<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Bandarban Archives - SIC Group</title>
	<atom:link href="https://sicgroup.ae/category/bandarban/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://sicgroup.ae/category/bandarban/</link>
	<description>Business of Excellence</description>
	<lastBuildDate>Tue, 11 Oct 2022 09:20:46 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.3</generator>

<image>
	<url>https://sicgroup.ae/wp-content/uploads/2023/11/cropped-SIC-32x32.png</url>
	<title>Bandarban Archives - SIC Group</title>
	<link>https://sicgroup.ae/category/bandarban/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>কির্সতং</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a6%82/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a6%82/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Oct 2020 07:31:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bandarban]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1222</guid>

					<description><![CDATA[<p>কির্সতং (Kirs Taung) এর অবস্থান চিম্বুক রেঞ্জে যার উচ্চতা আনুমানিক ২৯৮৯ ফুট। কির্সতং নামটি আদতে মারমা শব্দ যা এসেছে ‘কির্স’ ও ‘তং’ এর যৌথ মিলন থেকে।<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a6%82/">কির্সতং</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>কির্সতং (Kirs Taung) এর অবস্থান চিম্বুক রেঞ্জে যার উচ্চতা আনুমানিক ২৯৮৯ ফুট। কির্সতং নামটি আদতে মারমা শব্দ যা এসেছে ‘কির্স’ ও ‘তং’ এর যৌথ মিলন থেকে। কির্স একটি বিলুপ্ত প্রায় পাখির নাম। এই পাখিগুলো কির্সতং এর চূড়াতেই দেখা যায়। আর ‘তং’ অর্থ হচ্ছে পাহাড়। উচ্চতার দিক দিয়ে কির্সতং রুংরাং এর চেয়ে প্রায় ৩০০ ফিট উঁচু। ক্রিসতং এর সামিট থেকে তিন্দু এর পরিষ্কার ভিউ পাওয়া যায় যদিও সামিটের চারপাশে ঘন গাছপালার কারণে খুব ভাল ওয়াইড ভিউ পাও্য়া যায় না।<br><br>চিম্বুক রেঞ্জের সর্বোচ্চ চূড়া হিসেবে পরিচিত এই পাহাড়টি একসময় শত শত মাদারগাছের সংরক্ষিত বন ছিল। এই বনে বিভিন্ন প্রজাতীর বিলুপ্তপ্রায় পশু-পাখি ও প্রাণী বসবাস করে। মায়াবী এই কির্সতং এর জংগলের বেশীর ভাগ জায়গাতেই সূর্যের আলো পৌছায় না। যেখানে মেঘের সঙ্গে রোদের লুকোচুরি খেলা চলে। বিশাল বিশাল গাছের ছাউনী দিয়ে ঘেরা বনটি এখনও বেশ বুনো রয়েছে। বনের ভেতর দিয়ে হাটতে হাটতে বেশ কিছু পাখির ডাক শোনা যায়, যেগুলো এখন বিলুপ্ত প্রায়। <br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>ঢাকা থেকে আলীকদম যেতে হবে প্রথমে। আলীকদমের সরাসরি বাসের ভাড়া ৮৫০ টাকা। সরাসরি আলীকদমের বাস না পেলে কক্সবাজারের যেকোনো বাসে উঠে চকোরিয়া নামতে হবে। সেখান থেকে আলীকদম। আলীকদম এসে পানবাজার থেকে গাইড ঠিক করতে হবে। গাইডের খরচ খুব বেশি না। দরদাম করে নিতে হবে যেহেতু কোনো নির্দিষ্ট ফি নেই। সেখান থেকে বাইক বা চান্দের গাড়ি তে করে ১৩ কিলো যেতে হবে। বাইকে জনপ্রতি ২০০ আর চান্দের গাড়ি ২৫০০-৩০০০ টাকা। ১৩ কিলো নেমে দুসরী বাজার যাবেন।<br><br>সেখান থেকে ট্রেকিং করে মেনকিউ পাড়া যেতে হবে। সেখান থেকে মেনিয়াংক পাড়া। রাতে মেনিয়াংক পাড়ায় থাকতে হবে। যদি পানবাজার থেকে গাইড না পাওয়া যায় তাহলে নিজেরাই মেনিয়াংক পাড়ায় আসতে হবে। মেনিয়াংক পাড়া থেকে দেড় ঘন্টা হাঁটলেই রুংরাং তং। আর তারপরেই খেমচং পাড়া। খেমচং পাড়া পার হয়ে কির্সতং সামিট করে চলে যেতে হবে মঙ্গলপাড়া। সেখান থেকে ১৩ কিলো। এরপর আবার আলীকদম হয়ে ঢাকা।<br><br><strong>থাকার ও খাবারের </strong><br>ব্যবস্থা রাতে আদীবাসী পাড়াতেই থাকা যাবে। এর জন্য পাড়ার কারবারীর সাথে প্রথমেই কথা বলে নিতে হবে। সাধারণত প্রতিটা পাড়ার কারবারীর বাড়িতেই অতিথীদের থাকার ব্যবস্থা হয়।<br><br><strong>সতর্কতা এবং প্রস্তুতি </strong><br>পাহাড়ি রাস্তায় হাটলে, শরীর থেকে অনেক পানি বেরিয়ে যায়। আর সব সময় কাছাকাছি পানির সোর্স নাও থাকরে পারে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি সাথে রাখতে হবে। সাথে স্যালাইন, গ্লুকোজ থাকলে ভাল। অতি দূর্গম এরিয়া, তাই খাবার সোর্স কম। আপনি চাইলেই দোকান থেকে খাবার কিনে খেতে পারবেন না, সেই অপশন নেই এখানে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ শুকনো খাবার সাথে করে নিয়ে যাওয়া ভাল। ম্যালেরিয়া প্রবণ এরিয়া, তাই ম্যালেরিয়া এর প্রতিষেধক নিয়ে যেতে হবে। অফ রোডে ট্রেকিং করতে হবে।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a6%82/">কির্সতং</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%a4%e0%a6%82/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তুইনুম ঝর্ণা</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%ae-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%ae-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Oct 2020 07:39:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bandarban]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1225</guid>

					<description><![CDATA[<p>তুইনুম ঝর্ণাটির (Tuinum Jhorna) অবস্থান বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার ৪ নং কুরুকপাতা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত তুইনুম ঝিরিতে। এলাকাটিতে ম্রো সম্প্রদায়ের বাস। তাদের ভাষায় ” তুইনুম<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%ae-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">তুইনুম ঝর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>তুইনুম ঝর্ণাটির (Tuinum Jhorna) অবস্থান বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার ৪ নং কুরুকপাতা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত তুইনুম ঝিরিতে। এলাকাটিতে ম্রো সম্প্রদায়ের বাস। তাদের ভাষায় ” তুইনুম অ”। ম্রো ভাষায় ” তুই ” অর্থ পানি, “নুম” অর্থ কালো আর “অ” অর্থ ঝিরি। তার মানে “তুইনুম অ” এর অর্থ দাঁড়ায় “কালো পানির ঝিরি”। এই ঝর্ণার উপর থেকে বাঁশ কেটে এর এক সাইড দিয়ে গড়িয়ে নিচে ফেলা হয় তাই লম্বা গড়িও বলে অনেকে। তবে “তুইনুম ঝর্ণা” নামেই বেশী পরিচিত।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>ঢাকা থেকে সরাসরি আলীকদম বাস যায়। এছাড়া ঢাকা থেকে কক্সবাজার গামী বাসে চেপে চকোরিয়া নামতে পারেন, ভাড়া নন এসি ৭৫০ টাকা। নেমে বাসে বা জিপে আলীকদম। বাসে সময় লাগবে ১ ঘন্টা ২০ মিনিটের মত ভাড়া ৬০ টাকা জনপ্রতি। আলীকদম বাস স্ট্যান্ড থেকে অটোতে আলীকদম ক্যান্টনমেন্ট এর পাশের মাতামুহুরী নদীর ট্রলার ঘাটে যেতে হবে। ঘাট থেকে লোকাল ট্রলার পোয়ামুহুরী বাজার পর্যন্ত যায়। সময় চার ঘন্টার মত লাগবে। লোকাল জন প্রতি ৩০০-৩৫০ টাকা শুধু যাওয়া। পোয়ামুহুরী বাজার রবিবার। বাজারের আগের দিন শনিবার ও মঙ্গল বার পোয়ামুহুরি যাবার ট্রলার পাবেন। শুক্রবার পোয়ামুহুরী থেকে ফেরার ট্রলার পাওয়া যায়। বেশী লোকজন থাকলে অন্যান্য দিন ও অন্যন্য সময়ে পাওয়া যাবে। রিজার্ব আসা যাওয়া ৫০০০/৬০০০ টাকার মতো নিবে। নদীতে পানি কমে গেলে ভাড়া বেড়ে যায়। রিজার্ভ নিয়ে যাওয়াই ভালো কারন পোয়ামুহুরী বাজার পর্যন্ত লোকাল যায়। আপনাদের নদী ধরে আরো উপরের দিকে যেতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা অবশ্যই আলীকদম ক্যান্টেনম্যান্ট থেকে অনুমতি নিয়ে যেতে হবে। সব সময় যে অনুমতি পাবেন তার নিশ্চয়তা নাই।<br>যদিও অনুমতি পান তাহলে দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসতে হবে। তাই রিজার্ভ নেয়া ভালো এবং যত ভোরে রওনা দেয়া যায় ততই মঙ্গল। পথে দুইটি ক্যাম্প পড়বে নদীর ধারে যেখানে ট্রলার এন্ট্রি করাবে মাঝি এবং আরেকটি ক্যাম্প পোয়ামুহুরী বাজারের উপরে। তাই অনুমতি ছাড়া গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনার সন্মূখীন না হওয়াই ভালো। এছাড়া পোয়ামুহুরী বাজারের আগে দুইটি ও পোয়ামুহুরী ক্যাম্পের নিচে আরেকটি ঝর্ণা দেখতে পারবেন।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%ae-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">তুইনুম ঝর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%87%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%ae-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জিংসিয়াম সাইতার</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Oct 2020 07:52:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bandarban]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1228</guid>

					<description><![CDATA[<p>জিংসিয়াম সাইতার (Zingsiam Saitar) ঝর্ণাটি বান্দরবানের রুমা থানার রুমানা পাড়ার পাশে অবস্থিত। এই নামটার সঙ্গে একটা করুণ কাহিনী জড়িয়ে আছে। জিংসিয়াম একটা বম মেয়ের নাম। রুমানা<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0/">জিংসিয়াম সাইতার</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>জিংসিয়াম সাইতার (Zingsiam Saitar) ঝর্ণাটি বান্দরবানের রুমা থানার রুমানা পাড়ার পাশে অবস্থিত। এই নামটার সঙ্গে একটা করুণ কাহিনী জড়িয়ে আছে। জিংসিয়াম একটা বম মেয়ের নাম। রুমানা পাড়ায়ই থাকত। খুব চঞ্চল ছিল। একদিন জুমে গিয়েছিল শাকসবজি আনার জন্য। ফিরে আসার কথা দুপুরের আগেই। কিন্তু বিকেলও গড়িয়ে যায়। সন্ধ্যা পেরোলে পরে পাড়ার লোকজন তাঁকে খুঁজতে বের হয়। অনেক খুঁজে পেতে রাত ২টার দিকে ঝর্ণার গোড়ায় তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। সেই থেকে সাইতার বা ঝর্ণাটির নাম হয় জিংসিয়াম। এর তিনটি ধাপ আছে। প্রতিটি ধাপই আলাদাভাবে সুন্দর। যাওয়া যায় লুংথাউসিহ পাড়া দিয়েও। রুমানা পাড়া থেকে গেলে কুণ্ড এবং দ্বিতীয় ও প্রথম ধাপ দেখে পাড়ায় ফিরতে হয়। আর লুংথাউসিহ পাড়া থেকে গেলে সব ধাপ দেখে রুমানা পাড়ায় যাওয়া যায়।<br><br>রুমানা পাড়া, একটা বম পাড়া। আগে নাম ছিল সানকুপ পাড়া, সেটা ছিল ‘সানকুপ’ নামক কারবারির নামে। রুমা খালের শেষে পাড়াটার অবস্থান বলে এর নাম রুমানা পাড়া হয়েছে পরে। অন্যান্য বম পাড়ার মতোই রুমানা পাড়াও যথেষ্ট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। পাড়া-প্রধানকে বলা হয় ‘কারবারি’। পাড়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাড়াও আছে একটা গির্জা। <br><strong>রুটঃ </strong>বান্দরবন থেকে রুমা বাজার – বগালেক – কেওক্রাডং – পাসিংপাড়া – সুংসং পাড়া – রুমানা পাড়া – জিংসিয়াম সাইতার<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>ফকিরাপুল থেকে এস আলম, সৌদিয়াসহ আরো অনেক পরিবহনের বাসে বান্দরবান যাওয়া যায়। ভাড়া ৬২০ টাকা। বান্দরবান থেকে রুমা পর্যন্ত জিপে জনপ্রতি ১৫০ টাকা। রুমা থেকে বগা লেক পর্যন্ত রিজার্ভ চান্দের গাড়ি ভাড়া প্রায় আড়াই হাজার টাকা। এরপর বাকিটা হাঁটাপথ। রুমানা পাড়া পৌঁছতে ছয়-সাত ঘণ্টা লাগতে পারে।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0/">জিংসিয়াম সাইতার</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তাজিংডং</title>
		<link>https://sicgroup.ae/tajindong/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/tajindong/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Oct 2020 09:05:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bandarban]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1231</guid>

					<description><![CDATA[<p>তাজিংডং (Tazing Dong), বাংলাদেশের একটি পর্বতশৃঙ্গ যা বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেমাক্রী পাংশা ইউনিয়নে সাইচল পর্বতসারিতে অবস্থিত। সরকারিভাবে এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এবং এর উচ্চতা ১,২৮০ মিটার<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/tajindong/">তাজিংডং</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>তাজিংডং (Tazing Dong), বাংলাদেশের একটি পর্বতশৃঙ্গ যা বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেমাক্রী পাংশা ইউনিয়নে সাইচল পর্বতসারিতে অবস্থিত। সরকারিভাবে এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এবং এর উচ্চতা ১,২৮০ মিটার (৪১৯৮.৪ ফুট)। পূর্বে কেওক্রাডংকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মনে করা হত, আধুনিক গবেষণায় এই তথ্য ভুল প্রমাণিত হয়েছে। বর্তমানে বেসরকারী গবেষণায় সাকা হাফং পর্বতকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ দাবী করা হয়, তবে এটি এখনও সরকারি স্বীকৃত নয়।<br>স্থানীয় উপজাতীয়দের ভাষায় ‘তাজিং’ শব্দের অর্থ বড় আর ‘ডং’ শব্দের অর্থ পাহাড়, এ দুটি শব্দ থেকে তাজিংডং পর্বতের নামকরণ করা হয়। এটি অনেকের কাছে বিজয় নামেও পরিচিত।<br><br><strong>সামিটের সেরা সময় </strong><br>তাজিংডং সামিট করার সেরা সময় শীতকাল। তাজিংডং এর রুটটা তুলনামূলকভাবে দুর্গম হওয়ায় বর্ষাকালে না যাওয়াই ভালো।<br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>তাজিংডং সামিটে যেতে হলে আপনাকে প্রথমে বান্দরবান যেতে হবে। ঢাকা থেকে বিভিন্নভাবে বান্দরবান যাওয়া যায়। বাসযোগে সরাসরিভাবে যাওয়া যায়। তবে ভেঙে ভেঙে গেলে বাস, ট্রেন, প্লেন পছন্দসই যে কোন মাধ্যম বেছে নেওয়া যাবে।<br><br><strong>বাসে যেতে চাইলে </strong><br>বান্দরবান যাওয়ার সেরা রুট হলো ঢাকা থেকে সরাসরি বাসযোগে যাওয়া। ঢাকা টু বান্দরবান রুটে ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে এস. আলম, সৌদিয়া, ইউনিক, হানিফ, শ্যামলি, সেন্টমার্টিন পরিবহন, ডলফিন ইত্যাদি পরিবহনের বাস বান্দরবনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এসি ও ননএসি জনপ্রতি এসব বাসের ভাড়া ৫৫০ থেকে ১৫০০ টাকা। এছাড়া ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম এসে তারপর চট্রগ্রামের বিআরটিসি টার্মিনাল বা দামপাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে ১০০-৩০০ টাকায় বাস ভাড়ায় বান্দরবন আসা যায়। চট্রগ্রাম থেকে প্রাইভেট কারে ২৫০০-৩৫০০ টাকায় <br><br><strong>ট্রেনে যেতে চাইলে </strong><br>ঢাকা থেকে সরাসরি বান্দরবান পর্যন্ত কোন রেল সংযোগ না থাকায় আপনাকে চট্রগ্রামগামী সোনার বাংলা, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, তূর্ণা নিশিতা, মহানগর প্রভাতি কিংবা মহানগর গোধূলি ট্রেনে করে চট্রগ্রাম যেতে হবে প্রথমে। শ্রেণী ভেদে ট্রেন ভাড়া ৩৫০ থেকে ১৫০০ টাকা। চটগ্রাম পৌছে উপরে নিয়মে বান্দরবান যেতে হবে।<br><br><strong>বিমানে যেতে চাইলে </strong><br>বাংলাদেশ বিমান, জিএমজি এয়ার লাইনস, ইউনাইটেড এয়ার ওয়েজসহ বেশকিছু বিমান ঢাকা থেকে সরাসরি চট্রগ্রাম ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। আকাশপথে চট্রগ্রাম এসে সড়ক পথে উপরে উল্লেখিত উপায়ে বান্দরবান যেতে হবে।<br><br><strong>বান্দরবান থেকে তাজিংডং </strong><br>তাজিংডং রুমায় অবস্থিত হলেও রুমা থেকে যেতে পারবেন না। কারন রুমা থেকে এখন শুধুমাত্র কেওক্রাডং পর্যন্ত যাওয়ার অনুমতি আছে। সর্বোচ্চ যেতে পারলেও জাদিপাই পর্যন্ত যেতে পারবেন। তাই এখন কেউ তাজিংডং সামিট করতে চাইলে তাকে থানচি হয়ে যেতে হবে। আর সেক্ষেত্রে উট হবেঃ<br><br><strong>ঢাকা – বান্দরবন – থানছি – হেডম্যানপাড়া – শেরকরপাড়া – তাজিংডং</strong><br>বান্দরবান থেকে থানচি উপজেলার দূরত্ব প্রায় ৭৯ কিলোমিটার। বান্দরবান থেকে থানচি যাওয়া যায় দুইভাবে; বাসে কিংবা রিজার্ভ জীপে। বান্দরবানের থানচি বাস স্ট্যান্ড থেকে এক ঘণ্টা পর পর লোকাল বাস থানচির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। জনপ্রতি বাস ভাড়া ২০০ টাকা, সময় লাগবে ৪-৫ ঘন্টা। রিজার্ভ জীপ/চান্দের গাড়িতে গেলে খরচ হবে ৫৫০০-৬০০০ টাকা, আর সেক্ষেত্রে সময় লাগবে ৩-৩.৫ ঘন্টা। এক গাড়িতে ১২-১৪ জন অনায়াসে যাওয়া যায়। থানচি যাওয়ার সময় পথে পরবে মিলনছড়ি, চিম্বুক ও নীলগিরি। থানচি থেকে গাইড নিয়ে হেঁটে শেরকর পাড়া। শেরকর পড়া রাতে থেকে পর দিন ভোরে রওনা দিয়ে তাজিংডং চূড়ায় উঠে দুপুরের আগে শেরকর পাড়া ফিরে থানচি আসতে পারবেন। আর যদি চান শেরকর পাড়া থেকে থুইসা পাড়া হয়ে আমিয়াখুম ভেলাখুম দেখে নাফাখুম রেমাক্রি বড় পাথর রাজা পাথর তিন্দু হয়ে থানচি আসতে পারেন।<br><br><strong>কোথায় থাকবেন </strong><br>থানচি থাকতে চাইলে – থানচি কুটির / বিজিব কটেজ সেরা অপশন হতে পারে।</p>



<p></p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="One Day Kolkata Tour - একদিনে কোলকাতা ভ্রমন - কোলকাতার শপিং অভিজ্ঞতা" width="1220" height="686" src="https://www.youtube.com/embed/NQLqfREypCE?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/tajindong/">তাজিংডং</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/tajindong/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ওয়াং-পা ঝর্ণা</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%82-%e0%a6%aa%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%82-%e0%a6%aa%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Oct 2020 09:27:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bandarban]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1235</guid>

					<description><![CDATA[<p>ওয়াং-পা ঝর্ণা (Wang Pa Waterfall) বান্দরবানের গহীনে অবস্থিত একটি পাগল করা ঝর্ণা যা এখনও লোক চক্ষুর আঁড়ালেই রয়ে গেছে। লোক চক্ষুর আঁড়ালে বলার কারন হল যত<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%82-%e0%a6%aa%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">ওয়াং-পা ঝর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>ওয়াং-পা ঝর্ণা (Wang Pa Waterfall) বান্দরবানের গহীনে অবস্থিত একটি পাগল করা ঝর্ণা যা এখনও লোক চক্ষুর আঁড়ালেই রয়ে গেছে। লোক চক্ষুর আঁড়ালে বলার কারন হল যত মানুষ দামতুয়া ঝর্না দেখেছে, তার চেয়ে অনেক কম মানুষ এই ওয়াং-পা ঝর্ণায় গিয়েছে বা এর সম্বন্ধে জেনেছে। অনেকেই শুধু দামতুয়া দেখে চলে আসে। অথচ দামতুয়ার কাছাকাছিই এই ঝর্ণাটি। দামতুয়া ঝর্ণা দেখে ফিরে আসার সময় দেখে নিতে পারেন লুকায়িত এই ওয়াং-পাকে।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>ঢাকা-চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাওয়ার পথে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল নেমে বাস অথবা চাঁদের গাড়ি করে আলীকদম বাস ষ্টেশন নামবেন। লোকাল বাসে গেলে ৭০ টাকা ভাড়া পড়বে। ষ্টেশন থেকে রিক্সা বা টমটম যোগে পানবাজার চলে যাবেন। পানবাজার থেকে ভাড়া চলিত বাইক ও চাদের গাড়ি পাওয়া যাবে৷ সেখান থেকে ১৭ কি.মি. এলাকা থেকে গাইড নিয়ে দামতুয়া রওনা দিবেন। ১০ কি.মি. এলাকায় সেনা ক্যাম্প আছে ওখানে সবার নাম এন্ট্রি করে যেতে হবে সাথে অবশ্যই ভোটার আইডি কার্ড দেখাতে হবে।<br><br><strong>২য় রুটঃ</strong> ঢাকা থেকে ডিরেক্ট আলিকদমের বাসেও যেতে পারেন (হানিফ প্রেফারেবল) (ভাড়াঃ ৮৫০ টাকা নন এসি)। আলিকদম গিয়ে পৌছাবেন নরমালি অ্যারাউন্ড ৮-৩০ থেকে ৯-০০। তারপরে সেখানে নাস্তা করে চান্দের গাড়িতে করে ১৭ কিলোমিটার নামক জায়গায় যেতে হবে। সেখান থেকে গাইড ঠিক করে হাটা শুরু করবেন দামতুয়ার উদ্দেশ্যে। মোটামুটি ২ঃ৩০-৩ ঘন্টা নানান চড়াই উৎরাই পেরিয়ে পৌছাবেন কাংখিত দামতুয়া ঝর্ণায়।<br><br><strong>সাথে যা যা থাকতে </strong><br>হবে ভোটার আইডি কার্ড (1st priority) অন্যথায় কলেজ/ভার্সিটি আই,ডি,কার্ড বা জন্মসনদ/পাসপোর্ট এর ফটোকপি যথেষ্ট পরিমান পলিথিন ট্রেক করার উপযোগী জুতা/সেন্ডেল<br><br><strong>থাকার ব্যবস্থা</strong><br>আলীকদম বাজারে তিনটি থাকার হোটেল রয়েছে। আলীকদম গেস্ট হাউজ, হোটেল দামতুয়া, হোটেল আলীকদম। ভাড়া ৬০০- ২০০০ টাকার মধ্যে। অবশ্যই রুম নেওয়ার আগে ভাড়ার ব্যাপারে কথা বলে নিবেন। এছাড়া আলিকদমে এসে সোজা চলে যেতে পারেন শৈলকুঠির রিসোর্টে। যোগাযোগ নাম্বার – 01820403355 (হাসান মাহমুদ, মালিক, শৈলকুঠি)<br><br><strong>খাওয়া-দাওয়া </strong><br>আলীকদম বাজারে মোটামুটি সবকিছুই পাবেন। এছাড়া দুপুর বা রাতের খাবারের জন্য বেশ কয়েকটি খাবার হোটেল রয়েছে।<br><br><strong>গাইড </strong><br>আদুপাড়াতে গাইড সমিতি আছে। গাইড ভাড়া পড়বে ১০০০ টাকা। টীম মেম্বার কোন ব্যাপার না, কিন্তু গাইডকে ১০০০ টাকা দিতেই হবে, এটা ফিক্সড। ১৭ কিমি এলাকার দোকাঙ্গুলোর কাছ থেকেও গাইড নিতে পারবেন। খরচ একই। নেদুই দা – 01557398635<br><br><strong>কিছু টিপস </strong><br>বান্দরবানের আলীকদম থেকে এই ঝর্নায় যেতে হয়। দামতুয়া ঝর্না দেখার উদ্দেশ্য নিয়ে গেলে, একই সাথে এটি দেখে আসতে পারবেন। সেক্ষেত্রে গাইডকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে না। কিন্তু গাইড নেওয়ার সময় অবশ্যই তাকে ওয়াং-পার কথা বলে নিবেন। সাথে বড় দড়ি রাখুন, তাহলে ঝর্নার কাছে যেতে কষ্ট হবে না। না হয় খাঁড়া দেওয়াল আপনার বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এই ঝর্না দেখার জন্য বর্ষাকালই বেস্ট। তবে বর্ষায় গেলে ট্রেইলটিতে জোঁক পাবেন, তাই সাথে লবন রাখতে পারেন। মাঝখানে কোন দোকান-পাট নেই, তাই ট্রেকিংয়ের সময় &#8230;</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%82-%e0%a6%aa%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">ওয়াং-পা ঝর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%82-%e0%a6%aa%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>লাংলোক ঝর্ণা</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%95-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%95-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Oct 2020 09:49:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bandarban]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1238</guid>

					<description><![CDATA[<p>লাংলোক ঝর্ণা (Langlok Jhorna) বান্দরবানের গহীনে অবস্থিত একটি ঝর্ণা যা কিছুদিন আগে লোকচক্ষুর সামনে এসেছে। লাংলোক এর উচ্চতা ৩৮৮.৯ ফুট। মুলত গভীর জঙ্গল, দূর্গম পথ আর<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%95-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">লাংলোক ঝর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>লাংলোক ঝর্ণা (Langlok Jhorna) বান্দরবানের গহীনে অবস্থিত একটি ঝর্ণা যা কিছুদিন আগে লোকচক্ষুর সামনে এসেছে। লাংলোক এর উচ্চতা ৩৮৮.৯ ফুট। মুলত গভীর জঙ্গল, দূর্গম পথ আর লোকালয়ের বেশ বাইরে থাকার কারনে খুব কম মানুষের চোখে পড়েছে। চারিদিক ঘন জঙ্গলে ঘেরা উচুঁ নিচু আঁকা বাঁকা পথ ও বিল্ডিং সমান পিচ্ছল পাথর পেরিয়ে লাংলোক বা লিলুক ঝর্ণার দর্শনে আপনিও মুগ্ধ হয়ে ভুলে যাবেন দূর্গম পথের সব ক্লান্তি। তবে, বিপদজ্জনক দূর্গম ঝিরি পথটাই লাংলোক ঝর্ণাকে করেছে আরও আকর্ষনীয় ।<br><br>সিজনাল জলপ্রপাতের মধ্যে ইহাকে সর্বোচ্চ জলপ্রপাত বা ঝর্ণা বলা যেতে পারে। থানচি এলাকার এই ঝর্ণার স্থানে একটি বাদুড় গুহা থাকার ফলে মারমা ভাষায় এই ঝর্নাকে লাংলোক (অর্থাৎ বাদুড়) বলে ডাকে। কিন্তু এই ঝিরির সবচেয়ে নিকটবর্তী খুমী পাড়া পাও-অ পাড়ার মানুষেরা ঝর্ণার দেয়ালে বসবাসরত ফিঞ্চ প্রজাতির মত পাখির নামানুসারে এই ঝর্নাকে ফি ফি ক্লে বলে অভিহিত করেন। এই ঝর্ণায় মূলত বর্ষাকালেই পানির প্রবাহ বেশী থাকে।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>ঢাকা – বান্দরবান – থানছি – তিন্দু থেকে ২ঘন্টা অতি দূর্গম পাহাড়ী পথ পাড়ি দিয়ে লাংলোক ঝর্ণা। তবে মনে রাখবেন, আপাতত পর্যটকদের যাওয়ার প্রশাসনিক ভাবে অনুমতি নেই। থানছি থেকে একটা নৌকা নিবেন ৩৫০০/-তিন্দু পর্যন্ত নিয়ে যাবে এবং নিয়ে আসবে। তিন্দু থেকে ২ঘন্টা অতি দূর্গম পাহাড়ী পথ পাড়ি দিয়ে লিলুক ঝর্ণা। সাথে অবশ্যই ভালো একজন গাইড নিতে হবে। দিনে গিয়ে দিনে চলে আসতে পারবেন।<br><br><strong>খরচ </strong><br>গাইড খরচ পার ডে ৮০০-১০০০ টাকা। থানচি থেকে তিন্দু পর্যন্ত যাওয়া-আসার নৌকা ভাড়া ৩৫০০ টাকা</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%95-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">লাংলোক ঝর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%95-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শীলবান্ধা ঝর্ণা</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Oct 2020 09:53:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bandarban]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1241</guid>

					<description><![CDATA[<p>শীলবান্ধা ঝর্ণা (Shilabandha Jhorna), বান্দরবান এর রোয়াংছড়ি উপজেলার কচ্ছপতলী ইউনিয়নে অবস্থিত। নাফাখুম ও রেমাক্রীর চেয়ে দূরত্বও কম। অল্প সময়ে সহজে যাওয়া যায় এ পর্যটন স্পটে। দূরত্ব<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">শীলবান্ধা ঝর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>শীলবান্ধা ঝর্ণা (Shilabandha Jhorna), বান্দরবান এর রোয়াংছড়ি উপজেলার কচ্ছপতলী ইউনিয়নে অবস্থিত। নাফাখুম ও রেমাক্রীর চেয়ে দূরত্বও কম। অল্প সময়ে সহজে যাওয়া যায় এ পর্যটন স্পটে। দূরত্ব কম ও যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় প্রতিনিয়ত পর্যটকরা ছুটে যাচ্ছেন শীলবান্ধা ঝর্ণা ও দেবতাখুম এর সৌন্দর্য্য দেখতে।<br><br><strong>অবস্থানঃ রোয়াংছড়ি, কচ্ছপতলী, বান্দরবান। </strong><br>বান্দরবান থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে রোয়াংছড়ি উপজেলা। রোয়াংছড়ি থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে কচ্ছপতলী ইউনিয়ন। সেখান থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পায়ে হেটে গেলেই চোখে পড়বে শীলবান্ধা পাড়া। এই পাড়া থেকে ১০ মিনিটের হাটার পথ গেলে শীলবান্ধা ঝর্ণা। শীলবান্ধা ঝর্ণা থেকে বের হয়ে তারাছা খালের পাড় ধরে ১৫ মিনিট হেটে গেলেই চোখে পরবে দেবতাখুম এর প্রথম অংশের। সেখান থেকে স্থানীয় গাইডের তৈরি বাঁশের ভেলা বা নৌকা দিয়ে রওয়ানা দিতে হবে দেবতাকুম এর মূল জায়গাটাতে। খাড়া পাহাড়ের উচুঁ খাঁদ আর পাথরের গায়ে বাহাড়ি বুনো ফুল, ছোট ছোট ঝর্ণা ও পানির শব্দ দেবতা কুম দিয়ে খাল পাড় হওয়ার দৃশ্যগুলো মন কেড়ে নেবে সবার।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>বান্দরবান সদর থেকে বাসে করে অথবা রিজার্ভ গাড়ি নিয়ে যেতে হবে রোয়াংছড়ি। সকাল ৭ টা – বিকাল ৫ টা পর্যন্ত রোয়াংছড়ির বাস আছে। প্রতিজন ৬০-৮০ টাকা। সময় লাগবে ১ ঘন্টা। সেখান থেকে সিএনজি অথবা চাঁদের গাড়িতে করে ৩০ মিনিট সময় লাগবে কচ্ছপতলী পৌঁছাতে। জনপ্রতি ভাড়া নিবে ৩০ টাকা। রিজার্ভ নিলে ৫০০ টাকা। অথবা চাঁদের গাড়ি রিজার্ভ নিয়ে বান্দরবান থেকে সরাসরি কচছপতলি যেতে পারেন। মোটরসাইকেলেও যাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে বান্দরবান থেকে কচ্ছপতলী পর্যন্ত জনপ্রতি ভাড়া পড়বে ১৫০ টাকা।<br><br>চট্টগ্রাম থেকে যেতে চাইলে চট্টগ্রামের যে কোন জায়গা থেকে বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল চলে আসুন। বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে চট্টগ্রাম টু বান্দারবানের বাসে উঠে বান্দরবান যেতে হবে। বাস ভাড়া ১৩০ নিবে, যেতে ২/২:৩০ ঘন্টা লাগবে। বান্দরবান থেকে রোয়াংছড়ি যাওয়ার জন্য চান্দের গাড়ি নিতে পারেন। এক চান্দের গাড়িতে ১৪জন যাওয়া যায়। ভাড়া ৪০০০-৪৫০০ টাকা নিবে, দামাদামি করে কমিয়ে নিতে পারেন। মানুষ কম থাকলে CNG নিয়েও যেতে পারবেন। CNG তে ৪-৫জন যাওয়া যায়, আসা যাওয়া ভাড়া ২০০০ নিবে।<br><br><strong>খাওয়া-দাওয়া </strong><br>শীলবান্ধা পাড়ায় খাওয়া প্রতিবেলা – ২০০ টাকা (ভাত+মুরগী) ১০০ টাকা (ভাত+ডিম)<br><br><strong>নিরাপত্তা </strong><br>দূর্গম এলাকা হওয়ায় পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সেখানে রয়েছে কমিউনিটি পুলিশের সদস্যরা। পর্যটকরা যাতে নিরাপদে ভ্রমন করতে পারেন সেজন্য রয়েছে স্থানীয় গাইডের ব্যবস্থা। এছাড়া পর্যটকদের নাম এন্ট্রির মাধ্যমে রয়েছে সেনাবাহিনীর তদারকি। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়েও নেই কোন শঙ্কা।<br><br><strong>কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস মাথায় রাখতে হবে </strong><br>আর্মি ক্যাম্পে ন্যাশনাল আইডি কিংবা অন্য যেকোন আইডির ফটোকপি জমা দিতে হয়। সবকিছু দেখা শেষে বিকেল ৫:৩০ টার মধ্যে আপনাকে আবার কচ্চপতলী আর্মি ক্যাম্পে এসে রিপোর্ট করতে হবে। এই সময়ের এর মধ্যে উপস্থিত থাকতেই হবে, নাহলে তারা অনেক জবাবদিহিতা চাইবে। কচ্ছপতলী থেকে মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না। কথাবার্তা এখানেই সেরে নিবেন। কচ্ছপতলীতে পাহাড়ি কলা, পানি এসব পাওয়া যাবে। প্রয়োজন মতো নিয়ে নিবেন।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">শীলবান্ধা ঝর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাকলাই ঝর্ণা</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Oct 2020 10:04:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bandarban]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1244</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাকলাই ঝর্ণা (Baktlai Jhorna ) যা বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ঝর্ণা। বাক্তলাই ঝর্ণার উচ্চতা প্রায় ৩৯০ ফুট এবং এটি বান্দরবানের বাকলাই গ্রামে অবস্থিত একটি ঝর্ণা। নিরাপত্তাজনিত কারনে<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">বাকলাই ঝর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>বাকলাই ঝর্ণা (Baktlai Jhorna ) যা বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ঝর্ণা। বাক্তলাই ঝর্ণার উচ্চতা প্রায় ৩৯০ ফুট এবং এটি বান্দরবানের বাকলাই গ্রামে অবস্থিত একটি ঝর্ণা। নিরাপত্তাজনিত কারনে প্রশাসন ২০১৫ সাল থেকে এই রুটটিও বন্ধ রেখেছে। প্রায় ৩৯০ (+/-১০) ফুট উচুঁ পাহাড়ের খাঁজ বেয়ে তীব্র জলধারা যখন নিচের পাথর গুলোতে আঁছড়ে পড়ে, তার তীব্র বেগ, গুম গুম করা আওয়াজ আর চারপাশের বুনো পরিবেশ এক অন্য রকম ইনফেরিওরিটির জন্ম দেয়।<br><br><strong>GPS Coordinate: </strong><br>Latitude: N21 52 05.8 <br>Longitude: E92 31 04.2 <br><br>লিলুক/লাংলুক ঝর্ণার উচ্চতা আর বাক্লাই/বাক্তলাই ঝর্ণার উচ্চতা নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকায় কোনটা আসলে সর্বোচ্চ ঝর্ণা তা নিয়ে মতোবিরোধ রয়েছে। তবে সৌন্দর্যের দিক থেকে লিলুক/লাংলুক ঝর্ণা থেকে বাক্তলাই ঝর্ণা অনেক অনেক এগিয়ে।<br><br>বাক্লাই ঝর্ণাটি দেখতে চাইলে আপনাকে হাতে পাঁচ থেকে সাতদিন রাখতে হবে আর থানর্চি যান তিন থেকে চার দিন সময় দিতে হবে। তবে আপনি কতটা হাঁটতে পারেন তাঁর উপর নির্ভর করছে এখানে আসতে কতদিন লাগতে পারে। থানচি দিয়ে ৪৫ কিঃ এবং রুমা দিয়ে ১১০ কিঃ উভয় দিক থেকে আপনি এই ঝর্ণাটি দেখতে আসতে পারবেন ৷ রুমা দিয়ে কেওক্রাডং থেকে তাজিংডং এর পথে বাকলাই গ্রাম। গ্রামটি ট্রেকারদের সুপরিচিত আশ্রয়/ক্যাম্পিং স্পট হিসেবে সুপরিচিত। এখানে একটি সেনা ক্যাম্প আছে। বাকলাই পাড়া থেকে এক ঘণ্টা হাঁটা পথ পরে বাকলাই জলপ্রপাত অবস্থিত।<br><br><strong>কিভাবে যাবেন </strong><br>বাকলাই ঝর্ণা থানচিতে অবস্থিত হওয়ায় আপনাকে প্রথমেই বান্দরবানে পৌছাতে হবে। বাংলাদেশের প্রায় সব জেলা থেকেই বান্দরবানে বাস চলাচল করে। আপনার সুবিধার্থে ঢাকা থেকে বান্দরবানে চলাচলকারী বাসের ভাড়া সম্পর্কে ধারনা প্রদান করা হলো। নন এসি বাসে ভ্রমন করলে ঢাকা থেকে বান্দরবানে যেতে খরচ হবে প্রায় ৬২০/- টাকা। এসব বাস সাধারণত রাতের বেলা ছেড়ে যায় তবে অন্য সময়েও বাস ছাড়তে পারে। ঢাকা থেকে সড়কপথে বান্দরবানে যেতে প্রায় ৭ ঘণ্টা সময় লাগবে।<br><br>বান্দরবান থেকে বাস অথবা চান্দের গাড়িতে করে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টায় প্রায় ৭৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত থানচিতে পৌছাতে পারবেন। থানচি বাজার থেকে বাকলাই ঝর্ণায় যেতে ৮-১০ ঘন্টা সময় লাগবে। ট্রেকিং এর পথটাও অনেক সুন্দর, উঁচু নিচু পাহাড় আর ঝিরিপথ পাড়ি দিয়ে এখানে পৌছুতে হয়! এসময় আপনাকে বেশকিছু পাড়া অতিক্রম করতে হবে যেমনঃ টুটংপাড়া, বোর্ডিং হেডম্যানপাড়া, কাইতনপাড়া ইত্যাদি। ঝর্ণার উপরে উঠতে চাইলে আরও প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগবে।<br><br><strong>থাকা-খাওয়া </strong><br>পাহাড়িদের ঘরেই থাকা খাওয়া! প্রতিবেলা ১০০-১৫০ টাকায় খাওয়া যায়। পাহাড়ি মুরগি গিয়ে ভাত খেতে ২০০ টাকার মত লাগবে। </p>



<p></p>



<figure class="wp-block-embed is-type-video is-provider-youtube wp-block-embed-youtube wp-embed-aspect-16-9 wp-has-aspect-ratio"><div class="wp-block-embed__wrapper">
<iframe title="One Day Kolkata Tour - একদিনে কোলকাতা ভ্রমন - কোলকাতার শপিং অভিজ্ঞতা" width="1220" height="686" src="https://www.youtube.com/embed/NQLqfREypCE?feature=oembed" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture" allowfullscreen></iframe>
</div></figure>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">বাকলাই ঝর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>লিখ্যিয়াং ঝর্ণা</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%82-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%82-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Oct 2020 10:26:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bandarban]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1247</guid>

					<description><![CDATA[<p>বান্দরবানের সবচেয়ে অপরিচিত ট্রেইল এবং অদেখা সৌন্দর্য্যে মধ্যে লিখ্যিয়াং ঝর্ণা (Likkhyang Waterfall) অন্যতম। রেমাক্রির নিকটবর্তী হওয়ার পরও তুলনামূলক অপরিচিত এবং বুনো সৌন্দর্য্যে ভরপুর এই ট্রেইলে খুব<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%82-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">লিখ্যিয়াং ঝর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>বান্দরবানের সবচেয়ে অপরিচিত ট্রেইল এবং অদেখা সৌন্দর্য্যে মধ্যে লিখ্যিয়াং ঝর্ণা (Likkhyang Waterfall) অন্যতম। রেমাক্রির নিকটবর্তী হওয়ার পরও তুলনামূলক অপরিচিত এবং বুনো সৌন্দর্য্যে ভরপুর এই ট্রেইলে খুব কম মানুষেরই পদচারণা পড়েছে এখন পর্যন্ত। রেমাক্রি থেকে দূরের ছোট মদক ঘাটের আগে, একটি গ্রামে এই ঝর্ণার অবস্থান। লিখ্যিয়াং বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু ঝর্ণার তালিকায় ৪র্থ স্থান পেয়েছে। লিখ্যিয়াং এর উচ্চতা, ৩০০ ফুটের কাছাকাছি এবং অনেকে লিক্ষ্যং নামেও চিনে। বান্দরবানের মধ্যে তুলনামূলক কম সময় ও মধ্যম কষ্টের মধ্যে যেকয়টা সুন্দর সিজনাল ঝর্ণায় অবগাহন করা যেতে পারে তার মধ্যে লিখ্যিয়াং অন্যতম। লোকাল ভাষায় ম্রো রা এইটাকে লিপ অ রা নামেও ডাকে। লিপ মানে কচ্ছপ অ মানে ঝিরি আর রা মানে পাহাড় অর্থাৎ এইটাকে কচ্ছপ ঝিরির পাহাড় বাংলায় বলা যেতে পারে। লিখ্যিয়াং এর ট্রেইলটি বেশ সুন্দর। দুপাশ দিয়ে, বড় বড় পাথরের ২টি ঝিরিপথ নেমে এসে মাঝখানে ছোট ছোট খুমের মতো জায়গায় মিলে। লিক্ষ্যং ঝর্ণায় যাওয়ার পথ কিছুটা দুর্গম।<br><br><strong>যা যা সাথে নিতে হবে</strong><br>জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি (যদি থাকে) কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ডের ফটোকপি। ৩ দিনের উপযোগী হালকা কাপড় পলিথিন তোয়ালে টর্চ / মোমবাতি টুথব্রাশ, টুথপেস্ট ক্যামেরা (ব্যক্তিগত ইচ্ছা) পানির বোতল প্রয়োজনীয় ঔষধ ছাতা, সানগ্লাস, ক্যাপ ফার্স্ট এইড<br><br>এটি মধ্যম মানের ট্রেক। এখানে প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে হাঁটতে হবে। তাই খুব প্রয়োজনীয় জিনিস ছাড়া কিছু নিবেন না কারন অতিরিক্ত ওজন আপনার ট্রেকিং এর প্রধান প্রতিবন্ধকতা। কাপড় চোপড়ের ক্ষেত্রে ২-৩টি থ্রি কোয়ার্টার প্যান্ট, ২-৩ টি-শার্ট নিলেই যথেষ্ট। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে থাকতে হবে। এই ট্যুরে ৫-৬ ঘণ্টা হাঁটতে হবে তাই তখন দুপুরের খাবার খাওয়া নাও হতে পারে। তাই নিজের ব্যাগে কিছু শুকনা খাবার (খেজুর, কিসমিস, বাদাম, বিস্কিট, ইনস্ট্যান্ট নুডলস) রাখবেন।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%82-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/">লিখ্যিয়াং ঝর্ণা</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%82-%e0%a6%9d%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সিপ্পি আরসুয়াং</title>
		<link>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%82/</link>
					<comments>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%82/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Oct 2020 10:41:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Bandarban]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://tour.sic.com.bd/?p=1250</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়াগুলোর মধ্যে সিপ্পি আরসুয়াং (Sippi Arsuang) অন্যতম, যার উচ্চতা আনুমানিক ৩০৩৪ ফুট যা বাংলাদেশের ১০ম সর্বোচ্চ চূড়া। সিপ্পি আরসুয়াং পাহাড়ের অবস্থান বাংলাদেশের পার্বত্য চট্রগ্রামের<span class="excerpt-hellip"> […]</span></p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%82/">সিপ্পি আরসুয়াং</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়াগুলোর মধ্যে সিপ্পি আরসুয়াং (Sippi Arsuang) অন্যতম, যার উচ্চতা আনুমানিক ৩০৩৪ ফুট যা বাংলাদেশের ১০ম সর্বোচ্চ চূড়া। সিপ্পি আরসুয়াং পাহাড়ের অবস্থান বাংলাদেশের পার্বত্য চট্রগ্রামের বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলার অনেক গহীনে। রোয়াংছড়িতে অবস্থিত এই পাহাড়টি বিগিনারদের জন্য আদর্শ ট্রেক হতে পারে। সময়ও কম লাগে। মাত্র তিনদিনেই এই ট্রেক শেষ করে আসা যায়। রনিনপাড়া থেকে সিপ্পি ট্রেইল ধীরে ধীরে আকাশমুখী হয়েছে। সিপ্পি রেঞ্জে পাহাড়চূড়া তিনটি। মূল সামিট চূড়াটি দূর থেকে চেনা গেলেও যতই কাছে আসতে থাকবেন ততই চোখে ধুলো দিতে সে লুকোচুরি খেলতে শুরু করবে অন্য চূড়াগুলোর আড়ালে। মোট চারটি ধাপ, মানে চারটি পাহাড় অতিক্রম করে পৌঁছাতে হবে সিপ্পি চূড়ায়।<br><br>বিভিন্ন আদিবাসী ভাষায় এর নাম বিভিন্ন। বম জাতিরা বলে- সিপ্পি, তংঞ্চঙ্গা বলে- রামেতং, মার্মা বলে- রামাতং, পাংখোয়া বলে– আরসুয়াং যার অর্থ মোরগের ঝুঁটি। এছাড়া রামজুম সহ অনেক নামে ডাকে। সিপ্পি পাড়া থেকে যে তিনটি চুঁড়া দেখা যায় তার দক্ষিনের চুঁড়া বামপাশের টাই সিপ্পি। মাঝেরটি আরসুয়াং। ডানেরটির নাম তংখং তং। কেউ কেউ আবার দক্ষিনের টিকে সিপ্পি আরসুয়াংও বলে। তবে যত নামই থাকুক, ভ্রমণকারীদের কাছে এই পাহাড় পরিচিত সিপ্পি আরসুয়াং নামেই।<br><br>সিপ্পি থেকে শঙ্খমুনী পাড়াসহ বেশ কয়েকটি পাড়া দেখা যায়। সিপ্পির চূড়ায় নাকি আগে ব্রিটিশদের একটা ক্যাম্প ছিল। রনিনপাড়ার আগমুহূর্তে একটা খাড়া পাহাড় বেয়ে নামতে হয়, ওটা থেকে সিপ্পি দেখা যায়। শোনা যায়, সিপ্পির চূড়ার জঙ্গলে নাকি বাঘ থাকে। এ ছাড়া ওই জঙ্গলে নাকি হরিণ আর শূকর বেশ সহজলভ্য। ২০১৫ এর ডিসেম্বরের দিকে সিপ্পির জঙ্গলে পেতে রাখা ফাঁদে হরিণ ধরা পড়েছিল। পরে শিকারিরা সেই হরিণ আনতে যেয়ে ভুক্তাবশেষ খুঁজে পায়। তবে নিজের চোখে কাছাকাছি সময়ের মধ্যে কেউই বাঘ দেখেনি।<br><br><strong>যাবার উপযুক্ত সময় </strong><br>যেহেতু শুধু পাহাড় সামিটই মূল লক্ষ্য তাই বর্ষায় না যাওয়াই ভাল। নভেম্বর থেকে মার্চ এর মধ্যে যাওয়া ভাল।<br><br><strong>রুট প্ল্যান </strong><br>সিপ্পি আরসুয়াং পাহাড়ে যাবার তিনটি রুট আছে। যে কোনটি দিয়ে গিয়ে অন্যটি দিয়ে ফেরা যাবে। বান্দরবান – রোয়াংছড়ি- পাইক্ষ্যাং পাড়া – রনিন পাড়া – সিপ্পি বান্দরবান – রোয়াংছড়ি – ব্যাঙছড়ি পাড়া – ব্যাঙছড়ি বাজার – অংজাই পাড়া – লুংলাইন পাড়া – তারাছা পাড়া – প্রতিক্যা কারবারী পাড়া – নাইন স্টেপ পাহাড় – পুরান ফাংপুড়ি পাড়া – সিপ্পি পাড়া – সিপ্পি বান্দরবান – রুমা – মুন নৌয়াম পাড়া- পাইন্দু খাল – বিল পাড়া – সাইজাম পাড়া- সিপ্পি পাড়া – সিপ্পি<br><br><strong>প্রথম পথঃ </strong><br>সিপ্পিতে খুব কম মানুষই যায়। যারা যায় তার বেশীর ভাগই প্রথম রুটে যায়। এই পথটি পরিচিত ও একটু সহজ। বান্দরবান থেকে প্রথমে রোয়াংছড়ি যেতে হবে। রোয়াংছড়ি থেকে পাইক্ষ্যাং পাড়া যেতে হবে সময় লাগবে ৩ ঘন্টার মত। পাইক্ষ্যাং পাড়া থেকে রনিন পাড়া ২.৪০ ঘন্টার মত লাগবে। রনিন পাড়া থেকে সিপ্পি চুড়ায় যেতে ৪ ঘন্টার মত লাগবে।<br><br><strong>দ্বিতীয় পথঃ </strong><br>বান্দরবান থেকে প্রথমে রোয়াংছড়ি যেতে হবে। রোয়াংছড়ি থেকে ফরেস্ট অফিস হয়ে ব্যাঙছড়ি পাড়া যেতে হবে সময় লাগবে ১.৩০ ঘন্টার মত। ব্যাঙছড়ি পাড়া থেকে ব্যাঙছড়ি বাজার ১০ মিনিটের পথ। ব্যাঙছড়ি বাজার থেকে অংজাই পাড়া ১৫ মিনিট। অংজাই পাড়া থেকে লুংলাইন পাড়া ১.৪০ ঘন্টার মত। লুংলাইন পাড়া থেকে তারাছা পাড়া ১.৪০ ঘন্টার মত। তারাছা পাড়া থেকে প্রতিক্যা কারবারী পাড়া ১ ঘন্টার মত। প্রতিক্যা কারবারী পাড়া থেকে পুরান ফাংপুড়ি পাড়া ৩ ঘন্টার মত।<br><br><strong>তৃতীয় পথঃ</strong><br> বান্দরবান থেকে প্রথমে রুমা বাজার যেতে হবে। বাসে বা চাঁদের গাড়িতে যেতে পারবেন। রুমা বাজার থেকে মুন নৈয়াম পাড়া হয়ে যেতে হবে।<br><br>প্ল্যান একঃ দিন ০. ঢাকা – বান্দরবান দিন ১. বান্দরবান – রোয়াংছড়ি- পাইক্ষ্যাং পাড়া- রনিন পাড়া দিন ২. রনিন পাড়া- সিপ্পি – রনিন পাড়া দিন ৩. রনিন পাড়া – পাইক্ষ্যাং পাড়া – রোয়াংছড়ি – বান্দরবান – ঢাকা<br><br>প্ল্যান দুইঃ দিন ০. ঢাকা – বান্দরবান দিন ১. বান্দরবান – রোয়াংছড়ি – ব্যাঙছড়ি পাড়া- ব্যাঙছড়ি বাজার – অংজাই পাড়া- লুংলাইন পাড়া – তারাছা পাড়া- প্রতিক্যা কারবারী পাড়া দিন ২. প্রতিক্যা কারবারী পাড়া – নাইন স্টেপ পাহাড়- পুরান ফাংপুড়ি পাড়া – সিপ্পি পাড়া – সিপ্পি -রনিন পাড়া দিন ৩. রনিন পাড়া – পাইক্ষ্যাং পাড়া – রোয়াংছড়ি – বান্দরবান – ঢাকা<br><br>প্ল্যান তিনঃ দিন ০. ঢাকা – বান্দরবান দিন ১. বান্দরবান – রুমা- মুন নৌয়াম পাড়া- পাইন্দু খাল – বিল পাড়া – সাইজাম পাড়া দিন ২. সাইজাম পাড়া- সিপ্পি পাড়া – সিপ্পি – রনিন পাড়া দিন ৩. রনিন পাড়া – পাইক্ষ্যাং পাড়া – রোয়াংছড়ি – বান্দরবান – ঢাকা অনেকেই সিপ্পি এর সাথে তিনাপ সাইতার একই ট্যুরে রেখে থাকে। তাই তিনাপ সাইতার নিয়ে রুট প্ল্যান সাজালে হতে পারে এমনঃ ১ম দিনঃ ঢাকা -> বান্দরবান -> রোয়াংছড়ি -> রনিন পাড়া ২য় দিনঃ রনিন পাড়া -> সিপ্পি পাহাড় -> দেবছড়া পাড়া ৩য় দিনঃ দেবছড়া পাড়া -> পাইন্দু&#8230;<br><br><strong>যাওয়ার উপায় </strong><br>ঢাকা থেকে বান্দরবানের বাসে করে বান্দরবান নেমে ফ্রেস হয়ে রোয়াংছড়িগামী লোকাল বাসে চেপে রোয়াংছড়ি বাসস্যান্ডে নামতে হবে। আগে থেকেই গাইড ঠিক করে রাখলে গাইড আপনাদের জন্যে বাস স্ট্যান্ডে অপেক্ষা করবে। রোয়াংছড়ি বাজার থেকে পাহাড়ে হাঁটার উপযোগী ভালো গ্রিপের স্যান্ডেল আর অন্যান্য প্রয়োজনীয় টুকিটাকি জিনিসপত্র কিনে নিন। রোয়াংছড়ি থেকে প্রথমে যেতে হবে ২৭ কিলোমিটার দূরের রনিনপাড়া। যাওয়ার উপায় ঢাকা থেকে বান্দরবানের বাসে করে বান্দরবান নেমে ফ্রেস হয়ে রোয়াংছড়িগামী লোকাল বাসে চেপে রোয়াংছড়ি বাসস্যান্ডে নামতে হবে। আগে থেকেই গাইড ঠিক করে রাখলে গাইড আপনাদের জন্যে বাস স্ট্যান্ডে অপেক্ষা করবে। রোয়াংছড়ি বাজার থেকে পাহাড়ে হাঁটার উপযোগী ভালো গ্রিপের স্যান্ডেল আর অন্যান্য প্রয়োজনীয় টুকিটাকি জিনিসপত্র কিনে নিন। রোয়াংছড়ি থেকে প্রথমে যেতে হবে ২৭ কিলোমিটার দূরের রনিনপাড়া।<br><br>রনিনপাড়া থেকে সিপ্পির দিকে যাত্রা শুরু করতে হবে পরের দিন খুব সকালে কেননা দেরী করে রওনা দিলে রোদের তাপে ভুগতে হবে। রনিনপাড়া থেকে সিপ্পি যেতে আসতে সব মিলিয়ে ৮ ঘন্টার মত সময় লাগে। রনিনপাড়া থেকে ঘন্টা খানেক হাঁটার পরে পৌছে যাবেন দেবাছড়াপাড়ায়। সাথে করে নিয়ে যাওয়া খাবার এখানে রান্না করে খেয়ে নিতে পারেন, যেমন- নুডুলস/স্যুপ ইত্যাদি। এর পরের রাস্তাটুকু আরও দূর্গম এবং ঘন জঙ্গলে ঢাকা। তাই ম্যাচেটি দিয়ে কেটে কেটে আগাতে হয়। প্রায় ৪-৪ঃ৩০ ঘন্টা হাঁটার পরে সিপ্পির চূড়ায় পৌছে যেতে পারবেন।<br><br><strong>কোথায় থাকবেন </strong><br>বান্দরবান শহরে থাকার অনেক আবাসিক হোটেল আছে। রোয়াংছড়িতে দুইটি আবাসিক হোটেল আছে। রুমা বাজারে কয়েকটি আবাসিক হোটেল আছে। পাহাড়ের ভিতরে আদিবাসীদের ঘরে থাকতে পারবেন।<br><br><strong>কোথায় খাবেন </strong><br>বান্দরবান শহরে, রোয়াংছড়ি ও রুমা বাজারে খাবার হোটেল আছে। পাহাড়ে আদিবাসীদের ঘরে নিজেদের রান্না করে খেতে হবে। যাবার সময় তেল মসলা আলু পিঁয়াজ নিয়ে যেতে হবে।</p>
<p>The post <a href="https://sicgroup.ae/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%82/">সিপ্পি আরসুয়াং</a> appeared first on <a href="https://sicgroup.ae">SIC Group</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://sicgroup.ae/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%82/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
