারা ইমাম সরণির কনিকা নামের বাসায় এই জাহানারা ইমাম স্মৃতি জাদুঘর। বাংলাদেশ একাধারে শিক্ষাবিদ, লিখকা, কথা সাহিত্যিক ও একাত্তরের ঘাত দালাল বিরোধী আন্দোলনের নেত্রী।</p>



<h5 class="wp-block-heading">রমনা পার্ক</h5>



<p>ঢাকার রমনায় অবস্থিত এই রমনা উদ্যান। বাঙ্গালীর ঐতিহ্য পহেলা বৈশাখের সকল আয়োজন প্রতি বছর এই রমনা পার্কে হয়ে থাকে।</p>



<h5 class="wp-block-heading">মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর</h5>



<p>ঢাকার আগারগাঁওতে সিভিক সেক্টর এফ-১১/এ-বি তে অবস্থিত এই দুর্লভ বস্তুর জাদুঘর।</p>



<h5 class="wp-block-heading">বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর</h5>



<p>ঢাকার বিজয় সরণিতে অবস্থিত এই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত জাদুঘর।</p>



<h5 class="wp-block-heading">টাকা জাদুঘর</h5>



<p>ঢাকার মিরপুর-২ তে অবস্থিত এই টাকা জাদুঘর।</p>



<h5 class="wp-block-heading">বুড়িগঙ্গা ইকো পার্ক</h5>



<p>ঢাকা জেলা যাত্রাবাড়ি শ্যামপুরের বুড়িগঙ্গায় এই ইকো পার্ক।</p>



<h5 class="wp-block-heading">বলধা গার্ডেন</h5>



<p>ঢাকা জেলার ওয়ারী এলাকায় এই উদ্ভিদ উদ্যান বলধা গার্ডেন অবস্থিত।</p>



<h5 class="wp-block-heading">জাতীয় স্মৃতিসৌধ</h5>



<p>ঢাকা জেলার সাভারে বাংলাদেশের স্মৃতিসৌধ তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সৈয়দ মাইনুল হোসেন নকশা গণকবর রয়েছে এই স্মৃতিসৌধে।</p>



<h5 class="wp-block-heading">ধানমন্ডি লেক</h5>



<p>ঢাকার ধানমন্ডিতে আবাসিক এলাকায় এই লেক অবস্থিত। এই লেকটা অনেক বড়। এখানে আপনি বোটে ঘুরতে পারবেন। </p>



<h5 class="wp-block-heading">হাতিরঝিল</h5>



<p>ঢাকার হাতিরঝিলে অবস্থিত এই হাতিরঝিল।</p>



<h5 class="wp-block-heading">জাতীয় জাদুঘর</h5>



<p>ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশেল জাতীয় জাদুঘর।</p>



<h5 class="wp-block-heading">গোলাপ গ্রাম সাদুল্লাহপুর</h5>



<p>ঢাকার সাদুল্লাপুরে এই গোলাপ গ্রাম অবস্থিত।</p>



<h5 class="wp-block-heading"><strong>বসুন্ধরা</strong> <strong>সিটি</strong></h5>



<p>ঢাকার পান্থপথে কারওয়ান বাজারে অবস্থিত এশিয়া অন্যতম বৃহত্তম শপিং মল।</p>



<h5 class="wp-block-heading">নন্দন পার্ক</h5>



<p>ঢাকার সাভার এ অবস্থিত এই নন্দন পার্ক। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম বিনোদনমূলক পার্ক।</p>



<h5 class="wp-block-heading">ফ্যান্টাসি কিংডম</h5>



<p>ঢাকার আশুলিয়া জামগড়া এলাকায় অবস্থিত এই বিনোদন পার্ক ফ্যান্টাসি কিংডম। পার্কটি ২০ একর জায়গা জুড়ে নানান ধরণের বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে।</p>



<h5 class="wp-block-heading">বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা</h5>



<p>ঢাকার মিরপুর-১ এ অবস্থিত এই বাংলাদেশের জাতীয় চিড়িয়াখানা। এটি বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি প্রতিষ্ঠান। যেখানে বাংলাদেশের সকল প্রাণী ও মৎস্য রয়েছে।</p>



<h5 class="wp-block-heading">ষাইট্টা বটগাছ</h5>



<p>ঢাকার মানিকগঞ্জগামী বাসে চড়ে টুলিভিটা এলাকায় অবস্থিত এই ষাইট্টা বটগাছ। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এই ষাইট্টা বটগাছ দুটিকে দেবতা মনে করেন।</p>



<h5 class="wp-block-heading">দিয়াবাড়ি</h5>



<p>ঢাকার উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরর দিয়াবাড়ি অবস্থিত দিয়া বাড়ি। এই দিয়া বাড়রি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনাকে বিমোহিত করবে।</p>



<h5 class="wp-block-heading">আপসাইড ডাউন</h5>



<p>ঢাকার লালমাটিয়ার সি ব্লকে এই আপসাইড ডাউন গ্যালারী। ইউলিউশনাল আর্ট গ্যালারী তে আপনি ভাসতে পারবেন, ছাদে হাটতে পারবেন। যা সত্যিই অলৌকিক বলে মনে হবে।</p>



<h5 class="wp-block-heading"><strong>চন্দ্রিমা</strong> <strong>উদ্যান</strong></h5>



<p>ঢাকার সংসদ ভবনের পাশে অবস্থিত চন্দ্রিমা উদ্যান। প্রতিদিন অসংখ্য দর্শনার্থী এই উদ্যানটি এবং লেকটি দেখতে আসেন।</p>



<h5 class="wp-block-heading"><strong>নকশীপল্লী</strong></h5>



<p>ঢাকার ভোলানাথপুরে এই নকশীপল্লী । এই নকশীপল্লী সময় কাটানোর জন্য চমৎকার।</p>



<h5 class="wp-block-heading"><strong>ওসমানী</strong> <strong>উদ্যান</strong></h5>



<p>ঢাকার গুলিস্তানে এই ওসমানী উদ্যান অবস্থিত।</p>



<h5 class="wp-block-heading">রাজা হরিশচন্দ্রের ঢিবি</h5>



<p>ঢাকার সাভারে অবস্থিত এই রাজা হরিশ্চন্দ্রের প্রাসাদ। রাজা হরিশচন্দ্রের ঢিবি, রাজা হরিশচন্দ্রের বাড়ি, রাজা হরিশচন্দ্রের ভিটা ইত্যাদি নামে পরিচিত।</p>



<h5 class="wp-block-heading">বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জাদুঘর</h5>



<p>ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত এই বাংলাদেশে বিমান বাহিনীর জাদুঘর।</p>



<h5 class="wp-block-heading">বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর</h5>



<p>ঢাকার বিজয় সরণিতে এই জাদুঘর অবস্থিত। এখানে সামরিক বিমান, যুদ্ধযান সহ অনেক কিছুর পূর্ববর্তী স্থাপনা আছে। </p>



<h5 class="wp-block-heading">মৈনট ঘাট</h5>



<p>ঢাকার দোহারে পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত এই পর্যটন আকর্ষণ মৈনট ঘাট। মিনি কক্সবাজার নামেও পরিচিত এই মৈনট ঘাট।</p>



<h4 class="wp-block-heading">ঐতিহাসিক স্থান</h4>



<h5 class="wp-block-heading">আহসান মঞ্জিলঃ</h5>



<p>ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে ইসলামপুরের কুমারটুলী এলাকায় অবস্থিত এই আহসান মঞ্জিল। বর্তমানে জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু এটি ছিল নবাবদের আবাসিক প্রাসাদ ও জমিদারীর সদর কাচারি।</p>



<h5 class="wp-block-heading">লালবাগ কেল্লাঃ</h5>



<p>ঢাকার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বুড়িগঙ্গার নদীর তীরে অবস্থিত এই অসমাপ্ত মুঘর দূর্গ। এটা পুরান ঢাকায় অবস্থিত। </p>



<h5 class="wp-block-heading">রোজ গার্ডেন প্যালেসঃ</h5>



<p>ঢাকা শহরের টিকাটুলি এলাকায় অবস্থিত একটি অন্যতম স্থাবর ঐতিহ্য। নাটক ও টেলিফিল্ম শুটিং স্পট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।</p>



<h4 class="wp-block-heading">স্থপত্য ও ভাস্কর্যঃ</h4>



<h5 class="wp-block-heading">নর্থব্রুক হল</h5>



<p>ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত এই নর্থবরুক হল। লালকুঠি নামেওর পরিচিত।</p>



<h5 class="wp-block-heading">জল্লাদখানা বধ্যভূমি</h5>



<p>ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত এই জল্লাদখানা বধ্যভূমি। এটি সবচেয়ে বড় বধ্যভূমিগুলোর একটি।</p>



<h5 class="wp-block-heading">কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার</h5>



<p>ঢাকার মেডিকেল কলেজজের বপিপ্রাঙ্গণে অবস্থিত এই বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। বাংলা ভাষার জন্য ১৯৫২সালে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।</p>



<h5 class="wp-block-heading">অপরাজেয় বাংলা</h5>



<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা ভবনের সামনে অবস্থিত একটি ভাস্কর্য।</p>



<h5 class="wp-block-heading">জাতীয় সংষদ ভবন</h5>



<p>ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত এই জাতীয় সংসদ ভবন।</p>



<h5 class="wp-block-heading">কার্জন হল</h5>



<p>রাজধানীতে অবস্থিত এই কার্জন হল। ঐতিহাসিক ভবন যা পুরাকীর্তি এই কার্জন হল।</p>



<h5 class="wp-block-heading">সোহরাওয়ার্দী উদ্যান</h5>



<p>ঢাকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। পূর্বে রেসকোর্স ময়দান নামে পরিচিত ছিল। বিট্রিশ সৈন্যদের সামরিক ক্লাব িএখানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।</p>



<h5 class="wp-block-heading">জিঞ্জিরা প্রাসাদ</h5>



<p>ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর পাশে অবস্থিত এই জিঞ্জিরা প্রাসাদ। এই প্রাসাদে বন্দী করে রেখেছিল সিরাজদ্দৌল্লার স্ত্রী লুৎফুন্নেছা এবং তার শিশুকন্যাকে।</p>



<h5 class="wp-block-heading">হোসেনী দালান</h5>



<p>ঢাকার বকশীবাজারে অবস্থিত এটি শিয়া উপাসনালয় এবং কবরস্থান।</p>



<h5 class="wp-block-heading">বিউটি বোর্ডিং</h5>



<p>ঢাকার বাংলা বাজার ১নং শ্রীশদাস লেনে অবস্থিত এই বিউটি বোর্ডিং।&nbsp; এই বিউটি বোর্ডিং দোতলা পুরাতন বাড়ি যার সাথে বাঙালির শিল্প-সংস্কৃতির ইতিহাস জড়িত।</p>



<h4 class="wp-block-heading">&nbsp;ধর্মীয় নিদর্শনঃ</h4>



<h5 class="wp-block-heading">বায়তুল মোকাররম মসজিদ</h5>



<p>ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে পল্টনে অবস্থিত এই বায়তুল মোকাররম মসজিদ। এর স্থাপত্যশৈলী অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন।</p>



<h5 class="wp-block-heading">তারা মসজিদ</h5>



<p>ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত। সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকে।</p>



<h5 class="wp-block-heading">মুসা খান মসজিদ</h5>



<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্জন হলে পাশে অবস্থিত এই মুসা খাঁর মসজিদ।</p>



<h5 class="wp-block-heading">সাত গম্বুজ মসজিদ</h5>



<p>ঢাকা মোহাম্মদপুরে অবস্থিত এই সাত গম্বুজ মসজিদটি। এটি মুঘল সাম্রাজ্য মুঘর আমলের অন্যতম নিদর্শন।</p>



<h5 class="wp-block-heading">গুরুদুয়ারা নানকশাহী</h5>



<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনের পাশে অবস্থিত এই গুরুদুয়ারা নানকশাহী। এটি শিখ ধর্মের উপসনালয়।</p>



<h5 class="wp-block-heading">ঢাকেশ্বরী মন্দির</h5>



<p>ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে ঢাকা নামটি নামকরণ হয়। ঢাকার পলাশী ব্যারাক এ অবস্থিত ঢাকেশ্বরী মন্দির।</p>



<h4 class="wp-block-heading">দর্শনীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ</h4>



<h5 class="wp-block-heading">জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়</h5>



<p>ঢাকার সদরগাটে অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। </p>



<h5 class="wp-block-heading">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়</h5>



<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে পূর্বে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে স্বীকৃতি পায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষত্ব হলো বাংলাদেশ স্বাধীন করতে এর বিশেষ অবদান ছিল।</p>



<h5 class="wp-block-heading">জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়</h5>



<p>ঢাকার সাভারে অবস্থিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। এই  বিশ্ববিদ্যালয় অনেক বড় এবং প্রাকৃতিক ভাবে অনেক সুন্দর। অনেকেই এখানে ঘুরতে আসেন প্রকৃতি দেখার জন্য।</p>



<h4 class="wp-block-heading">ঐতিহাসিক সমাধিসমূহঃ</h4>



<ul class="wp-block-list"><li>বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের সমাধি</li><li>বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের সমাধি</li><li>তিন নেতার মাজার</li></ul>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/dhaka/">ঢাকার ভ্রমণ গাইড</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/dhaka/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঢাকা থেকে বরিশাল</title>
		<link>https://sicgroup.ae/barisal/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/barisal/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Oct 2022 05:19:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bangladesh Tour]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sictourbd.com/?p=2029</guid>

					<description><![CDATA[<p>“আইতে শাল যাইতে শাল তার নাম বরিশাল” বরিশাল শহরে আপনাকে আমন্ত্রণ। বরিশাল বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর শহর। কীর্তনখোলা নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরের প্রাচীন নাম চন্দ্রদ্বীপ।<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/barisal/">ঢাকা থেকে বরিশাল</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p class="has-text-align-center">“আইতে শাল যাইতে শাল তার নাম বরিশাল” বরিশাল শহরে আপনাকে আমন্ত্রণ।</p>



<p>বরিশাল বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর শহর। কীর্তনখোলা নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরের প্রাচীন নাম চন্দ্রদ্বীপ। দেশের খাদ্যশস্য উৎপাদনের একটি মূল উৎস এই বরিশাল। দেশের প্রাচীন ও ২য় বৃহত্তম ও গুরুত্বপূর্ণ একটি নদীবন্দর রয়েছে। বরিশালে প্রচলিত একটি ১২ নদী ১৩ খাল তারই নাম বরিশাল। বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। জালের মত ছেঁয়ে আছে পুরা দেশকে। বরিশালে রয়েছে উল্লেখ্য নদীসমূহ- কীর্তনখোলা, মেঘলা, ধানসিঁড়ি ইত্যাদি। বরিশাল ১৪টি থানা রয়েছে, ১০টি উপজেলা রয়েছে। সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে প্রায় হাজার দু-এক।</p>



<h4 class="wp-block-heading" id="h-য-ভ-ব-য-ব-ন">যেভাবে যাবেন</h4>



<p>আপনি যে এলাকা থেকে ‍বরিশাল আসতে চান সে এলাকার বাস টার্মিনাল অথবা লঞ্চ টারমিনাল অথবা রেল স্টেশনে ট্রেনের খোঁজ নিবেন। আমাদের ওয়েবসাইট ঢাকা থেকে বরিশাল যাবার বাস কাউন্টার লোকেশন এবং ফোন নাম্বার, বাসের ভাড়া, বাসের ধরণ (এসি / নন-এসি) এবং সক্ষিপ্ত ইতিহাস দেয়া হল।<br><strong>এসি/নন-এসি বাস সমূহঃ </strong><br><a href="https://sictourbd.com/shakura-paribahan/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">সাকুরা পরিবহন</a>  <br><a href="https://sictourbd.com/greenline-paribahan/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">গ্রীন লাইন</a>  <br><a href="https://sictourbd.com/surovi-paribahan/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">সুরভী পরিবহন</a> <br><a href="https://sictourbd.com/hanif-paribahan/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">হানিফ পরিবহন</a><br>বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ভাড়ার আপডেট পেতে বাসের কাউন্টারে ফোন দিয়ে ভাড়া জেনে নিবেন। </p>



<p>এছাড়া <strong>ঢাকা থেকে প্লেনে</strong> যেতে পারেন। <a href="https://usbair.com/" target="_blank" rel="noreferrer noopener">ইউ-এস বাংলা এয়ারলাইন্স</a> এর সরাসরি বরিশালে ফ্লাইট আছে সকাল ৮টা এবং বিকেল ৪ঃ৩০ মিনিটে। ভাড়া পরবে ৫৫০০ টাকার মত। </p>



<p><strong>লঞ্চে যেতে চাইলে</strong> আপনাকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে যেতে হবে। MV Green Line সকাল ৮ টায় রওনা দেয়। ভাড়া ১০০০ টাকার মত। ৬ ঘন্টা লাগবে পৌঁছাতে। ঢাকার কাউন্টার নাম্বারঃ 01730-060004, 01730-060071, 01730-060072, 01730-060073 | বরিশাল কাউন্টার নাম্বারঃ 01730-060076, 01730-060077, 01730-060078, 01730-060079</p>



<p>এছাড়া আরো অন্যান্য লঞ্চ আছে যাদের ভাড়া ৪০০ টাকা থেকে শুরু। </p>



<h4 class="wp-block-heading">যেখানে রাত্রিযাপন</h4>



<ul class="wp-block-list"><li>৫০০ টাকার রুম থেকে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট অবধি ভাড়া পাবেন। তন্মধ্যে হোটেল গ্রান্ড পার্ক (0431-71508), হোটেল সেডোনা (01705293878), হোটেল এ্যাথেনা ইন্টারন্যাশনাল (01712261633), হোটেল রোদেলা (01711-333081), হোটেল আল জাজিরা (01740880825), হোটেল গ্রান্ট প্লাজা (01917-450088), হোটেল হক ইন্টারন্যাশনাল (01792151191) &nbsp;ইত্যাদি হোটেল রয়েছে।</li></ul>



<h4 class="wp-block-heading">যেখানে খাবেন</h4>



<ul class="wp-block-list"><li>বরিশালের খাবার &gt;&gt;&gt; সদর গার্লসের সামনের নাজেমের বিরিয়ানী ও ফিরনী, বড় বাজারের আলতাফ হোটেলের খাবার, জিলা স্কুল মোড়ের তেতুলতলা টংয়ের খাবার, গৌরনদীর শচীন ঘোষের মিষ্টি, বটতলার শশী মিষ্টান্ন ভান্ডারের মিষ্টি, &nbsp;নতুন বাজারের নিতাইয়ের মিষ্টি, বিএম কলেজ রোডের অপূর্বর চা, &nbsp;কালিবাড়ী রোডের সুভাষের পটল চপ, লেচু শাহ মাজারের সামনে দই ঘরের দই। এছাড়া মাখন, ঘোল, দধি, মোটা চালের মুড়ি, চিড়া মিক্স, গুঠিয়ার সন্দেশ, বড় বাজারের বলাকা হোটেলের আলুর চপ, ফেরীঘাটের বড় পরোটা, ফলপট্টি মোড়ের আলু চপ, গীর্জা মহল্লার আকাশ হোটেলের কালোভুনা, লঞ্চঘাটের কুমিল্লার ডালখাসি, ফেরীঘাটের মায়ের দোয়া হোটেলের ভর্তা, আম্বিয়া হাসপাতালের সামনের অধীর মামার চা, সর্ষিনার ফয়সালের আচার (পথে ঘাটে দেখা পাওয়া পায়), চাঁনমারী মোড়ের মাখন রুটি, &nbsp;টাউহহলেস সামনের সিংঙ্গারা ও সমুচা, &nbsp;নতুন বাজারের ওয়াহিদ ভাইয়ের কেক (অর্ডর), হক এর মিষ্টি ইত্যাদি খাবার বরিশালের ঐতিহ্য খাবার।</li><li>বরিশাল শহরে দু’কদম হাটলেই &nbsp;বিভিন্ন রেষ্টুরেন্ট, ক্যাফে, হোটেলে খাবার জুটে।</li></ul>



<h4 class="wp-block-heading">দর্শনীয় স্থান সমূহের মধ্যে রয়েছে</h4>



<h5 class="wp-block-heading">গুঠিয়া মসজিদঃ</h5>



<p>বরিশাল-বানারীপাড়া সড়ক ধরে গেলেই উজিরপুর উপজেলা। সড়কের পাশে গুঠিয়ার চাংগুরিয়া গ্রাম। এর দক্ষিণে বৃহৎ মসজিদ।</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="1024" height="728" src="https://sictourbd.com/wp-content/uploads/2022/10/Guthia-Mosque.jpg" alt="" class="wp-image-2045" srcset="https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/Guthia-Mosque.jpg 1024w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/Guthia-Mosque-300x213.jpg 300w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/Guthia-Mosque-768x546.jpg 768w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/Guthia-Mosque-205x146.jpg 205w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/Guthia-Mosque-50x36.jpg 50w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/10/Guthia-Mosque-105x75.jpg 105w" sizes="auto, (max-width: 1024px) 100vw, 1024px" /></figure>



<h5 class="wp-block-heading">শংকর মঠঃ</h5>



<p>বরিশাল শহর নতুন বাজার এলাকায় শংকর মঠের অবস্থান। এটি স্বামী প্রজ্ঞানানন্দ সরস্বতী শ্রী শ্রী শংকর মঠ নামের এই আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন ১৯১২ সালে।</p>



<h5 class="wp-block-heading">বিবির পুকুরঃ</h5>



<p>বরিশাল শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত এক ঐতিহ্যবাহী জলাশয়ের নাম বিবির পুকুর। বরিশালে লঞ্চ ঘাট বা বাস স্ট্যান্ড পৌঁছে রিকশা দিয়ে নগরীর সদর রোডের পূর্ব পাশে অবস্থিত বিবির পুকুর দেখতে যেতে পারবেন।</p>



<h5 class="wp-block-heading">মিয়াবাড়ি জামে মসজিদঃ</h5>



<p>বরিশাল শহরের কড়াপুরে মিয়াবাড়ি জামে মসজিদ। এটি বরিশাল জেলার সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৮ শতাব্দীতে এই সমজিদটি নির্মাণ করেন। বরিশাল শহরের হাতেম আলী কলেজ সংলগ্ন চৌমাথা থেকে প্রায় ৯ কি.মি দূরত্বে অবস্থিত এই মিয়াবাড়ি মসজিদ।</p>



<h5 class="wp-block-heading">লাকুটিয়া জমিদার বাড়িঃ</h5>



<p>বরিশাল লাকুটিয়া গ্রামে অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। লাখুটিয়া জিমদা বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছিল ১৬ কিংবা ১৭ শতাব্দীতে। বসবাসের জন্য দ্বিতল বিশিষ্ট একটি প্রাসাদ রয়েচে। এছাড়া একটি মঠ, দিঘী ও মাঠ রয়েছে।</p>



<h5 class="wp-block-heading">ভাসমান পেয়ারা বাজারঃ</h5>



<p>বরিশাল শহরের কুড়িয়ানা বাজারের অবস্থিত এই জুলাই, আগস্ট, পেয়ারার মৌসুম হলেও মাঝে মাঝে সেপ্টম্বরে পর্যন্ত বাজার চলে। সকাল ১১টা অবধি এই বাজারে সমাগম বেশি থাকে। পানিতে ভেসে ভেসে বাজার করতে হয়।</p>



<h5 class="wp-block-heading">শাপলা গ্রাম, সাতলাঃ</h5>



<p>বরিশাল শহরের শাপলা গ্রাম সাতলা যেন িএক শাপলার রাজ্য। ১০ হাজার একর জলাভূমিতে শাপলার চাষ করা হয়। শাপলা গ্রামের প্রায় ৭০% অধিবাসীই শাপলা চাষ ও শাপলা বিপণনের সাথে যুক্ত থাকেন।</p>



<h5 class="wp-block-heading">কলসকাঠী জমিদার বাড়িঃ</h5>



<p>বাকেরগঞ্জ থেকে ৩ কি.মি দূরত্ব কলসকাঠী জমিদার বাড়ি।&nbsp; বরিশাল বাকেরগঞ্জ উপজেলার অবস্থিত। কলসকাঠী একটি প্রাচীন জনপদ। বাকেরগঞ্জ উপজেলা সদরের সাহেবগঞ্জ খেয়া পার হয়ে মোটর সাইকেল রিকশা বা ভ্যান যোগে কলসকাঠী বাজারে আগে জমিদার বাড়িটির অবস্থান।</p>



<h5 class="wp-block-heading">কসবা সমজিদ গৌরনদী</h5>



<p>বরিশাল শহরের কসবা মসজিটি গৌরনদী উপজেলায় কসবা গ্রামে অবস্থিত। বরিশালের ঐতিহ্য মসজিদগুলো মধ্যেও এটি। টরকী বন্দর বাস স্ট্যান্ড নেমে হেটে বা রিক্সায় যাওয়া যায় কসবা মসজিদ গৌরনদীতে।</p>



<h5 class="wp-block-heading">হযরত মল্লিক দূত কুমার শাহ (রাঃ) এর মাজারঃ</h5>



<p>বরিশাল শহরের টরকী বন্দর বাস স্ট্যান্ড নেমে হেটে যাওয়া যায় হযরত মল্লিক দূত কুমার শাহ (রাঃ) এর মাজারে। এই দূত মাজার মল্লিক পীর সাহেব (রাঃ) এর।</p>



<h5 class="wp-block-heading">উলানীয়া জমিদার বাড়িঃ</h5>



<p>বরিশাল শহরের উলানিয়া গ্রামে অবস্থিত এক চৌধুরী বাড়ি যা জমিদার বাড়ি হিসেবে পরিচিত। এটি ১৭ শতাব্দীর ঐতিহ্যবাড়ী জমিদার বাড়ি।</p>



<h5 class="wp-block-heading">চরামদ্দী মুঙ্গাখাঁন জামে মসজিদঃ</h5>



<p>বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ নতুন তৈরীকৃত ভোলার রাস্তা হয়ে যেহে হয় এই চরামদ্দী মুঙ্গাখাঁন জামে মসজিদে। মসজিদটি মুঘল স্থাপত্য নিদর্শনে তৈরি। মুঙ্গা খাঁ নামীয় ধনাঢ্য ব্যবসায়ী একজন দরবেশের অনুপ্রেরণায় মসজিদটি নির্মাণ তৈরি করেন।</p>



<h5 class="wp-block-heading">চাঁদশী ঈশ্বর চঁন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ</h5>



<p>বরিশাল জেলার চাঁদশী ঈশ্বর চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয় অবস্থিত।</p>



<h5 class="wp-block-heading">সফিপুর ইউনিয়নের হিজল তলার বিলঃ</h5>



<p>বরিশাল জেলার সফিপুর নামতে হবে। মুলাদী থেকে দূরত্ব ৩৫ কি.মি দূরত্ব হিজল তলার বিল।</p>



<h5 class="wp-block-heading">অক্সফোর্ড মিশন বিদ্যালয়ঃ</h5>



<p>বরিশাল শহরের বগুড়াগামী রোডে অবস্থিত এই অক্সফোর্ড মিশন চার্চ। বরিশাল শহর থেকে ২০ টাকা ভাড়া দিয়ে যেতে অক্সফোর্ড মিশন এলাকায়। সিএনজি, অটোরিক্সা ও রিক্সা যোগে যাতায়াত করা যায়।</p>



<h5 class="wp-block-heading">দুর্গাসাগারঃ</h5>



<p>বরিশাল শহর হতে ১২ কি.মি দূরতে অবস্থিত এই দুর্গাসাগর দিঘী।</p>



<h5 class="wp-block-heading">কীর্তনখোলা নদীঃ</h5>



<p>কীর্তনখোলা নদীর তীরে বরিশাল নৌ বন্দর অবস্থিত, যা বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম নদী বন্দর।</p>



<p></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/barisal/">ঢাকা থেকে বরিশাল</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/barisal/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>Sitakunda</title>
		<link>https://sicgroup.ae/sitakunda/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/sitakunda/#comments</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 27 Dec 2022 04:36:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bangladesh Tour]]></category>
		<category><![CDATA[BD Exclusive]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://sictourbd.com/?p=2120</guid>

					<description><![CDATA[<p>একদিনে সীতাকুণ্ড ভ্রমণ: চন্দ্রনাথ পাহাড়, খৈয়াছড়া ঝর্ণা এবং গুলিয়াখালী অপরূপ প্রাকৃতিক সৌর্নয্যের লীলাভূমি চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড (9.81-2065) উপজেলা ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ভ্রমণ গন্তব্য। এখানে<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/sitakunda/">Sitakunda</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<h3 class="wp-block-heading" id="h-একদ-ন-স-ত-ক-ণ-ড-ভ-রমণ-চন-দ-রন-থ-প-হ-ড-খ-য-ছড-ঝর-ণ-এব-গ-ল-য-খ-ল"><strong>একদিনে সীতাকুণ্ড ভ্রমণ: চন্দ্রনাথ পাহাড়, খৈয়াছড়া ঝর্ণা এবং গুলিয়াখালী</strong></h3>



<p></p>



<p>অপরূপ প্রাকৃতিক সৌর্নয্যের লীলাভূমি চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড (9.81-2065) উপজেলা ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ভ্রমণ গন্তব্য। এখানে রয়েছে অনেক গুলো জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো চন্দ্রনাথ পাহাড়, মহামায়া লেক, গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত, কুমিরা ঘাট, বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত, ঝরঝরি ঝর্ণা ট্রেইল, কমলদহ বর্ণা ট্রেইল এবং সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক।</p>



<p>রাজধানী ঢাকা, কুমিল্লা, নরসিংদী, ফেনী, চট্টগ্রাম বা তার আশপাশ থেকে সহজেই একদিনে সীতাকুণ্ড ঘুরে ফিরে আসা যায়। যদিও একদিনে সীতাকুন্ডের সব জায়গা ঘুরে দেখা সম্ভব না। তবে ডে ট্যুর হিসেবে চন্দ্রনাথ পাহাড়, খৈয়াছড়া ঝর্ণা এবং গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত সিংহভাগ ভ্রমণকারীদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। যদিও খৈয়াছড়া ঝর্না মিরসরাই উপজেলায় পরেছে কিন্তু সীতাকুন্ড থেকে কাছে হওয়ায় এবং একদিনে পাহাড়, ঝর্ণা ও সমুদ্র এই দিন ধরণের প্রকৃতির ভ্রমণ অভিজ্ঞতার জন্যে খৈয়াছড়া ঝর্ণাও আমাদের এই ট্যুর প্ল্যানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ডে ট্রিপের জন্যে আপনি চাইলে আপনার মত করে সীতাকুণ্ডের অন্যান্য জায়গা ভ্রমণের জন্যে নির্বাচন করতে পারেন।</p>



<p></p>



<h4 class="wp-block-heading"><strong>কিভাবে যাবেন?</strong></h4>



<p>ঘোরাঘুরির জন্য সম্পূর্ন একদিন হাতে পেতে রাতে বেলা ট্রেন বা বাসে সীতাকুণ্ডের উদ্দেশ্যে রওনা দিন। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী বাসে সরাসরি সীতাকুণ্ড যাওয়া যায়। সায়েদাবাদ, ফকিরাপুল, মহাখালি বাস স্ট্যান্ড হতে এস আলম, শ্যামলি, সৌদিয়া, ইউনিক, হানিফ, ঈগল ও এনা সহ বিভিন্ন পরিবহনের এসি/নন-এসি বাস চলাচল করে। নন-এসি বাসে জনপ্রতি টিকেটের মূল্য ৪২০ থেকে ৪৮০ টাকা এবং এসি বাসের টিকেট মূল্য ৮০০ থেকে ১১০০ টাকা।</p>



<p>ঢাকা থেকে ট্রেনে সীতাকুণ্ড যেতে চাইলে আপনাকে ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে নেমে সেখান থেকে ১০-১৫ টাকা রিক্সা/অটো দিয়ে ফেনী মহিপাল বাস স্ট্যান্ড যেতে হবে। মহিপাল বাস স্ট্যান্ড হতে ৫০-৮০ টাকা ভাড়ায় লোকাল বাসে চড়ে সীতাকুন্ড যেতে পারবেন। তবে রাত ১০ টা ৩০ মিনিটে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন হতে মেইল ট্রেনে জনপ্রতি ১২০ টাকা ভাড়ায় সরাসরি সীতাকুণ্ড যেতে পারবেন। এক্ষেত্রে সিট পেতে চাইলে আপনাকে অনেক আগে থেকেই ট্রেনে বসে থাকতে হবে।</p>



<p>অথবা অন্য কোন জেলা থেকে আসতে চাইলে এমন ভাবে সীতাকুন্ড চলে আসুন যেন সকাল সকাল সীতাকুন্ড চলে আসতে পারেন। এতে করে সারাদিন ঘুরে বেড়াবার সময় হাতে থাকবে৷</p>



<h4 class="wp-block-heading"><strong>কিভাবে ঘুরবেন</strong></h4>



<p>এই তিনটি জায়গা ডে ট্যুর এর জন্যে সবচেয়ে ভাল হবে প্রথমে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে চলে গেলে, তারপর সেখান থেকে খৈয়াছড়া ঝর্না দেখে বিকেলে গুলিয়াখালি ভ্রমণের জন্যে সময় রাখলে।</p>



<p>সীতাকুণ্ড বাজারে সকালের নাস্তা সেরে জনপ্রতি ২০ টাকা সিএনজি ভাড়ায় চলে যান প্রথম গন্তব্য চন্দ্রনাথ পাহাড়ের পাদদেশে। চন্দ্রনাথ পাহাড়ের চুড়ায় আছে এ্তিহাসিক চন্দ্রনাথ মন্দির। হিন্দু ধর্মালম্বী দর্শনার্থীদের পাশাপাশি সকল ধর্মের ভ্রমণকারী মন্দির দর্শনের সাথে সাথে এই পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন। পাহাড়ে উঠার সময় অবশ্যই সাথে করে পানি, স্যালাইন, শুকনো খাবার এবং ছোট বাঁশ নিয়ে নিবেন। কারণ পাহাড়ের উপরে কোন কিছু কিনতে চাইলে প্রায় দ্বিগুণ অর্থ ব্যয় করতে হবে। আর চন্দ্রনাথ পাহাড় চূড়ায় উঠতে প্রায় ১ ঘন্টা ৩০ মিনিটের মত সময় লাগবে।</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="765" height="408" src="https://sictourbd.com/wp-content/uploads/2022/12/candranath.jpg" alt="" class="wp-image-2122" srcset="https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/candranath.jpg 765w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/candranath-300x160.jpg 300w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/candranath-260x139.jpg 260w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/candranath-50x27.jpg 50w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/candranath-141x75.jpg 141w" sizes="auto, (max-width: 765px) 100vw, 765px" /><figcaption class="wp-element-caption">চন্দ্রনাথ পাহাড়</figcaption></figure>



<p>চন্দ্রনাথ পাহাড় থেকে তারপরের গন্তব্য ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের দূরত্বে রয়েছে আরেক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার খৈয়াছড়া ঝর্ণা। চন্দ্রনাথ পাহাড় থেকে সীতাকুণ্ডে ফিরে লোকাল বাসে চড়ে ২০ টাকা ভাড়ায় চলে যান মিরসরাইয়ের বড়তাকিয়া বাজারের কাছে খৈয়াছড়া আইডিয়াল স্কুলের সামনে। আইডিয়াল স্কুলের কাছে ১০০ টাকা সিএনজি ভাড়ায় খৈয়াছড়া ঝর্ণার ঝিরির কাছে যাওয়া যায়। আপনি না চিনলে বাসে হেল্লারকে বলুন খৈয়াছড়া ঝর্ণায় যাবেন। বাসের হেল্লার আপনাকে আপনাকে বর্ণায় যাবার রাস্তায় নামিয়ে দিবে। খৈয়াছড়া ঝর্ণার ১৩ টি ধাপ যেন একেক রকম মুগ্ধতার পসরা সাজিয়ে দর্শনার্ঘাদের আকৃষ্ট করতে ব্যস্ত। ঝর্ণার সবগুলো ধাপ দেখতে বেশ সময় লাগে তাই একদিনের ভ্রমণে আপনার আর কোন স্থানে যাওয়ার পরিকল্পনা না থাকলে অন্য ধাপগুলো দেখার চেষ্টা করতে পারেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই যথেষ্ট শারীরিক সামর্ঘ্য দরকার। আর চাইলে বর্ণায় যাবার পথে স্থানীয় খাবারের হোটেলগুলোর কোন একটিতে আপনার পছন্দের খাবারের অর্ডার করে যেতে পারবেন।</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="779" height="526" src="https://sictourbd.com/wp-content/uploads/2022/12/Khoiyachora.jpg" alt="" class="wp-image-2124" srcset="https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/Khoiyachora.jpg 779w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/Khoiyachora-300x203.jpg 300w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/Khoiyachora-768x519.jpg 768w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/Khoiyachora-216x146.jpg 216w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/Khoiyachora-50x34.jpg 50w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/Khoiyachora-111x75.jpg 111w" sizes="auto, (max-width: 779px) 100vw, 779px" /><figcaption class="wp-element-caption">খৈয়াছড়া ঝর্ণা</figcaption></figure>



<p>যদি খৈয়াছড়া ঝর্ণার এক বা দুইটি ধাপ দেখে চলে আসেন সেক্ষেত্রে ফিরে আসার সময় স্থানীয় হোটেলগুলোতে দুপুরের খাবার খেয়ে সীতাকুণ্ডে ফিরে আসুন। অথবা হাতে সময় থাকলে খৈয়াছড়ায় খাবার না খেয়ে সীতাকুণ্ড বাজারে খাবার খেতে পারেন। দুপুরের খাবার খেয়ে বেরিয়ে পড়ুন সীতাকুণ্ড থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দুরে থাকা প্রকৃতির আরেক বিস্বয় গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতের উদ্দেশ্যে। সীতাকুন্ডের বাস স্ট্যান্ড ব্রীজের নিচ থেকে সরাসরি সিএনজি/অটো নিয়ে গুলিয়াখালি বীচের বাঁধ পর্যন্ত চলে যেতে পারবেন। একদিকে সবুজ ঘাসের সৈকত আর অন্য দিকে উত্তাল সাগরের গর্জন এখানে মিলেমিশে একাকার। আর গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত দেখে যেকোন সৌন্দর্য প্রেমী মানুষ মুগ্ধ হতে বাধ্য।</p>



<figure class="wp-block-image size-full"><img loading="lazy" decoding="async" width="770" height="420" src="https://sictourbd.com/wp-content/uploads/2022/12/guliakhali-sea-beach.jpg" alt="" class="wp-image-2123" srcset="https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/guliakhali-sea-beach.jpg 770w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/guliakhali-sea-beach-300x164.jpg 300w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/guliakhali-sea-beach-768x420.jpg 768w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/guliakhali-sea-beach-260x142.jpg 260w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/guliakhali-sea-beach-50x27.jpg 50w, https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2022/12/guliakhali-sea-beach-138x75.jpg 138w" sizes="auto, (max-width: 770px) 100vw, 770px" /><figcaption class="wp-element-caption">গুলিয়াখালি সি বিচ</figcaption></figure>



<h4 class="wp-block-heading"><strong>সীতাকুন্ড থেকে গুলিয়াখালী</strong></h4>



<p>সীতাকুন্ডের বাস স্ট্যান্ড ব্রীজের নিচ থেকে সরাসরি সিএনজি/অটো নিয়ে গুলিয়াখালি বীচের বাঁধ পর্যন্ত চলে যেতে পারবেন। গুলিয়াখালি বীচের বাঁধ পর্যন্ত জনপ্রতি অটো ভাড়া নিবে ৩০ টাকা, আর অটো রিজার্ভ নিয়ে যেতে চাইলে ভাড়া লাগবে ১৫০-২০০ টাকা। ভাড়ার পরিমাণ অবশ্যই দরদাম করে ঠিক করবেন। সীতাকুণ্ড ফিরে আসার জন্যে আগে থেকেই সিএনজি চালকের নাম্বার নিয়ে রাখতে পারেন। অথবা যাওয়া আসা সহ রিজার্ভ করে নিতে পারেন। সন্ধ্যা হয়ে গেলে অনেক সময় ফিরে আসার সময় সিএনজি/অটো পাওয়া যায় না।</p>



<p>গুলিয়াখালীর রূপ দেখে সীতাকুণ্ডে ফিরে আসুন। সীতাকুণ্ড হতে ঢাকায় আসার প্রায় সকল পরিবহণের বাস পাবেন। আর যদি ট্রেনে ঢাকা ফিরতে চান তবে ট্রেনের সিডিউলের সাথে সময় মিলিয়ে চলে আসুন ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে। আর যদি আপনার গন্তব্য অন্য কোথাও হয় তাহলে যেভাবে গেলে সবচেয়ে ভাল হবে চলে যান আপনার গন্তব্যে।</p>



<h4 class="wp-block-heading"><strong>ভ্রমণ খরচ</strong></h4>



<p>এই ডে ট্রিপে কত খরচ হবে আ স্বাভাবিক ভাবেই আপনি বা আপনাদের উপরেই নির্ভর করবে। খাওয়া দাওয়া এবং যাতায়াতই মূলত এই ট্রিপের মূল খরচ। আর একসাথে গ্রুপ করে গেলে স্বাভাবিক ভাবেই খরচ কিছুটা কমে যাবে। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা যাওয়ার সময় লোকাল সিএনজি/ট মট ম/ইজিবাইক ব্যবহার করলেও খরচ কম লাগবে। এছাড়া আপনারা যদি একসাথে ৪-৫ জন হন তাহলে যাতায়াতের জন্যে সিএনজি রিসার্ভ করে নিতে পারেন, এতে সময় বেঁচে ষাবে। ঢাকা থেকে ঘুরে দেখার একটা আনুমানিক খরচের হিসেব নিচে দেওয়া হলো। এবং ধরে নিচিহ আপনারা একসাথে ৪-৫ জন ভ্রমণ করতে যাবেন। এখান থেকে ধারণা করতে পারবেন কেমন খরচ হতে পারে।</p>



<p><strong>কম খরচে ও বাজেট ভ্রমণ করতে চাইলে:</strong></p>



<p>ঢাকা নন এসি বাসে যাওয়া ও আসা _ ৪৫০ ২ &#8211; ৯০০ টাকা জনপ্রতি<br>সকালের নান্তা &#8211; ৫০ টাকা জনপ্রতি</p>



<p>দুপুরের খাবার &#8211; ১২০ টাকা জনপ্রতি</p>



<p>জায়গা গুলোতে যাতায়াত &#8211; ২০০ টাকা জনপ্রতি (৪ জন গ্রুপ হিসেবে)<br>অন্যান্য টুকিটাকি খরচ &#8211; ১০০টাকা</p>



<p>তাহলে সর্বমোট খরচ জনপ্রতি ১৩৫০ টাকা। সময় অবস্থা এবং আপনাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী এই খরচ কম বেশি হতে পারে। যেমন চাইলে খাওয়া দাওয়ার জন্যে আপনি যেমন আরও বেশি খরচ করতে পারবেন তেমনি চাইলে আরও কমাতেও পারবেন। ট্রেনে গেলে যাওয়া আসার খরচ ও কমে যাবে যেদিও ট্রেনে যাওয়া আসা করতে গেলে কষ্ট হবে)। আরামে যেতে চাইলে এসি বাসেও যাওয়া আসা করতে পারেন, সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই খরচ বেড়ে যাবে।</p>



<h4 class="wp-block-heading"><strong>সতর্কতা</strong></h4>



<p>পাহাড় ও বর্ণা ভ্রমণে অবশ্যই আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে। পাহাড়ে উঠার জন্যে এবং ঝর্ণার ট্রেইলে যাওয়ার জন্যে যথেষ্ট মানসিক ও শারিরিক শক্তি থাকা প্রয়োজন। চন্দ্রনাথ পাহাড়ে ও ঝর্ণায় ছোট বাচচা কিংবা বয়ফ্ক কাউকে নিয়ে যাওয়া উচিত নয়। প্রতিটি জায়গা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য ও পরামর্শ জানার জন্যে সেই জায়গা গুলোর ভ্রমণ গাইড পড়ে নিন।</p>



<p></p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe loading="lazy" title="Thailand Tour Part 02 : Phuket Tour September 2022 (Day 1)" width="1220" height="686" src="https://www.youtube.com/embed/mimz656hUW4?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/sitakunda/">Sitakunda</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/sitakunda/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>2</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
